টপিকঃ শহীদ তাজউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

Re: শহীদ তাজউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

এমন ই হয়। কেউ কথা রাখেনা । কি বিচিত্র এই দেশ!!!

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মাসুদ৩০১১ (২৭-০৭-২০০৯ ১৫:২২)

Re: শহীদ তাজউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

Re: শহীদ তাজউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

Re: শহীদ তাজউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

Re: শহীদ তাজউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

ধন্যবাদ! ওনার মেয়ের সাথে যোগাযোগের একটা উপায় পাওয়া গেছে! দেখি সেভাবেই পাওয়া যায় কিনা!

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন সৈকত০০৭ (০২-০৯-২০০৯ ০৫:১৯)

Re: শহীদ তাজউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

নির্মোহ রাজনীতিবিদের বর্তমান ও ইতিহাসের প্রেক্ষাপট থেকে এইভাবে হারিয়ে যাওয়া এই নতুন নয়।
এই বিচ্ছিন্ন ঘটনা গুলো দেশের রাজনীতির সুভ্র মোড়কের আড়ালে থাকা সেই সকল অশুভ দেশী ও বিদেশী শক্তির জানান দেয়, যেই অশুভ শক্তিরা এই দেশের পেছনে পড়ে থাকার সবচেয়ে বড় এবং প্রধান কারন।

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

Re: শহীদ তাজউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

Re: শহীদ তাজউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

১০

Re: শহীদ তাজউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

১১

Re: শহীদ তাজউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

১২

Re: শহীদ তাজউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

অল্প কিছু শব্দের মাধ্যমে অনেক সওয়াব পেতে হাদীস অনুযায়ী নিচের শব্দগুলোই যথেষ্ট।
সুবহানাল্লাহ,আলহামদুলিল্লাহ,লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার ।
অর্থ:-  আল্লাহু সুমহান , আল্লাহ-র জন্যই সমস্ত প্রশংসা,আল্লাহু ছাড়া কোনো ইলাহ নেই,আল্লাহ বিরাট ( মহান ) ।

imran ahmed'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৩ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন problogger99 (০৯-০৯-২০০৯ ১৫:০৪)

Re: শহীদ তাজউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

১৪

Re: শহীদ তাজউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

কোডার ভাইকে ধন্যবাদ। অনেক মূল্যবান এবং অজানা তথ্য শেয়ার করার জন্য।

১৫

Re: শহীদ তাজউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

বাংলাদেশ আওয়ামীলীগে তাজউদ্দিন নামের বিরোধীতা করা মানেই শেখ নামের প্রতি সন্মান আর তাদের আস্থা অর্জন। আর আওয়ামীলীগেও বরাবরই তাজউদ্দিন নামের বিরোধীরাই ভাল অবস্থানে থেকেছেন। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ আজ যেন শেখ পরিবারের সম্পদ। ৭১-এ মোশতাক মনি রা তাজউদ্দিন আহমেদের বিরোধিতা করেছেন, ৮১তে আমু ইলিয়াস রা জোহরা তাজউদ্দিন আর ২০০৯-এ সেলিম সাহারা সোহেল তাজ। এই বিরোধিতার পুরস্কার ও তারা ঐ সময়ে পেয়েছেন। আর ওই সকল নির্বুদ্ধিতার ফলও শেখ পরিবার খুব নিদারুন ভাবে ভোগ করেছেন। আল্লাহ না করুক হাসিনা যেভাবে পা চাটাদের প্রশ্রয় দিতাছেন তাতে আরেকটা ৭৫ না আবার ঘটে যায়।
৭১ এ মোশতাক এর বংগবন্ধুর জন্য কান্না আর মক্কায় চলে যাওয়ার ইচ্ছার কথা  শুনে বংগবন্ধু তাকে পররাস্ট্র মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব দিয়েছিলেন। আর বংগবন্ধুর মুক্তির বিনিময়ে পাকিস্তানের সাথে আপষে রাজি না হওয়ার হয়ত তাজউদ্দিনের উপর নাখোশ হয়েছিলেন(অজানা)।
৭১-এ মোশতাক কে মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিষোধ মোশতাক নিয়েছেন ।৭৫-এর নভেম্বরে টানা ব্রাশফায়ারে একমাত্র তাজউউদ্দিন মারা যান নি মরার আগে একবার পানি খেতে চেয়েছিলেন ঘাতক তার বদলে তাকে দিয়েছিল বুকে বেয়নেটের খোচা।


তার রাজনৈতিক দুরদর্শিতার আরেকটি প্রমান পাওয়া যায় ৭১ এর জুলাইয়ে শিলিগুরিতে আওয়ামীলীগের কাউন্সিলের তার সেই বিখ্যাত ভাষনে  যেই ভাষন মোসতাকের পাকিস্থান রক্ষার সপ্ন ভেঙ্গে দেয়।
ভাষন টি>


“আমরা স্বাধীনতা চাই। স্বাধীনতা পেলেই বঙ্গবন্ধুকে আমাদের মাঝে পাব। বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য যদি খোদা না করুন, বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু হয় পাকিস্তানি হানাদারদের হাতে, তাইলে বঙ্গবন্ধু শহীদ হয়েও স্বাধীন বাঙ্গালী জাতির ইতিহাসে অমর ও চিরঞ্জীব হয়ে থাকবেন। তিনি একটি নতুন জাতির জনক হিসেবে ইতিহাসে স্বীকৃত হবেন। ব্যক্তি মুজিব, ব্যক্তি নজরুল, তাজউদ্দীন, কামরুজ্জামান কেউ হয়ত বেঁচে থাকবেন না। একদিন না একদিন আমাদের সকলকেই মরতে হবে। বঙ্গবন্ধুকেও মরতে হবে। আমরা চিরদিন কেও বেঁচে থাকব না।
আল্লাহর পিয়ারা দোস্ত, আমাদের নবী(সঃ) ও চিরদিন বেঁচে থাকেন নি। কিন্তু তিনি তাঁর প্রচারিত ধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সারা দুনিয়ায় আজ পরম শ্রদ্ধার আসনে অধিষ্ঠিত রয়েছেন। তেমনি, আমরা যদি বাঙ্গালী কে একটি জাতি হিসেবে বিশ্বের বুকে প্রতিষ্ঠা করতে পারি, আমরা যদি বিশ্বের মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক আরেকটি রাষ্ট্রের মানচিত্র স্থাপন করতে পারি, তাইলে সেই স্বাধীন জাতি এবং নতুন রাষ্ট্রের মানচিত্রে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রভাত সূর্যের মত উজ্জ্বল হয়ে থাকবেন।
আমরা যখন বাংলাদেশ ছেড়ে যার যার পথে ভারত চলে আসি, তখন কিন্তু জানতম না বঙ্গবন্ধু জীবিত আছেন, না শহীদ হয়েছেন। ভারতে এসে দেখা না হওয়া পর্যন্ত আমিও জানতাম না সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মনসুর আলী কিংবা হেনা সাহেব(কামরুজ্জামান) জীবিত আছেন কিনা। আমি নিজেও বাঁচতে পারব এ কথাটি একবারও ভাবতে পারি নি। এখানে আসার পর যতক্ষন পর্যন্ত পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ঘোষনা না করেছে যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব তাদের কাছে বন্দী আছেন, ততক্ষন পর্যন্ত আমি মনে করতে পারি নি তিনি জীবিত আছেন। পাকিস্তানি জল্লাদ বাহিনীর কামান, বন্দুক,ট্যাঙ্ক, মেশিনগানের গোলাগুলির মধ্যে বঙ্গবন্ধু আর বেঁচে নেই একথা ভেবে এবং সম্ভবত মেনে নিয়েই তো আমরা নিজ নিজ প্রাণ নিয়ে চলে এসেছি।
বঙ্গবন্ধু মুজিবের ছায়া হয়ে তার পাশে আজীবন রাজনীতি করেছি, জেলে থেকেছি। তিনি আমাদের শিক্ষা দিয়েছেন দেশের জন্য জীবন দিতে। তিনি নিজেও বারবার বাংলার পথে প্রান্তরে বলেছেন, বাংলার মানুষের মুক্তির জন্য জীবন দিতে তিনি কুন্ঠিত নন। আজ যদি বঙ্গবন্ধু মুজিবের জীবনের বিনিময়ে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পাই, তাহলে সেই স্বাধীন বাংলাদেশের মধ্যেই আমরা পাব বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কে। আমি নিশ্চিত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কিছুতেই পাকিস্তানিদের কাছে তার নীতি ও আদর্শের প্রশ্নে আপোষ করবেন না, আত্মসমর্পন করবেন না এবং করতে পারেন না। এটাই আমার প্রথম ও শেষ বিশ্বাস।
বাংলাদেশ যদি আজ এত রক্তের বিনিময়েও স্বাধীন না হয়, তাহলে বাংলাদেশ চিরদিনের জন্য পাকিস্তানি দখলদারদের দাস ও গোলাম হয়ে থাকবে। পূর্ব পাকিস্তানীর মর্যাদাও বাঙ্গালী কোনদিন আর পাকিস্তানীদের কাছে পাবে না। প্রভুভক্ত প্রাণীর মত আমরা যতই আনুগত্যের লেজ নাড়ি না কেন, পাকিস্তানীরা পূর্ব পাকিস্তানীদের আর বিশ্বাস করবে না, বিশ্বাস করার কোন প্রশ্নই উঠে না। আর এই অধিকৃ্ত পূর্ব পাকিস্তানে যদি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব পাকিস্তানের প্রেসেডিন্ট হয়েও আসেন, তবু তিনি হবেন পাকিস্তানের গোলামীর জিঞ্জির পরান এক গোলাম মুজিব।
বাংলাদেশের জনগন কোনদিন সেই গোলাম শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব বলে গ্রহন করবে না, মেনে নিবে না। আমার স্থির বিশ্বাস বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর পাকিস্তানীদের কাছে নতি স্বীকার করবেন না। বাঙ্গালী জাতির গলায় গোলামীর জিঞ্জির পরিয়ে দেবার পরিবর্তে তিনি নিজে বরং ফাঁসীর রজ্জু গলায় তুলে নেবেব হাসিমুখে। এটাই আমার বিশ্বাস। বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে এটাই আমার ঈমান। এ মূহর্তে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ছাড়া, আমাদের অস্তিত টিকিয়ে রাখার আর কোন বিকল্প নেই। বাঙ্গালীকে বাঁচিয়ে রাখার জন্যই, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব কে বাঁচিয়ে রাখার জন্য স্বাধীনতা চাই। স্বাধী্নতা ছাড়া বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আর কোন অস্তিত্ব নেই, আর পরিচয় নেই। স্বাধীন বাংলাদেশ মানেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। পরাধীন বাংলায় বঙ্গবন্ধু ফিরে আসবেন না। গোলামের পরিচয় নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অধিকৃত পূর্ব পাকিস্তানে ফিরে আসবেন না কোন দিন। জীবনের বিনিময়ে হলেও আমরা বাংলাদেশকে স্বাধীন করব। পরাধীন দেশের মাটিতে আমার লাশও যাতে ফিরে না যায় সে জন্য জীবিতদের কাছে আর্জি রেখে যাই। আমার শেষকথা, যে কোন কিছুর বিনিময়ে আমরা বাংলার মাটিকে দখলদার মুক্ত করব। বাংলার মুক্ত মাটিতে মুক্ত মানুষ হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে আমারা ফিরিয়ে আনব। মুজিব স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশেতে ফিরে আসবেন এবং তাকে আমরা জীবিত অবস্থায় ফিরিয়ে আনব ইনশাল্লাহ। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রাণ রক্ষার জন্য বিশ্ব মানবতার কাছে আমরা আকুল আবেদন জানাচ্ছি”



বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এই নেতার সঠিক ইতিহাস না জানালেও বাংলাদেশের ইতিহাসে সাথে তিনি সবসময় থাকবেন।

একাত্তরের রণাঙ্গন কিছু অকথিত কথা (নজরুল ইসলাম) এই বইয়ে তার ভুমিকা আরো বিস্তারিত আছে।
ভাষন টির জন্য কৃতজ্ঞতা অমি রহমান পিয়াল।

১৬

Re: শহীদ তাজউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

চমৎকার জিনিস দিলেন বাবু ভাই! অনেক ধন্যবাদ! ভাষণটির সারমর্ম আগে জেনেছিলাম আজকে পড়লাম। আহারে! আজকে যদি এরকম কোন নেতা থাকতেন তাহলে আমরা হয়তো কাঙ্খিত স্বপ্নেই পৌঁছে যেতাম।

১৭

Re: শহীদ তাজউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

১৮

Re: শহীদ তাজউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

১৯

Re: শহীদ তাজউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

২০

Re: শহীদ তাজউদ্দীনের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী

তাজউদ্দিনের মত নেতারা আওয়ামীলীগের দ্বারাই উপেক্ষিত হন। শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্থান থেকে ফেরৎ এসে মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিনকে সরিয়ে নিজেই প্রধানমন্ত্রী হন। এবং তাজউদ্দিন হন উপেক্ষিত এবং মোশতাকের মত নেতারা হন পুরস্কিত, এখনও তাই চলছে...........

উত্তরা,ঢাকা