সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন TRIVUz (২০-০২-২০০৯ ০১:৫৩)

টপিকঃ প্রসঙ্গ: জাকির নায়েক মিথ্যাচারী? বিবর্তনবাদ একটি পরিপূর্ণ তত্ত্বের মর্যাদা পেয়েছে?

একটু আগে একটা পোস্টে মন্তব্য হিসেবে দিয়েছিলাম... পোস্ট আকারেও রেখে দিলাম.. আলোচনার সুবিধার্থে।
--
সচলায়তনের 'জাকির নায়েকের মিথ্যাচার: প্রসঙ্গ 'বিবর্তন''  শিরোনামের একটা লেখা নিয়ে আলোচনা চলছে দেখলাম।
মনোযোগ দিয়ে লেখাটা পড়েছি। উনি আরেকজনের ভুল ধরতে গিয়ে নিজেই অসংখ্য অসঙ্গতি সৃষ্টি করে রেখেছেন। প্রথমেই ঐ লেখা থেকে একটা অংশ কোট করি-

তিনি বলেছেন-

"অন্তত এটুকু জানি যে, বিংশ শতকের প্রথমার্ধের মধ্যেই বিবর্তনবাদ একটি পরিপূর্ণ তত্ত্বের মর্যাদা পেয়েছে এবং এ নিয়ে বর্তমানে জীববিজ্ঞানীদের মধ্যে কোন সংশয় নেই।"

তার এই কথাটা মোটেও ঠিক নয়। আলোচ্য লেখকেরই বিবর্তনবাদ সম্পর্কে তেমন ধারনা নেই বলে মনে হয়েছে। তবে তিনি এর উপরেই একটা তথ্য দিয়েছেন-

"দ্বিজেন শর্মা ও বন্যা আহমেদের বই, এবং ইন্টারনেটে বিবর্তন বিষয়ক প্রচুর তথ্যের বদৌলতে আমি এ সম্পর্কে কিছুটা হলেও জানি। "

এই হলো উনার বিবর্তনবাদ সম্পর্কে এত শক্ত ধারনার সোর্স... তবে নিচে এক জায়গায় লিখেছেন-

"বিবর্তন বিষয়ে আমি কিছুটা জানতাম, তাই তার কথাগুলো odd লেগেছে। কিন্তু যে বিষয়ে খুব বেশী কিছু জানি না, সে বিষয়ে তার কথা শুনলে হয়ত মোটেও odd লাগতো না। হয়ত বাস্তবতার সাথে সেগুলোকে মিলিয়ে দেখার চেষ্টাই করতাম না।"

কিছুটা জেনে এতকিছু লিখে ফেলা বোকামী। এটা সম্ভবত তিনি জানেন না। আর তিনি যেভাবে ইন্টারনেটের তথ্যকে শক্তভাবে আঁকড়ে ধরেছেন (বলেছেন ইন্টারনেট থেকে তিনি বিবর্তনবাদ সম্পর্কে অনেক কিছু জেনেছেন) সেখানে তার তথ্যগত ভ্রান্তির সম্ভবনাই প্রবল। সেকারণেই সম্ভবত উচ্চারণ আর বানানগত ভুল দিয়ে জাকির নায়েককে মিথ্যাবাদী বানিয়ে ফেলেছেন।  তবে জাকির নায়েককে মিথ্যাবাদী বলার পেছনে তার সবচাইতে শক্তিশালী বক্তব্য হচ্ছে-
"গ্যালিলিওর পড়ন্ত বস্তুর সূত্র যতটা সত্য বিবর্তনবাদও ঠিক ততটাই সত্য। কিন্তু, ইদানিং লোকমুখে শুনছি, জাকির নায়েক নাকি এই জাজ্জ্বল্যমান সত্যকে মিথ্যা বলেছেন, শুধু বলেই ক্ষান্ত হননি, সাধারণ মানুষের কাছে এটাকে মিথ্যা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার মিশনে নেমেছেন।"

ফানি!
আর কিছু বলার দরকার নাই.. সময়ও নাই আপাতত। তবে এই বিষয়ক কয়েকটা লিংক রেখে যেতে পারি...
http://booksuread.com/idforums/viewtopic.php?id=620
http://www.somewhereinblog.net/blog/mas … e/28891097
http://www.somewhereinblog.net/blog/mas … e/28892936

পরে কখনো সময় হলে উনার বক্তব্যে অসঙ্গতিগুলো তুলে ধরে একটা পোস্ট দেব... আপাতত সবাই ভাল থাকুন।

আমি আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই....

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েক মিথ্যাচারী? বিবর্তনবাদ একটি পরিপূর্ণ তত্ত্বের মর্যাদা পেয়েছে?

আসলে অল্প বিদ্যা ভয়ংকর।

সবকিছুর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি, এমনকি মৃত্যুর জন্যও...
রয়েল টেকনোলজি | সমকাল দর্পণ | আমার ফেসবুক প্র্রোফাইল | আমার ফেসবুক পেজ | আমার গুগল+

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েক মিথ্যাচারী? বিবর্তনবাদ একটি পরিপূর্ণ তত্ত্বের মর্যাদা পেয়েছে?

জাকির নায়েকের ভিডিও আমি খুব কমই দেখেছি। যে কয়টা দেখেছি তাতে কোনো অসঙ্গতি পাইনি। সচলায়তনের পোস্টি আমিও পড়েছি। লেখকের কথায় কিছু অসঙ্গতি ছিল।
ত্রিভুজ ভাই, আরো বিস্তারিত কিছু বললে আমরা সাধারণ পাঠকবৃন্দ কৃতজ্ঞ থাকব।

আরাফাত রহমান
Web Application Developer
চি‌ৎকার করতে করতে গলাটা ফাইট্টা গেছে (প্রজন্ম ফোরামে)

আরাফাত'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আলমগীর (২০-০২-২০০৯ ১৭:৫৯)

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েক মিথ্যাচারী? বিবর্তনবাদ একটি পরিপূর্ণ তত্ত্বের মর্যাদা পেয়েছে?

১. বিবর্তনবাদ (খেয়াল করুন -বাদ) গণিত বা পদার্থবিদ্যার মতো কোন তত্ব নয়। এ নিয়ে সাদাদের মধ্যেও বিতর্ক আছে যে ডারউইনের কথা কি মতবাদ না তত্ত্ব। ভবিষ্যতে কী হবে বিবর্তনবাদ সে সম্পর্কে কোন আগাম ধারণা দেয় না বলেই জানি, সেদিক বিবেচনায় এটি তত্ত্ব হওয়ার পথে বাধা।

২. উনি বিবর্তনবাদ জানেন  না বা অল্প জানেন বলে যে লেখাটুকু উল্লেখ করেছেন, তার অর্থ করতে একটু বিভ্রান্তি হয়েছে। উনি অল্প জানতেন, তারপর পড়াশোনা করেই জাকির নায়েকের সমালোচনা করেছেন। উনি আগাগোড়া কিছুই জানেন না এটা ঠিক নয়, বিশেষত যদি তার আগের কোন লেখার সাথে পরিচিত হন।

৩. গ্যালিলওর সূত্রের মতো বিবর্তনবাদ সত্য নয়। এটা উনার বাড়িয়ে বলা।

৪. আপনার দেয়া তিনটা লিংকের পরের দুটো পড়লাম। প্রথমটাতে বিবর্তন নিয়ে কোন কথা পেলাম না, কেবল নাস্তিক্যবাদের বিরোধী আলোচনা। শেষ লিংকটাতে কিছু আছে। লেখক নিজেও অনেকটা জাকির নায়েকের মতো অর্থ করছেন: থিওরি আর হাইপোথেসিস এক না। রাত-দিন পার্থক্য। অন্তত পদার্থবিদ/গণিতবিদ/পরিসংখ্যানবিদদেরর কাছে থিওরি মানে যা গাণিতিকভাবে প্রমাণিত। যা দিয়ে ভবিষ্যতের ঘটনার অনুমান করা যাবে। যেমন, প্লেন দুর্ঘটনায় মানুষের মারা যাবার সম্ভাবনা ধরা যাক ১০০ ভাগ, পদার্থবিদ্যার সংশ্লিষ্ট সব সূত্রের আলোকই। তার মানে এই না যে বাস্তবে প্লেন দুর্ঘটনায় মানুষ বেঁচে যায় না।

যিনি থিওরি আর হাইপোথেসিসের পার্থক্য করতে পারেন না, তার আলোচনার গভীরতা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে।

৫. বির্বতন বাদ সত্য হোক আর মিথ্যে হোক এটা বর্তমানের অনেক কিছুকে ভালমতো ব্যাখ্যা করতে পারছে। যখন নতুন কোন হাইপোথেসিস বা থিওরি আসবে যা সে সময়ের ঘটনার আরো ভাল ব্যাখ্যা দিতে পারবে তখন ডারউইনের এ তত্ত্ব বর্জিত হবে। এতে সন্দেহের কোন কিছু নেই।

৬. ধর্মে এবং ধর্মগ্রন্থে বিশ্বাস একান্ত ব্যক্তিগত। এই বিশ্বাস স্থাপনের জন্য যদি যুক্তি বা বৈজ্ঞানিক প্রমাণের দরকার হয়, তাহলে ইসলাম ধর্মের কথা অনুসারে আমরা বলি ঈমান দুর্বল। যারা বিজ্ঞান দিয়ে ধর্মের মাহাত্ম প্রমাণ করতে চায় তাদের উদ্দ্যেশ্য ভাল হয় না। আগেই বলেছি ধর্মে কোন যু্ক্তির স্থান নেই। মানলে মান নাইলে নাই।

জাকির নায়েকের কথা কেন অগ্রহণযোগ্য:
ধরা যাক, কোরানের কথা মতো আমরা বিশ্বাস করি আদম হচ্ছে সরাসরি প্রথম সৃষ্টি। এখন কোরানে আদমের গায়ের রঙ, উচ্চতা, স্বাস্থ্য এগুলো তো বলে দেয়া নাই (বা ধরুন আমি পাইনি)। তাহলে  প্রশ্ন হলো, কেন আফ্রিকার মানুষ কালো, ইউরোপের সাদা, আমরা ইন্ডিয়ান উপমহাদেশের মানুষ সংকর, বা বিভিন্ন দ্বীপের লোকজন খুব শক্ত/বৃহৎ দেহের অধিকারী? কোরান এই প্রশ্নের উত্তর দেয় না। এরকম আরো সহস্র প্রশ্ন আছে যার উত্তর নেই। এখন কোরান বিশ্বাস করি বলে কি এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা যাবে না?  কোরান তো স্রষ্টার সৃষ্টি সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ করতেই বলে। ডারউইনের মতবাদ বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।

ডারউইনের বিবর্তন মতবাদ যদি কিছু প্রশ্নের জবাব দেয় সেগুলো মানতে হলে কি ধর্ম ত্যাগ করতে হবে? আরো স্পষ্ট করে বললে, জাকির নায়েকের সেই ভিডিও দেখে, আমাদের ধর্মবিশ্বাস কি বেড়ে গেল? যদি না যায়, তবে আমার মত হলো এসব বক্তব্য অপ্রয়োজনীয়। ধর্ম মানার জন্য কোন ফ্যাক্ট খোঁজতে হবে না, বিবর্বতনবাদ ভুলও এটাও প্রমাণ করতে হবে না।

ধর্মের সাথে আপাত সাংঘর্ষিক হলেই তার মাথা কাটতে হবে না। বিগ-ব্যাং নিয়েও এসব হয়েছে। কোরানের মতে ৬দিনে পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে, পরে কোন কোন তফসীরকারক সেই আরশী দিনকে আমাদের পৃথিবীর কয়েক হাজার বছের সমতুল্য বলেছেন। এখন মনে হচ্ছে আবার ধার্মিক দিক থেকে বিগ-ব্যাং থিওরি মেনে নিয়েছে অনেকে। ভুলবেন না, বিং-ব্যাং থিওরি কিন্তু একাধিকবার সংশোধিত হয়েছে। কাজেই হঠাত করেই কোন উপসংহারে যাওয়ার দরকার নেই। সময়েই সব জানা যাবে। আমরা না জানতে পারি, ভবিষ্যত প্রজন্ম জানতে পারবে।
-----
দয়া করে এ লেখায় কেউ ধর্মকে নিয়েই তর্ক শুরু করবেনা না।

শুভেচ্ছা।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মিলন (২০-০২-২০০৯ ১৮:০১)

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েক মিথ্যাচারী? বিবর্তনবাদ একটি পরিপূর্ণ তত্ত্বের মর্যাদা পেয়েছে?

এমন কি হতে পারেনা যে,আমরা আগে সবাই (মানুষ+ বানর ) মানুষই ছিলাম ,পরে ক্রমান্বয়ে বিবতির্ত হতে হতে আমাদের একটি অংশ বানর হয়ে গেল।তাহলে তো সব যন্ত্রনা শেষ হয়ে যায়।

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েক মিথ্যাচারী? বিবর্তনবাদ একটি পরিপূর্ণ তত্ত্বের মর্যাদা পেয়েছে?

lollol
ভাল বলেছেন। কিন্তু ডারউইন তো কেবল মানুষ নিয়ে বলে না। সব প্রাণী নিয়েই বলে। কোরানের সাথে বিরোধ হচ্ছে কিছু কিছু জায়গায়। যেমন, কোরানের কথা আল্লাহ প্রত্যেক জীবকে জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু জীববিজ্ঞানে আমরা পড়েছি কিছু প্রাণী উভলিংগ হতে পারে, আবার অনেক প্রানী শ্রেফ শরীরের অংশ থেকে সন্তানের জন্ম দেয়।

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েক মিথ্যাচারী? বিবর্তনবাদ একটি পরিপূর্ণ তত্ত্বের মর্যাদা পেয়েছে?

ধর্মে এবং ধর্মগ্রন্থে বিশ্বাস একান্ত ব্যক্তিগত। এই বিশ্বাস স্থাপনের জন্য যদি যুক্তি বা বৈজ্ঞানিক প্রমাণের দরকার হয়, তাহলে ইসলাম ধর্মের কথা অনুসারে আমরা বলি ঈমান দুর্বল। যারা বিজ্ঞান দিয়ে ধর্মের মাহাত্ম প্রমাণ করতে চায় তাদের উদ্দ্যেশ্য ভাল হয় না। আগেই বলেছি ধর্মে কোন যু্ক্তির স্থান নেই। মানলে মান নাইলে নাই।

দয়া করে এ লেখায় কেউ ধর্মকে নিয়েই তর্ক শুরু করবেনা না।

thumbs_upthumbs_up(y)(y)

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েক মিথ্যাচারী? বিবর্তনবাদ একটি পরিপূর্ণ তত্ত্বের মর্যাদা পেয়েছে?

আলমগীর লিখেছেন:

lol:lol:
ভাল বলেছেন। কিন্তু ডারউইন তো কেবল মানুষ নিয়ে বলে না। সব প্রাণী নিয়েই বলে। কোরানের সাথে বিরোধ হচ্ছে কিছু কিছু জায়গায়। যেমন, কোরানের কথা আল্লাহ প্রত্যেক জীবকে জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু জীববিজ্ঞানে আমরা পড়েছি কিছু প্রাণী উভলিংগ হতে পারে, আবার অনেক প্রানী শ্রেফ শরীরের অংশ থেকে সন্তানের জন্ম দেয়।

ভাই এতেও তো কোন সমস্যা দেখছি না।হয়ত তিনি উভলিংগ প্রাণী সমুহও জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (২০-০২-২০০৯ ১৯:৪০)

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েক মিথ্যাচারী? বিবর্তনবাদ একটি পরিপূর্ণ তত্ত্বের মর্যাদা পেয়েছে?

মিলন লিখেছেন:
আলমগীর লিখেছেন:

lol:lol:
ভাল বলেছেন। কিন্তু ডারউইন তো কেবল মানুষ নিয়ে বলে না। সব প্রাণী নিয়েই বলে। কোরানের সাথে বিরোধ হচ্ছে কিছু কিছু জায়গায়। যেমন, কোরানের কথা আল্লাহ প্রত্যেক জীবকে জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু জীববিজ্ঞানে আমরা পড়েছি কিছু প্রাণী উভলিংগ হতে পারে, আবার অনেক প্রানী শ্রেফ শরীরের অংশ থেকে সন্তানের জন্ম দেয়।

ভাই এতেও তো কোন সমস্যা দেখছি না।হয়ত তিনি উভলিংগ প্রাণী সমুহও জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন।

উভলিঙ্গ প্রাণীসমূহ জোড়ায় জোড়ায় কিভাবে হয় একটু বিশদ বুঝিয়ে বলবেন কি? thinkingconfused

Calm... like a bomb.

১০

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েক মিথ্যাচারী? বিবর্তনবাদ একটি পরিপূর্ণ তত্ত্বের মর্যাদা পেয়েছে?

একই রকম আলোচনায় দুটো টপিকের কোন প্রয়োজন দেখছি না। টপিকটি পূর্বের টপিকের সাথে মার্জ করা হবে!

@ত্রিভুজ:
আপনার প্রথম পোস্টটি কি আগের টপিকে'র ৪৩ নম্বর পোস্ট এডিট করে দেব নাকি আলাদা পোস্ট হিসেবে দেব?

ধন্যবাদ।

[img]http://twitstamp.com/thehungrycoder/standard.png[/img]
what to do?

১১

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েক মিথ্যাচারী? বিবর্তনবাদ একটি পরিপূর্ণ তত্ত্বের মর্যাদা পেয়েছে?

দুই পক্ষ তর্ক বিতর্ক করে। মধ্যে আমি বসে এগুলো দেখি ভালোই লাগে। big_smile

১২

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েক মিথ্যাচারী? বিবর্তনবাদ একটি পরিপূর্ণ তত্ত্বের মর্যাদা পেয়েছে?

মিলন লিখেছেন:
আলমগীর লিখেছেন:

lol:lol:
ভাল বলেছেন। কিন্তু ডারউইন তো কেবল মানুষ নিয়ে বলে না। সব প্রাণী নিয়েই বলে। কোরানের সাথে বিরোধ হচ্ছে কিছু কিছু জায়গায়। যেমন, কোরানের কথা আল্লাহ প্রত্যেক জীবকে জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন। কিন্তু জীববিজ্ঞানে আমরা পড়েছি কিছু প্রাণী উভলিংগ হতে পারে, আবার অনেক প্রানী শ্রেফ শরীরের অংশ থেকে সন্তানের জন্ম দেয়।

ভাই এতেও তো কোন সমস্যা দেখছি না।হয়ত তিনি উভলিংগ প্রাণী সমুহও জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছেন।

রেফারেন্স দেনতো, একটু পড়ে দেখি।

১৩

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েক মিথ্যাচারী? বিবর্তনবাদ একটি পরিপূর্ণ তত্ত্বের মর্যাদা পেয়েছে?

মজা লাগে আবার কষ্ট্ও পাই।

বিবর্তনবাদ একটা তত্ব। আর সাধারণত তত্ব হল যেগুলা পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করা সম্ভব না এবং আনুমানিক সিদ্ধান্ত নিলে যা আমরা সবাই বিনা তর্কে মেনে নেই। কারণ কারও বাপের সাধ্য নাই ওই তত্ব অতীতে গিয়া পরীক্ষা করা।


কিন্তু এই তত্বকে নিয়া যখন দেখি কিছু গাধারা ওই তত্বকে বাইবেলের বাপ বলিয়া সম্বোধন করে তখন হৃদয়ে রক্তক্ষরন হয়।

১৪

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েক মিথ্যাচারী? বিবর্তনবাদ একটি পরিপূর্ণ তত্ত্বের মর্যাদা পেয়েছে?

আমি ভাই এ ব্যাপারে তেমন কিছু বুঝিনা। তবে সহজ সরল ভাষায় যতটুকু বুঝি তা হল: মানুষ যদি বানর থেকেই আসে তাহলেতো বর্তমানে বানরের অস্তিত্ব থাকার কথা নয়।

১৫

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েক মিথ্যাচারী? বিবর্তনবাদ একটি পরিপূর্ণ তত্ত্বের মর্যাদা পেয়েছে?

শামস লিখেছেন:

আমি ভাই এ ব্যাপারে তেমন কিছু বুঝিনা। তবে সহজ সরল ভাষায় যতটুকু বুঝি তা হল: মানুষ যদি বানর থেকেই আসে তাহলেতো বর্তমানে বানরের অস্তিত্ব থাকার কথা নয়।

clap clapসহমত

১৬ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন অয়ন খান (২৬-০৯-২০০৯ ২১:৫৮)

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েক মিথ্যাচারী? বিবর্তনবাদ একটি পরিপূর্ণ তত্ত্বের মর্যাদা পেয়েছে?

সচলায়তনের পোস্টটি অনেক আগেই পড়েছি। আর আজ ত্রিভুজ ভাইয়ের টপিকটিও পেয়ে গেলাম। ধন্যবাদ Zelal ভাইকে টপিকটি বাম্প করার জন্য।

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৭

Re: প্রসঙ্গ: জাকির নায়েক মিথ্যাচারী? বিবর্তনবাদ একটি পরিপূর্ণ তত্ত্বের মর্যাদা পেয়েছে?

আলমগীর লিখেছেন:

জাকির নায়েকের কথা কেন অগ্রহণযোগ্য:
ধরা যাক, কোরানের কথা মতো আমরা বিশ্বাস করি আদম হচ্ছে সরাসরি প্রথম সৃষ্টি। এখন কোরানে আদমের গায়ের রঙ, উচ্চতা, স্বাস্থ্য এগুলো তো বলে দেয়া নাই (বা ধরুন আমি পাইনি)। তাহলে  প্রশ্ন হলো, কেন আফ্রিকার মানুষ কালো, ইউরোপের সাদা, আমরা ইন্ডিয়ান উপমহাদেশের মানুষ সংকর, বা বিভিন্ন দ্বীপের লোকজন খুব শক্ত/বৃহৎ দেহের অধিকারী? কোরান এই প্রশ্নের উত্তর দেয় না। এরকম আরো সহস্র প্রশ্ন আছে যার উত্তর নেই। এখন কোরান বিশ্বাস করি বলে কি এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজা যাবে না?  কোরান তো স্রষ্টার সৃষ্টি সম্পর্কে জ্ঞান আহরণ করতেই বলে। ডারউইনের মতবাদ বেশ কিছু প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে।

ডারউইনের বিবর্তন মতবাদ যদি কিছু প্রশ্নের জবাব দেয় সেগুলো মানতে হলে কি ধর্ম ত্যাগ করতে হবে? আরো স্পষ্ট করে বললে, জাকির নায়েকের সেই ভিডিও দেখে, আমাদের ধর্মবিশ্বাস কি বেড়ে গেল? যদি না যায়, তবে আমার মত হলো এসব বক্তব্য অপ্রয়োজনীয়। ধর্ম মানার জন্য কোন ফ্যাক্ট খোঁজতে হবে না, বিবর্বতনবাদ ভুলও এটাও প্রমাণ করতে হবে না।

ধর্মের সাথে আপাত সাংঘর্ষিক হলেই তার মাথা কাটতে হবে না। বিগ-ব্যাং নিয়েও এসব হয়েছে। কোরানের মতে ৬দিনে পৃথিবী সৃষ্টি হয়েছে, পরে কোন কোন তফসীরকারক সেই আরশী দিনকে আমাদের পৃথিবীর কয়েক হাজার বছের সমতুল্য বলেছেন। এখন মনে হচ্ছে আবার ধার্মিক দিক থেকে বিগ-ব্যাং থিওরি মেনে নিয়েছে অনেকে। ভুলবেন না, বিং-ব্যাং থিওরি কিন্তু একাধিকবার সংশোধিত হয়েছে। কাজেই হঠাত করেই কোন উপসংহারে যাওয়ার দরকার নেই। সময়েই সব জানা যাবে। আমরা না জানতে পারি, ভবিষ্যত প্রজন্ম জানতে পারবে।

সহমত।

লেখাটি CC by-nd 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত