টপিকঃ তাঁরা গুণীজন

এপার বাংলা এবং এপার বাংলা দুই বাংলাতেই এমন অনেক গুণী ব্যক্তি আছেন যারা নিজ নিজ জ্ঞান ও প্রতিভার মাধ্যমে শুধু এই উপমহাদেশে নয় সারা বিশ্বে পরিচিতি লাভ করেছেন। আমি এই টপিকের মাধ্যমে সেইসব গুণীজনদের মধ্য হতে কয়েকজনকে তুলে ধরার চেষ্টা করব।  মানে তাদের পরিচিতিটা আপনাদের জানাব।
## আপনাদের মতামতের অপেক্ষায় রইলাম।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মহসিন (১৫-০২-২০০৯ ২৩:০৯)

Re: তাঁরা গুণীজন

প্রথমেই ভাষা শহীদদের নিয়ে শুরু করছি....................

আবদুল জব্বার

http://rongmohol.info/uploads/3_thumb-abdul_jabbar.jpg
(আশ্বিন ২৬, ১৩২৬ বাংলা, ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দ - ফেব্রুয়ারি ২১, ১৯৫২)
ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ। তাঁর শহীদস্মৃতি পরবর্তীকালে বাঙালি জাতিকে জাতীয় চেতনা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। এ চেতনার বলেই ১৯৭১ সালের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়।

জন্মঃ পাঁচাইর গ্রাম, গফরগাঁও, ময়মনসিংহ জেলা।

আবদুল জব্বারের পিতার নাম আবদুল কাদের। স্থানীয় পাঠশালায় কিছুকাল অধ্যয়নের পরে দারিদ্রের কারনে লেখাপড়া ত্যাগ করে পিতাকে কৃষিকাজে সাহায্য করেন। পনের বছরে নিজ খেয়ালে সবার অজান্তে গৃহত্যাগ করেন। নারায়গঞ্জে এসে সেখানে জাহাজ ঘাটে এক ইংরেজ সাহেবের সান্নিধ্যে আসেন। সাহেব তাঁকে একটি চাকরি দিয়ে বার্মায় পাঠান। সেখানে দশ-বারো বছর অবস্থান করেন। এরপর দেশে ফিরে আসেন এবং আমেনা খাতুন নামে এক যুবতীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এক পুত্রের জন্ম হওয়ার কিছুকাল পরে তার শাশুড়ি ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। শাশুড়িকে নিয়ে ১৯৫২ সালের ২০শে ফেব্রুয়ারী ঢাকায় আসেন। পরের দিন ২১শে ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে জনতার সমাবেশে যোগদান করেন। আন্দোলনকারিদের উপর পুলিশ গুলি চালালে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। ঐদিন রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

Re: তাঁরা গুণীজন

আব্দুস সালাম

(১৯২৫ - এপ্রিল ৭, ১৯৫২)
মহান ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ। জন্ম ফেনীর লক্ষণপুর গ্রামে। তাঁর শহীদস্মৃতি পরবর্তীকালে বাঙালি জাতিকে জাতীয় চেতনা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। এ চেতনার বলেই ১৯৭১ সালের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়।

আবদুস সালামের পিতার নাম মোহাম্মদ ফাজিল মিয়া। আবদুস সালাম কর্মজীবনে সরকারের ডিরেক্টরেট অব ইন্ডাস্ট্রিজ বিভাগের পিয়ন ছিলেন। বাস করতেন নীলক্ষেত ব্যারাকে। বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৫২-র ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সম্মুখের রাস্তায় ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে বিক্ষোভ প্রদর্শনরত ছাত্র-জনতার উপর পুলিশ গুলি চালালে সালাম গুলিবিদ্ধ হন। আহতাবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। দেড় মাস চিকিত্সাধীন থাকার পর ৭ এপ্রিল তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

Re: তাঁরা গুণীজন

রফিকউদ্দিন আহমদ

http://rongmohol.info/uploads/3_thumb-rafiq_uddin_ahmed.jpg


(অক্টোবর ৩০, ১৯২৬ - ফেব্রুয়ারি ২১,১৯৫২)
তদানিন্তন পূর্ব পাকিস্তানের ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ। তাঁর শহীদস্মৃতি পরবর্তীকালে বাঙালি জাতিকে জাতীয় চেতনা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। এ চেতনার বলেই ১৯৭১ সালের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়।

জন্মস্থানঃ পারিল বলধারা গ্রাম,সিংগাইর, মানিকগঞ্জ।

রফিকউদ্দিনের পিতা আবদুল লতিফ ছিলেন ঢাকার বাদামতলীস্থ কমার্শিয়াল প্রেসের মালিক। বায়রা স্কুল থেকে ১৯৪৯ সালে ম্যাট্রিক পাস করে মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্রনাথ কলেজে বানিজ্য বিভাগে ভর্তি হন। আই.কম. ক্লাস পর্যন্ত পড়ে ঢাকায় এসে কমার্শিয়াল প্রেস পরিচালনা করেন।

বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৫২-র ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সম্মুখের রাস্তায় ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে বিক্ষোভ প্রদর্শনরত ছাত্র-জনতার মিছিলে রফিক অংশগ্রহন করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হোস্টেল প্রাঙ্গনে পুলিশ গুলি চালালে সেই গুলি রফিকউদ্দিনের মাথায় লাগে। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

Re: তাঁরা গুণীজন

মহাসিন ভাই, নিঃসন্দেহে এটি একটি ভালো টপিক। লিখতে থাকুন....

Re: তাঁরা গুণীজন

অচেনা_পথিক লিখেছেন:

মহাসিন ভাই, নিঃসন্দেহে এটি একটি ভালো টপিক। লিখতে থাকুন....

ধন্যবাদ আপনাকে।
আসলে আপনাদের সহযোগিতা পেলে সামনে আগাতে পারব সহজেই।

Re: তাঁরা গুণীজন

আপনার উদ্যোগ হয়তো ভাল। কিন্তু তথ্য সূত্র কই? আপনি উইকিপিডিয়া থেকে তথ্য নিচ্ছেন অথচ সে সূত্র উল্লেখ করছেন না![-X তবে যেহেতু আপনি সংকলিত সংস্করণ লিখছেন সেহেতু, বিস্তারিত জানার জন্য উইকিপিডিয়া'র সূত্র দিতে পারেন। তাতে দুটো কাজই হবে। আর সূত্র ছাড়া অন্যের লেখা ব্যবহার করা তো অন্যায়!

গুনীজন সম্পর্কে জানতে আরও দেখতে পারেন: http://www.gunijan.org/

[img]http://twitstamp.com/thehungrycoder/standard.png[/img]
what to do?

Re: তাঁরা গুণীজন

আপনার উদ্যোগটি প্রশংসনীয়(y)(y)(y)

যা আপনার দুর্বলতা, সেটাই আপনার সবচে শক্তিশালী দিক হতে পারে...

Re: তাঁরা গুণীজন

হাঙ্গরিকোডার লিখেছেন:

আপনার উদ্যোগ হয়তো ভাল। কিন্তু তথ্য সূত্র কই? সূত্র ছাড়া অন্যের লেখা ব্যবহার করা তো অন্যায়!

ধন্যবাদ আপনার মতামতের জন্য।
তবে আমি এখানে যেসব ব্যক্তির পরিচয় দেব সেগুলো শুধু ফোরামের সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য। আর লেখাগুলো কখনও কপি-পেস্ট আবার কখনও কয়েকটি লেখা থেকে সংকলিত হবে। তাহলে সেক্ষেত্রে (সংকলন) সূত্র কি হবে ?
তাছাড়া এগুলোতো গল্প, উপন্যাস বা কবিতা নয় যে একজনের লেখা এখানে দিলে তা অন্যায় হবে। যার লেখাই দিই না কেন তিনি ও তো অন্য কারো কাছ থেকে তথ্যগুলো সংগ্রহ করেছেন।

তারপরও আমি ভবিষ্যতে আমি সূত্র দেয়ার চেষ্টা করব। আপনাদের মতামতের অপেক্ষায় রইলাম।

১০

Re: তাঁরা গুণীজন

আবুল বরকত

http://rongmohol.info/uploads/730_abul_barkat.jpg

(জুন ১৩, ১৯২৭ - ২১শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২)

মহান ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ। তাঁর শহীদস্মৃতি পরবর্তীকালে বাঙালি জাতিকে জাতীয় চেতনা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। এ চেতনার বলেই ১৯৭১ সালের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়।

জন্মস্থানঃ বাবলা গ্রাম, ভরতপুর, মুর্শিদাবাদ।

আবুল বরকতের পিতার নাম মরহুম শামসুদ্দিন। বরকত স্থানীয় তালিবপুর হাইস্কুল থেকে ১৯৪৫-এ মেট্রিক এবং বহরমপুর কৃষ্ণনাথ কলেজ থেকে ১৯৪৭-এ আই.এ পাস করেন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর ১৯৪৮-এ মুর্শিদাবাদ ত্যাগ করে ঢাকায় চলে আসেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৯৫১-তে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে দ্বিতীয় শ্রেনীতে চতুর্থ হয়ে বি.এ. অনার্স পাস করেন। অতঃপর স্নাতোকোত্তর শ্রেনীতে ভর্তি হন। বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৫২-র ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সম্মুখের রাস্তায় ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে বিক্ষোভ প্রদর্শনরত ছাত্র-জনতার উপর পুলিশ গুলি চালালে হোস্টেলের ১২ নম্বর শেডের বারান্দায় গুলিবিদ্ধ হন। ঢাকা মেডিকেল কলেজের হাসপাতালে জরুরী বিভাগে ভর্তি অবস্থায় রাত আটটার দিকে মৃত্যুবরণ করেন।

১১

Re: তাঁরা গুণীজন

শফিউর রহমান

http://rongmohol.info/uploads/730_shafiur_rahman.jpg

(জানুয়ারী ২৪, ১৯১৮ - ফেব্রুয়ারি ২২, ১৯৫২)

মহান ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ। তাঁর শহীদস্মৃতি পরবর্তীকালে বাঙালী জাতিকে জাতীয় চেতনা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। এ চেতনার বলেই ১৯৭১ সালের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়।

শফিউর রহমান পশ্চিমবঙ্গের কোন্নগরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা মাহবুবুর রহমান ছিলেন ঢাকার পোস্ট এন্ড টেলিগ্রাফ অফিসের সুপারিনটেনডেন্ট। কলকাতা গভর্ণমেন্ট কমার্শিয়াল কলেজ হতে আই.কম. পাস করে শফিউর রহমান চব্বিশ পরগনা সিভিল সাপ্লাই অফিসে কেরানীর চাকরি গ্রহন করেন। ১৯৪৫ সালে কলকাতার তমিজউদ্দিনের কন্যা আকিলা খাতুনের সাথে পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ হন। দেশ বিভাগের পর পিতার সঙ্গে ঢাকায় এসে ঢাকা হাইকোর্টে হিসাব রক্ষণ শাখায় কেরানী পদে যোগ দেন।

১৯৫২-র ২২ ফেব্রুয়ারি সকাল দশটার দিকে ঢাকার রঘুনাথ দাস লেনের বাসা থেকে সাইকেলে চড়ে অফিসের উদ্দ্যেশে রওনা হন। সকাল সাড়ে দশটার দিকে নওয়াবপুর রোডে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ গুলি করলে গুলি শফিউর রহমানের পিঠে এসে লাগে। আহত অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়। তাঁর শরীরে অস্ত্রোপ্রচার করা হয়। অস্ত্রোপ্রচার সফল না হওয়ায় ঐদিন সন্ধ্যা সাতটায় মৃত্যুবরণ করেন।

১২

Re: তাঁরা গুণীজন

উইকিপিডিয়াতেও এই নিবন্ধগুলো আছে। সেখানে দেখুন তারা কিভাবে সূত্র দেয়। ১০জায়গা থেকে নিলে ১০টি জায়গার সূত্রই দিতে হবে।

আপনার নতুন দুটিতেও কিন্তু সূত্র নেই![-X

[img]http://twitstamp.com/thehungrycoder/standard.png[/img]
what to do?

১৩

Re: তাঁরা গুণীজন

ইতিহাস লেখার সময় সূত্র খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গল্প-কবিতা মনগড়া হয়, কিন্তু ইতিহাস মনগড়া হয় না। নিজের লেখাই হোক আর সংকলন হোক, এসব ব্যাপারে সূত্র প্রদান করা জরুরী। সূত্র না থাকলে প্রশ্ন আসে এগুলো সত্যি কিনা বা কতটুকু সত্যি। এ ধরণের লেখা কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা সূত্র দিয়েই বোঝা যায়। সূত্র না থাকলে এর কোন গুরুত্ব থাকে না। এগুলো গল্প-কবিতা-কৌতুক না বিধায়ই সূত্র প্রয়োজন।

ভালো কথা, সূত্র মানে কোথা থেকে কপি-পেস্ট করলেন - তা নয়। বরং এ ধরণের লেখা মৌলিক হলেও কোথা থেকে গবেষণা করে জানা গেছে, সেগুলো উল্লেখ করতে হয়। এসব রেফারেন্সই এ ধরণের লেখার ওজন বাড়ায়।

১৪

Re: তাঁরা গুণীজন

ভাল লেগেছে টপিকটি।
আশাকরি আমরা অনেক কিছু জানতে পারব এখান থেকে।

১৫

Re: তাঁরা গুণীজন

ভাল হয়েছে আপনার লেখা।
আশাকরি আমরা অনেক কিছু জানতে পারব।
দেশের গুনিজন সর্ম্পকে আরও লিখবেন।

:):)
-----------------------------
--------------------------------

নামায সবার উপর ফরয করা হয়েছে

১৬

Re: তাঁরা গুণীজন

খাইরুল লিখেছেন:

ভাল হয়েছে আপনার লেখা।
আশাকরি আমরা অনেক কিছু জানতে পারব।
দেশের গুনিজন সর্ম্পকে আরও লিখবেন।

চেষ্টা করব..................

১৭

Re: তাঁরা গুণীজন

ভাল লাগছে। চলতে থাকুক........................।

যে পথিক চলে না পথ নবীদের পথে,
পড়ে রয় সে বহুদুর মঞ্জিল হতে.......

১৮

Re: তাঁরা গুণীজন

মহসিন লিখেছেন:

রফিকউদ্দিন আহমদ

http://rongmohol.info/uploads/3_thumb-rafiq_uddin_ahmed.jpg


(অক্টোবর ৩০, ১৯২৬ - ফেব্রুয়ারি ২১,১৯৫২)
তদানিন্তন পূর্ব পাকিস্তানের ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ। তাঁর শহীদস্মৃতি পরবর্তীকালে বাঙালি জাতিকে জাতীয় চেতনা ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে। এ চেতনার বলেই ১৯৭১ সালের সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয়।

জন্মস্থানঃ পারিল বলধারা গ্রাম,সিংগাইর, মানিকগঞ্জ।



রফিকউদ্দিনের পিতা আবদুল লতিফ ছিলেন ঢাকার বাদামতলীস্থ কমার্শিয়াল প্রেসের মালিক। বায়রা স্কুল থেকে ১৯৪৯ সালে ম্যাট্রিক পাস করে মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্রনাথ কলেজে বানিজ্য বিভাগে ভর্তি হন। আই.কম. ক্লাস পর্যন্ত পড়ে ঢাকায় এসে কমার্শিয়াল প্রেস পরিচালনা করেন।

বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে ১৯৫২-র ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সম্মুখের রাস্তায় ১৪৪ ধারা ভেঙ্গে বিক্ষোভ প্রদর্শনরত ছাত্র-জনতার মিছিলে রফিক অংশগ্রহন করেন। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হোস্টেল প্রাঙ্গনে পুলিশ গুলি চালালে সেই গুলি রফিকউদ্দিনের মাথায় লাগে। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

চমৎকার উদ্যোগ, চালিয়ে যান মহসিন।
অতি সামান্য এবং ছোট্ট একটি তথ্য সবিনয়ে যোগ করতে চাই-
ভাষা শহীদ রফিকের নাম আনুসারে মানিকগঞ্জ এবং সিংগাইরের প্রধান সড়কের নামকরণ করা হয়েছে,
সেই সাথে ঢাকা-সিংগাইর সড়কের উপর স্থাপিত ব্রিজের নাম ও শহীদ রফিক সেতু করা হয়েছে ।

একজন মানুষের জীবন হচ্ছে - ক্ষুদ্র আনন্দের সঞ্চয়। একেকজন মানুষের আনন্দ একেক রকম ...
এসো দেই জমিয়ে আড্ডা মিলি প্রাণের টানে !
   
স্বেচ্ছাসেবকঃ  ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ, নীতি নির্ধারকঃ মুক্ত প্রযুক্তি।