(৪ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে বিবিধ)

পথে (সড়ক, জল, আকাশ) মৃত্যূর মিছিল দেখতে দেখতে অনুভুতিগুলো ভোতা হয়ে গিয়েছে। খবরগুলো সযত্নে এড়িয়ে চলি, কারণ ঐ প্রবল আবেগের ধাক্কা সামলানো কঠিন। প্রতিটা মৃত লাশে নিজের প্রিয়জনে ছবি কল্পনায় হৃৎপিন্ড থেমে যেতে চায়, তাঁদের শেষ মুহুর্তগুলো কল্পনা করে আতঙ্কে শিউরে উঠি ...

টুটুল ভাই, এই হারানোর কোনো সান্তনা হয় না। আর কারো বুক যেন এভাবে খালি না হয় সেই প্রত্যাশা করি ...

(৪ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে বিবিধ)

এদের কি সাজা হওয়া উচিত?
-- অবশ্যই উচিত। এবং আপনার খবর অনুযায়ী জরিমানা করাও হয়েছে।

এদের কী সাজা হওয়া উচিত?
-- জরিমানার পাশাপাশি ওদের এবং ওদের বাসার লোকজনকে বসিয়ে ওসব খাবার খাওয়ানো উচিত।

@হাঙ্গরিকোডার
বাসায় ফোনের নেট ল্যাপটপে ইউএসবি টিথারিং করেই চালাই - কারণ আমার মনে হয়েছে এতে ওয়াইফাইয়ের চেয়ে কম পাওয়ার খরচ হয়; পাশাপাশি অন্তত একটা অতিরিক্ত ওয়েভ থেকে রক্ষা পেলাম।
এখন সব সিমই প্রায় 4G। বেশ ভাল স্পীড -- ইউটিউবের 720 ভিডিও দেখা যায়। আমার দরকার ছাত্রগণ ওদের একটা ইন্টারফেসে লগইন করে MCQ কুইজের উত্তর দিয়ে সাবমিট করবে --- এতে খুব বেশি ডেটার দরকার হবে না। আর সকলে এক মুহুর্তেও সাবমিট করবে না।
মুশকিল হল, ৪০ জনকে একত্রে সাপোর্ট করে এমন রাউটারের দাম অনেক -- গতকাল নেটে ঘেটে দেখলাম ১৩.৫ হাজার টাকা। আমার দরকার পকেটে বহন করার মত ছোট ডিভাইস, যেন বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করা যায়। এছাড়া অন্য শিক্ষকগণও চাইলে নিয়ে ব্যবহার করে পারবেন।
আমি বাসায় আগে কিউবি ব্যবহার করতাম -- কিউবি এখন ইতিহাস। এখন টেলিটকের পকেট রাউটার ব্যবহার হচ্ছে -- ডেটার দামও খুব বেশি না। সার্ভিস ভালই। অবশ্য নিজের প্রয়োজনে ফোনেই টেলিটকের ডেটা কিনে রাখি।

@বোরহান
লাইফসেভার  big_smile। ছাত্রদের মধ্য হুয়াউয়ে ফোনওয়ালা থাকবে বলে মনে হয়। আর এসব গুতাগুতির কাজে তাদের আগ্রহের কমতি হওয়ার কথা না  lol

বোরহান লিখেছেন:

প্রধান বাধা হচ্ছে যে, একটা মোবাইল ফোন যদি ওয়াইফাই দ্বারা নেটে কানেক্টেড থাকে সেক্ষেত্রে সেই সেটটি হটস্পট হিসেবে কাজ করতে পারে না। ফোনটি তখনই হটস্পট হিসেবে কাজ করে যখন সেটা সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নেটে কানেক্টেড থাকে।

ওহ! ধন্যবাদ তথ্যটুকুর জন্য। আপাতত চারজনকে ডেটা কিনে দেব। পর্যায়ক্রমে কুইজ নেয়ার জন্য চারটা পকেট রাউটার কিনে ফেলবো।

(৮ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে বিবিধ)

বাপ্রে, কত্ত কিছু মনে রাখেন।  surprised
দারুন একটা সময় ছিল ... ... ... অবসর সময়ে বসে বসে অন্যদের লেখা এডিট করতাম - মানে উল্টাপাল্টা বানান/টাইপো ঠিক করে দিতাম  lol

অভিনন্দন ভাই! ভাল থাকুন।  smile

ধরুন একটি ক্লাসে ৪০ জন ছাত্র আছে। কিন্তু সেখানে ওয়াইফাই নাই। আমি চাই সকলেই যাঁর যাঁর ফোনে ক্লাসের সময়ে নেট শেয়ায় পাক। (অনলাইনে টেস্ট নেব)

আমার নিজের ফোনের ডেটা কানেকশন থেকে হটস্পট করে দিলে সর্বোচ্চ ১০টি কানেকশন দিতে পারে। কিন্তু আমার দরকার ৪০।

সমাধানে একটা অপশন হতে পারে ৪টি ফোনে ডেটা (১দিনে ১ জিবি টাইপের অফার) নিয়ে ৪টা হটস্পট তৈরী করা। এটা খুবই সম্ভব।

অন্য অপশন হিসেবে যেটা জানতে চাচ্ছি সেটা হল, আমার দেয়া হটস্পটে কানেক্টেড হয়ে তিনজন ছা্ত্র যদি তাদের ফোন থেকেও হটস্পট চালু করে দেয় তাহলে ১০ + ৩০ = ৪০ জনেরই আমার ডেটা ব্যবহার করা সম্ভব কি না? আমি নিজেই পরীক্ষা করে দেখতে পারি, কিন্তু আগে থেকে জানা থাকলে শান্তি লাগতো।

(৮ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে ভ্রমণ)

বাংলাদেশের দিকে বর্ডারের নাম বুড়িমারি।

ওয়াও! চমৎকার শেয়ার।  thumbs_up

(৮৫৭ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে বিবিধ)

বিজ্ঞাপন নাকি গান কনফিউজড ....

প্রীতমের গানে যথারীতি মেকিং অসাধারণ
ডায়লগ যেটা ভাল লাগছে: আমার বুকে অনেক কষ্ট - এইটা কি গ্যাস্ট্রিক?

(২ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে বিবিধ)

ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ২০০৮ অনুযায়ী, আপনার জমির জন্য

FAR (Floor Area Ratio) = 3.75। (সামনের রাস্তা ৬ মিটার প্রশস্থ বলে)

অর্থাৎ আপনার ভবনের সর্বোচ্চ আকার হবে = ৩.৭৫ x জমির ক্ষেত্রফল = ৩.৭৫ x ৫.১৩৮ x ৭২০ = ১৩,৮৭২.৬ বর্গফুট।

অবশ্য এই হিসাবের কিছু মারপ্যাচ আছে। প্রকৃতপক্ষে এর চেয়ে আরেকটু বেশি স্কয়ারফিট পাবেন। -- যেমন নিচতলার পার্কিং গ্যারেজ, দারোয়ানের ঘর-বাথরুম, ছাদের সিড়ি ঘর, লিফটের ইঞ্জিনঘর এই হিসাবের বাইরে। এছাড়া বাড়ির এক দিকে ১ মিটার চওড়া বারান্দা যার দৈর্ঘ্য ঐ পাশের ৩০% এর অনধিক এবং ক্ষেত্রফল ঐ তলার ২.৫% এর কম - এই হিসাবের বাইরে। এই ধরণের আরো কিছু জিনিষ আছে যা ঐ হিসাবের মধ্যে পড়বে না।

এবার আসি কত বড় করতে পারবেন সেটাতে।
MGC বা সর্বোচ্চ গ্রাউন্ড কাভারেজ: ৬০%। অর্থাৎ বাড়ির প্লিন্থ এরিয়ার সর্বোচ্চ আকার = ০.৬ x ৫.১৩৮ x ৭২০ = ২২১৯.৬ বর্গফুট। [আপনার ৪ নং প্রশ্নের উত্তর এটা -- ৪০% জায়গা ছাড়তে হবে]

এবার দেখা যাক, মিনিমাম অফসেটের বাধ্যবাধকতায়:
সামনে: ১.৫ মিটার। (প্রায় ৫ ফুট)
পেছনে: ২ মিটার। (প্রায় ৬.৫ ফুট)
দুই পাশে: ১.২৫ মিটার করে। (প্রায় ৪ ফুট)

আপনার জমির আকৃতি জানা নেই তাই একটা আনুমানিক হিসাব দিলাম।
জমির আকৃতি যদি ৭৪ ফুট x ৫০ ফুট হয়, আর খাটো দিকেই রাস্তা থাকে তাহলে:
ভবনের সর্বোচ্চ কার্যকর দৈর্ঘ্য = ৭৪ - ৫ - ৬.৫ = ৬২.৫ ফুট
ভবনের সর্বোচ্চ কার্যকর প্রস্থ = ৫০ - ৪x২ = ৪২ ফুট
গ্রাউন্ড কাভারেজ = ৬২.৫ x ৪২ = ২৬২৫ বর্গফুট ---- যাহা ৬০% (২২১৯.৬ বর্গফুট) এর চেয়ে বেশি।
কাজেই আপনাকে চারপাশে বা যে কোন এক বা একাধিক পাশে মিনিমাম অফসেটের চেয়ে বেশি জায়গা ছাড়তে হবে।

ধরলাম আপনি ২২০০ বর্গফুট জায়গায় বাড়ি করবেন। তাহলে মোট ১৩৮৭২.৬/২২০০ = ৬.৩ তলা বাড়ি করতে পারবেন। নিচতলা পুরা গ্যারেজ হলে এটা আসলে ৭.৩ তলা হবে। ৭ তলা এবং ছাদে ৩০% এর মত। কিংবা সমান ৮ তলা করলে ভবনের আকার হবে ১৩৮৭২.৬/৭ = ১৯৮২ বর্গফুট। এমনও হতে পারে আপনি ২২০০ করে ৬ তলা করলেন (নিচতলা পুরা গ্যারেজ)। তারপর ৭ম ও ৮ম তলা ক্রমান্বয়ে ছোট করলেন --- এতে ঐ দুই তলাতেই খোলা ছাদের মত বরান্দা বা টেরাস পাবেন।

আশা করছি আপনার অনেকগুলো কৌতুহল মেটাতে পেরেছি।

কয়টি ফ্ল্যাট করবেন -- এটায় কোন বাধ্যবাধকতা নাই। তবে ফ্ল্যাটের সাইজের সাথে মিনিমাম কয়টা গাড়ির পার্কিং লাগবে সেটার সম্পর্ক আছে। বেডরুমের সংখ্যার সাথে লিফটের সর্বনিম্ন কেবিন সাইজের একটা সম্পর্ক আছে .... ইত্যাদি।

১০

(০ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে উচ্চশিক্ষা ও কর্মজীবন)

আপনি নিশ্চয়ই এই প্রতিষ্ঠানে যোগদানের পর থেকে নিজের দক্ষতার উন্নয়ন করেছেন। একই সময়ে আগের চেয়ে বেশি অথবা আগের চেয়ে কার্যকর কিংবা নিঁখুতভাবে কাজ করতে পারেন, যা প্রতিষ্ঠানে আগের চেয়ে বেশি মূল্যয‌োগ করছে কিংবা করার ক্ষমতা রাখে।  অর্থাৎ, আপনি জুনিয়র পজিশন ( = অফিসার, অ্যাকাউন্টেন্ট, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, লেকচারার ইত্যাদি) থেকে সিনিয়র পজিশনে কাজ করার উপযুক্ত হয়ে উঠেছেন। প্রমোশন, ইনক্রিমেন্ট ইত্যাদি আপনার ন্যায়সংগত দাবী - কারণ আপনি সেই পর্যায়ের আউটপুট দিচ্ছেন বা দিতে পারেন। কিন্তু যখন চাইলেন তখন অবস্থা দাঁড়ালো -- অন্যদের প্রমোশন ঠিকভাবে হলেও আপনার বেলায় - এইতো হলো, হচ্ছে, হবে, ধৈর্য ধর ইত্যাদি শুকনা প্রতিশ্রুতির মূলা নিয়ম করে দেখাতে থাকলো কিন্তু কাজের কাজ হলো না। কিংবা এমনও হতে পারে  – সরাসরি না করে দিলো। বহুদিন নিগৃহীত হয়ে কিংবা হতাশ হয়ে আপনি তখন অন্য প্রতিষ্ঠানে আরেকটু ভাল পদে এবং ভাল সম্মানীতে চাকুরী খুঁজে নিলেন।

এবার যখন একটি চাকুরী ছেড়ে অন্যটাতে যেতে যাবার জন্য নিয়ম মোতাবেক নোটিশ দিয়েছেন, তখন কয়েকরকম ঘটনা ঘটতে পারে - 
ক) আপনাকে চমৎকার ভাবে বিদায় দিয়ে, আবার ফিরে আসবেন এই আশা প্রকাশ করলো ওখানকার কর্তৃপক্ষ।
খ) আপনাকে চুপচাপ দেনা পাওনা মিটিয়ে রিলিজ লেটার দিয়ে দিল।
গ) আপনাকে আরো বেশি বেতন কিংবা প্রমোশন দেয়ার অফার দিয়ে এই প্রতিষ্ঠানেই থেকে যেতে বলল‌ো।

আমি যতটুকু বুঝি তাতে এই তিন রকম রিয়্যাকশনের কয়েকটা তরজমা হতে পারে।

---
ক – প্রতিক্রিয়া পেলে এমন হতে পারে যে, আপনি যে দক্ষতার অগ্রগতি সাধন করেছেন প্রতিষ্ঠানে এই মূহুর্তে অন্যেরা সেই একই পরিমান অগ্রসর হতে পারেনি। ফলে এই প্রতিষ্ঠান আপনার অগ্রগতির সুফল পাওয়ার উপযুক্ত অবস্থা তৈরী করতে পারছে না। অর্থাৎ আরেকজন সিনিয়র পজিশনের লোকের জন্য কাজ (=ব্যবসা প্রসার) তৈরী করতে পারছে না। তাই আপনার পদ কিংবা সম্মানী বৃদ্ধি করতে পারছে না। কিন্তু তাঁরা আশা করছে সবাই সেই পরিমান অগ্রসর হবে, আপনার দক্ষতাকে উপযুক্ত কাজে লাগানোর মত বৃদ্ধি ঘটবে ব্যবসার – তাই, আবার ফিরে আসবেন আশা করছে সবাই। 

---
খ – প্রতিক্রিয়া পেলে এমন হতে পারে যে, এই প্রতিষ্ঠানে ঐ বর্ধিত লেভেলের সার্ভিসের দরকার নাই মোটেও। তাদের জুনিয়র পজিশনেই লোক দরকার। পোষাইলে করেন নাইলে যেখানে সিনিয়র দরকার সেখানে চলে যান।  সুতরাং আপনি সঠিক পথেই আছেন - ইতিমধ্যেই অন্য চাকুরী জোগাড় করেছেন।
এক্ষেত্রে একই রকম নিগৃহীত অন্য কোন পাঠকের যদি মনে হয় – এই বাজারে আমাকে কে চাকুরী দেবে ... তাহলে কিন্তু ধরে নিতে হবে, নিজের বর্ধিত দক্ষতা নিয়ে আপনার যে মূল্যায়ন – সেটা আপনি নিজেই বিশ্বাস করেন না (আপনার কর্তৃপক্ষের আর দোষ কি!)।

---
গ – প্রতিক্রিয়া পেয়ে আপনি যদি সেটা গ্রহণ করেন তাহলে ভবিষ্যতে এরা আপনাকে পেয়ে বসতে পারে। কিংবা ভাবতে পারে, শুধু প্রমোশনের জন্য এরকম “নাইলে যামুগা” টাইপের নাটক করেন আপনি।

একটু অন্য দৃষ্টিকোন থেকে ভাবে চিন্তা করলে বুঝা যাচ্ছে যে প্রতিষ্ঠানের আপনাকে প্রমোশন/ইনক্রিমেন্ট দেয়ার ক্ষমতা সবসময়েই ছিলো। আর অফার যখন করেছে, তার মানে, তাঁরা আপনাকে সেটার উপযুক্তও ভাবে। তাহলে এই অফারের মাধ্যমেই তাঁরা প্রমাণ করে দিল যে জেনে শুনে এ্যাতদিন আপনাকে ঠকিয়েছে। আপনি কি তারপরেও সেই অফার গ্রহণ করে সেখানে থাকবেন?

# অবশ্য আপনাকে তাঁরা জেনেশুনে ঠকিয়েছে - এর বাইরেও কারণ থাকতে পারে। “যামুগা” বলাতে টপ লেভেলের টনক নড়েছে যে আপনাকে তাদের লাগবে। ...  যদি আসলেই তাঁরা আপনাকে জেনে শুনে ঠকায়নি – এমন হয়, তাহলে তাদের টপ লেভেলে কাজ করার দক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা যায়। নিশ্চিতভাবেই ভবিষ্যতে এরকম ঘটনা আবার ঘটবে। এই অদক্ষ টপ লেভেলের সাথে আপনি থাকবেন কি না সেটা আপনার ব্যাপার।

# এমনও হতে পারে যে আপনাকে ডেকে জানা‌লো, তাঁরা জানতোই না যে আপনি প্রমোশনের/ইনক্রিমেন্টের জন্য আবেদন করেছেন ... ... ... ব্লা ব্লা ব্লা ভুজুং ভাজুং ... ... কিংবা মানবসম্পদ বিভাগ (এইচ আর) তাঁদেরকে এর আগে এই বিষয়ে জানায়নি। আপনিও ভাবলেন ‘আহা তাইতো! বস্ তো জানতোই না, জানলে নিশ্চয়ই আমার এ হাল হত না’। কিন্তু দেখলেন যে, যার ভুলের/ক্লিকবাজির কারণে আপনি বঞ্চিত হলেন, সে/তাঁরা চাকুরীতে স্বমহিমায় বহাল আছে এবং এ্যাতদিনের বকেয়া প্রমোশনের বকেয়া পাওনা + তার জন্য কষ্টের ক্ষতিপূরণ – এসব কিছুই আপনার প্রমোশনের সাথে অফার করা হয় নাই -- তাহলেও কি আপনি সেই প্রতিষ্ঠানের গ-অফার গ্রহণ করবেন? 
## একটা প্রতিষ্ঠান যাঁরা চালায় আর আপনার বেতন দেয়, তাদেরকে এই লেভেলের ভুলোমনা নিষ্পাপ মনে করার কী কী কারণ থাকতে পারে সেটা আমার জানা নাই।

১১

(৮৫৭ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে বিবিধ)

জটিলাবস্থা!
https://lh3.googleusercontent.com/7vaao4Uq_eULerBMfY0IkYfszTTNzrk3_X-SJc1itpzIIX5-P-3vTxXiPRiQTPitNSDD7lC7kHSGzNdWlhJ6lZYrNwC8h3LoaoYIhYRFJCu9Pt-Gi0N4Dl51kGSYnb5hrASWmLcpxjqPyF-sCUPlOiCCVsLCezLecGdRuvCRWahG1K73RXeR5wZlNreOK2A_kk-VWgpNr6OHLP7HogUzM0QTAiw2zP3p19bnzCIY_gwAv5iTkqsnZtCMxDClLTApPVXbzdjw8Isn7e0OV7l6fh_Xt5UmD01W8nyB6yB4KhaH7BQGuhuOzF_TQZqZp41yeW6fraOoSv2YufZ50grgmpCdC7iIZb3-tX20Fg88e14SuIN-6wz588b8pwu5MXGhaXVeMhfUaCYN86UpjlL8PXrhoXIJ2iqBY4FUhhS7Zv78UdZxMfocbqq1CVAiOTY7ybH9sMLdQD3bZQYh0sucLX4h5_o1lQJX7bSx4VEKmuUiiE83Fq3TGTtT9WlTKXHX0ZQvrrEVlhM-qCdFJ3LaooptOpR5UBabkh_t3E0w3eMb0cHBU2uDOne6vy9E8hUuUmwIJB8lSJp84EIbKmDM_BpOA3IjCaG8bsZA3yhjX_CiZxUU8HSEzGO_uh8soj4=w1004-h504-no

১২

(৮৫৭ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে বিবিধ)

smile

১৩

(০ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে ভ্রমণ)

নাহ! বিসনাকান্দি, জাফলং, রাতারগুল -- কোন জায়গায়ই যাই নাই। শুধু উপজেলা অফিসের আশেপাশেই ঘোরাঘুরি করে শেষ। প্রচুর বৃষ্টি হইলো দুই রাতেই ... ... ভিডিও দেখলে বুঝবেন: প্রচুর ভাব নিয়েছি ....  hehe

জাজিরাতে সেনাবাহিনীর ইঞ্জিনিয়ারিং কোরের সাথে একটা প্রজেক্ট নিয়ে আলাপ-সালাপের জন্য গেলাম। সকাল সাতটায় বাসা থেকে বের হয়ে দ্রুতই মাওয়া পৌঁছুলাম। সেখান থেকে স্পীডবোটে ঐপার। আবার আসার সময় সেনাবাহিনীর বোটে এইপার ... ... লেকচার বন্ধ - ভিডিও দেখেন।

১৫

(৮ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে ভ্রমণ)

RubaiyaNasreen(Mily) লিখেছেন:

অনেক সুন্দর লাগছে সবাইকে তবে যত দোষ গিন্নি ঘোষ..  এটা ঠিক না  smile

ইয়াল্লা! দোষ কোথায়?  crying   shame
উনি আমাদের ট্যূরের ফুল স্পন্সর ছিলেন।  dancing


কিছু জিনিসপাতি লিখে রাখলাম, কারো কাজে লাগতেও পারে।
বালি ভ্রমণে আমরাও -০২

১৬

(৫ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে প্রোগ্রামিং)

imran1336 লিখেছেন:

পোগ্রামিং শখার জন্য ধৈয্য থাকত হবে। যাইহোক পোগ্রামিং শিখার একটি বই এর লিংক দিলাম নিচে হয়তোবা ভালই উপকারে আসবে।
https://allsectionbd.blogspot.com/2017/ … ad_23.html

বছরখানেক আগে জনৈক প্রবাস নামক সদস্য এই প্রশ্নখানি করেছিলেন। এর মাঝে উনি আর একটিও পোস্ট করেননি। যেহেতু উনি আর আসেন না বলে মনে হয়, তাই আপনার উত্তরখানি ওনার কাজে লাগার সম্ভাবনা খুবই কম।

১৭

(২ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে বটগাছ)

দীনেশ কতটা সুক্ষ্ণভাবে ওজন মাপতে পারে? গ্রাম? মিলিগ্রাম? মাইক্রোগ্রাম? ন্যানোগ্রাম? পিকোগ্রাম?  lol

ইয়ে, এই ফোরামটার ওজন কত হবে?

১৮

(১ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি)

জিপি তো ভীষন দুষ্টু। ওদের ট্র্যাপে পা না দেয়াই ভাল মনে হয়।  tongue

১৯

(১ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে ভ্রমণ)

(আগের পর্ব)বালি ভ্রমণে আমরাও
https://4.bp.blogspot.com/-OSpA1X6Mknc/W3GWVGX_OtI/AAAAAAAAFxw/CP1ChyZ4CLMMowvRUFkabI6DqK_hyVwKACLcBGAs/s1600/IMG_20180616_112048_HDR.jpg
সন্ধ্যা পৌনে সাতটায় ল্যান্ড করলাম।

ইমিগ্রেশন:
আমরা জানতাম যে পাসপোর্ট, রিটার্ন টিকিট আর হোটেল বুকিং স্লিপ দেখালেই অন এরাইভেল ভিসা দেয়। যথারীতি ইমিগ্রেশনের লাইনে দাঁড়ালাম। লাইনের মাথায় যখন পৌঁছে গেছি, তখন এক মহিলা পুলিশ এগিয়ে এসে বললো,
- ' হ্যাভ ভিসা? নো ভিসা?'।
আমরা মাথা নাড়লাম। বললাম আমাদের অন অ্যারাইভাল ভিসা। আমাদের পাসপোর্ট চেয়ে নিয়ে বললো
- 'ফলো মি'।
তারপর ইংরেজিতেই বললো - আরো কেউ আছে নাকি এরকম তাহলে আসো।
কেউই আর নাই। কাজেই আমরা ওনাকে ফলো করতে থাকলাম; সবগুলো বক্স পার হয়ে (ঢাকা এয়ারপোর্টের মতই) আরেক লোকের কাছে পাসপোর্ট দিয়ে বললো
- 'গো উইথ হিম'।
আমাদের পাসপোর্ট নিয়ে পাশের ঘরের ভেতরে চলে গেল। তখন আশেপাশে তাকিয়ে দেখি পেছনে একটা টেবল ছিল - অন অ্যারাইভাল ভিসা লেখা। সেখানে দুই একজন দাঁড়িয়ে কি জানি লিখছে। ভাবলাম -- ধুর্, লোকজনকে ফলো করে এদিকে আসতে গিয়ে এটাই তো চোখে পড়েনি। এই সময়ে ঐ লোক বের হয়ে এসে বললো
- 'ইয়োর টিকেট প্লিজ'
টিকিটগুলো দিলাম। তারপর বিড়বিড় করে গিন্নিকে বললাম 'এরপর হোটেল বুকিঙের কাগজ নিতে আরেকবার আসবে'। ঠিকই একমিনিট পর লোকটা বের হয়ে আসলো। এসে আমাদের হাতে পাসপোর্ট দিয়ে দিল!! অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলাম
- 'এভরিথিং ওকে? ক্যান উই গো'।
লোক হেসে বললো - ইয়েস।

এয়ারপোর্টের বাইরে:
বের হয়ে প্রথম কাজ হলো ট্যাক্সি ঠিক করা। হোটেল থেকে পিক-আপ সার্ভিস বুক দিতে চাইলে ঢাকায় ট্রাভেল এজেন্ট বলেছিলো এতে ৮হাজার টাকা লাগবে, আপনারা বরং এয়ারপোর্ট থেকে ট্যাক্সি নিয়ে নেন। আর বিভিন্ন ব্লগ, ভ্লগ ইত্যাদিতে আরো পরামর্শ শুনে এসেছি। কাজেই বের হয়ে প্রথমে ডলার চেঞ্জ করলাম কিছু। তারপর গিন্নির জন্য পানি কিনলাম - হাফ লিটার মনে হয় প্রায় ৯০ টাকা (বাংলাদেশি টাকায়) দাম নিল!! তারপর মোবাইলের সিম কার্ড কিনতে পাশেই গেলাম। কোন ক্যারিয়ার কিনবো সেটাও আগে স্টাডি করে ঠিক করে এসেছিলাম। কিন্তু এখানে তারা ৪গিগার প্যাকেজই নাই, আছে সব ১৬ গিগার প্যাকেজ -- দামও একটু বেশি। তাই আর সিম কার্ড নিলাম না -- ভাবলাম রিসর্টে তো ফ্রী ওয়াইফাই পাবই।

এরপর গেলাম ট্যাক্সি ঠিক করতে। এটা এয়ারপোর্ট ভবনেই বের হওয়ার পথের পাশে। আমি জানি, স্ট্যান্ডার্ড ভাড়া হচ্ছে ৩০০ হাজার রুপিয়া - গুগল স্ট্রিট ভিউয়ে সাইনবোর্ডে ভাড়া লেখা দেখেছি, ব্লগ, ওয়েবসাইটেও দেখেছি ঐটাই ভাড়া। তবে সন্ধ্যা ৬টার পর সেটা বেড়ে যায়। ভাল হয় যদি ঐ এলাকার ট্যাক্সি ঠিক করা যায়। ঐরকম বিশাল ঘাটাঘাটির ধৈর্য্য নাই, তাই যা আছে কপালে মনে করে গিয়েছি। উবুদ জায়গাটা বেশ দুরে। সেই উবুদের সেন্টারের খুব কাছেই আমাদের রিসর্ট - পুজি বাংলো। গুগল ম্যাপ বলেছে - এয়ারপোর্ট থেকে মাত্র(!) ৩৭ কিমি। ট্যাক্সিওয়ালাদের সংগঠনের কাউন্টার থেকে ট্যাক্সি ঠিক করলাম -- একজনকে ডেকে দিল, সে বললো ৫০০ হাজার রুপিয়া লাগবে (=৩০০০ টাকা)। আমি বললাম এ্যতো বেশি? ও বললো, এই রাতে অত দুর থেকে খালি আসতে হবে। তাই রাজি হয়ে গেলাম।

রাস্তা খালিই ছিল  --- খালি ছিল, এই কথাটা অবশ্য বাকী কয়দিন ঘোরাঘুরির অভিজ্ঞতার আলোকে বললাম। তারপরেও পুরা সোয়া এক ঘন্টা লাগলো।

পুজি বাংলো চেক ইন
একটা বারান্দায় টেবিল চেয়ার পাতা অফিস। খুবই ফ্রেন্ডলি স্টাফ। ভেতরটা ফাঁকা - একপাশে ধানক্ষেত। আমাদের রুমটা দোতালায়, সামনে ব্যালকনি। ট্রাভেল এজেন্ট ফোর স্টার বলেছিলো -- তবে ভ্লগে বলেছে এটা এলাকাভেদে কালচার আলাদা।

দারুন রুম। এসিও আছে -- আসার আগে এই বিষয়ে আমাদের কনফিউশন ছিল। স্ট্যান্ডার্ড ওয়াশরুম, বাথটাব সহ। অদ্ভুদ পাথুরে বেসিন। ফ্রী ওয়াইফাই আছে। একটা কমন সুইমিং পুলও আছে।

ডে-ওয়ান ডিনার
একটু ফ্রেস হয়েই খাওয়ার খোঁজে বের হলাম। বাইরে গ্রামের মত আলো আঁধারি। জায়গাটা আসলে পাহাড়ি গ্রামই। রাত দশটার পর, তাই দোকানপাট সব বন্ধ হয়ে গেছে। তবে একটু এগোতেই একটা ২৪ ঘন্টা খোলা কনভেনিয়েন্ট স্টোর চোখে পড়লো। কিন্তু সেখানে গরম পানির ব্যবস্থা চোখে পড়লো না (পরের দিনগুলোতে দেখেছি, আসলে গরম পানির ব্যবস্থা ছিল), তাই আরো এগিয়ে সিটি সেন্টারের দিকে গেলাম -- ১০ মিনিটের হাঁটা পথ। সেখানেও সব বন্ধ, তবে আরেকটা কনভেনিয়েন্ট শপ পেয়ে সেটাতে গরম পানির মেশিনও দেখলাম।

দ্রুত খাবার দাবার কিনলাম। কাপ নুডুলস কিনলাম। গিন্নি সুন্দর করে সব মশলা দিয়ে টিয়ে কাপ নুডুলস বানালো। আমরা দোকানের বাইরে বাধানো গাছের গ‌োড়ায় বসে সেগুলো খাওয়া শুরু করলাম .... কিন্তু ... কে জনতো, অত যত্ন করে সব পেস্টের মত মসল্লাগুলো সবই চিলি-পেস্ট ছিল। মুখে দিয়েই আমাদের অবস্থা শেষ! সুপ বাদ দিয়ে শুধু নুডুলস তুলে তুলে অতি কষ্টে খেলাম। মুখ হাত সব লাল হয়ে গেল। এর মাঝে দুইবার এক মাতাল এসে কি এক ঠিকানা জিজ্ঞেস করে গেসে -- বেচারা টাল হয়ে নিজের ঠিকানা খুঁজে পাচ্ছিলো না মনে হয়। কেক, চিপস ইত্যাদি মিলিয়ে খাওয়া খারাপ হয় নাই। খাওয়ার পানিও নিলাম। এখানে দেড় লিটারের দাম ৬৬ টাকা (এয়ারপোর্টে আধা লিটার ৯০ নিয়েছিলো)।

২০

(১৪ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে ভ্রমণ)

রিসেন্টলি আমরাও ঘুরে এলাম।
কপি লুয়াকের প্রস্তুত প্রণালী একটা ভ্লগে দেখেছিলাম -- এরপর ওখানে যাওয়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছিলাম  big_smile

এক বন্ধু ফেসবুকে নক করে বলে 'দোস্ত ইন্দোনেশিয়ার কফি বিশ্বসেরা, সবচেয়ে দামী -- আমার জন্য একটু আনিস'। আমি ওরে বললাম প্রসেস শুনলে নাও চাইতে পারিস -- তাও সে নাছোড়বান্দা। তাই ওর জন্য ছোট এক প্যাকেট আনলাম --- নরমাল কফি যেখানে ১০K এটার দাম ১২২K এর মত। ব্যাটা এখনও নিতে আসলো না। মনে হয় নিচের ওয়েবসাইট দেখে কফির শখ মিটে গেছে ...  lol2
http://www.most-expensive.coffee/