bujta parse,,,,hmmm,,,
apnara ja bishoi aochona korta san,,ta dami akta kico,,,,
ja amra buji na ,,,,lol

(২ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে বিবিধ)

কষ্ট বক্ষ হৃদয় নির্জন রজনি কে সুদায় , কোন গুণে পরে থাকা প্রবাসে ।
সিক্ত ভাললাগা নিয়ে ফেরত বাংলায় , কি মূলে দেবে আমায় শৈশব ।

জিবন কে তুল্য মূলে শউদা করে আজ পড়ে থাকা ।
হাস্য- কষ্ট বদ্গম্ম তখনি ,যখন প্রিয়তম ও অবুজ বুনে অবাদ্দ সুরে নাড়ে মোর হিয়া ।

কষ্ট প্রবাস কষ্ট

সবার ঘরে ললনা এলো
আমার ললনা কুথা গেল

ইলিয়াস লিখেছেন:

এ ব্যাপারে জনাবা হাসিনা কি বলেছেন সেটাও জানান।

ulta jogra korta khob balo laga,,,good job,,,carry on

মার্কিন সিনেট এবং কংগ্রেসের প্রভাবশালী ৩২ জন সদস্য এবং সাবেক রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, নোবেল বিজয়ীসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের খ্যাতিমান ৪০ ব্যক্তি গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের পদক্ষেপে গভীর উদ্বেগ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে বলেছেন, গ্রামীণ ব্যাংক দখল করবেন না। গ্রামীণ ব্যাংক ভেঙে ফেলার পরিকল্পনা থেকে দূরে থাকুন। তারা বলেন, বাংলাদেশ সরকার গঠিত গ্রামীণ ব্যাংক কমিশন যে সুপারিশ করেছে তা ধ্বংসাত্মক ছাড়া আর কিছুই নয়। কংগ্রেস ও সিনেট সদস্য এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা শেখ হাসিনার উদ্দেশ্যে দেয়া পৃথক দুটি খোলা চিঠিতে এ আহ্বান জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী দৈনিক দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট, দ্য ইন্টারন্যাশনাল হেরাল্ড ট্রিবিউনে চিঠি দুটি প্রকাশিত হয়েছে। এদিকে এই চিঠি দুটি গত বুধবার মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনা ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব মোস্তফা কামালের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পৌঁছে দিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাময়িকী ব্লুমবার্গ চিঠির বিষয়বস্তু সম্পর্কে জানায়, যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেটের ১৬ জন এবং প্রতিনিধি পরিষদের ১৬ জন সদস্য গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। এতে তারা বলেন, কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করা হলে দারিদ্র্য বিমোচনে গ্রামীণ ব্যাংক ও এর সহযোগী সংস্থাগুলোর ভূমিকা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে। সুপারিশ বাস্তবায়ন হলে গ্রামীণ ব্যাংকের সাফল্যের পিছনে মূল ভূমিকা রাখা এর ঋণগ্রহীতা ও শেয়ার মালিকদের ক্ষমতা খর্ব হবে।
সিনেটর বারবারা বক্সার, মাইকেল বি এনজি, মার্ক আর ওয়ার্নার, টিম জনসন এবং হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসের সদস্যদের মধ্যে রোসা ডি লরো, কিথ এলিসন, জোসেফ ক্রাউলি, এরিক পলসেন, জিম ম্যাকডারমটসহ অন্যরা চিঠিতে স্বাক্ষর করেন।
চিঠিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের সদস্য হিসেবে আমরা আপনার (শেখ হাসিনা) প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি কমিশনের সুপারিশ আমলে না নেয়ার জন্য। এটা বাংলাদেশে দারিদ্র্য নিরসনে গ্রামীণ ব্যাংকের ভূমিকাকে ক্ষুণ্ন করবে। তারা বলেন, গ্রামীণ ব্যাংকের নিরাপত্তা এবং এর স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় উভয়েরই আগ্রহ রয়েছে। গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের সাম্প্রতিক প্রস্তাব, যা ‘বাস্তবিক অর্থে নোবেল জয়ী প্রতিষ্ঠানটির ভবিষ্যত্ পাল্টে দেবে’। এটা নিয়ে আমাদের মাঝে অস্বস্তি রয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ের ৪০ জন খ্যাতিমান ব্যক্তিও একই ধরনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে লেখা চিঠিতে। তারা বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের সুপারিশ রীতিমত ধ্বংসাত্মক। এই ধ্বংসাত্মক কাজ থেকে বিরত থাকুন। এই বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন নোবেল বিজয়ী আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটু, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ম্যাডেলিন আলব্রাইট, নরওয়ের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হারলেম ব্র্যান্ডল্যান্ড, পেরুর সাবেক প্রেসিডেন্ট আলেজান্দ্রো টলেডো, কেনেডি সেন্টার ফর জাস্টিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের প্রেসিডেন্ট কেরি কেনেডি, বিশ্বব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক জ্যান পিয়েরেজ ও ভার্জিন গ্রুপের চেয়ারম্যান রিচার্ড ব্র্যানসন প্রমুখ।
খ্যাতিমান এ ব্যক্তিরা চিঠিতে বলেন, গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের প্রস্তাবে গ্রামীণ ব্যাংক ও এর সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর কল্যাণের বিষয়টি দেখা হয়নি। আমরা মনে করি, কমিশন ও এর সদস্যরা আপনার সরকারকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করছে এবং তা বাংলাদেশের জনগণ ও তাদের মিত্রদের একটি বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন থেকে বিরত থেকে গ্রামীণ ব্যাংককে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষার জন্য শেখ হাসিনার প্রতি আহ্বান জানান তারা। চিঠিতে বলা হয়, আপনার এবং আপনার অর্থ মন্ত্রণালয়ের গ্রামীণ ব্যাংক কমিশনের সুপারিশগুলো নাকচ করার ক্ষমতা রয়েছে। আমরা মনে করি এগুলোর বাস্তবায়ন হবে ধ্বংসাত্মক।
এ চিঠির বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মোবাইলে ব্লুমবার্গকে বলেন, এ বিষয়ে তার কিছু জানা নেই। আর এটাকে নিজেদের জন্য ইতিবাচক বলে বলে মনে করছেন গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালক তাহসিনা বেগম। ব্লুমবার্গকে তিনি বলেন, বিশ্বনেতৃত্ব আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এটা সুখবর। আশা করছি সরকার এখন তাদের কথায় গুরুত্ব দেবে। গ্রামীণ ব্যাংক যেমন আছে তেমনি চলতে দেয়ার জন্য সরকারকে বোঝাতে চেষ্টা করেছি আমরা

(৩ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে গল্প-উপন্যাস)

ভাই্‌, অনেক হইছে
বলির নিরীহ পাঠা .।।
অসামাঞ্জস সমাজ বেবস্তা ...

মেয়েদের এইসব কথা শুনলে এত মেজাজ খারাপ হয়্‌্‌,
এমন একটা  ভাব নেয় ...।।

আচ্ছা ,আপনি কি বিয়ে করতে চান না?
ফালতো জানি কোদার কার

খাগড়াছড়ি জেলার রামগড়ের মহামুনী ক্যাম্পের বিজিবির জওয়ানরা গতকাল সকালে অবৈধ অনুপ্রবেশকালে এক ভারতীয় কিশোরকে আটকের পর বিকালে বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করেছে। বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের পর বিকাল সাড়ে ৫টায় ধৃত কিশোরকে হস্তান্তর করা হয়।
বিজিবি জানায়, গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামগড়ের ফেনী নদী পার হয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকালে হাবিলদার মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে মহামুনী বিজিবি ক্যাম্পের টহল দল থোইলা মগ, বাবা থোইয় প্রু মগ নামের এক ভারতীয় কিশোরকে আটক করে। ধৃত কিশোরের দেহ তল্লাশি করে ভারতীয় ১ হাজার ১১০ রুপিসহ একটি মোবাইল সেট জব্দ করা হয়। ধৃত কিশোরের বাড়ি ভারতের দক্ষিণ ত্রিপুরার মনু বাজারের প্রমেশ মগপাড়ায় বলে জানিয়েছে বিজিবি।
বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত বিজিবি ও বিএসএফের ক্যাম্প কমান্ডার পর্যায়ে ফ্ল্যাগ মিটিং ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে ভারতীয় কিশোরকে হস্তান্তর করা হয়।
বৈঠকে বিজিবির পক্ষে মহামুনী ক্যাম্প কমান্ডার নায়েক সুবেদার মো. জালাল উদ্দিন ফকির ও বিএসএফের পক্ষে ছোটখিল ক্যাম্প কমান্ডার ইন্সপেক্টর রাজেন্দ্র সিং নেতৃত্ব দেন।
amardesh

(৬ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে বিবিধ)

ঈদ মার্কেটে জাল টাকার ছড়াছড়ি। জাল নোট তৈরির একটি সংঘবদ্ধ চক্র ঈদ সামনে রেখে ৫০ কোটি টাকার জালটাকা বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা করেছিল বলে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছে। গত সোমবার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) রাজধানীতে অভিযান চালিয়ে জালনোট তৈরির কারখানার সন্ধান পেয়েছে। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২৩ লাখ টাকার জালনোটসহ প্রায় দেড় কোটি টাকার জালনোট তৈরির সরঞ্জাম। এ ঘটনায় গোয়েন্দা পুলিশ ইব্রাহীম, নার্গিস আক্তার ও শারমিন আক্তার নামে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে।
গতকাল মিডিয়া সেলে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার মনিরুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে জানান, গত সোমবার গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল রাজধানীর পল্টন ও মিরপুর থানার কল্যাণপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে জালনোট তৈরির হোতা ইব্রাহিমসহ তিনজনকে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে জাল ২৩ লাখ টাকা ও দেড় কোটি জালটাকা বানানোর উপযোগী জলছাপ, নিরাপত্তা সুতা, বাংলাদেশ ব্যাংকের মনোগ্রামসংবলিত বিশেষ কাগজ, একটি ডেস্কটপ, একটি মনিটর, চারটি প্রিন্টার, ইপসন রঙের বিভিন্ন ধরনের তিন হাজার কার্টিজ, বিভিন্ন বোর্ড পাঁচটি, স্ক্রিন প্রিন্টের রং, টানার রাবার তিনটি, জালটাকা ছাপানোর কাজে ব্যবহৃত নেগেটিভ, কার্টার, কার্টার ব্লেড, তরল রিডিউচার ৩ বোতল, স্টিলের স্কেল পাঁচটি, বঙ্গবন্ধু/শাপলা/বাংলাদেশ ব্যাংক/১০০/৫০০ টাকার জলছাপসংবলিত কাগজ ৫ প্যাকেট, হাতুড়ি, প্লাস, ২টি নিরাপত্তা সুতার বান্ডিল এবং নগদ ১২ হাজার (আসল) টাকা উদ্ধার করা হয়।
মনিরুল ইসলাম আরও জানান, ডিবি টিম প্রথমে পল্টন এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুই লাখ টাকার জালনোটসহ ইব্রাহিমকে গ্রেফতার করে। পরে ইব্রাহিমকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, তার কাছে প্রাপ্ত জালটাকার কারখানাটি কল্যাণপুর আবাসিক এলাকায় অবস্থিত। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে কল্যাণপুরের একটি বাড়ির চতুর্থ তলায় অভিযান পরিচালনা করে নার্গিস আক্তার ও শারমিন আক্তারকে গ্রেফতার করা হয়। এই সময় আরও ২৩ লাখ জালটাকা এবং আরও দেড় কোটি টাকার জালনোট তৈরির বিশেষ কাগজ, কালি, কম্পিউটার প্রিন্টার ও অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে জালটাকার ছাপিয়ে ব্যবসা করে আসছিল। গত ঈদুল আজহার সময় ডিবি পুলিশ জালটাকার ছয়টি কারখানার সন্ধান পায় এবং অনেক মূলহোতা ধরা পড়ার প্রেক্ষাপটে জাকির মাস্টার ও কাওছার দীর্ঘদিন ধরে গা-ঢাকা দিয়েছিল। রোজা শুরু হওয়ার পরপরই জাকির এবং কাওছার পলাশ নামে জালটাকার পাইকারি ব্যবসায়ীর কল্যাণপুরের বাসায় মেশিন স্থাপন করে—সোহেল, সাগর, নুরুল হক, বাশার, মামুন, রাব্বি, রোজিনা, নার্গিস আক্তার, শারমিন আক্তার ও ইব্রাহিমদের মাধ্যমে ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় পাইকারিভাবে জালটাকা সরবরাহ করে আসছিল।
গ্রেফতারকৃত ইব্রাহিম ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, সে এবং পলাশ ১০-১২ বছর ধরে জাকির ও কাওছার মাস্টারের কাছ থেকে জালটাকা ক্রয় করে বাজারে সরবরাহ করত। এই কাজে সহায়তা করত পলাশের দুই স্ত্রী। পরবর্তী সময়ে তারা দ্রুত বেশি পরিমাণে জালটাকা তৈরি করে বাজারজাত করার লোভে কল্যাণপুরের বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে জাকির ও কাওছার মাস্টারে মাধ্যমে কারখানা স্থাপন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও লোকচক্ষুর আড়ালে জালটাকার ব্যবসা শুরু করে।
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এই চক্র বাজারে আনুমানিক ৫০ কোটি টাকা ছাড়ার পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছিল বলে ধৃত আসামিরা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করে। গ্রেফতারকৃত ইব্রাহিমের আগে আরও ২ বার মাদক ও জালটাকার ব্যবসা করার কারণে হাজত বাস করেছিল। গ্রেফতার করা নার্গিস আক্তার, শারমিন আক্তার পলাতক আসামি পলাশের স্ত্রী। পলাশ অন্য আসামিদের সঙ্গে ৫২ লাখ জালটাকাসহ ২০১১ সালে ডিবি পুলিশের হাতে ধরা পড়েছিল।
অপরদিকে পলাতক আসামি কাওছার ২০১১ সালে ধরা পড়া জালটাকার অন্যতম আবিষ্কারক হুমায়ুনের ছোট ভাই। ২০১২ সালে ডেমরা থানাধীন বাঁশেরপুল এলাকায় জালটাকার গডফাদার জাকিরের বাসায় অভিযান চালিয়ে ডিবি পুলিশ, তার স্ত্রী, শ্যালক ও অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার করে জালটাকা তৈরির বিপুল পরিমাণ সামগ্রী ও ৬৮ লাখ টাকা উদ্ধার করেছিল।
গ্রেফতারকৃতরা জানায়, এক লাখ জালটাকা তৈরি করতে তাদের আড়াই থেকে তিন হাজার টাকা খরচ হলেও তারা তাদের শিষ্যদের কাছে ৬ থেকে ৮ হাজার টাকায় তা বিক্রি করত, যা পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন হাত হয়ে ২০-২২ হাজার টাকায় বিক্রি হতো। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মিরপুর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে। তাদের অন্য সহযোগীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে বলে জানিয়েছে ডিবি পুলিশ। newspaper

(৪ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে বিবিধ)

পদের নাম : ছাত্রলীগ
বয়স : যে কোনো বয়সের হতে পারে। তবে বিবাহিতদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে।
জাতীয়তা : বাংলাদেশী হওয়া লাগবে এরকম কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। তবে বাঙালি হওয়া লাগবে এরকম বাধ্যবাধকতা আছে।
যোগ্যতা : চাপাতি চালানোর অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। অস্ত্র হাতে পুলিশের সঙ্গে একযোগে কাজ করার মন-মানসিকতা থাকতে হবে। পড়ালেখার ক্ষেত্রে ডাল হলেও কোনো সমস্যা নেই।
বেতন : নির্দিষ্ট কোনো বেতন নেই। তবে ভর্তি বাণিজ্য, টেন্ডার, চাঁদাবাজি ইত্যাদি থেকে আয় করতে পারবে।
চারিত্রিক সনদপত্র : চারিত্রিক সনদপত্রের দরকার নেই। চরিত্র নিয়ে কখনও কোনো প্রশ্ন করা হবে না।
অভিজ্ঞতা : ধর্ষণ, খুন, বিদেশি দামি অস্ত্র অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হবে। মাঠ পর্যায়ে ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে অন্তত: তিন বছর প্রত্যক্ষভাবে জড়িত থাকতে হবে।
পদের নাম : পুলিশ
বয়স : পুলিশ যেহেতু জনগণের জন্য, তাই বয়স একটা দিতে হয়। তাই বয়স দেয়া হলো সর্বোচ্চ ত্রিশ বছর। ছাত্রলীগের কর্মী হলে বয়স কোনো ব্যাপার নয়।
যোগ্যতা : আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কথা বললেই শরীরে যাতে আগুন লেগে যায়, এরকম মন-মানসিকতা থাকতে হবে। দরকার হলে দলের জন্য নিজের জীবনও দিয়ে দিতে হবে। জনগণ কোনো ব্যাপার নয়। দল হচ্ছে সবচেয়ে বড় ব্যাপার।
বেতন : সরকারি বিধি মোতাবেক বেতন পাবে। তবে গুলি করার জন্য তিন হাজার এবং প্রতি মানুষ মারার জন্য পাঁচ হাজার টাকা প্রদান করা হবে। বড় ধরনের নেতা মারতে পারলে সরকারি খরচে তাকে বিদেশ পাঠানো হবে। পদোন্নতি দিয়ে তাকে শীর্ষস্থানে বসানো হবে।
অভিজ্ঞতা : ছাত্রজীবনে ছাত্রলীগ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কয়েকটা খুনের সঙ্গে জড়িত থাকলে ভালো হয়। দলবাজ হলে অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসেবে বিশেষ সুবিধা পাবে।
পদের নাম : উপদেষ্টা
শিক্ষাগত যোগ্যতা : সরকারের তোষামোদি করতে হবে। ভারতকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে রাখতে হবে। দরকার হলে ভারত যা যা করে, তা ঠিক ঠিক অনুসরণ করার মানসিকতা থাকতে হবে। ভারতের জন্য সবকিছু বিলিয়ে দিতে হবে। দরকার হলে নিজের মাতৃভূমির সব বিসর্জন দিয়ে হলেও ভারতের স্বার্থ ও ইজ্জত রক্ষা করতে হবে।
জাতীয়তা : ভারতীয় জাতীয়তার সর্মথকদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে। তবে মুখে মুখে বলতে হবে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ। অন্তরে অন্তরে ভারতীয় জাতীয়তাবাদের আদর্শ লালন করতে হবে।
বেতন : একজন মন্ত্রী যা পান, তা-ই পাবেন। তবে তোষামোদি করতে পারলে দুর্নীতি করার ব্যাপক সুবিধা পাবেন। হাজার হাজার কোটি টাকা ইচ্ছা করলে সুইস ব্যাংকে রেখে দিতে পারবেন।
অভিজ্ঞতা : ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। ভারতের নেতাদের আদর্শ অনুসারী হতে হবে। ভারতের সংবিধান, আদর্শ নীতিনির্ধারণী ছোট বেলা থেকে অনুসরণ করার মানসিকতা থাকতে হবে।
কসবা, বি-বাড়িয়া  ...।। collection amardeshonline

(১৫ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে বটগাছ)

apni namaj shikkar problem mona korla,,ALAHAR O Rasular  Quran o hadis follow koran na kano ?

ফায়ারফক্স লিখেছেন:

সূত্র তুত্র দেন, নাকি আপনি নিজেই ছিলেন তাও বলেন  confused

sorry boss...amade desh protika

উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনা প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছে আমেরিকা। কথা দিয়ে নয় বরং কাজ দিয়েই দেশটিকে যাচাই করা হবে বলে মার্কিন সরকারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন। এর আগে আমেরিকার সঙ্গে উচ্চপর্যায়ে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিল উত্তর কোরিয়া। চলতি সপ্তাহের শুরুতে দক্ষিণ কোরিয়া উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনায় সম্মত হলেও পরে তা বাতিল করে দেয়। চলতি বছরের শুরুতে উত্তর কোরিয়া তৃতীয় পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালায়। দেশটি আমেরিকা ও দক্ষিণ কোরিয়ায় পরমাণু হামলার হুমকিও দেয়। ফলে পিয়ংইয়ংয়ের সঙ্গে ওয়াশিংটন ও সিউলের সম্পর্কের অবনতি হয়। এদিকে উত্তর কোরিয়া সম্প্রতি নমনীয় হলেও মার্কিনিরা বিষয়টি ভালো চোখে দেখছে না।
মার্কিন জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের মুখপাত্র ক্যাথলিন হেডেন জানান, আমেরিকা উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনায় বসতে সম্মত। তবে দেশটিকে অবশ্যই জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের দাবি মানতে হবে এবং পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। এদিকে মার্কিন খাদ্য সাহায্য ফিরে পাওয়ার জন্য উত্তর কোরিয়া মরিয়া হয়ে উঠেছে। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে উত্তর কোরিয়া পরমাণু অস্ত্রের ব্যবহার বন্ধ করতে সম্মতও হয়েছিল। ফলে আমেরিকা খাদ্য সাহায্য দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল পিয়ংইয়ংকে।
এরপরও চলতি বছরের মার্চে ও উত্তর কোরিয়া আমেরিকায় পরমাণু হামলার হুমকি দেয়ায় মার্কিন সরকার দেশটিতে খাদ্য সাহায্য দেয়ার পরিকল্পনা বাতিল করে দেয়। যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, আলোচনা হলেই পিয়ংইয়ংয়ের ওপর থেকে জাতিসংঘ নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে না। সুন্দর কথা নয় বরং তাদেরকে কাজে প্রমাণ দিতে হবে। পরমাণু কর্মসূচি বাদ দেয়ার জন্য সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নিতে উত্তর কোরিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। সিউলকে বাদ দিয়ে আমেরিকার সঙ্গে সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব দেয়ার একদিন পর দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে এ কথা বলল। একই ধরনের কথা বলেছে আমেরিকাও।
দেশ দু’টি বলেছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার হাত থেকে রক্ষা পেতে হলে পরমাণু কর্মসূচি বাতিল করা ছাড়া পিয়ংইয়ংয়ের সামনে আর কোনো পথ খোলা নেই।
কোরিয়া উপদ্বীপে উত্তেজনা প্রশমনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উচ্চ-পর্যায়ের আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে উত্তর কোরিয়া।
দু’বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তাদের সঙ্গে পরিকল্পিত বৈঠক বাতিলের কয়েকদিনের মধ্যেই উত্তর কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে এ প্রস্তাব দেয়।
উত্তর ও দক্ষিণের মধ্যে নির্ধারিত উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠক গত সপ্তাহে বাতিল হয়ে যায় উত্তর কোরিয়া হঠাত্ আলোচনা নাকচ করার কারণে। তবে আলোচনা বন্ধের জন্য দক্ষিণ কোরিয়াকেই দোষারোপ করে উত্তর কোরিয়া।
উত্তর কোরিয়ার জাতীয় প্রতিরক্ষা কমিশন রোববার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘তারা কোরিয়া উপদ্বীপে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আন্তরিক আলোচনা চায়।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার দিন এবং স্থান নির্ধারণ করতে পারে এবং দু’পক্ষের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তবে আলোচনায় কোনো পূর্বশর্ত জুড়ে দেয়া উচিত হবে না।’
যুক্তরাষ্ট্র সত্যিই আঞ্চলিক শান্তি, নিরাপত্তা এবং উত্তেজনা প্রশমন চাইলে আলোচনার জন্য কোনো শর্ত দেয়া যাবে না বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।
যুক্তরাষ্ট্র এবং উত্তর কোরিয়ার কর্মকর্তারা মাঝে মাঝেই আলোচনায় বসেন। তবে দু’দেশের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ২০০৯ সাল থেকে বন্ধ আছে। কিন্তু উচ্চ পর্যায়ের আলোচনায় বসার আগে উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত হতে হবে বলে দাবি করে আসছে যুক্তরাষ্ট্র।

নিছক সুন্দর বইকি

১৩

(৬ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে অভ্যর্থনা কক্ষ)

প্রজন্ম চিৎকার
ওই মিয়া মাইনাস এত কম কেন ?

১৪

(৬ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে অভ্যর্থনা কক্ষ)

কেমন আসেন সবাই ?

সবাইকে এক সাথে পাউয়া যায় এই Topic এ।
তাই একটু লিক্লাম এইখানে। কিছু মনে করবেন না

১৫

(১৯ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে টিউটোরিয়াল, টিপস এন্ড ট্রিকস)

ভাল সংবাদ

১৬

(২১ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে অভ্যর্থনা কক্ষ)

স্বাগতম প্রজন্ম পরিবারে

১৭

(১৯ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে রোমাঞ্চ)

কাজী আলী নূর লিখেছেন:

ভাই সাহেব, আপনেকি জ্যোতিষী নাকি? তাহলে আর ইউ, কে,-তে গিয়ে কি কাজ দেশের ফুটপাথই তো অনেক ভালো। অবশ্য হুলিশের চাঁদাবাজি আপনাকে পেলে আরও বেড়ে যাবে। আপনি শতহলেও তো ভাই ইউ,কে, ফেরত একজন প্রভাসী বান্দা

ন বুজে উত্তর lol2 lol2  নাবালক  lol lol lol

১৮

(১৯ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে রোমাঞ্চ)

শশী লিখেছেন:
saikat008 লিখেছেন:

প্রতিতি রাতেই কষ্টের জাল বনে চেয়ে থাকাটা হইত নিহাত নিস্ফর বইকি । তাকিয়ের থাকাটা যেন নিস্ফল নিরস চক্ষু।

হে খোদা ওনার সাথে ইংরেজীতে কথা বলা নিয়া একবার বিশাল ফাইট হইসিলো। সেই টপিক যে ওনাকে এভাবে বদলে দিবে ভাবি নাই আগে।  dontsee

হা হা শশী আপি
মন মগ্নত এ লিপি বরই সুস্বাদ । ভাল থাকবেন

১৯

(১৮ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে রোমাঞ্চ)

শশী লিখেছেন:
সরদার লিখেছেন:

ভাইয়া, দয়া করে ব্যাখ্যাসহ বিস্তারিত লিখুন। কারণ আপনার কথাগুলো বুঝতে বেশ ঝামেলা পোহাতে হচ্ছে।



অফটপিক:
"চুড়ির" হবে।
"পোষণ" হবে।

অফটপিকের উপর অফটপিক: সেরের উপরে সোয়া সের।  ghusi

এ কথ্য বদ্গম্ম নহে ,
সবে মিলে এক সহিত গল্প কি ফোরাম এর উদ্দেশ্য , না কি অন্নের ভুল ধরা ?

২০

(১৯ উত্তর, পোস্ট করা হয়েছে রোমাঞ্চ)

Jemsbond লিখেছেন:

lol2 lol2 lol2 lol2 lol2 - ইহা কি কপিরাইট এর বাপ নাকি দাদু

lol lol

বন্ড শাহেব
আপনার লিপিখানা বলে দেয়, কি দারুন মানুষিক গুনে গুনানিত আপনি।
একটা laptop কিনে কিছু লিখা লিখি মানেই যে গুনভরা অন্তর আপনার তা বলা বাহল্ল ।
এ আশা কাম্য বন্ধুর হস্তে, মস্তক বহিত কথ্য লিখে , বুজিয়ে দেন ফুতপাত বেতিত ও বসবাস আপনার ।