টপিকঃ দূঃখজনক মনে হল ... ...

আজকের প্রথম আলোয় প্রকাশিত খবরটি নিচে দিলাম। যথারীতি অরূপ কামাল ও এস.এম.মাহবুব মুর্শেদ -এর লেখনী ও পরিবর্তক ব্যবহার করে ইউনিকোডে পরিবর্তন করে দিলাম।

তথ্যপ্রযুক্তি দেশের উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, আর সেই বিষয়ে এ্যাত অনীহা দেখে মনে হয় নিজের পকেট ভরলেই খুশি আমাদের প্রতিনিধিগণ - দেশ জাহান্নামে যাক, ব্যাপার না। বুঝা যাচ্ছে প্রতিনিধিগণ আর আমাদের মুখপাত্র হচ্ছেন না -- এদেরকে কিক-আউট করা দরকার।

সচিব সাহেব বলেছেন কাগজপত্র পাননি। আমার কথা হল, ইমপ্রোভাইজ করতে হবে, নিজে থেকে চাইতে হবে ... উন্নয়নের জিনিস কেউ হাতে ধরে দিয়ে যাবে না। ওনাদের নিজ থেকে আগ্রহী হয়ে যোগাযোগ না করার খবর দেখে মনে হচ্ছে, এ্যাতদিন ওনারা ঘুমিয়েছেন (২য় সাবমেরিন কেবল হারানো দেখে এই ধারনা জোরালো হয়েছে) হোমওয়র্ক করা হয়নি - তাই এরকম একটা সম্মেলনে গিয়ে বলার মত কিছু পাবেন না।

জাতিসংঘের তথ্যসমাজ সম্মেলন
যোগ দিচ্ছে না বাংলাদেশ

পল্লব মোহাইমেন

২০০৫ সালে জাতিসংঘের তথ্যসমাজসংক্রান্ত শীর্ষ সম্মেলন ‘ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফরমেশন সোসাইটি’র (ডব্লিউএসআইএস) চুড়ান্ত পর্বের ঘোষণাপত্রে বাংলাদেশ সই করলেও সেটি বাস্তবায়নের কোনো উদ্যোগ গত প্রায় দেড় বছরেও দেখা যায়নি। ঘোষণাপত্র বাস্তবায়নে রাষ্ট্রগুলোর বর্তমান অবস্থা কী তা নিয়ে আলোচনা করতে আগামী ১৪ থেকে ২৫ মে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় যে বৈঠক হচ্ছে তাতেও বাংলাদেশ অংশ নিচ্ছে না। এমনকি জেনেভায় জাতিসংঘ স্থায়ী দপ্তরের বাংলাদেশ মিশন এতে অংশ নেবে কি না তাও এখনো চুড়ান্ত হয়নি।

যোগাযোগ করা হলে বিজ্ঞান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) মন্ত্রণালয়ের সচিব ওয়াহিদ-উজ-জামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ ব্যাপারে এখনো আমরা কোনো কাগজপত্র পাইনি। তবে বৈঠক যে হচ্ছে তা শুনেছি।’
২০০৫ সালের নভেম্বরে তিউনিসিয়ায় অনুষ্ঠিত ডব্লিউএসআইএসের চুড়ান্ত পর্বে ১৭৫টি দেশ তথ্যসমাজ প্রতিষ্ঠা এবং তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত পৃথিবী গড়ে তোলার অঙ্গীকার করে। এসব কারণে জেনেভার এই বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের অংশগ্রহণ জরুরি বলে মনে করছেন তথ্যসমাজ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা।

২০০৩ সালে ডব্লিউএসআইএসের প্রথম পর্যায়কে সামনে রেখে গঠিত বাংলাদেশ ওয়ার্কিং গ্রুপের চেয়ারপারসন সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ বলেন, বৈঠকটিতে সরকারের অংশগ্রহণ অবশ্যই থাকা দরকার। তাঁর মতে, সরকারের দায়িত্বশীল কোনো কর্মকর্তা বা বিটিআরসির মতো নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধি, নিদেনপক্ষে জেনেভায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদুতের অবশ্যই এ সভায় অংশ নেওয়া উচিত।

২০০৩ সালের ডিসেম্বরে জেনেভায় অনুষ্ঠিত ডব্লিউএসআইএসের প্রথম শীর্ষ সম্মেলনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অংশ নেয়। সম্মেলনে দেওয়া বক্তৃতায় খালেদা জিয়া ২০০৬ সালের মধ্যে বাংলাদেশে জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার কথা বলেছিলেন।

জেনেভায় ডব্লিউএসআইএসের ঘোষণা বাস্তবায়নসংক্রান্ত সভায় প্রযুক্তিগত বৈষম্য কমানো, আইসিটি অবকাঠামো ও প্রয়োগ প্রভৃতি বিষয়ে আলোচনা হবে বলে জানা যায়।

শামীম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: দূঃখজনক মনে হল ... ...

আমলাতান্ত্রিক জটিলতা না কি তালবাহানা?

তথ্যপ্রযুক্তির সবকিছু চাই বাংলায়
খেরোখাতায় লিখি মনের কথা।