টপিকঃ বস্টন ও কেপ কড ভ্রমণ

আগেই যেমনটি বলেছিলাম, গত উইকেন্ডটা কাটালাম বস্টন ও কেপ কডে ঘুরে। তারই কিছু ছবি এখানে দিলাম...

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/08/680_boston_streetsfog.jpeg
কে বলবে তখনো সকাল সাড়ে এগারটা?

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/08/680_boston_boats.jpeg
সেখানে ডাউনটাউনের কাছে একটা সোরলাইনে সারি সারি নৌকা বাঁধা

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/08/680_boston_columbus.jpeg
আমেরিকার এই প্রাচীন শহরটিতে আবিস্কারক কলম্বাসের মূর্তি

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/08/680_boston_horses.jpeg
বাংলাদেশের ঘোড়ার গাড়ির মত এখানে আছে পর্যটকদের জন্য এমন সুবিধা

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/08/680_boston_busy.jpeg
কুয়াশা কাটার পরে

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/08/680_boston_mit.jpeg
এবার বিখ্যাত MIT (Massachussetts Institute of Technology)

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/08/680_boston_harvard.jpeg
এবারে সুবিখ্যাত Harvard-এর ফটক

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/08/680_boston_harvardlibrary.jpeg
হার্ভার্ডের একটি লাইব্রেরী

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/08/680_boston_ibm.jpeg
সালটা দেখি নাই, তবে খুবই পুরাতন একটা টাইপরাইটার হার্ভার্ডের সাইন্স বিভাগে

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/08/680_capecod_atlantic.jpeg
এবার কেপ কডের আটলান্টিক (বঙ্গোপসাগরও কি এরকমই!)

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/08/680_capecod_whale.jpeg
তিমি দেখতে গভীর সাগরে, এখানে তিমির লেজ

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/08/680_capecod_whale2.jpeg
বোটের খুবই কাছে দুটা তিমি

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/08/680_capecod_whale4.jpeg
বলেন তো এটা কি?

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/08/680_capecod_boats.jpeg
সারি সারি নৌকো বাঁধা

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/08/680_capecod_lighthouse.jpeg
খুবই প্রাচীন একটা লাইটহাউজ

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/08/680_capecod_ferry.jpeg
এমন একটা ফেরীর সমান এক একটা তিমি বা এর চেয়েও বড়; এমন একটিতেই করে গভীর সমুদ্রে যাত্রা করেছিলাম

http://forum.projanmo.com/uploads/2008/08/680_boston_sunset.jpeg
বস্টনের সূর্যাস্ত দিয়ে The End বুঝালাম (বাসের ভিতর থেকে তোলা)



এর পরের পোস্টে বর্ণনা সহকারে ভ্রমণটা নিয়ে লিখব। অপেক্ষায় থাকেন...

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন রূপসী-রাক্ষসী (০৮-০৮-২০০৮ ০১:০৪)

Re: বস্টন ও কেপ কড ভ্রমণ

cryingcrying--(--(--আমি যাইতে চাই~X(~X(~X(
বঙ্গোপসাগরও কি এরকমই!----- নাহ আমাদের সাগরের পানির রঙ সুনীল    ........ যেই নীল রঙ " ওই নীল জামা পরলে তুই " এর মতই হয়!!

শেষ গানেরই রেশ নিয়ে যাও চলে, শেষ কথা যাও ব'লে!
সময় পাবে না আর, নামিছে অন্ধকার!
গোধূলিতে আলো-আঁধারে-পথিক যে পথ ভোলে!!

Re: বস্টন ও কেপ কড ভ্রমণ

আমি যামু

রক্তের গ্রুপ AB+

microqatar'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন দত্ত (০৮-০৮-২০০৮ ০৪:১১)

Re: বস্টন ও কেপ কড ভ্রমণ

এবারে করি যাত্রা বিবরণী...

প্রায় প্রতি বছরই এখানকার একটা সংগঠনের মাধ্যমে যাওয়া হয় এখানে-সেখানে। এবার নির্ধারিত হয় বস্টন ও কেপ কড (Cape Cod)। এই কেপ কড হচ্ছে আমেরিকার সবচেয়ে পূর্বপ্রান্ত। যদিও নিউ ইয়র্ক বা নিউ জার্সী সাগরের তীরে অবস্থিত, তবুও কেপ কড হচ্ছে এগুলোর চেয়েও কিছুটা পূর্বের দিকে যা কিনা এমন এক জায়গায় যার সামনে আর দু'পাশে আটলান্টিক আর পেছন দিকে ভূমি।
তা আমরা প্রায় ৬০-৭০জনের এক দল লোক (পরিবার-পরিজন নিয়ে) শনিবার সকাল ৯:৪৫টায় রওয়ানা দেই বস্টনের উদ্দেশ্যে। সেখানে যাবার পথে আমাদের সকালের নাস্তা হিসেবে হালকা-পাতলা খাবার দেয়া হয়। এরপর প্রায় তিনটে নাগাদ বস্টন মূল শহরে আমরা পৌঁছাই। মূলত ডাউনটাউনটা বাসে চড়েই দেখতে হয়। এখানে থামানো যায় না। আর পার্কিং পাওয়াও কষ্টসাধ্য, তার ওপরে একটা বাস surprised
তারপর একটা Aquarium-এর নিকট এসে ভিড়লাম। সেখানে নেমে কেউ কেউ aquarium-এর উদ্দেশ্যে গেল। আর কেউ কেউ মধ্যাহ্নভোজন করতে রেস্টুরেন্টে ঢুকল। আমরা (আমার বাবা-মা, আর ভাই) খেতেই গেলাম। খিদেয় পেট চো চো করছে, কিসের একুয়েরিয়াম দেখব!
তারপর প্রায় ছ'টা নাগাদ আমরা রওয়ানা হলাম MIT আর Harvard-এর উদ্দেশ্যে। সেখানে প্রায় ঘন্টা দেড়েক ঘুরলাম ক্যাম্পাস প্রাঙ্গন। জানি না কখনো এগুলোতে স্টুডেন্ট হিসেবে ঢুকতে পারব কিনা!
এরপর রাতের ভোজন করতে একটা বোম্বে রেস্তোরায় ঢুকলাম (এটাই বাঙালী হিসেবে সবচেয়ে নিকটতম স্বাদের খাবারের স্থাণ, অন্যগুলো সব বিদেশী; ভাত না খেলে বাঙালীর চলে?) সেখানে বুফে খেলাম সবাই $14 প্রতি প্লেট।
প্রায় রাত দশটা নাগাদ হোটেলের উদ্দেশ্যে গেলাম। রাতটা কাটালাম একটা বাংলাদেশের শেরাটন জাতীয় হোটেলে। ঘুমিয়েও শান্তি এমন জায়গায়।
পরদিন সকালে কেপ কডের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম। এর আগে অবশ্য সকালের নাস্তা সারলাম সেই হোটেলেই। সেই হোটেল থেকে একেবারে বিদায়ও নিয়ে এলাম। এত দামী হোটেলে বেশীক্ষণ থাকলে আরো বেশী ডলার খরচ।
প্রায় ১২টা নাগাদ সেখানে পৌঁছালাম। সাড়ে বারটায় ফেরী ছাড়বে। তাড়াতাড়ি সকলের জন্য টিকেট কাটা হলো। ২বছরের নিচের শিশুদের ফ্রী। আর এর পর থেকে ১৩ বছর $30 আর বড়দের $37। ও হ্যাঁ, এই ফেরী দিয়ে লোকে গভীর সাগরে গিয়ে তিমি দেখতে যায়। এটির জন্য দৈনিক প্রায় ৩০হাজারেরও বেশী মানুষ এখানে পাড়ি জমায়। প্রায় সাড়ে তিন ঘন্টার এই রাইডে দেখলাম আমার চেয়ে হাজার গুণ বড় তিমিদের খেলা। যদিও সাধারণত এরা জলের উপর তেমন আসে না। তবে একটা বাচ্চা তিমি একবার লাফিয়ে উঠে (ওটার ছবি তুলতে পারিনি)। এত বড় জীবিত মাছ জীবনে কখনো দেখিনি মনে হয় আর দেখবও না।
যা হোক, এটা সেরে প্রায় ৪-৫টা নাগাদ নিউ ইয়র্কের উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়ে বাসায় পৌঁছাই রাত সাড়ে এগারটায়। জ্যামে পড়ে এত দেরী।



আপনারা চাইলে গত দু-তিন বছরের নায়াগ্রা জলপ্রপাতের ছবি, ওয়াশিংটন ডিসির ছবিও দিতে পারি।

Re: বস্টন ও কেপ কড ভ্রমণ

খুবই সুন্দর ছবি। অস্ট্রেলিয়ায় এরকম কোন জায়গা আছে কিনা জানা নাই। কারণ এখনো বেশী জায়গা ঘুরে দেখিনি। sad

Re: বস্টন ও কেপ কড ভ্রমণ

যারা দেশের বাইরে আছেন তারা এভাবে উক্ত দেশের ছবি দিলে আমরা কিছু জ্ঞান আরহণ করতে পারি।

সবকিছুর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি, এমনকি মৃত্যুর জন্যও...
রয়েল টেকনোলজি | সমকাল দর্পণ | আমার ফেসবুক প্র্রোফাইল | আমার ফেসবুক পেজ | আমার গুগল+

Re: বস্টন ও কেপ কড ভ্রমণ

আপনার দেওয়া ছবি ও লেখার সাথে আমারও ভ্রমন হলো!!!
দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানো আর কি।

রক্তের গ্রুপ B+
যুদ্ধাপরাধী ও রাজাকারদের ঘৃণা করি।