টপিকঃ কৌতুক

কৌতুক ১ঃ
এক প্রাণিবিজ্ঞানী এক রেস্টুরেন্টে দুপুরের খাবার খাচ্ছিলেন। এমন সময় সেখানে একটা পান্ডা এসে ঢুকলো। পান্ডাটি খাওয়া দাওয়া করে বেরিয়ে যাবার সময় ম্যানেজারকে গুলি করে চলে গেলো। প্রানিবিজ্ঞানী তাজ্জব হয়ে ঘটনাটি দেখলেন। তিনি কোনভাবেই বুঝতে পারছিলেন না পান্ডাটি এমন অদ্ভুত আচরণ কেন করলো। শেষে বাসায় গিয়ে তিনি উইকিপিডিয়াতে পান্ডা লিখে সার্চ দিলেন এবং রহস্য সমাধান হলে।

A panda is a black and white colored animal which eats shoots and leaves.

কৌতুক ২ঃ
১৯৬০ সালের কথা।
কাতারে লোকালয় হতে দূরে অবস্থিত এক মরুভূমিতে সম্ভাব্য এক তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে। সেখানে জরিপ করতে এসেছেন এক ব্রিটিশ সার্ভেয়ার রবার্ট উইলিয়াম। সেখানে আরব শ্রমিকদের তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, "তোমরা তো লোকালয় থেকে বহুদূরে আছো। যখন তোমাদের ইয়ে মানে নারীর স্পর্শের জন্য চিত্ত চাঞ্চল্য হয় তখন তোমরা কি কর?" আরব শ্রমিক দেখিয়ে দিলো, "আমরা ওটা ব্যবহার করি।" ওটা'র দিকে তাকিয়ে রবার্ট উইলিয়াম দেখলেন একটা উট। ইয়াক! আরবদের কি রুচি!
বেশ কিছুদিন যাবার পর রবার্ট উইলিয়ামের চিত্ত চাঞ্চল্য দেখা দিলো। কয়েকদিন পার হবার পর চিত্ত চাঞ্চল্য সামলাতে না পেরে তিনি উটের উপর চড়াও হলেন। উট বেদম চেচাতে লাগলো, আরব শ্রমিকরা সব জড়ো হয়ে তার কাণ্ড দেখতে লাগলো। কাজ শেষ হবার পর প্যান্ট পরতে পরতে উইলিয়াম বললেন, "আমিও তোমাদের মত কাজে লাগালাম।" উত্তরে এক শ্রমিক বললো, "আমাদের মত ওটার পিঠে চড়ে শহরে গেলেই পারতেন!"

কৌতুক ৩ঃ
এক ছেলে তার ফেরারি গাড়ি করে ঘুরতে ঘুরতে একটা গ্রাম চলে গেলো। সেখানে সে দেখলো এক রাখাল অনেকগুলো ভেড়া নিয়ে বাড়ি ফিরছে। ছেলেটি রাখালকে বললো, "আমি যদি না গুনেই বলে দিতে পারি আপনার পালে কয়টি ভেড়া আছে, আপনি কি আমাকে একটি ভেড়া দিয়ে দেবেন?"

রাখাল বললো, "হ্যা।"

ছেলেটি তার গাড়ি থেকে তার ম্যাকবুক আর আইফোন বের করে একজনকে ফোন দিলো। কিছুক্ষণ পর একটা হেলিকপ্টার উপরে উড়ে এলো সেখান থেকে পাইলট গুনলো কয়টি ভেড়া আছে এবং ফোনে ছেলেটিকে জানালো। ছেলেটি বললো, "আপনার পালে ৩৪টি ভেড়া আছে, হয়েছে?"

রাখাল বললো, "হইছে, আপনার যেডা পছন্দ হেইডাই নিয়ে নেন।" ছেলেটি একটি ভেড়া পছন্দ করে নিলো। এবার রাখাল বললো, "যদি আমি কইতে পারি আপনার বাপে কি করে আপনি কি আমার ভেড়াডা ফেরত দিবেন?"

ছেলেটা বললো, "হ্যা।"

রাখাল "আপনার বাপে শিল্পপতি।"

ছেলেটি অবাক হয়ে বললো, "কিভাবে বুঝলেন?"

রাখাল বলতে শুরু করলো, "আপনে দামি গাড়ি নিয়া ঘুরতে বাইর হইছেন, দামি ফোনে কথা কন, দরকার নাই তাও আপনার দামী ল্যাপটপ আমার সামনে নাড়াইলেন, আপনের এক ফোনে হেলিকপ্টার আয়া পড়ছে এত টেকা আর এতে ফুডানি শিল্পপতির পোলা ছাড়া কেউ করে না। এমনকি আপনার বুদ্ধিশুদ্ধিও নাই, আপনে ভেড়া চিনেন না।

এইবার আমার কুত্তাডা ফেরত দেন।"

কৌতুক ৪ঃ
এক পিচ্চি ছেলে একটি বাঁশের দোকানে ফোন করেছে। মালিক ফোন ধরলেন।
"মোটা কালো বাঁশ আছে?"
"হা, আছে।"
"পিছনে ঢুকিয়ে বসে থাকেন।" বলে ছেলেটি ফোন রেখে দিলো।

কিছুক্ষণ পর আবার ফোন।
"মোটা কালো বাঁশ আছে?"
মালিক এবার সাবধান। বললো, "না, নাই।"
"ও! ঢুকিয়ে ফেলেছেন! দারুণ!" বলে ছেলেটা রেখে দিলো।

কিছুক্ষণ পর আবার ফোন।
"মোটা কালো বাঁশ আছে?"
একটু ভেবে মালিক উত্তর দিলো, "আছে,,, আবার নাইও।"
"ও ঢুকাচ্ছেন আর বের করছেন!!!"


#সংগৃহীত

"We want Justice for Adnan Tasin"