টপিকঃ অপ্রয়োজনীয় তথ্য !

কোন কোন একেবারে অপ্রয়োজনীয় তথ্য আপনি জানেন? শেয়ার করবেন কি?


ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা মৃতদেহে লেগে থাকা পোকার চরিত্র দেখে মোটামুটিভাবে বলতে পারেন মৃত্যু ঠিক কতক্ষণ বা কত দিন আগে হয়েছে।

কমবয়সি পুরুষদের অধিকাংশই মারা যান দুর্ঘটনায়।


মৃত্যুর পরে নখের বৃদ্ধি ঘটে না।
মৃত্যুর পরে অগ্ন্যাশয় ও পাচনতন্ত্রের অন্যান্য অংশ হজমের সহায়ক এনজাইমে পূর্ণ হয়ে যায়। এতে ওই অঙ্গগুলিই ‘হজম’ হয়ে যেতে শুরু করে। তার পরে পুরো দেহতেই এই প্রক্রিয়া ছড়িয়ে পড়ে। এর নাম ‘অটোলাইসিস’।

প্রতি বছর প্রতি ১০০০ জনে ৮ জন মারা যান।

প্রতি দিনই ‘খানিকটা করে মারা যাচ্ছি’ আমরা সবাই। প্রতিদিন দেহে প্রায়s ৫০ বিলিয়ন কোষের মৃত্যু হয়।

মৃত্যুর চার ঘণ্টা পরে দেহের পেশিগুলিতে রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে সংকোচন ঘটে। দেহ শক্ত হতে আরম্ভ করে। একে ‘রিগর মর্টিস’ বলে। কিন্তু ৩৬ ঘণ্টা পরে রিগর মর্টিস উধাও হতে শুরু করে।

অ্যালবার্ট আইনস্টাইনের মতে, ‘যদি পৃথিবীতে মৌমাছি না থাকে তাহলে পৃথিবীর সব মানুষ ৪ বছরের মধ্যে মারা যাবে।

মহাশূন্যে গেলে মানুষ নাকি কিছুটা লম্বা হয়। কিভাবে হয়? সেখানে মাধ্যাকর্ষণ না থাকায় মেরুদণ্ডের উপর কোনো চাপ থাকে ফলে মেরুদণ্ডের দৈর্ঘ্য কিছুটা বাড়ে।

বিশ্বের সবচেয়ে বড় অনলাইন তথ্য ভান্ডার হচ্ছে উইকিপিডিয়া। উইকিপিডিয়াতে যতো তথ্য জমা রয়েছে তার ৫ গুণ বেশি তথ্য মানুষের মস্তিষ্ক, তথ্য ধারণ ক্ষমতা রাখে।

বৃহদাকৃতির ডাইনোসরের একটি প্রজাতি ছিল স্টেগোসাউরাস। প্রায় নয় মিটার লম্বা দাবনাকৃতির এই ডাইনোসর প্রজাতির মস্তিষ্ক ছিল কাঠবাদামের সমান।

আপনি খাবার ছাড়া প্রায় ৪ সপ্তাহ অর্থাৎ ২৮ দিন বেঁচে থাকতে পারলেও ১১ দিন না ঘুমালে আপনার মৃত্যু অনিবার্য।

যারা অনেক বেশি হাসেন তারা অন্যান্য মানুষের তুলনায় অনেক বেশি সুস্থ এবং ভালো স্বাস্থ্যের অধিকারী। কারণ রোগকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে বিষন্নতা আর সুস্থ থাকার এবং রোগমুক্ত হওয়ার সবচেয়ে বড় ঔষধ হলো হাসি।

মানুষের চোখের পাতা গড়ে ৬ সেকেন্ড পর পর পলক দেয়

#সংগৃহীত

"We want Justice for Adnan Tasin"