টপিকঃ বাংলাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ আবিষ্কার কোনটি?

https://qph.fs.quoracdn.net/main-qimg-4d6d201365a9b01d502fe63482de80b7-mzj
(ছবি- Esther Duflo)

বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশের যেসব ভূমিহীন এবং দরিদ্র নাগরিকরা অল্প পুঁজিতে নিজেদের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দারিদ্র্য-বিমোচন করতে আগ্রহী, এই ঋণ প্রথাটি তাদের বিশেষ সুবিধার্থে প্রবর্তিত হয় । এ পদ্ধতিতে বেকার এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা, বিশেষ করে প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলো যাদের আর্থিক সহায়তা দিতে আগ্রহী হয় না, সেসব নাগরিকেরা বিনা জামানতে ঋণ নিতে পারেন ।

ক্ষুদ্রঋণ এর অন্য নাম Microbanking অথবা Microfinance । ১৯৭৬ সালে ডক্টর ইউনূস এটির প্রবর্তন করেন কিন্তু পরবর্তীতে ১৯৮৩ সালে তার গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এ ঋণ প্রথার আধুনিক বাস্তবায়ন সম্ভব হয় । বাংলাদেশ সহ ইন্দোনেশিয়া এবং বলিভিয়ার মতো স্বল্পোন্নত দেশগুলোতে ক্ষুদ্রঋণের সফলতা পরিলক্ষিত হয়েছে । ২০০৯ সালের সমীক্ষায় উঠে এসেছে যে পৃথিবীর নানা দেশে সর্বমোট ৭৪ মিলিয়ন মানুষ এই ক্ষুদ্রঋণের সুবিধা ভোগ করেছে যেটার আর্থিক মূল্য মার্কিন ৩৮ বিলিয়ন ডলার । পাশাপাশি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে ক্ষুদ্রঋণ গ্রহীতাদের মধ্যে শতকরা ৯৫ থেকে ৯৮ ভাগই সফল । ক্ষুদ্রঋণের সফলতার সম্মানার্থে ২০০৫ সালকে আন্তর্জাতিক ক্ষুদ্রঋণ বর্ষ (International Year of Microcredit) নামে ঘোষণা দিয়েছিলো United Nations।

ক্ষুদ্রঋণের সফলতার পাশাপাশি এটার অনেক সমালোচনাও শোনা যায় । গাণিতিক হিসাব অনুযায়ী ক্ষুদ্রঋণের ব্যবহার লাভজনক এবং অনুন্নত দেশের নাগরিকদের ভাগ্যউন্নয়নের অন্যতম চাবিকাঠি হলেও, Esther Duflo নামের একজন ফ্রেঞ্চ-আমেরিকান অর্থনীতিবিদের গবেষণায় ভিন্ন ফলাফল উঠে এসেছে ।

গবেষণাটি ২০০৫ সাল থেকে ২০১০ পর্যন্ত ভারতের হায়দ্রাবাদের ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে চালানো চালানো হয় । Esther এর ফলাফল অনুযায়ী ক্ষুদ্রঋণ গ্রহণের মাধ্যমে দরিদ্র নাগরিকদের গৃহাস্থলির উন্নয়ন, লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণ, শিক্ষা এবং চিকিৎসার ক্ষেত্রে কোনো অগ্রসরতা লক্ষ্য করা যায়নি ।

"We want Justice for Adnan Tasin"