১৮১

Re: রবিবাবুর চন্দ্রকণা

১৭৬।
স্নিগ্ধহসিত বদন-ইন্দু,
সিঁথায় আঁকিয়া সিঁদুর-বিন্দু
মঙ্গল করো সার্থক করো

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১৮২

Re: রবিবাবুর চন্দ্রকণা

১৭৭।
ওগো শোনো কে বাজায়
বনফুলের মালার গন্ধ বাঁশির তানে মিশে যায়॥
অধর ছুঁয়ে বাঁশিখানি চুরি করে হাসিখানি--
বঁধুর হাসি মধুর গানে প্রাণের পানে ভেসে যায়॥

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১৮৩

Re: রবিবাবুর চন্দ্রকণা

১৭৮।
কুঞ্জবনের ভ্রমর বুঝি বাঁশির মাঝে গুঞ্জরে,
বকুলগুলি আকুল হয়ে বাঁশির গানে মুঞ্জরে।
যমুনারই কলতান কানে আসে, কাঁদে প্রাণ--
আকাশে ওই মধুর বিধু কাহার পানে হেসে চায়॥

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১৮৪

Re: রবিবাবুর চন্দ্রকণা

১৭৯।
সাজাব সখীরে সাধ মিটায়ে,
ঢাকিব তনুখানি কুসুমেরই ভূষণে।
গগনে হাসিবে বিধু, গাহিব মৃদু মৃদু—
কাটাব প্রমোদে চাঁদিনী যামিনী ।।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১৮৫

Re: রবিবাবুর চন্দ্রকণা

১৮০।
চলো দূরে নদীর তীরে,
বসে সেথায় ধীরে ধীরে
একটি শুধু বাঁশরি বাজাও।
আকাশেতে হাসবে বিধু,
মধুকন্ঠে মৃদু মৃদু
একটি শুধু সুখেরই গান গাও।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১৮৬

Re: রবিবাবুর চন্দ্রকণা

১৮১।
শরমের মেঘে ঢাকা বিধুমুখানি--
মেঘ টুটে জোছনা ফুটে উঠিবে কি লো।
তৃষিত আঁখির আশা পূরাবি কি লো--
তবে ঘোমটা খোলো, মুখটি তোলো, আঁঘি মেলো লো ॥

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।