সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মরুভূমির জলদস্যু (২২-০৪-২০২১ ০২:৫৪)

টপিকঃ ফুলের নাম : রাধাচূড়া

রাধাচূড়া

https://i.imgur.com/X7BWAnCh.jpg

অন্যান্য ও আঞ্চলিক নাম : গুলেটু, রত্নগণ্ডি, সিদ্ধেশ্বরা, সিদ্ধেশ্বর, সিধাক্য, ছোট কৃষ্ণচূড়া ইত্যাদি।

Common Name : Peacock flower, Poinciana, Paradise Flower, , Petit Flamboyant, Red bird of paradise, Mexican bird of paradise, Dwarf poinciana, Dwarf flamboyant, Flamboyant Nain, Pride of Barbados, Barbados Pride, flowerfence.

Scientific Name : Caesalpinia pulcherrima

https://i.imgur.com/YVvzwXLh.jpg

ঢাকার সড়ক দ্বীপে এই ফুল আজ প্রচুর দেখা যায়। বাগানেও রাধাচূড়ার কদর অনেক।

সুন্দরী রাধাচূড়ার আদি নিবাস ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই ওয়েস্ট ইন্ডিজ সুন্দরী আমাদের দেশের আবহাওয়ায় খুব ভালো মানিয়ে নিয়েছে।

https://i.imgur.com/nN0HElhh.jpg

ছোট ঝোপাল আকৃতির গুল্মজাতীয় গাছ এই রাধাচূড়ার। অসংখ্য ডালপালা কিছুটা ছড়ানো হয়ে থাকে। গাছের উচ্চতা ৫ থেকে ১৫ ফুট পর্যন্ত হতে পারে। খুবই দ্রুত বর্ধনশীল এই গাছ। কাণ্ড ও শাখায় কাঁটা থাকে।

https://i.imgur.com/vCiI242h.jpg

রাধাচূড়ার ফুল ফোটার ধরন খুব চমৎকার। ডালের আগায় লম্বা ডাঁটায় নিচ থেকে ওপরের দিকে ফুল ফোটে। পাপড়ির মাঝখানে থাকে একগুচ্ছ পুংকেশর। সেগুলি থাকে বেশ বড়। বারো হাত কাঁকড়ের তেরো হাত বীচির মতো সেগুলি ফুলের বাইরে বেরিয়ে থাকে।

https://i.imgur.com/nEJonOah.jpg

রাধাচূড়ার ফুল ফোটার নির্দিষ্ট কোন সময় নেই, সারা বছর জুড়েই ফুল ফুটে, তবে সাধারণত শীতে ফুল কম ফুটে।

রাধাচূড়ার ফলের রং নিয়ে অনেকেরই ভুল ধারনা আছে। অনেকেই মনে করেন লাল রং এর ফুল গুলি কৃষ্ণচূড়া আর হলুদ গুলি রাধাচূড়া। আসলে তা নয়, বরং রাধাচূড়া লালচে কমলা ও হলুদ হতে পারে। তাছাড়া গোলাপী রঙের রাধাচূড়াও হয়, তবে তা খুব রেয়ার।

https://i.imgur.com/zGBovilh.jpg


যত সুন্দরীই হোকনা কেনো এই রাধাচূড়া কিন্তু সুগন্ধি হীন। তবুও প্রজাপতি ও ছোট পতঙ্গ এর আকর্ষণে ছোটে ছুটে আসে।

রাধাচূড়ার ফল দেখতে শিমের মতো চ্যাপ্টা। বীজ থেকে খুব সহজেই চারা জন্মে এবং বছর না ঘুরতেই গাছে ফুল দেখা দেয়।


https://i.imgur.com/bnKIii0h.jpg

রাধাচূড়া বার্বাডোস এর জাতীয় ফুল।
গাছটির পাতা, ফুল, ছাল মূল সব অংশেই ঔষধিগুণ বিদ্যমান।



https://i.imgur.com/FYq7kmhh.jpg

মালী বলেছিল। সেই মতো
টবে লাগিয়েছি রাধাচূড়া।
এতটুকু টবে এতটা গাছ ?
সে কি হতে পারে ? মালী বলে :
হতে পারে যদি ঠিক জানো
কীভাবে বানায় গাছপালা।

খুব যদি বাড় বেড়ে ওঠে
দাও ছেঁটে দাও সব মাথা
কিছুতে কোরো না সীমাছাড়া
থেকে যাবে ঠিক ঠাণ্ডা, চুপ
ঘরেরও দিব্যি শোভা হবে
লোকেও বলবে রাধাচূড়া।

সবই বলেছিল ঠিক, শুধু
মালী যা বলে নি সেটা হলো
সেই বাড় নীচে ছারিয়ে যায়
শিকড়ে শিকড়ে মাথা খোঁড়ে আর
এখানে-ওখানে মাটি ফুঁড়ে
হয়ে ওঠে এক অন্য গাছ।

এমন কী সেই মরশুমি টব
ইতস্ততের চোরা চাপে
বড়ো মাথা ছেড়ে খুদে মাথায়
কাতারে কাতারে ঝেঁপে আসায়
ফেটে যেতে পারে হঠাৎ যে
সে কথা কি মালী বলেছিল ?

মালী তা বলেনি, রাধাচূড়া !
----- শঙ্খ ঘোষ -----

https://i.imgur.com/66YA8boh.jpg


https://i.imgur.com/WFgbkf4h.jpg

বিভিন্ন সময় ঢাকার হাতিরঝিলে, উত্তর বাড্ডায় আমার বাসার ছাদে, কক্সবাজারের রামুতে ছবি গুলি তুলেছি।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।