টপিকঃ কক্সবাজার ভ্রমণ ২০২০ : যাত্রা শুরু

https://i.imgur.com/VjyL8ynh.jpg


দীর্ঘ্য ৬ বছর পরে পরিবার নিয়ে বেরাতে যাওয়ার সুযোগ হলো আবার। এর মধ্যে ওদের নিয়ে বেরাতে গেলেও তা ছিলো ডে ট্রিপ, যেখানেই গেছি রাতের মধ্যে বাড়িতে ফিরতেই হয়েছে। স্ত্রী-কন্যকে নিয়ে শেষ ভ্রমণ ছিলো এই কক্সবাজারেই ২০১৪ সালের মে মাসের ১৭ তারিখে। এরপরে ছোট মেয়ের জন্ম, বাবার অসুস্থতা ও মৃত্যু। তারপরেই মায়ের দীর্ঘ্য অসুস্থতা ইত্যাদি নানান কারণে বাড়ির বাইরে বেশীদূরে যেতে পারি নি, গেলেও ফিরে এসেছি রাতের মধ্যেই।

ঠিক করি যাবো আবার কক্স সাহেবের বাজারে। আরো আগেই যাওয়ার প্লান ছিলো। কিন্তু করনার কারণে সম্ভব হয়নি। এখনো করনার করাল গ্রাসে সারা বিশ্বের সাথে বাংলাদেশও বিপর্যস্ত।  তবুও কোনো কিছুই থেমে নেই। সর্বচ্চো সতর্কতার সাথেই চেষ্টা করেছি বেরাতে। আমেরিকার প্রেসিডেন্টের হয়ে গেছে করনা, আমরা কোন ছাই। আজহোক কালহোক আক্রান্ত হবোই ধরে নিয়ে সর্বচ্চো সতর্ক থাকতে হবে আমাদের, কারণ ওরা আক্রান্ত হলে ওদের মেলা ব্যবস্থা ও সামর্থ আছে সুস্থ হয়ে উঠার, যার কোনোটাই আমাদের নাই।

যাইহোক কথা না বাড়িয়ে ভ্রমণের বিষয়ে আসি। স্ত্রী কন্যাদের আবদার এবার যাবে এয়ারে। এতো করে বললাম, “যে টাকায় এয়ার টিকেট কিনবো তা দিয়ে অর্ধেক ঘুরা হয়ে যাবে”। লাভ হলো না। শেষ পর্যন্ত অনলাইনে ফ্লাইট এক্সপাট থেকে ২টি অ্যাডাল্ট + ২টি চাইল্ড মোট ৪টি টিকেট কটলাম ১৪,৫৩৯/= টাকায় ২৮শে সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ বিমানের দুপুর ২টার ফ্লাইটের। এয়ার টিকেট এতো সস্তা হয়ে গেছে দেখে অবাক হলাম। যদিও আমার জন্য মোটেও সস্তা নয়, বরং খরচ একটু বেশীই হয়ে গেলো।



https://i.imgur.com/yiWSqAqh.jpg



২৮ তারিখ হাতে কিছুটা সময় নিয়েই বের হই বাড়ি থেকে। উত্তর বাড্ডা আমার বাসা থেকে এয়ারপোর্টে যেতে সময় লাগবে সর্বচ্চো ২০ মিনিট উবারে। দেখা গেলো তার আগেই পৌছে গেছি।



https://i.imgur.com/HrCAjtkh.jpg



টিকেট দেখিয়ে ডমেষ্টিক টার্মিনালে ঢুকে ব্যাগ চেক করিয়ে বোডিং ফরম গুলি ফিলাপ করে ব্যাগ জমা দিয়ে দ্বিতীয় ধাপের চেকিং শেষে অপেক্ষা করতে থাকি এরোপ্লেন উঠার।



https://i.imgur.com/Bez0sNch.jpg




https://i.imgur.com/F0rM5qoh.jpg




https://i.imgur.com/4VPGq4hh.jpg




https://i.imgur.com/zb2c4Nsh.jpg




https://i.imgur.com/2hLnDiPh.jpg




এক সময় ডাক পরে আমাদের। পৌছে যাই বিমানের এরোপ্লেনের সামনে। শুরু হয় সকলের সেলফি আর ছবি উঠানোর পালা। আমরাও বাদ যাইনা এই সুযোগ থেকে।



https://i.imgur.com/uYAhqqrh.jpg




নির্দিষ্ট আসনে সকলে বসে পরার পরে ঘোষণা হয় আমাদের যাত্রা শুরুর। ৪০ মিনিটের ফ্লাই শেষে এরোপ্লেন পৌছবে কক্সবাজারে। শুরু হয় এরোপ্লেন যাত্রা।




https://i.imgur.com/kg4hDysh.jpg




https://i.imgur.com/DFVOrAyh.jpg




https://i.imgur.com/ACXT0Ffh.jpg



টেকঅফের কিছু পরে আমি জানালার পাশে বসে কয়েকটি ছবি তুলি। আকাশ থেকে দেখা মেঘের খেলার এক অনবদ্য কাব্য রাচনা হতে থাকে যেনো।



https://i.imgur.com/IafFH80h.jpg






জানালার পাশে বসে আমার ছোট মেয়ে নুয়াইরাও দেখে অবাক হয়ে মেঘের খেলা।



https://i.imgur.com/K5omF0Dh.jpg



https://i.imgur.com/HtO73GTh.jpg



https://i.imgur.com/1tyyyY8h.jpg



এরমধ্যে নির্দিষ্ট ৪০ মিনিট শেষ হয়ে এলে কক্সবাজার এয়ারপোর্টে ল্যান্ড করে এরোপ্লেন।



https://i.imgur.com/JmRWHdDh.jpg



https://i.imgur.com/ZZQceoBh.jpg



https://i.imgur.com/A5IBmJGh.jpg



এরোপ্লেন থেকে নেমে একটি কক্ষে গিয়ে নাম লিখে বের হয়ে ব্যাগ সংগ্রহ করে বেরিয়ে আসি এয়ারপোর্ট থেকে। ১০০ টাকা দিয়ে একটি ইজিবাইক ভাড়া করে চলে আসি কক্সবাজারের লাবনী পয়েন্টের কল্লোল হোটেলের রেস্টুরেন্ট কাশুন্দি-তে।



https://i.imgur.com/wlArx2Kh.jpg



কক্সবাজারে আসলে আমি চেষ্টা করি সৈকতের কাছাকাছি কোনো হোটেলে উঠতে, বারান্দা থেকে সাগর দেখা যায় এমন রুম পছন্দ। এখন কক্সবাজারের জন্য অফ সিজন বলে বেশ সস্তাতেই রুম পাওয়া যায়। প্রথম পছন্দ ছিলো হোটেল কল্লোল। আগেও বেশ কয়েকবার এটায় থেকেছি। এবার এসি একটি রুম যেখানে একটি কাপল বেড ও একটি সিঙ্গেল বেড আছে এবং রুম থেকে চমৎকার সাগর দেখা যায় সেটির সর্বশেষ ভাড়া চাইলো ৩,৩০০/= টাকা। আর একটু কমে চমৎকার একটি রুম পেয়ে গেলাম পাশেই হোটেল অভিসারে। এটাতেও বিছানায় বসে সাগার দেখা যায়, এসি আছে। কিন্তু মাত্র একটি কাপল বেড। বেশ বড় রুম, একটা এক্সটা বেড দেয়ার পরেও পর্যাপ্ত জায়গা রয়ে গেলো হাঁটাচলার। সাথে ছোট্টো একটা বারান্দা, বিশাল ওয়াসরুম। ভাড়া রফা হলো ২,০০০/= টাকা।


চলবে.....

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

Re: কক্সবাজার ভ্রমণ ২০২০ : যাত্রা শুরু

অনেক দিন যাবত প্রজন্ম ফোরামে আছি আমি, সেই ১৯-১২-২০০৯ইং তারিখ থেকে। এত দিনে প্রায় ছয়শ টপিক লিখেছি আমি। যার মধ্যে সাত ধরনের ভ্রমণ সংক্রান্ত টপিক সংখ্যা প্রায় শখানেক। অর্থাৎ প্রতি ১৬ শতাংশ  টপিক লিখেছি ভ্রমণ সংক্রান্ত। সে হিসেবে মরুভূমির জলদস্যুর  একটি ভ্রমণ সমগ্র থাকতেই পরে।


১। নিজ দেশের ভ্রমণ কথা
মাওয়া ভ্রমণ

এই বর্ষায় গিয়েছিলাম বান্দরবান (প্রথম পর্ব)

হাজীগঞ্জ দুর্গ ভ্রমণ চিত্র
কদমরসুল দরগা ভ্রমণ চিত্র

বারবিকিউ ইন কামিনী ঘাট - ১
বারবিকিউ ইন কামিনী ঘাট – ২
বারবিকিউ ইন কামিনী ঘাট – ৩
বারবিকিউ ইন কামিনী ঘাট – (শেষ পর্ব)

সেন্টমার্টিনের পথে....
উত্তরের সৈকত (সেন্টমার্টিন)
সেন্টমার্টিনের সূর্যাস্ত
ছেড়া দ্বীপের মায়া – ১

খাগড়াছড়ির পথে
খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – প্রথম পর্ব
খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – আলুটিলা গুহা
খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – রিছাং ঝর্ণা
খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – শতবর্ষী বটবৃক্ষ
খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – ঝুলন্ত সেতু
খাগড়াছড়ি ভ্রমণ – অপরাজিতা বৌদ্ধ বিহার
রাঙ্গামাটি ভ্রমণ – সুভলং ঝর্ণা ও কাপ্তাই হ্রদে নৌবিহার
রাঙ্গামাটি ভ্রমণ – ঝুলন্ত সেতু, রাজবাড়ি ও রাজবন বিহার
বান্দরবান ভ্রমণ – নীলগিরি
বান্দরবান ভ্রমণ – শৈলপ্রপাত
বান্দরবান ভ্রমণ – নীলাচল
বান্দরবান ভ্রমণ – মেঘলা
বান্দরবান ভ্রমণ – স্বর্ণ মন্দির
বান্দরবান ভ্রমণ – শেষ পর্ব

শ্রীমঙ্গলের পথে
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ভ্রমণ
মাধবপুর লেক ভ্রমণ
মাধবকুণ্ড ঝর্ণা ভ্রমণ
সিলেট ভ্রমণ - হযরত শাহজালাল দরগাহ
সিলেট ভ্রমণ - বিছনাকান্দি (১ম পর্ব)
সিলেট ভ্রমণ - বিছনাকান্দি (২য় পর্ব)
সিলেট ভ্রমণ - হযরত শাহপরান দরগাহ
“সিলেট ভ্রমণ - লালাখাল”







৩। নিজ দেশে ভ্রমণ চিত্র
বান্দরবান ভ্রমণের কিছু ছবি ১
বান্দরবান ভ্রমণের কিছু ছবি ২
বান্দরবান ভ্রমণের কিছু ছবি ৩

বৃষ্টি ভেজা কস্তুরিঘাট

পূজার ছবি - ০১

খেয়া ঘাটের নৌকা
   
বর্ষশুরুর ক্ষুদ্র ভ্রমণ (১-১৩)
বর্ষশুরুর ক্ষুদ্র ভ্রমণ (১৪-২৬)

একটি নৌকা ও কয়েকটি ছবি
একটি চিল ও কয়েকটি ছবি
বস্তা বোঝাই নৌকোর কয়েকটি ছবি
শেষ বিকেলের আলোয়

বারবিকিউ ইন বিজগিরি

হাতির ঝিলের আতশবাজি

গাংচিল - ১
গাংচিল - ২
এক ঝাঁক গাংচিল
সেন্টমার্টিনে দেখা মাছ
ছেড়া দ্বীপে সাইয়ারা
ছেড়া দ্বীপের মায়া – ২

বালু দস্যুর থাবা


নীলগিরির পথে
নীলাচলে সূর্য মেঘের খেলা

লাউয়াছড়া ন্যাশনাল পার্ক (প্রবেশদার)
লাউয়াছড়ার ছড়া
লাউয়াছড়া ন্যাশনাল পার্ক (রেল লাইন)
সাত রঙ্গা চা
মাধবপুর লেকের শাপলা
পিয়াইন নদীর ধীবর
পিয়াইন নদীতে সূর্যাস্ত
জল-পাথরের খেলা
লালাখালের কর্ম ব্যস্ততা
জাফলং এর কর্ম ব্যস্ততা
“জাফলং-এ জল-পাথরে”
“জাফলং-এ সূর্যাস্ত”

পুটনীর দ্বীপের লাল কাঁকড়া

চিড়িয়াখানায় একদিন
সাদা সিংহ

১০টি ভ্রমণ চিত্র - ১
১০টি ভ্রমণ চিত্র - ২
১০টি ভ্রমণ চিত্র - ৩

বালিয়াপাড়া জমিদার বাড়ী ভ্রমণ চিত্র
পালপাড়া মঠ ভ্রমণ চিত্র

ঐতিহ্য সফর : নেত্রকোনা

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।