২১

Re: আমার দেখা প্রচীন মঠ সমগ্র

পরের গুলাও সুন্দর লাগছে ।

২২

Re: আমার দেখা প্রচীন মঠ সমগ্র

aburaihan.me লিখেছেন:

পরের গুলাও সুন্দর লাগছে ।

ধন্যবাদ মতামতের জন্য।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

২৩

Re: আমার দেখা প্রচীন মঠ সমগ্র

০১৪ : বুদ্ধদেব বসু বাড়ির মঠ

https://i.imgur.com/ZSxJgZkh.jpg

সপ্তদশ শতকে মগ ও পর্তুগিজ জলদস্যুদের অত্যাচার থেকে রক্ষার জন্য ১৬৬৪ সালে সম্রাট আওরঙ্গজেব সেনাধ্যক্ষ শায়েস্তা খানকে বাংলার সুবেদার নিযুক্ত করেন। শায়েস্তা খান সুবেদার নিযুক্ত হওয়ার পরপরই ৫৫টি পরগণা নিয়ে গঠিত নাওয়ারা মহালের কানুনগো নিযুক্ত করেন দেবীদাস বসু ঠাকুরকে। দেবীদাস বসু ঠাকুর মূলত মালখানগরের গোড়াপত্তনকারী। দেবীদাস বসু ঠাকুর ধলেশ্বরী নদীর দু’মাইল দক্ষিণে নাওয়ারা মহালের কাচারি বাড়ি নির্মাণ করেন। কাচারি বাড়িটি স্থানীয়দের কাছে “মালখানা” নামে পরিচিত ছিল। “মালখানা” হতে এ গ্রামের নাম হয় “মালখানা নগর”। সময়ের পরিক্রমায় স্থানীয় মানুষদের মুখে মুখে এটি “মালখানগর” হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে। তবে অতীত দলিলপত্রে আঠারশো শতকে এ গ্রামের নাম “বসুরনগর” নামেও দেখা যায়।

অতিবৃদ্ধ রামরাজা বসু ঠাকুরের ছিল তিন ছেলে - মহেশচন্দ্র বসু ঠাকুর, ভারত চন্দ্র বসু ঠাকুর ও ঈশ্বরচন্দ্র বসু ঠাকুর। ভারতচন্দ্র বসু ঠাকুরের একমাত্র ছেলে ছিল শরত্চন্দ্র বসু ঠাকুর। শরত্চন্দ্র বসু ঠাকুরের দুই সন্তান ছিল - বঙ্কিমচন্দ্র বসু ঠাকুর ও ভূদেবচন্দ্র বসু ঠাকুর। ভূদেবচন্দ্র বসু ঠাকুরের ঘরে জন্মনেন বুদ্ধদেব বসু। বুদ্ধদেব তাঁর বংশীয় পদবি থেকে “ঠাকুর” ছেঁটে ফেলেন।

বুদ্ধদেব বসুদের পারিবারিক আদি বাড়ির সামনেই রয়েছে এই মঠটি।

ছবি তোলার স্থান : মালখানগর, সিরাজদিখান, মুন্সিগঞ্জ, বাংলাদেশ।
GPS coordinate : 23°33'07.9"N 90°25'32.7"E
ছবি তোলার তারিখ : ১৯/০৫/২০১৭ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

২৪

Re: আমার দেখা প্রচীন মঠ সমগ্র

০১৫ : ফেগুনাসার মঠ

https://i.imgur.com/9TUWR8th.jpg

মঠটি সম্পর্কে কোনো কিছুই জানা নেই আমার। কারা কখন এই মঠটি তৈরি করেছেন তা সম্পর্কে কোনো কিছুই জানা নেই। শীর্ষভাগে রয়েছে লৌহশলাকা। মঠটির চূড়ায় আশ্রয় নিয়েছে বটের চারা, একদিন হয়তো গ্রাস করে নিবে। তবে মঠটিতে একটি শিবলিঙ্গ স্থাপিত হয়েছে এবং নিয়োমিত পূজা হয়। মঠটির একটিমাত্র প্রবেশপথ রয়েছে। মঠের উপরের অংশে ছোট ছোট প্রকষ্ঠে পাখিরা বাস করে।

ছবি তোলার স্থান : সিরাজদিখান, মুন্সিগঞ্জ, বাংলাদেশ।
GPS coordinate : 23°32'50.8"N 90°26'12.8"E
ছবি তোলার তারিখ : ১৯/০৫/২০১৭ ইং

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

২৫

Re: আমার দেখা প্রচীন মঠ সমগ্র

চালিয়ে যান।

নামায সবার উপর ফরয করা হয়েছে

২৬

Re: আমার দেখা প্রচীন মঠ সমগ্র

খাইরুল লিখেছেন:

চালিয়ে যান।

চলবে.....

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।