টপিকঃ একাকিত্ব ও অবসাদগ্রস্ততার মূলে সোশ্যাল মিডিয়া!

সোশ্যাল মিডিয়াই বর্তমানে সমগ্র বিশ্বব্যাপী মানুষের সাথে মানুষের কানেকটিভিটি বা যোগাযোগ বাড়িয়ে বিশ্বকে 'গ্লোবাল ভিলেজ' বলতে শিখিয়েছে। তবে এখন সময় এসেছে সার্বিক পরিস্থিতিকে এক নতুন বাস্তবতার আলোকে নবতর দৃষ্টিভঙ্গীতে পুনঃমূল্যায়নের। সামগ্রিক বিবেচনায় দেখা যাচ্ছে, কাজটা হচ্ছে একেবারে ঠিক উল্টো - সোশ্যাল মিডিয়া প্রতিদিন মানুষকে একা ও অবসাদগ্রস্ত করছে। সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অফ পিটসবার্গের এক গবেষণা বলছে, যারা যত বেশি সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাক্টিভ, তাদের মধ্যে একাকিত্ব সবচেয়ে বেশি। সেই সঙ্গে বাড়ছে অবসাদও। পিটসবার্গ ইউনিভার্সিটির বিশেষজ্ঞরা ১৯ থেকে ৩২ বছর পর্যন্ত ১ হাজার ৭৮৭ জনের উপর এই গবেষণা চালান। সেই সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা হয় ১১টি সোশ্যাল মিডিয়ার উপর। ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম, পিন্টারেস্ট, গুগল প্লাস, স্ন্যাপচ্যাট, রেডিট, টাম্বলার ও লিঙ্কডইন। এরপর দেখা যায়, এই ১১টি সোশ্যাল মিডিয়ায় যে মানুষগুলি দিনের বেশির ভাগ সময় ব্যয় করনে, তাদের মধ্যে একাকিত্ব প্রবল। এছাড়াও গবেষণার ফলাফল বলছে, যারা প্রতি সপ্তাহে ৫৮ বারের বেশি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিজিট করেন, তাদের একাকিত্ব ৩ গুণ বেশি তাদের চেয়ে, যারা কিনা সপ্তাহে ৯ বার বা তার কম অনলাইন হন।

Re: একাকিত্ব ও অবসাদগ্রস্ততার মূলে সোশ্যাল মিডিয়া!

এতদিন পর এসে মনে হয় যদি সোশ্যাল মিডিয়া আবিষ্কার না হতো! তবে অনেকটা পিছিয়ে থাকলেও হয়ত মানসিকভাবে আমরা অনেকটাই সুস্থ থাকতাম।  sad

Re: একাকিত্ব ও অবসাদগ্রস্ততার মূলে সোশ্যাল মিডিয়া!

আমার মতে সোশ্যাল মিডিয়া আছে হলে এখন এক শ্রেনির মানুষ অন্তত বিচার পাচ্ছে - যে বা যারা বিচার থেকে বঞ্চিত তারা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করতে পারে

"We want Justice for Adnan Tasin"