টপিকঃ ফ্রেশারদের জন্য ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি নেয়ার কিছু টিপস

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের লম্বা একটা সময় এক ক্লাস থেকে আরেক ক্লাসে ছুটোছুটি আর সকাল ৮ টার ক্লাস ধরার জন্য আরামের ঘুম ছেড়ে কষ্ট করে আমাদের সবাইকেই উঠতে হয়েছে। বলতে গেলে বেশ কঠোর পরিশ্রম করার পর অবশেষে আপনি আপনার জীবনের মূল্যবান ডিগ্রীটি অর্জন করতে পেরেছেন। শুধুমাত্র এই একটি জিনিস আপনার জীবনের সমস্ত সমস্যার সমাধান করতে পারবে এই আশা থেকেই করেছেন। কিন্তু আপনার ডিগ্রীকে শক্ত করে আঁকড়ে ধরা ফাইলটি হাতে নেয়ার পর আপনার মনে প্রথম যে চিন্তাটি এসেছে, তা হলো এখন আমার কি করা উচিৎ? শিক্ষাজীবনকে বিদায় জানিয়ে একজন ফ্রেশার হিসেবে পেশাদারি জীবনে প্রথম পা রাখার সময় আমাদের সবাইকেই এ রকম একটা প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে। ব্যাপারটা ভাবতেই কেমন একটা আতঙ্ক আর টেনশন আমাদের মধ্যে চলে আসে, কিন্তু তারপরও আমাদের সবাইকেই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হয়। বিভিন্ন চাকরিতে আবেদন করা ও সেগুলোর ইন্টারভিউয়ের জন্য নিজেদের একটু একটু করে প্রস্তুতি নেয়া শুরু করতে হয়। পুরোটা সময় আপনার মনে শুধু একটাই আশা আর প্রার্থনা, যেন অন্তত একটা জায়গা থেকে ফোন আসে। মাঝে মাঝেই প্রস্তুতি নেয়া শুরু করার সময় একজন ফ্রেশার সঠিক পথ খুঁজে পেতে হিমসিম খান। আর ঠিক এই জায়গাতেই আপনাদের সাহায্য করার আশা নিয়ে আজ আমরা এসেছি আমাদের গাইডলাইন নিয়ে। তাহলে চলুন দেখে নিই আপনার স্বপ্নের চাকরিটি হাসিল করে নেয়ার জন্য ইন্টারভিউয়ের সময় কাজে আসতে পারে এমন কিছু টিপস!

বাংলাদেশের বর্তমান চাকরির মার্কেট
হয়ত জানলে তেমন একটা অবাক হবেন না, কিন্তু দেশের চাকরির মার্কেটে সত্যিই আজ প্রতিযোগিতা অনেক বেশি। আপনার কানেকশন কত ভালো এবং আপনার পড়াশুনার ক্ষেত্রের সাথে মিলিয়ে চাকরির সুযোগ কেমন সে ব্যাপারে আপনার কতটা জানাশোনা এ সব কিছুর মধ্যেই প্রতিযোগিতা রয়েছে। বাংলাদেশে চাকরির খোঁজ পাওয়া এমনিতেও বেশ কঠিন, অন্তত আপনার সব রকম সম্ভাব্য চাহিদা মেটাতে পারবে এমন চাকরি আসলে খুঁজে পাওয়া প্রায় অসম্ভব। হয় কোন চাকরিতে বেতন বেশ ভালো, কিন্তু সুযোগ সুবিধা একেবারে কম। আবার কোনটির কর্মপরিবেশ একদম আপনার মনের মত, অথচ আপনার বাসা বা এলাকা থেকে অনেক বেশি দূরে। সব মিলিয়ে কোন না কোন একটি দিক আপনাকে ছাড় দিতেই হয়। যদি দুই একটা জিনিসের সাথে আপোষ করে নিতে পারেন, তাহলে হয়ত আপনার মনের মত একটা ভালো চাকরি পেয়ে যাবেন সঠিক লোকেশনে।

কিভাবে নিজেকে প্রস্তুত করবেন
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য গ্রাজুয়েট হওয়া ফ্রেশারদের জন্য বাংলাদেশে চাকরির জন্য আবেদন করা সম্পর্কিত কিছু টিপস নিচে উল্লেখ করা হলো।

  • আপনার জীবন বৃত্তান্ত বা সিভি:

আপনার যাবতীয় তথ্য ও গুনাবলীগুলোকে সিভির আকার দেয়াটা আপাতদৃষ্টিতে খুব সহজ বলে মনে হয়। কিন্তু যেকোন কোম্পানিতে ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার সময় সেই পদের উপযোগী একটি ভালো সিভি তৈরি করতে পারলে পার্থক্য সৃষ্টিকারী ফলাফল পাবেন। আপনার সব রকম দরকারী তথ্য সিভিতে দেয়ার চেষ্টা করুন, আর পাশাপাশি পাঠ্যক্রমের বাইরের এক্সট্রা কারিকুলার কাজ ও দক্ষতাগুলোর কথাও লিখতে হবে। আপনার পুরো সিভিটির একটি প্রিন্ট কপি হাতে নিয়ে ইন্টারভিউ দিতে যান এবং নিয়োগকারীর কাছে সেটি আত্মবিশ্বাসের সাথে উপস্থাপন করুন। যেকোন ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার আগে একটি সঠিক সিভি তৈরি করার ব্যাপারে আমাদের বেশ কিছু সহায়ক টিপস আপনার নিশ্চয়ই কাজে আসবে।


  • বাহ্যিক রূপ:

যেকোন ক্ষেত্রেই প্রথম ইমপ্রেশন বা প্রভাবটুকুই সচরাচর শেষ পর্যন্ত মানুষের মনে গেঁথে থাকে। একই ভাবে ইন্টারভিউয়ের সময়ও আপনার প্রথম ইমপ্রেশন অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কেননা আপনার বাহ্যিক রূপ ও ভঙ্গিমা আপনার সম্পর্কে অনেক কিছু বলে দিতে পারে। তাই বাসা থেকে রওনা হওয়ার আগে আপনি কেমন পোশাক পড়বেন সেটা নিয়ে ভাবা দরকার; সঠিক পোশাক ও স্টাইল আপনাকে প্রফেশনাল ও পেশাদারি একটা লুক এনে দিবে। এলোমেলো বা অর্ধেক ইস্ত্রি করা পোশাক, নোংরা জুতো ইত্যাদি পরে ইন্টারভিউ দিতে গেলে একজন নিয়োগকারীর চোখে আপনি অনেকটাই আনাড়ি হয়ে যাবেন। তারা ভাববেন হয় চাকরিটির ব্যাপারে আপনার তেমন কোন আগ্রহ নেই, নতুবা আপনি এর জন্য ততটা নিষ্ঠা বা চেষ্টা দেখাতে চাচ্ছেন না।


  • আত্মবিশ্বাস:

আত্মবিশ্বাস ও সঠিক প্রস্তুতি নিয়ে ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার মত দারুণ ব্যাপার আর কি হতে পারে! কিন্তু তার মানে এই না যে ইন্টারভিউ সেশনে বাড়াবাড়ি রকম আত্মবিশ্বাস দেখানো যাবে। আপনার যেসব দক্ষতা এবং গুণাবলি চাকরিটির জন্য উপযুক্ত সেগুলোর ব্যাপারে পুরোপুরি নিশ্চিত হউন এবং সেই সাথে আপনার সম্ভাব্য চাকরিদাতার কাছে সেই দিকগুলো স্মার্ট ভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করুন। তবুও যখন আপনার সম্পূর্ণ মনযোগ শুধুমাত্র নিজেকে নিয়োগযোগ্য প্রমাণ করার দিকে থাকে, তখন আপনার কথার মধ্যে কিছুটা উদ্ধত ভাব চলে আসতে পারে সহজেই। তাই মুখের ভাষার দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। আপনি যা কিছু নিয়ে বলতে চাচ্ছেন, তা বলার সময় আপনার শরীর কিভাবে কথা বলছে সেই দিকেও কিছুটা খেয়াল রাখা ভালো। ইন্টারভিউ বোর্ডে কি করা উচিৎ আর কি উচিৎ না সেই ব্যাপারেও কিছু জিনিস মাথায় রাখতে ভুলবেন না যেন!


  • কি বলতে হবে সেটা জানা:

যখন আপনি একটি ইন্টারভিউ দিতে যাবেন, তখন নিয়োগকারীরা যে আপনাকে সব সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে শেখা জটিল অংক বা সমস্যার সমাধান করতে দেবেন এমন সম্ভাবনা খুবই কম। বরং তাদের আগ্রহ আপনার অন্তর্দৃষ্টির দিকে বেশি থাকার সম্ভাবনাই বেশি। তারা হয়ত আপনাকে জিজ্ঞেস করবেন এই চাকরিটি আপনি কেন করতে চাচ্ছেন, কিংবা এই চাকরির জন্য আপনি কি নিজেকে সঠিক প্রার্থী মনে করেন কি না। সেই রকম পরিস্থিতিতে আপনাকে উত্তর দেয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। কারণ ঐ পরিস্থিতি গুলোয় আপনার সিজিপিএ কেমন সেটা তেমন একটা গুরুত্ব পাবে না, বরং আপনি বাস্তব জীবন সম্পর্কে কতটা ধারণা রাখেন সেটা দেখা হবে। তবে আমরা এটাও বলছি না যে আপনার পড়াশোনার জীবন থেকে কিছুই জিজ্ঞেস করা হবে না, তাই মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ দু’টো পরিস্থিতির জন্যই প্রস্তুত থাকা উত্তম এবং নিয়োগকারীরা যত রকম প্রশ্ন করতে পারেন বা যা কিছু জানতে চাইবেন, তার সব কিছুরই উত্তর দেয়ার জন্য তৈরি হউন।


  • নিয়োগ সংক্রান্ত বোঝাপড়া:

যদি আপনি কোন ইন্টারভিউতে এই পর্যায় পর্যন্ত আসতে পারেন, তার মানে হচ্ছে যে নিয়োগকারীরা আপনার ব্যাপারে ইতিবাচক অনুভব করছেন এবং আপনার এখানে সুযোগ রয়েছে! এ রকম একটা সময়ে আপনার সাথে চাকরি সম্পর্কিত বিভিন্ন রকম ব্যাপার, যেমন আপনি কত ঘন্টা ধরে কাজ করতে পারবেন, কেমন বেতন আশা করছেন, কোন ধরণের সুযোগ সুবিধা আপনি পেতে পারেন ইত্যাদি আরো বিভিন্ন জিনিস নিয়ে বোঝাপড়া করতে হতে পারে। আপনার চাহিদা ও প্রয়োজন সম্পর্কে নিয়োগকারীর সাথে খোলামেলা ভাবে আলাপ করুন, কিন্তু ধরাছোঁয়ার মধ্যে থাকুন। অবান্তর বা অদ্ভুত অংকের বেতন চাইবেন না, বা এমন সুবিধা চাইবেন না যা তারা কখনও দেন না। একটি চাকরি থেকে আপনি ঠিক কি কি চান তার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাস থাকা ভালো, কিন্তু নানা রকম জিনিস দাবি করার অভ্যাস কিন্তু ভালো না। এছাড়াও কখনও নিয়োগকারীর সাথে দর কষাকষি করবেন না। চাকরির শর্ত ও চাহিদাগুলো নিয়ে বোঝাপড়া করার সময় কিছুটা অনুগ্রহ পাওয়া সম্ভব, কিন্তু যেই মুহূর্ত থেকে আপনি দর কষা শুরু করবেন, ঠিক তখন থেকেই নিয়োগকারীর চোখে আপনি অনেকটা অপছন্দনীয় হয়ে যাবেন।


  • পেশাদারিত্ব:

ইন্টারভিউ দিতে যাওয়ার সময় নিঃসন্দেহে আরো একটি বেসিক জিনিস মাথায় রাখা জরুরি, আর সেটি হলো আপনার পেশাদারিত্ব ফুটিয়ে তোলা। এর মানে সব সময় এই না যে আপনি শুধুমাত্র ফরমাল পোশাক পরে ফিটফাট হয়ে গেলেই চলবে। বরং আপনাকে সম্ভাব্য নিয়োগদাতার কাছে আপনার সম্পূর্ণ ব্যক্তিত্বকে পেশাদারি ভঙ্গিমায় তুলে ধরতে হবে। এর মধ্যে আপনার কথা বলার ধরণ যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে কীভাবে আপনি ইন্টারভিউ বোর্ডের সদস্যদের সাথে কুশল বিনিময় করছেন, কীভাবে বসছেন এবং নিজের স্থির রাখছেন, এছাড়াও আরো নানা রকম সূক্ষ্ম বিষয়। অতএব মনে রাখবেন ইন্টারভিউ বোর্ডে যেকোন পরিস্থিতিতে আপনাকে আপনার সেরা আচরণ বজায় রাখতে হবে এবং ভদ্রতা ও নম্রতার দিকেও খেয়াল রাখতে হবে। কিন্তু আবার এতকিছুর টেনশনে পুরোটা ইন্টারভিউ জুড়ে যদি আপনি নার্ভাস চেহারা নিয়ে বোবার মত বসে থাকেন, সেটাও ভালো লাগবে না। ইন্টারভিউ যারা নিচ্ছেন তাদের সাথে স্বাভাবিক ভাবে কথা বলুন, যাতে আপনি ব্যক্তি হিসেবে কেমন তা তারা বুঝতে পারেন এবং নিজেকে চাকরিটির জন্য একজন যোগ্য প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করুন।

এবার তাহলে দেখে নিই ইন্টারভিউয়ের সময় কোন কাজগুলো করা ঠিক নয়
একজন ফ্রেশার হিসেবে যেকোন ইন্টারভিউতে যাওয়ার সময় করণীয় কাজ যেমন অনেক রয়েছে, তেমনি রয়েছে কিছু বর্জনীয় কাজও। এমন কিছু কাজ রয়েছে যেগুলো হয়ত আপনি খেয়ালও করবেন না, কিন্তু আপনার কষ্ট করে তৈরি করা ইমেজ এক নিমেষে পন্ড করে দিতে পারে। সেই সব জিনিসের মধ্যে কয়েকটি আজ তুলে ধরছি:

  • সময়ের সাথে আপোষ নয়:

একজন ফ্রেশার হিসেবে ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে এমন হতে পারে যে আপনি সময় নিয়ে ঠিক ভাবে প্ল্যান করতে ভুল করলেন, আর ইন্টারভিউয়ের অফিসে হয় অনেক আগে নয়ত খুব দেরি করে পৌঁছালেন। এই রকম বিভ্রান্তি থেকে বাঁচার জন্য ইন্টারভিউয়ের আগের রাতেই আপনাকে সারাদিনে কি কি করতে হবে আর কি কি সাথে নিতে হবে এ সব কিছুর পরিকল্পনা করে নিতে হবে। তারপর সমস্ত কাজ এমন ভাবে করতে হবে যাতে করে ইন্টারভিউ এর জন্য একদম ঠিক সময় মত পৌঁছে যেতে পারেন। খুব বেশি আগেও না, আর দেরিতে তো মোটেই না।


  • আপনার বাচনভঙ্গি:

উপরে আমরা ইতোমধ্যে বলেছি যে আপনাকে আপনার শিক্ষাজীবন কিংবা বাস্তব জীবন যেকোন দিক থেকেই প্রশ্ন করা হতে পারে, এবং প্রায় সব ধরণের প্রশ্নের উত্তর দেয়ার মত প্রস্তুতি আপনার থাকতে হবে। কিন্তু মনে রাখবেন, যে প্রশ্নের উত্তরই দিন না কেন, নিয়োগকারীদের সামনে আপনার কথা বলার ধরণ ও বাচনভঙ্গির দিকে খেয়াল রাখতেই হবে। ভুলেও কারো সম্পর্কে কোন রকম খারাপ মন্তব্য করবেন না, এমনকি অন্য কোন চাকরিতে বা ইন্টারভিউয়ের সময় কোন খারাপ অভিজ্ঞতা হয়ে থাকলে সেটাও বলার দরকার নেই। কেননা এই ধরণের কথা শেয়ার করলে একজন সম্ভাব্য নিয়োগকারী আপনাকে নেতিবাচক মানসিকতার একজন ব্যক্তি ভাবতে পারেন, আর হয়ত তারা তাদের প্রতিষ্ঠানের কর্মপরিবেশে সে রকম আচরণ চাইবেনও না। সবকিছুর ব্যাপারে ইতিবাচক মনোভাব রাখুন এবং সব কিছুর মধ্যে ভালো দিকটি  প্রাধান্য দেয়ার চেষ্টা করুন।


  • মোবাইল ফোন এবং ডিভাইস:

বলাই বাহুল্য, যেকোন ইন্টারভিউয়ে প্রবেশ করার সময় আপনার কাছে থাকা সব রকম ডিভাইস সাইলেন্ট বা সুইচ অফ করে রাখা উচিৎ। এছাড়াও ইন্টারভিউ চলাকালীন সময়ে এসএমএস, কল বা নোটিফিকেশন যেটাই আসুক না কেন, সেটা বের করে দেখার লোভ থেকে নিজেকে বিরত রাখুন। কেননা ইন্টারভিউ বোর্ডের সামনে এরকম করাটা খুবই অশোভন একটা ব্যাপার। তাছাড়াও এতে তাদের এটাই মনে হবে যে আপনার সম্পূর্ণ মনোযোগ তাদের দিকে নেই, বরং আপনার ফোন আপনার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ইতিকথা
অতএব সবশেষে আমরা বলতে পারি যে চাকরি পাওয়ার কোন সঠিক বা ভুল পথ নেই। এর পুরোটাই আপনার দক্ষতা, যোগ্যতা, শিক্ষাজীবনের পরিশ্রম এবং আপনার স্বভাবের উপর নির্ভর করে। আপনি যেই নিয়োগকারীর কাছে গিয়েছেন, তিনি যদি একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্যের কর্মী আশা করে থাকেন এবং আপনার মধ্যে সেই বৈশিষ্ট্যগুলো খুঁজে পান, তাহলে সত্যিই আপনার ভাগ্য বেশ ভালো! শুধু আমরা আজ যেসব টিপস এখানে উল্লেখ করেছি সেগুলো যদি আপনি মাথায় রাখতে পারেন আর সে অনুযায়ী পারফর্মেন্স দিতে পারেন তাহলে যেকোন ইন্টারভিউতে টেক্কা দেয়া আপনার জন্য মামুলি ব্যাপার!
চাকরি খোঁজার সময় ঠিক কোন জায়গায় সবচেয়ে ভালো চাকরির অফারগুলো পাবেন তা খুঁজে বের করা মাঝে মাঝে একটু কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। তবে আজকের এই ডিজিটাল যুগে চাকরির প্ল্যাটফর্ম গুলো আমাদের হাতের মুঠোয় চলে এসেছে, আর আমাদের জীবন হয়ে গেছে অনেকটাই সহজ। সম্ভাব্য চাকরির অফারগুলো খুঁজে বের করার জন্য আপনাকে শুধুমাত্র সাইটে গিয়ে ব্রাউজ করতে হবে আর যারা পোস্ট করেছেন তাদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। আর যদি কোন একটা অফার আপনার মন মত না হয় তাহলে পরের অফারটা তো আপনার সামনে থাকছেই! খুঁজে দেখার জন্য এই সাইটগুলোয় রয়েছে অজস্র অপশন, আর তাই আপনার কিংবা আপনার পরিচিত কারো জন্য কোন না কোন একটি ভালো চাকরি খুঁজে পাবেন নিশ্চিত। তাই আপনার ক্ষেত্রের মধ্যে ভালো ভালো চাকরির অফার খুঁজে পেতে আজই ব্রাউজ করে দেখুন।
শুভকামনা রইলো!

Re: ফ্রেশারদের জন্য ইন্টারভিউয়ের প্রস্তুতি নেয়ার কিছু টিপস

কথা গুলা আপনি ভালই বলছেন । ধন্যবাদ