টপিকঃ প্রাসঙ্গিক ভাবনাঃ ২৯শে জুলাই শিক্ষার্থী আন্দোলন

https://encrypted-tbn0.gstatic.com/images?q=tbn:ANd9GcTL7RFxSZavkbhqrZokgeZrE3VNY2Rgc26gKq5EsdhzCj6TmR-V


যেদিকে তাকাই শুধু মৃত্যুর মিছিল চোঁখে পরে। আজ রাস্তায় মৃত্যুর মিছিল, জলে মৃত্যুর মিছিল, আকাশেও মৃত্যুপুরীর গন্ধ। ফাইযা, আদনান তাসিন, আব্রার, লাবণ্য , আরিফ, তাঞ্জিলাদের মায়েরা আজকে মৃত্যুর মিছিলে আকাশে বাতাসে এই মানব সভ্যতাকে অভিশাপ দিতেছে আর বলতেছে ‘ওহে ঘাতক- আর কত মায়ের বুক খালি করবি, আর কত রক্ত নিবি' "রক্তের হলিখেলা বন্ধ হবে কবে"
বাংলাদেশের এখন  প্রধান এবং এক নাম্বার সমস্যা সড়কে হত্যা , সড়কে হত্যা মহামারীর রুপ ধারন করেছে, প্রতিদিনের পত্রিকা খুললেই চোখে পড়ে "অমুক স্থানে অমুক সড়কে অমুক খুন" আর আর বেশির ভাগ সড়কের হত্যার খবর মিডিয়াতে আসেনা, আবার অনেক পত্রিকার হেডলাইন হয় "সড়কে হত্যার মিছিল" - "সড়ক যেন হত্যার পুরি" - "থামছে না সড়কে হত্যা" - "২৮ লক্ষ লাইসেন্স বিহীন চালক" - পায় ৯ লক্ষ ফিটনেস বিহীন গাড়ি" - এইসব কোন সংবাদই কর্তৃপক্ষের বা নীতি নির্ধারকদের চোখে পড়ে না, কয়েকজন আবার ভাঁড়ামি করে বিভিন্ন মিডিয়ায় বলেন পথচারীরা সচেতন হলেই সড়কে হত্যা কমবে, তারা আদৌ জানেন না সড়কে হত্যার কারন গুলো - তাই  দায়সারা বক্তব্য দেন আর যে বা যারা সামাজিক আন্দোলন করেন তারাও আজো কোন নীতিমালা দিতে পারেননি বা তাদের দেয়া প্রস্তাবনা কখনো গ্রহন হয়না, যারা ফলে প্রতিনিয়ত সড়কে হত্যা বাড়ছেই, এক জরিপে বলা হয়েছে সড়কে মৃত্যুর হার ১৮% হারে বাড়ছে - এবং খুন্নের ৩৯% ই শিক্ষার্থী এর প্রধান ও অন্যতম কারন বিচারহিনিতা!!
বিচারহিনতার প্রধান ও অন্যতম কারন প্রতিটা খুনের পর কোন প্রতিবাদ হয় না, জনগণ ভাবে আমার সন্তান - স্বজন ত খুন হয়নি, আমি কেন প্রতিবাদ করব? আর যে বা যারা সন্তান বা স্বজন হারান তারা শোকে কষ্টে নিরব হয়ে যায়, তার অনেকের পক্ষে সম্ভব হয়না  সন্তান বা স্বজন হারানর পর জায়গা জমি বিক্রয় করে লাখলাখ টাকা খরচ করে মামলা করা, পুলিশকে তাকা দেয়া উকিলকে টাকা দেয়া, সকল কাজ কর্ম ফেলে একবার কোর্টে আর থানায় দৌড়াদুরি করা - টাকার পর টাকা খরচ - ভগান্তির পর ভগান্তি, বছরের পর বছর কোর্টের বারান্দায় ছুটাছুটি !! এই দেশে ঘাতকরাই আরামে থাকে খুন করে এসে আরামে জীবন যাপন করা, কোন ভগান্তি নেই, তাদের জন্য আছেন তাদের নেতারা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সন্তান স্বজন হারিয়ে  সন্তান বা স্বজনদের অন্তত জাস্টিসের জন্য জায়গা জমিন বিক্রি করে, ঘরের জিনিস পত্র বিক্রি করে বছরের পর বছর কোর্টের বারান্দায় কাটিয়ে একটি রায় পেলেন, রায় কার্যকর করতে ঘাতককে ধরতে গেলে শুরু হয় "পরিবহণ ধর্মঘট" -  সরকারীদলের নেতা আর সরকারের দায়িত্ব প্রাপ্ত মন্ত্রীর বৈঠক !! তারপর সবই আগের মত - মানে "পরিবহণ ধর্মঘট" ঘাতকের মুক্তি, আর যে- যারা সন্তান বা স্বজন হারিয়ে, বাড়ি ঘর বিক্রি করে, বছরের পর বছরের পরিশ্রম ছুটাছুটি এক নিমিষেই শেষ !!         
৩০লক্ষ শহিদের রক্ত এবং ২লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের এই মাতৃভূমি।
৫২এর ভাষা আন্দোলন, ৫৬ এর শাসনতন্ত্র আন্দোলন, ৬২ এর শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬এর ৬দফা আন্দোলন, ৬৯এর গণঅভ্যুত্থান এবং ৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে, ৯০এ গণতন্ত্রর জন্য স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, সব আন্দোলনে বার বার এগিয়ে এসেছে - এবং বুকের তাজা রক্ত দিয়ে এই দেশের মানুস তা অর্জন করেছে, এই দেশের মানুষ কখন কারো কাছে মাথা নত করেনি, কার চোখ রাঙ্গানিকে ভয় পায়নি,
রক্তের বিনিময়ে অর্জন করেছি ভাষা, রক্তের বিনিময়ে অর্জন করেছি স্বাধীনতা, রক্তের বিনিময়ে তাড়িয়েছি স্বৈরাচার,
সড়কে রক্তের বন্যা - হত্যার মিছিল- এক জরিপের ফলাফলে দেখান হয়েছে প্রতি ঘণ্টায় ১২ জন করে  সড়কে খুন হচ্ছে, কিন্তু কোন প্রতিকার নেই, কোন প্রতীবাদ নেই, যেন সড়কে খুন হওয়াই নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে , সম্প্রতি ড্রাইভার রাসেল বনাম গ্রীনলাইন মামলায় -  গ্রীনলাইন ম্যানেজার শত মিডিয়ার সামনে বলেন, "......রাস্তায় বের হলে এক্সিডেন্ট হবেই - তা আমার গাড়ির নিচে হোক বা অন্য গাড়ির নিচেই হোক......"  এত গুল মিডিয়ার সামনে এত বড় কথা বলার সাহস সে কিকরে পেল? কেন কেন রাস্তায় বের হলেই খুন হতে হবে? আমরা কি কোন বনে বাস করে যার চারি পাশে হিংস্রও পশু ! যারা ছিঁড়ে খেলেও কোন বিচার নেই, বনে  হিংস্রও পশুদের কাজ শিকার করা, সেইখানে এইসব কথা মানাসই, কিন্তু একটি সভ্য দেশে মানুষ খুন হবে মর্জি মাফিক, কোন বিচার হবে না, কন সাজা হবে না, এটা কি ভাবে মানা যায়, জাতি হিসাবে এতা আমাদের জন্য লজ্জার।
২০১৮ সালের ২৯ই জুলাই, আজকের এই দিনে ঢাকা বিমানবন্দর সড়কে বেপরোয়া বাস চালকের বাস চাপায় পিষ্ট হয়ে খুন হয় শহিদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল এন্ড কলেজের দুই মেধাবী শিক্ষার্থী রাজিব ও দিয়া, তারই প্রতিবাদে সারাদেশব্যপী  “We Want Justice” প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে লাখো শিক্ষার্থী রাজপথে নেমে আসে প্রতিবাদ করে, বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের উপর পরিবহণ শ্রমিক, মালিক, ভাড়াটিয়া আক্রমণ শুরু হয়, নির্যাতিত হয় অনেক শিক্ষার্থী, জেল জুলুমের শিকার হয় অনেক শিক্ষার্থী,     
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ৯ দফা দাবি:
১. বেপোরোয়া ড্রাইভারকে ফাঁসি দিতে হবে এবং এই শাস্তি সংবিধানে সংযোজন করতে হবে।
২. নৌ-পরিবহন মন্ত্রীর গতকালের বক্তব্য প্রত্যাহার করে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে।
৩. শিক্ষার্থীদের চলাচলে এমইএস ফুটওভার ব্রিজ বা বিকল্প নিরাপদ ব্যবস্থা নিতে হবে।
৪. প্রত্যেক সড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাতে স্পিড ব্রেকার দিতে হবে।
৫. সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ছাত্র-ছাত্রীদের দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।
৬. শিক্ষার্থীরা বাস থামানোর সিগন্যাল দিলে, থামিয়ে তাদের বাসে তুলতে হবে।
৭. শুধু ঢাকা নয়, সারাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ ভাড়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
৮. ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় চলাচল বন্ধ ও লাইসেন্স ছাড়া চালকরা গাড়ি চালাতে পারবে না।
৯. বাসে অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়া যাবে না।
আন্দোলন এর পরপরই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দুই শিক্ষার্থী রাজিব ও দিয়া পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেন, কিছু অর্থ প্রদান করেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বাস প্রদান করেন, তার পর বৃহৎ আন্দোলন বন্ধ হয়ে যায় !! যে আন্দোলন ভীত কাঁপিয়ে দিয়েছিলো তা কেন বন্ধ হয়ে যায়? নির্যাতন, জেল, জুলুম সহ্য করে  এত বৃহৎ আন্দোলন এর প্রাপ্তি কি? নাকি এটা নিছক শিক্ষার্থী রাজিব ও দিয়া আন্দোলন ছিল? সাম্প্রতিক ঘটনা বিশ্লেষণ করলে আপাত দৃষ্টিতে বলা যায় - প্রাপ্তির চেয়ে অপ্রাপ্তি এবং
হিতেবিপরীত হয়েছে !! এখন অনেক শিক্ষার্থীই প্রকাশ্যে এই নিয়ে কথা বলতে চাচ্ছেন না, কারণ তাদের দাবী বাস্তবায়ন না হওয়ায় টিটকারির শিকার হচ্ছেন অনেকে।

প্রথমে ৯ দফা দাবির দিকে দেখি

পরিবহন মালিক সমিতি , সরকার কেউ কি ৯ দফা দাবি মেনে নিয়েছে?
১. ঘাতক ড্রাইভারদের ফাঁসির শাস্তি বিধান কি সংবিধানে সংযোজন করা হয়েছিল?
#ঊত্তর# হয়নি , সড়ক আইন ২০১৮ নামে একটি আইন করা হয় তা মুলত তাদেরকে সুবিধা দিবে বেশি!
২. নৌ-পরিবহন মন্ত্রী কি বক্তব্য প্রত্যাহার করে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছে?
#চায়নি
৩. শিক্ষার্থীদের চলাচলে এমইএস ফুটওভার ব্রিজ বা বিকল্প নিরাপদ ব্যবস্থা কি নিয়েছে? 
#ঊত্তর#  বরং আন্দোলনের পরে জোয়ার সাহারায় বিকল্প বেবস্থা না করে ফুট ওভারব্রিজ সরিয়ে ফেলে, মৃত্যুকূপ তৈরি করে!!
৪. প্রত্যেক সড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাতে স্পিড ব্রেকার দিতে হবে।
#ঊত্তর# জোয়ার সাহারায় রাস্তার ডিভাইডার কেটে দিয়ে জেব্রাক্রসিং করে কিন্তু কোন, স্পীড ব্রেকার নাই, ট্র্যাফিক নাই, সিগন্যাল নাই 
৫. সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ছাত্র-ছাত্রীদের দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।
#ঊত্তর# আদৌ কি কোন নিহত শিক্ষার্থীর দ্বায়ভার সরকার নিয়েছে বা নিবে বলে কথা দিয়েছে?
৬. শিক্ষার্থীরা বাস থামানোর সিগন্যাল দিলে, থামিয়ে তাদের বাসে তুলতে হবে।
#ঊত্তর# আদৌ কি কোন শিক্ষার্থীদের সিগন্যাল দাড়িয়ে তাদেরকে বাসে তুলেছে? বরং শিক্ষার্থী বাস থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে হত্যা করা হয়
৭. শুধু ঢাকা নয়, সারাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ ভাড়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
#ঊত্তর# ঢাকা সহ সারা দেশে কি শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ ভাড়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে?
৮. ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় চলাচল বন্ধ ও লাইসেন্স ছাড়া চালকরা গাড়ি চালাতে পারবে না।
#ঊত্তর#  রাস্তায় ফিটনেসবিহীন গাড়ি গাড়ি প্রায় ৯ লাখ এবং লাইসেন্স ছাড়া চালকরা গাড়ি চালাচ্ছে ২৮ লাখের অধিক।
৯. বাসে অতিরিক্ত যাত্রী নেওয়া যাবে না।
#ঊত্তর# এই ব্যাপারে কি আইন হয়েছে বা আইন হবে এমন আশ্বাস কি কেউ দিয়েছে?

শিক্ষার্থী আন্দোলনের সময়ে পরিবহন মালিক শ্রমিক রাস্তায় নেমে শিক্ষার্থীদের উপর হামলা করে, তারা রাস্তায় নেমে পোড়া মবিল মানুষের মুখে মাখে, এক নৈরাজ্য সৃষ্ট করে, তারা শিক্ষার্থীদের উপর ক্ষিপ্ত ক্ষুব্ধ রাগ

তাই এই আন্দোলনের পর তারা শিক্ষার্থী নিধনে নেমেছে, শিক্ষার্থী দেখলেই যেন তাদের মাথায় রক্ত উঠে যায় , কয়েক দিনের বেবধানে তারা খুন করে অনেক শিক্ষার্থী  তার মধ্যে শুধু ঢাকা উত্তর সিটি এলাকায় ফাইযা, আদনান তাসিন, আব্রার, লাবণ্য, তাঞ্জিলা, আরিফ,

সেন্ট জোসেফ এর একাদশ শ্রেণীর মেধাবী শিক্ষার্থী #আদনান_তাসিন ১১ই ফেব্রুয়ারী ২০১৯ কলেজ থেকে ফেরার পথে ঢাকা বিমান বন্দর সড়কে  যেখানে আকাশ পাতাল কাঁপানো  শিক্ষার্থী রাজিব ও দিয়া আন্দোলন হয়, ঠিক তার কয়েক গজ উত্তরে জোয়ার সাহারা বাস স্ট্যান্ড (আদনান চত্বর) এ জেব্রা ক্রসিং দিয়ে রাস্তা পার হবার সময়ে তাকে শিক্ষার্থীর পোশাকে দেখে দ্রুতগামী বাস ক্ষুব্ধ হয়ে  ঘাতক হিংস্র ভাবে তাকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে রাস্তায় ফেলে ঘাতক বাসের চাকায় পিষ্ট করে নির্মম ভাবে খুন করে-  সমাজ, ফুলের মত পবিত্র নিস্পাপ অসহায় শিশুটিকে বাঁচতে দিলোনা, মৃত্যু ফাঁদে ফেলে তাঁকে তাকে নির্মম ভাবে হত্যা করলো !!

#১- এখানে একটা #ফুটওভার ব্রিজ ছিল - কোন বিকল্প না করে তা সরিয়ে ফেলে , 
#২- রাস্তায় #ডিভাইডার থাকায় সাধারন মানুষ ক্যান্টনমেন্ট এর সামনের ব্রিজ ব্যাবহার করত
#৩- হটাত একদিন রাস্তার ডিভাইডার কেটে মানুষের জন্য #মৃত্যুফাঁদ করা হয়
#৪- সেখানে সাদা রঙ করে #আলপনা করে দেয়া হয়,মানুষ যাকে #জেব্রাক্রসিং মনে করে
#৫- এই সাদা রঙের সামনে কোন #স্পীডব্রাকের নাই, কোন #ট্র্যাফিকপুলিশ নেই, কোন #সিগন্যাললাইট নাই
#৬- তার কলেজ #সেন্ট_জোসেফ তাদের শিক্ষার্থীর নির্মম #হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি করেনি, প্রতিবাদ করেনি, প্রিন্সিপ্যাল, শিক্ষক, কয়েকজন ছাত্রর #রহস্যজনক ভুমিকা!! নীরবতা, কিছু শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ, শোক পালনেও বাধা 
#৭- কোন মিডিয়াতে তার নির্মম #হত্যাকাণ্ডের খবর প্রচারিত হয়নি, তাই আলোচিত হয়নি,
#৮- ঘাতকদের আজো ধরা হয়নি, আজো কোন বিচার হয়নি,
#৯- তার বাবার প্রচুর টাকা নেই, প্রচুর ক্ষমতা নাই, তাই সকলের কাছে #আদনান_তাসিন হত্যার বিচারের দাবিতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে

আবারও সড়কে হত্যা, রাস্তা অবরোধ করেছে সাধারণ ছাত্র ছাত্রী। আজ সকালে দুইটি বাসের প্রতিযোগিতায় বসুন্ধরা আবাসিক গেটে  ১৯ মার্চ ২০১৯ বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রোফেইশনালস এর আব্রার নামক এক ছাত্রকে পিষে মারে, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রোফেইশনালস এর শিক্ষার্থীদের আন্দোলন রূপ নেয় ভয়াবহ রূপে যা ছড়িয়ে পড়ে পুর বাংলাদেশে, হটাত করে উত্তরের মেয়র এলেন, আব্রারের পরিবারের সাথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর গণভবনে সাক্ষাৎ, সপ্রনদিত হয়ে কোর্টের রুল, কিছু অর্থ প্রদান , সাথে সাথে সমগ্রও দেশের শিক্ষার্থী আন্দোলন বন্ধ হয়ে যায়, তবে সাধারণ মানুসের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, তবে এই আন্দোলন কিসের জন্য ছিল? দেশের সকল শিক্ষার্থী ও সাধারন মানুষের কল্যাণের জন্য ? নাকি শুধু বিশেষ কারো হত্যার বিচার বা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য অর্থ প্রাপ্তি ? সারা দেশের শিক্ষার্থী রাস্তায় নামলো নির্যাতিত হল, কষ্ট করল, রক্ত ঝরাল, জেলে গেল, তারপর হটাত করে স্তব্দ? কেন? কি প্রাপ্তিতে আত ত্যাগ ??   

শিক্ষার্থীদের অক্লান্ত পরিশ্রম তখনও বানচাল হয়ে যায় কিছু সংখ্যক কুচক্রীকারী ও সুবিধাবাদিদের কারনে । আর কত দিয়া , রাজু , ফাইযা, লাবণ্য , আরিফ, তাঞ্জিলা, পায়েল , আব্রা্‌  আদনান তাসিন প্রান দিতে হবে সড়কের শৃংখলার জন্য ? প্রসাসনের ও নীতি নির্ধারকদের অবহেলা- অবজ্ঞা- দুর্নীতির কারনে আর কত রক্ত ঝরলে সড়ক হবে নিরাপদ ? এমনটাই প্রশ্ন প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের কাছে ?

"We want Justice for Adnan Tasin"