টপিকঃ ঔষধ কিনতে জেনেরিক নামের গুরুত্ব

আমরা অসুস্থ হলে ডাক্তারের শরনাপন্ন হই এবং ডাক্তার রোগের লক্ষন দেখে বা প্রয়োজনীয় পরীক্ষা - নিরীক্ষার পর অামাদের ঔষধ সেবনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সে অনুযায়ী আমরা ঔষধের দোকান থেকে ঔষধ কিনে নেই। এটিই স্বাভাবিক। কিন্তু আমরা অনেকেই হয়তো জানি না যে, একটি ঔষধের ২টি নাম থাকে। একটি কমার্সিয়াল বা ব্রেন্ড নাম আর একটি হলো তার জেনেরিক (generic) নাম বা কেমিক্যাল নাম (অনেকে এক কেমিক্যাল প্রিপারেশন বলে থাকেন; তবে একে ঔষধের গ্রুপ না বলাই ভাল) সাধারনত কোন ঔষধ পৃথিবীর যে কোন দেশে এর জেনেরিক নামেই পরিচিত।

একটা উদাহরন দেয়া যাক-
সাধারন ব্যাথার/জরের জন্য আমরা NAPA বা ACE খেয়ে থাকি। কিন্তু উভয় ঔষধের জেনেরিক নাম - Paracetamol (এর শক্তি ভিন্ন হতে পারে ৬০ ml সিরাপ থেকে শুরু করে ৬৬৫ mg পর্য়ন্ত ট্যাবলেট পাওয়া যায়). এখানে NAPA বা ACE ব্রেন্ড নাম যা ঔষধ উৎপাদনকারী নিজে দিয়ে থাকে এবং এটি ঔষধের ষ্ট্রিপের বা বক্সের উপর বড় অক্ষরে লিখা থাকে কিন্তু জেনেরিক নাম (Paracetamol) ব্রেন্ড নামের নীচে খুব ছোট অক্ষরে লিখা থাকে। বাংলাদেশে ৫০ টির বেশী ঔষধ কোম্পানী Paracetamol উৎপন্ন করে নিজ নিজ কমার্সিয়াল বা ব্রেন্ড নাম দিয়ে।

এখন কথা হলো অামাদের মতো সাধারন মানুষের ঔষধের জেনেরিক নাম জানার দরকার কি?

১. আমাদের দেশে প্রায় সব ডাক্তার ঔষধ ব্রেন্ড নামে লিখেন । কিন্ত আপনার হাতের কাছের দোকানে তা নাউ থাকতে পারে। তখন সে ঔষধের জেনেরিক নামের অন্য যে কোন ভাল কোম্পানীর ঔষধ কিনে নেয়া যায়।এত কষ্ট ও সময় দুই বাচে * সুবিধার জন্য ঔষধের ব্রেন্ড নাম হতে জেনেরিক নাম জেনে নেবার জন্য একটি লিংক নীচে দেয়া আছে বা সহজেই গুগলে-এ সার্চ জেনেরিক নাম বের করা যায়।
২. বর্তমানে আমাদের দেশে ঔষধ শিল্পের ব্যাপক প্রসার লাভ করেছে। অনেক নতুন নতুন কো্ম্পানী বাজারে এসেছে। এর মধ্যে সবাই যে গুনগত মান বজায় রাখেন তা নয়। অধিক লাভের আশায় অনেকে খুব নিম্ন মানের ঔষধ বাজারে নিয়ে আসছে। আর এ ক্ষেত্রে তারা এক শ্রেনীর ডাক্তারকে অার্থিক সুবিধা বা অন্য কোন ভাবে প্রভাবিত করে নিম্ন মানের ঔষধকে রুগীদের জন্য প্রেসক্রাইব করিয়ে নিচেছ। কিন্তু এর ফলে আমরা রোগ থেকে মুক্তি পাবার পরিবর্তে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুকিতে পড়ছি। অনেক ডাক্তার চেম্বার বা হাসপাতালের সামনে এ সব ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধি অবস্থান করে এবং রুগী বের হবার সাথে সাথে প্রেসক্রিপশান চেক করে যে, তাদের ঔষধটি কি লিখা হয়েছে কি না। এটি বাজারজাতকরেণের এক ধরনের হীন চেষ্টা। ডাক্তার যে ব্রেন্ড নামেই লিখুক সেটি যদি ভাল কোম্পানীর না হয় তবে তা গ্রহন না করাই উচিৎ। জেনেরিক নাম জেনে নিয়ে ভাল কোম্পানীর ঔষধ কিনাই উত্তম। **এ ক্ষেত্রে সুবিধার জন্য নীচে বাংলাদেশের প্রথম সারির ১০ টি (উৎপাদন ক্রম অনুসারে) ঔষধ কোম্পানীর নাম দেয়া হলো।

আমাদের দেশে বহু ডাক্তার আছেন যারা ঔষধ কোম্পানীর সুবিধার ধার ধারেন না। তাদের কাছে অনুরোধ থাকবে তারা যেন ঔষধের নাম লিখার ক্ষেত্রে জেনেরিক নাম লিখেন এবং রুগীকে প্রথম সারির কয়েকটি ঔষধ কোম্পানীর নাম বলে দেন। এ ধরনের প্রথা বেশ কয়েকটি বেসরকারী হাসপাতাল ইতিমধ্যেই শুরু করেছে। এতে করে রুগীদের সুবিধা হবে । মানুষ তখন সাধ্য অনুযায়ী ভাল / পরিচিত কোস্পানীর ঔষধ কিনে নিতে পারবে। মানুষের ঔষধ ক্রয়ের পরিধী বৃদ্ধি পাবে এবং ঔষধ কোম্পানীগুলো ভাল মানের ঔষধ উৎপন্ন করতে সচেষ্ট হবে; অন্তত বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ভাল মানের ঔষধ কোম্পানী টিকে থাকবে।
৩. ডাক্তারগন অনেক সময় কোন ঔষধ কি কারনে দেয়া হয়েছে তা বলেন না বা এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বিস্তারিত বলেন না । এই ইন্টারনেটের যুগে আপনি নিজেও কোন ঔষধ কি কারনে দেয়া হয়েছে বা এটি কি কাজ করে বা কিভাবে কাজ করে এবং সর্বোপরী ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া খুব সহজেই জেনে নিতে পারেন। বিশ্বে অনেক নামকরা ওয়েব সাইট আছে যারা এ ধরনের তথ্য বিস্তৃত আকারে দিয়ে থাকে। কিন্তু তার জন্য আপনার ঔষধের জেনেরিক নাম জানা থাকতে হবে।
৪. অামরা অনেক সময় বিদেশে গিয়ে ব্রেন্ড নাম দিয়ে ঔষধ কিনতে গিয়ে সমস্যায় পড়ি। কিন্তু যদি আপনার জেনেরিক নাম জানা থাকে তবে কাজটি অনেকটা সহজ হয়।
৫. অনেক সময় দেখা যায় কোন একটি ব্রেন্ডের ঔষধ বাজারে নাই এবং রুগীরা অনেক ফার্মেসি খুজে তা হয়তো পান তাও তা বাজার মূল্য থেকে অনেব বেশী দাম দিয়ে কিনতে হয়। অনেক সময় পাওয়া না গেলে যেতে হয় ডাক্তারের কাছে। কিন্তু হয়তো ঐ ঔষধটি অন্য একটি ভালো কোস্পানী আরো ন্যাজ্য মূল্যে বিক্রি করছে। ঔষধ ব্যবসায়ীরা অনেক সময় বাজারে বিভিন্ন ব্রেন্ডের ঔষধের কৃত্রিম সংকট তৈরী করে অনৈতিক মুনাফা আদায় করে। কিন্তু যদি জেনেরিক নাম দিয়ে অন্য কোন কোম্পানীর ঔষধ আমার কিনে নেই তাহলে এ ধরনের অসুবিধা হতে মুক্তি লাভ করা যায়।

বিদেশী ঔষধ কেনার ব্যাপারে খুবই সাবধান। এধরনের ঔষধ মিটফোর্ড এলাকায় নকল করা হয় এবং ভাল মানের প্রিন্ট করা মোড়কে বাজারজাত করা হয় যা সাধারনের পক্ষে ধরা খুবই মুশকিল। যদি নিজে বা কারো মাধ্যমে বিদেশ থেকে আনানো যায় সেই ভাল বা অনেক সময় বার কোড স্কেন করে কিছুটা নিশ্চিত হওয়া যায়।

* http://www.bddrugs.com/
**
1 SQUARE
2 INCEPTA PHARMA
3 BEXIMCO
4 OPSONIN PHARMA
5 RENATA
6 ESKAYEF
7 ACME
8 ACI
9 ARISTOPHARMA
10 DRUG INTERNATIONAL

আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করতে পারনে--
http://businessserviceusa.blogspot.com/ … ny-in.html
http://medibd.blogspot.com/2011/11/top- … mpany.html

(লেখত কর্তৃক স্বত্ব সংরক্ষিত)

Re: ঔষধ কিনতে জেনেরিক নামের গুরুত্ব

কাজের পোস্ট।
মামুন ভাই ইন্ডিয়ান কিছু ওষুধ আনতে চাচ্ছি। ঢাকায় কারা ইন্ডিয়ান ওষুধ ইমপোর্ট করে বলতে পারবেন? আমার জরুরী দরকার।  neutral

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন mdrahmot (১৪-০১-২০১৯ ২২:৫৬)

Re: ঔষধ কিনতে জেনেরিক নামের গুরুত্ব

আসসালামুআলাইকুম মামুন ভাই আপনি আমাকে যদি বলেন কোন জেনেরিক/গ্রুপের  ওষুধ কি কাজ করে জানালে উপকার হতাম

Rahmot

Re: ঔষধ কিনতে জেনেরিক নামের গুরুত্ব

https://medex.com.bd/

IMDb; Phone: Huawei Y9 (2018); PC: Windows 10 Pro 64-bit

Re: ঔষধ কিনতে জেনেরিক নামের গুরুত্ব

নীল আকাশ লিখেছেন:

কাজের পোস্ট।
মামুন ভাই ইন্ডিয়ান কিছু ওষুধ আনতে চাচ্ছি। ঢাকায় কারা ইন্ডিয়ান ওষুধ ইমপোর্ট করে বলতে পারবেন? আমার জরুরী দরকার।  neutral


ভাই কত গুলা ওষুধ আনতে হবে ?

Re: ঔষধ কিনতে জেনেরিক নামের গুরুত্ব

mamun1974 লিখেছেন:

আমরা অসুস্থ হলে ডাক্তারের শরনাপন্ন হই এবং ডাক্তার রোগের লক্ষন দেখে বা প্রয়োজনীয় পরীক্ষা - নিরীক্ষার পর অামাদের ঔষধ সেবনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সে অনুযায়ী আমরা ঔষধের দোকান থেকে ঔষধ কিনে নেই। এটিই স্বাভাবিক। কিন্তু আমরা অনেকেই হয়তো জানি না যে, একটি ঔষধের ২টি নাম থাকে। একটি কমার্সিয়াল বা ব্রেন্ড নাম আর একটি হলো তার জেনেরিক (generic) নাম বা কেমিক্যাল নাম (অনেকে এক কেমিক্যাল প্রিপারেশন বলে থাকেন; তবে একে ঔষধের গ্রুপ না বলাই ভাল) সাধারনত কোন ঔষধ পৃথিবীর যে কোন দেশে এর জেনেরিক নামেই পরিচিত।

একটা উদাহরন দেয়া যাক-
সাধারন ব্যাথার/জরের জন্য আমরা NAPA বা ACE খেয়ে থাকি। কিন্তু উভয় ঔষধের জেনেরিক নাম - Paracetamol (এর শক্তি ভিন্ন হতে পারে ৬০ ml সিরাপ থেকে শুরু করে ৬৬৫ mg পর্য়ন্ত ট্যাবলেট পাওয়া যায়). এখানে NAPA বা ACE ব্রেন্ড নাম যা ঔষধ উৎপাদনকারী নিজে দিয়ে থাকে এবং এটি ঔষধের ষ্ট্রিপের বা বক্সের উপর বড় অক্ষরে লিখা থাকে কিন্তু জেনেরিক নাম (Paracetamol) ব্রেন্ড নামের নীচে খুব ছোট অক্ষরে লিখা থাকে। বাংলাদেশে ৫০ টির বেশী ঔষধ কোম্পানী Paracetamol উৎপন্ন করে নিজ নিজ কমার্সিয়াল বা ব্রেন্ড নাম দিয়ে।

এখন কথা হলো অামাদের মতো সাধারন মানুষের ঔষধের জেনেরিক নাম জানার দরকার কি?

১. আমাদের দেশে প্রায় সব ডাক্তার ঔষধ ব্রেন্ড নামে লিখেন । কিন্ত আপনার হাতের কাছের দোকানে তা নাউ থাকতে পারে। তখন সে ঔষধের জেনেরিক নামের অন্য যে কোন ভাল কোম্পানীর ঔষধ কিনে নেয়া যায়।এত কষ্ট ও সময় দুই বাচে * সুবিধার জন্য ঔষধের ব্রেন্ড নাম হতে জেনেরিক নাম জেনে নেবার জন্য একটি লিংক নীচে দেয়া আছে বা সহজেই গুগলে-এ সার্চ জেনেরিক নাম বের করা যায়।
২. বর্তমানে আমাদের দেশে ঔষধ শিল্পের ব্যাপক প্রসার লাভ করেছে। অনেক নতুন নতুন কো্ম্পানী বাজারে এসেছে। এর মধ্যে সবাই যে গুনগত মান বজায় রাখেন তা নয়। অধিক লাভের আশায় অনেকে খুব নিম্ন মানের ঔষধ বাজারে নিয়ে আসছে। আর এ ক্ষেত্রে তারা এক শ্রেনীর ডাক্তারকে অার্থিক সুবিধা বা অন্য কোন ভাবে প্রভাবিত করে নিম্ন মানের ঔষধকে রুগীদের জন্য প্রেসক্রাইব করিয়ে নিচেছ। কিন্তু এর ফলে আমরা রোগ থেকে মুক্তি পাবার পরিবর্তে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুকিতে পড়ছি। অনেক ডাক্তার চেম্বার বা হাসপাতালের সামনে এ সব ঔষধ কোম্পানীর প্রতিনিধি অবস্থান করে এবং রুগী বের হবার সাথে সাথে প্রেসক্রিপশান চেক করে যে, তাদের ঔষধটি কি লিখা হয়েছে কি না। এটি বাজারজাতকরেণের এক ধরনের হীন চেষ্টা। ডাক্তার যে ব্রেন্ড নামেই লিখুক সেটি যদি ভাল কোম্পানীর না হয় তবে তা গ্রহন না করাই উচিৎ। জেনেরিক নাম জেনে নিয়ে ভাল কোম্পানীর ঔষধ কিনাই উত্তম। **এ ক্ষেত্রে সুবিধার জন্য নীচে বাংলাদেশের প্রথম সারির ১০ টি (উৎপাদন ক্রম অনুসারে) ঔষধ কোম্পানীর নাম দেয়া হলো।

আমাদের দেশে বহু ডাক্তার আছেন যারা ঔষধ কোম্পানীর সুবিধার ধার ধারেন না। তাদের কাছে অনুরোধ থাকবে তারা যেন ঔষধের নাম লিখার ক্ষেত্রে জেনেরিক নাম লিখেন এবং রুগীকে প্রথম সারির কয়েকটি ঔষধ কোম্পানীর নাম বলে দেন। এ ধরনের প্রথা বেশ কয়েকটি বেসরকারী হাসপাতাল ইতিমধ্যেই শুরু করেছে। এতে করে রুগীদের সুবিধা হবে । মানুষ তখন সাধ্য অনুযায়ী ভাল / পরিচিত কোস্পানীর ঔষধ কিনে নিতে পারবে। মানুষের ঔষধ ক্রয়ের পরিধী বৃদ্ধি পাবে এবং ঔষধ কোম্পানীগুলো ভাল মানের ঔষধ উৎপন্ন করতে সচেষ্ট হবে; অন্তত বাজারে সুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ভাল মানের ঔষধ কোম্পানী টিকে থাকবে।
৩. ডাক্তারগন অনেক সময় কোন ঔষধ কি কারনে দেয়া হয়েছে তা বলেন না বা এর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া বিস্তারিত বলেন না । এই ইন্টারনেটের যুগে আপনি নিজেও কোন ঔষধ কি কারনে দেয়া হয়েছে বা এটি কি কাজ করে বা কিভাবে কাজ করে এবং সর্বোপরী ঔষধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া খুব সহজেই জেনে নিতে পারেন। বিশ্বে অনেক নামকরা ওয়েব সাইট আছে যারা এ ধরনের তথ্য বিস্তৃত আকারে দিয়ে থাকে। কিন্তু তার জন্য আপনার ঔষধের জেনেরিক নাম জানা থাকতে হবে।
৪. অামরা অনেক সময় বিদেশে গিয়ে ব্রেন্ড নাম দিয়ে ঔষধ কিনতে গিয়ে সমস্যায় পড়ি। কিন্তু যদি আপনার জেনেরিক নাম জানা থাকে তবে কাজটি অনেকটা সহজ হয়।
৫. অনেক সময় দেখা যায় কোন একটি ব্রেন্ডের ঔষধ বাজারে নাই এবং রুগীরা অনেক ফার্মেসি খুজে তা হয়তো পান তাও তা বাজার মূল্য থেকে অনেব বেশী দাম দিয়ে কিনতে হয়। অনেক সময় পাওয়া না গেলে যেতে হয় ডাক্তারের কাছে। কিন্তু হয়তো ঐ ঔষধটি অন্য একটি ভালো কোস্পানী আরো ন্যাজ্য মূল্যে বিক্রি করছে। ঔষধ ব্যবসায়ীরা অনেক সময় বাজারে বিভিন্ন ব্রেন্ডের ঔষধের কৃত্রিম সংকট তৈরী করে অনৈতিক মুনাফা আদায় করে। কিন্তু যদি জেনেরিক নাম দিয়ে অন্য কোন কোম্পানীর ঔষধ আমার কিনে নেই তাহলে এ ধরনের অসুবিধা হতে মুক্তি লাভ করা যায়।

বিদেশী ঔষধ কেনার ব্যাপারে খুবই সাবধান। এধরনের ঔষধ মিটফোর্ড এলাকায় নকল করা হয় এবং ভাল মানের প্রিন্ট করা মোড়কে বাজারজাত করা হয় যা সাধারনের পক্ষে ধরা খুবই মুশকিল। যদি নিজে বা কারো মাধ্যমে বিদেশ থেকে আনানো যায় সেই ভাল বা অনেক সময় বার কোড স্কেন করে কিছুটা নিশ্চিত হওয়া যায়।

* http://www.bddrugs.com/
**
1 SQUARE
2 INCEPTA PHARMA
3 BEXIMCO
4 OPSONIN PHARMA
5 RENATA
6 ESKAYEF
7 ACME
8 ACI
9 ARISTOPHARMA
10 DRUG INTERNATIONAL

আরো বিস্তারিত জানতে ভিজিট করতে পারনে--
http://businessserviceusa.blogspot.com/ … ny-in.html
http://medibd.blogspot.com/2011/11/top- … mpany.html

প্রায় ১৩ বছর আগের কথা। আমার বড় ভাই অসুস্থ হওয়ার দরুন বাংলাদেশে এলোপ্যাথি ডাক্তারের কাছে চিকিৎসা নিয়েছে বহুকাল। হঠাৎ লক্ষ করি সে ঔষধের ব্রান্ড নাম নয় কেমিক্যাল নাম দিয়ে ঔষধ খুঁজছে। জিজ্ঞেস করলাম কেন? তখন সে বলল, ব্রান্ডের নাম ভিন্ন হলেও কেমিক্যাল বা জেনেরিক নাম একই থাকে।  smile

আল্লাহর রহমতে সে এখন সুস্থ তবে পুরোপুরি নয়। বাংলাদেশের বেশ কিছু ডাক্তারের কাছ থেকে সু-চিকিৎসা না পাওয়ার দরুন। আমার বাবার হোমিওপ্যাথি এবং কয়েকজন এলোপ্যাথি ডাক্তারের কাছ থেকে সু-চিকিৎসা এবং পরামর্শ পাওয়ার জন্য বেঁচে গেছে। আর প্বার্শবর্তী দেশের ডাক্তারেরা ঔষধের চেয়ে ব্যায়ামকে অধিক গুরুত্ব দেয়। তাই আল্লাহর রহমতে তিনি সুস্থ আছেন।

গাই বাংলার জয়গান