টপিকঃ শুধু গল্প না,বাস্তবতার মুখ দেখুক প্রিয়তিরা

তুমি নিজের প্রতি এতো উদাসীন কেন?

কেন এভাবে নিজকে নিঃশেষ করে দিচ্ছো!?
জীবনের প্রতি তোমার এতো অনীহা কেন?
--এসব প্রশ্নের উত্তর দেয়ার পূর্বে তোমাকে একটা প্রশ্ন করি!
বলতে পারো "কতোটুকু বেদনার বিষ গিললে!আমার শরীরটা কাতর হবে!?
--তুমি এভাবে কেন কথা বলো?তোমার প্রিয়তির খুব কষ্ট হয়!
আজ থেকে তোমার এই জীবন,শরীর,আত্না আর পঁচে যাওয়া হৃদয়টা প্রিয়তির!
প্রিয়তি আসার আগ পর্যন্ত তুমি তার এই জিনিসগুলোকে যত্নে রাখবা!
তা নাহলে, প্রিয়তি খুব কষ্ট পাবে।
--হুম,দেখে রাখবো।তবে যত্নে রাখার নিশ্চয়তা টা দিতে পারছি না।প্রিয়তি এসেই না হয় যত্নে রাখবে!
তার প্রিয়'কে।
.
.
.
.
বৃষ্টিস্নাত ভেজা সন্ধ্যায় কথাগুলো সাজ্জাদ আর প্রিয়তির মাঝে হচ্ছিলো।
আসলে,তাদের সম্পর্কটা অন্য সব সম্পর্কের মত না।তাদের মাঝে কোন রাগ,অভিমান কিংবা বিন্দুুমাত্র ঝগড়ারও স্থান নেই।
শুধু আছে হারিয়ে যাবার বিশাল শঙ্কা!
না পাওয়ার জন্য হাহাকার করার মত দু'টি বিশাল হৃদয়।
এই মূহুর্তে তারা পাশাপাশি বসে আছে,কিন্তু কেউ কোন কথা বলছে না।হয়তো তারা একে অপরের হৃদয় দিয়ে কথাগুলো উপলব্ধি করছে।প্রকৃতিটাও আজ খুব সুন্দর।যেন তাদের জন্যই প্রকৃতি সেজেছে নতুন ভাবে। বৃষ্টিভেজা বাতাসে প্রিয়তির চুলগুলো অবাধ্যের মত তার মুখে আঁছড়ে পরছে।দৃশ্যটা সাজ্জাদ মাঝে মাঝে আড়চোখে তাকিয়ে দেখছে।ভালোই লাগছে তার কাছে।তবুও কিছু বলছে না।নিরবতাটাকে উপভোগ করছে।আসলে,প্রিয় মানুষটা পাশে থাকলে পৃথিবীর সব বিষাদও উপভোগের!
প্রিয়তি একদিন বলেছিলো,
প্রিয়!!!
আরও পড়ুন : valobasharkotha