টপিকঃ সৌর দিল আলো, দিল তাপ

সৌর দিল আলো, দিল তাপ
গিনি
শৈত যুগের সাথেই সকল শুরু।
হাড় কাঁপানো শীতের মাঝে
কুয়াশা ঘেরা গগন,
চারি দিক আলোহীন, ঘন ঘুট ঘুট আঁধার।
শ্বাপদসংকুল প্রান্তর, নিশাচরের লাফালাফি,
কিছু পরে পরে তুষারের স্তূপ,
তরু পত্রহীন, মানবের স্বল্প জীবন।
আঁধার দেবতা কাঁদে, আকুতে রবিরে
বাঁচাও আমার সম্পদ। ক্ষনেক রুখো হেথা।
দেও তাপ, ছড়ায়ে দেও আলো।
বাচুক , বাচুক ধরার প্রাণীকুল।
কোনো এক কালে,
দিগন্তের আড়াল থেকে ধীরে দেখা দেয় কিরণ।
বিশাল দেহ লয়ে চতুর্দিক উদ্ভাসিত করে মধ্যে দাঁড়ায় অগ্নি বলয়।
পক্ষীকুল আনন্দে করে কিচির মিচির।
ফোটে ফুল, জন্মায় শিশু, প্রান্তের গজায় শস্য,
তুষার পাত থামে, গড়ায় নদী, আসে বর্ষা।
মেঘের চাদর আনে ছায়ার মায়া।
দিগন্তের নীচে সে গেলে পূর্ণিমারে জাগায়।
আভিসারি অথবা কবিরা হয় নিশাচর।
রচে প্রেম গাথা আর মন ছোয়া পঙক্তি।
জীবন হয় চঞ্চল।