টপিকঃ রেমিট্যান্স ভারত ৫ম থেকে ৪র্থ স্থানে উন্নীত !!

ফেইসবুক থেকে শেয়ার করছি ঃঃ

বাংলাদেশ থেকে রেমিট্যান্স লুটে ৫ম থেকে ৪র্থ স্থানে উন্নীত হওয়ায় ভারতীয় অভিনন্দন!

আজ থেকে দুইটি বছর আগেও বাংলাদেশ ছিল ভারতের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের ৫'ম সোর্স। আর এখন কিনা আরেক ধাপ এগিয়ে হয়ে গিয়েছে ৪'র্থ তম অবস্থানের একক কান্ট্রি!

এখন বৈধ পথেই এদেশ থেকে ভারতীয় সেটেলাররা প্রতিবছর নিয়ে যাচ্ছে ১০ বিলিয়ন ডলার, আগে ছিল এটা ৪ বিলিয়ন ডলার।

যেখানে আমেরিকা থেকে যায় ১০.৬ বিলিয়ন, আর সবচেয়ে বেশী যায় আরব আমিরাত থেকে ১২.৫ বিলিয়ন ডলার।

কিন্তু বাংলাদেশের মত ছোট ইকোনমি থেকেই অনলি একটি ইয়ারেই চলে যাচ্ছে ১০ বিলিয়ন ডলার।ক্লিয়ারলি ফিগার আউট করতে পারলে এই এমাউন্ট বাড়বে ব্যতীত কমবে না। আর অবৈধভাবে ট্রান্সফরমেশনের হিসেবটা মিলিয়ে নিতে পারলে নিশ্চিতভাবেই শুধু শীর্ষতম সোর্সই হবেনা সম্ভবত এককভাবে অন্য সোর্স গুলোকেও ছাড়িয়ে যাবে।

এসবের মাঝেই আবার আমাদের দেশের বেকারের সংখ্যাটাও নেহায়েত কম নয়, চার কোটি দশ লাখ (যুগান্তর)। অপরদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক রিপোর্টে দেখানো হয়েছে যে, দেশের অভ্যন্তরীণ চাকরীর বাজারে লাইসেন্সধারী ভারতীয় সেটেলার রয়েছে ছত্রিশ লাখ।

যদিও এই রিপোর্টের স্পষ্টতা নিয়ে সংশয় থেকেই গিয়েছে। কারন যে পরিমাণ রেমিটেন্স ভারত নিয়ে যাচ্ছে সে হিসেবে এখানে এই দশ লাখের গল্পটা নেহায়েতই একটি কাল্পনিক ফিগার।

বাস্তব চিত্র এর চেয়ে অনেক বেশি, আমি দেখেছি ৭৫% গার্মেন্টস বায়িং হাউস ইন্ডিয়ান বেইসড, শুধু এপিক ডিজাইনার্স এর কারবার দেখে মূর্ছা যেতাম আমরা। আর বৈদেশিক মূদ্রা সরাসরি ওদের দেশে বা দুবাইতে যাওয়ার জন্য যে কতরকম ফন্দি করে তা অকল্পনীয়, এখানে তারা ঠিক মতো ট্যাক্সও দেয় না, শুধু মন্ত্রী আমলাদের ম্যানেজ করে রাখে, মন্ত্রী আমলা আর নেতাদের বিদেশের একাউন্টে ডলার পাউন্ড জমা হয়।

[It's not 4th but by far #1 source of remittance for India. Because, most of them take dollars @ pocket or send by Hundi]

#রেমিট্যান্স #পাচার #লুট #ট্যাক্স #বিলিয়ন

নিজে শিক্ষিত হলে হবে না- প্রথমে বিবেকটাকে শিক্ষিত করতে হবে