টপিকঃ পাঁচ রোগের চিকিৎসায় ৫০ হাজার করে অনুদান

GBS virus ধরলেয়, একটা ইনজেকশন আছে যার এক একটি র দাম ৩০,০০০ টাকা ২৫টা দিতে হয়, সেখানে ৫০,০০০ টাকা দিয়া কী করবে?? তারপরও যদি তা তদবির ছাড়া কেও পায়?

আমি গার্মেন্টসে মার্সন্ডাইজিং ও মার্কেটিং এ কাজ করি দীর্ঘদিন যাবৎ,
আমি গত কোরবানির ঈদের পরে সেপ্টেম্বর ২০১৭ তে হঠাৎ করে ভিষন অসুস্থ হয়ে পড়ি, নিউরো মেডিসিন হাসপাতালে নেওয়ার পর তারা আমার অবস্থা দেখে বিচলিত হয়ে পড়ে এবং তাৎক্ষণিক ভাবে ইমার্জেন্সি তে নেয় এবং ভর্তি করায়, এটা GBS virus, শুরু হয় বিভিন্ন পরীক্ষা আর বিভিন্ন ইনজেকশন, ঔষধ,তার মধ্যে একটা  একটা ইনজেকশন আছে যার এক একটি র দাম ৩০,০০০ টাকা ২৫টা দিতে হয়েছে, হাসপাতালে সব মিলিয়ে ১২ লাখের বেশি টাকা খরচ হয়, হাসপাতাল থেকে সেপ্টেম্বরে ২৫ তারিখে রিলিজ করে, তখন ভাইরাস থেকে মুক্তি পাই কিন্তু আমার ২ হাত, ২ পা সহ পুরো শরীর প্যারালাইস হয়ে যায়, পরে বাসায় এসে একজন ফিজিও কে এপয়েন্টমেন্ট করি, তিনি প্রতিদিন ২ বার করে আসেন আর ১০০০ টাকা করে নিয়ে যায়, আজ ৮ মাস পুরো পূরি বিছানায়, খাওয়া পায়খানা প্রশ্রাব সব বিছানায়, গত ৮ মাসের ঔষধ আর ফিজিওর কারণে আস্তে আস্তে সূস্থ হচ্ছি, তবে এখনও দাড়াতে বা হাটতে পারি না, যেই গার্মেন্টসে চাকরি করতাম তারা হাসপাতালে গিয়ে আমার স্ত্রীকে সান্ত্বনা দিলেও, তারি আমার খবরাখবর নিচ্ছেন না, সেপ্টেম্বরে ১৩ তারিখ পর্যন্ত অফিস করেছি, তারা বলেছিলো সেপ্টেম্বর মাসের পুরো বেতন দিবে, পুরো বেতন তো পরের কথা, ১৩ দিনের বেতনো ৮ মাস অতিবাহিত হলেও এখনও দেয়নি, ফোন করলে ধরে না, আমি গত ৮ মাস বেকার, ঢাকায় স্ত্রী আর ২ ছেলেদের নিয়ে থাকি, ২ ছেলে ইংলিশ ভার্সন এ পড়ে, কবে সুস্থ হবো আর কবে আবার চাকরি খুঁজে পাবো, এখন এই টেনশন,

http://www.dhakatimes24.com/2018/04/20/ … E%E0%A6%A8

ক্যানসার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকের পর পক্ষাঘাতে (প্যারালাইসিস) আক্রান্ত হলে, কারও জন্মগত হৃদরোগ থাকলে চিকিৎসার জন্য সরকার ৫০ হাজার টাকা অনুদান দিচ্ছে।

সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে এ সহযোগিতা চলছে ২০১৩-১৪ অর্থবছর থেকেই। এসব রোগের চিকিৎসা ব্যয়বহুল হওয়ায় সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। তবে এর প্রচার কম হওয়ায় আবেদনের পরিমাণ এসব রোগের বিস্তারের তুলনায় খুব বেশি নয় বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেন, এসব রোগের পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধপত্র কিনতে বিপুল পরিমাণ ব্যয় করতে হয়। গরিবদের পক্ষে এই টাকা যোগাড় করতে গিয়ে অনেক সময় সহায় সম্বল ব্যয় করতে হয়। এই দিক বিবেচনা করেই সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে।

আবেদন করার জন্য সমাজসেবা অধিদপ্তরের কার্যালয়ে এবং ওয়েবসাইটে ফরম পাওয়া যায়। প্রতিটি সরকারি হাসপাতালেও সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মীরা কাজ করেন। সেখান থেকেও ফরম নিয়ে নির্ধারিত কাগজপত্র পূরণ করে আবেদন করতে হয়।

অধিদপ্তরের কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সুধীজনের সহযোগিতায় প্রকৃত দুঃস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের শনাক্ত করেই তবে দেয়া হয় অনুদান।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) জুলিয়েট বেগম ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘আমাদের কাছে সব সময়ই আবেদন আসে। আর যাচাই বাছাই করে আমরা সহায়তা করে থাকি।’

তবে প্রতি বছরে কী পরিমাণ রোগীদেরকে সহযোগিতা করা হয় আর কত টাকা এই খাতে ব্যয় হয় সে ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য দিতে পারেননি এই কর্মকর্তা।

অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, এই পাঁচটি রোগের জন্য সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা অনুদান দেয়া হলেও অন্য যেকোনো সমস্যাতেও সহায়তা পাওয়া যায় রোগীর সমস্যা অনুযায়ী।

আবেদনের নিয়মাবলী

অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা জানান, যারা আবেদন করবেন, তাদেরকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে। আর আবেদনকারীদের মধ্যে সর্বোচ্চ দুঃস্থ ব্যক্তিকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়।

আবেদনের সঙ্গে রোগীর জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মসনদের প্রথম শ্রেণির গেজেটেড অফিসার কর্তৃক সত্যায়িত ফটোকপি এবং সদ্য তোলা তিন কপি সত্যায়িত ছবি জমা দিতে হয়।

রোগীর বয়স আবেদনের তারিখে ১৮ বছরের কম অথবা মুমূর্ষু অবস্থায় থাকলে তার বৈধ অভিভাবক আবেদন করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি প্রথম শ্রেণির গেজেটেড অফিসার কর্তৃক সত্যায়িত করতে হবে। সেই সঙ্গে জমা দিতে হবে সত্যায়িত তিন কপি ছবি।

কী কী জমা দিতে হবে?

আবেদনের সঙ্গে বেশ কিছু নথিপত্র যুক্ত করতে হয়। যেমন: নির্ধারিত ফরমে রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের রোগের প্রত্যয়ন পত্রের মূলকপি সংযুক্ত করতে হবে।

রোগীকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট রোগের বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র ও পরীক্ষার প্রতিবেদন আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে।

এ ক্ষেত্রে ক্যানসারে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে হিস্ট্রোপ্যাথলজি, সাইটোপ্যাথলজি, ব্রোনম্যারো বা অন্যান্য পরীক্ষার প্রতিবেদন জমা দিতে হয়।

কিডনি রোগের ক্ষেত্রে একিউট রেন্টাল ফেইলিওর অথবা অথবা ক্রনিক্যাল রেন্টাল ফেইলিওর এ আক্রান্ত ডায়ালাইসিস সেবা নিচ্ছে, কিডনি প্রতিস্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে অথবা কিডনি প্রতিস্থাপন করেছে এমন রোগীদেরকে প্রযোজ্য রিপোর্ট এবং রক্তে ইউরিয়া ও ক্রিয়েটিনের মাত্রার রিপোর্টও জমা দিতে হয়।

লিভার সিরোসিস রোগের ক্ষেত্রে লিভারের আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

স্ট্রোকে পক্ষাঘাতে আক্রান্তদের নিউরোলজিস্ট কর্তৃক প্রত্যায়িত হতে হবে এবং রেন্টাল ফেইলিয়র, এমআরআই এবং সিটিস্ক্যান রিপোর্ট জমা দিতে হয়।

জন্মগত হৃদরোগের ক্ষেত্রে ইকো কার্ডিওগ্রাম রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

অগ্রাধিকার পাবে যারা

আর্থিক অবস্থান বিবেচনায় শিশু, নিঃস্ব, উদ্বাস্তু ও ভূমিহীনকে ক্রমানুসারে অগ্রাধিকার দেয়া হয়।

সামাজিক অবস্থার বিবেচনায় অগ্রাধিকার পান বয়োজ্যেষ্ঠ, বিধবা, তালাকপ্রাপ্তা, বিপত্নীক, নিঃসস্তান এবং পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন ব্যক্তিরা।

প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ভূমিহীনকেও অগ্রাধিকার দেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে বসতবাড়ি ব্যতীত কোনো ব্যক্তির জমির পরিমাণ ০.৫০ একর বা তার কম হলে তিনি ভূমিহীন বলে গণ্য হবেন।

(ঢাকাটাইমস/২০এপ্রিল/এএ/ডব্লিউবি/জেবি)

"We want Justice for Adnan Tasin"

Re: পাঁচ রোগের চিকিৎসায় ৫০ হাজার করে অনুদান

এখন আপনার  আপডেট  দিতে পারবেন কি অবস্থা! প্যারালাইসিস   বডির কোন কোন পার্ট ইফেক্ট করছে কোন ডাক্তার এর আন্ডারে আছেন এখন! আপনার ফিজিওথ্যারাপিস কার কাছ থেকে নিচ্ছেন?

আপনার এত দিনে হাটতে পারার কথা । আপনার অবস্থাএত সিবিয়ার না যেটা আমার  আব্বার  ছিল। মিনিমাম সাপোট নিয়ে হাটতে পারার কথা!

Re: পাঁচ রোগের চিকিৎসায় ৫০ হাজার করে অনুদান

ধন্যবাদ খোঁজ খবর নেওয়ার জন্যে

আমি এখন সামান্য হাটতে পারি , তবে ব্যালেন্সিং না আসায়, ২ দিন পড়ে গেছি

আমি সেপ্টেম্বর থেকেই ফিজিও থেরিপিষ্ট বাসায় এপয়েন্টমেন্ট দিয়েছি, তিনি সেনাবাহিনীর ফিজিও, প্রথম কয়েক মাস দিনে ২ বার আসতো, এখন দিনে একবার আসে

"We want Justice for Adnan Tasin"

Re: পাঁচ রোগের চিকিৎসায় ৫০ হাজার করে অনুদান

http://www.proshnotori.com/question%20/ … াগণ-কিসের/ চমতকার

1 minute and 6 seconds after:

http://www.proshnotori.com/