সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আউল (২০-০৪-২০১৮ ১৭:৪৯)

টপিকঃ সরকারি চাকুরিজীবী !!!

????
২২লাখ সরকারি চাকুরীজিবীদের বেতন বাড়লে আনুপাতিক হারে জিনিস পত্রর দাম, বাড়ি ভাড়া, গাড়ি ভাড়া, ইউটিলিটি বিল, স্কুলের বেতন, রিক্সা ভাড়া সহ সবকিছুরই দাম বাড়ে কষ্ট করে কোটি কোটি মানুষ, তার উপর সপ্তাহে ২দিন ছুটি, বছরে ১৬৫দিন ছুটি, মাসের বেতন মাস শুরুতে, প্রতি উৎসবে উৎসব বোনাস, নানাবিধ সুযোগ সুবিধা, চাকরি শেষে পেনশন, মৃত্যুর পরো পেনশন আরো কতকি!!

আহা্ সরকারী চাকরী......  "২৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে অফিসে গিয়ে দুপুরের মধ্যে বের হয়ে অফিস ছেড়ে যাবে আর ফিরবেন ৬ই মে"   আর কোটি মানুষের কর্মস্থল পোশাক কারখানায় চাকরীওয়ালারা.......  সপ্তাহিক ছুটিতো ভাগ্যের ব্যাপার আর মে দিবসের ছুটি আছে বলে মনে হয় না, জরুরি রপ্তানি বলে কথা, তারপরো মাসের বেতন মাসে নেই, অসুস্থ হলে চাকরি নেই, নির্দিষ্ট ডিউটি আওয়ার নেই, বেতন বৃদ্ধি স্বপ্নে পাওয়া ঔষধের মত, দেশের অর্থনিতি টেনে নিয়ে যাওয়াই তাদের একমাত্র কাজ!!

http://www.prothomalo.com/bangladesh/ar … F%E0%A6%BF

. গাছ ভর্তি ঝুলে আছে আম। কদিন পরেই পাকতে শুরু করবে। কাঁঠালও ঘ্রাণ ছড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। সোনালি ধান উঠতে শুরু করেছে কৃষকের গোলায়। শহর-নগর আর বন্দরের কোলাহলের জীবনে এসব দৃশ্য দেখার সুযোগ নেই বললেই চলে। কিন্তু এই সুযোগ যেন হাতছানি দিচ্ছে নগরবাসীকে। কারণ সময়ের মারপ্যাঁচে চলে এসেছে ছুটির ফাঁদ। এক দিন-দুদিন নয়, টানা নয় দিনের ছুটি হতে পারে। ছুটির এই ফাঁদে জড়াতে হলে একটু এদিক-সেদিক করতে হবে।

এমনি করে ছুটির ফাঁদে অনেক কর্মজীবীই নিজেকে জড়িয়ে ফেলেছেন। একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আমিনুর রহমান ২৬ এপ্রিল সপরিবারে যাবেন গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ায়। আগাম টিকিট কেটেছেন, তা-ও দিন সাতেক আগে। ছুটি কাটিয়ে রাজধানীতে ফিরবেন ৩ মে।

কীভাবে এই লম্বা ছুটি আসছে? আমিনুর রহমান বলেন, ২৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকালে অফিসে গিয়ে দুপুরের মধ্যে বের হয়ে ঢাকা ছাড়া যাবে। পরের দুদিন ২৭ ও ২৮ এপ্রিল শুক্র-শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। ২৯ এপ্রিল রোববার আছে বুদ্ধপূর্ণিমার সরকারি ছুটি। ৩০ এপ্রিল সোমবার এক দিনের ছুটি নিয়েছেন তিনি। ১ মে মঙ্গলবার মহান মে দিবস। পরদিন ২ মে বুধবার রয়েছে শবে বরাতের ছুটি।

অনেকে আবার মে দিবস ও শবে বরাতের পর ৩ মে ছুটি নিয়ে ঢাকা ছাড়ার পরিকল্পনাও করেছেন। কারণ ৪ শুক্র ও ৫ মে শনিবার রয়েছে সাপ্তাহিক ছুটি। এভাবে সুযোগ পাওয়া গেলে টানা পাঁচ দিনের ছুটি। তাই ২৬ এপ্রিলের পর ৬ মে রোববারের আগে নগরজীবন পুরোনো রূপে ফিরছে না।

ছুটির ফাঁদের কারণে বাস, ট্রেন, লঞ্চ, এমনকি আকাশপথে উড়োজাহাজের টিকিট নিয়েও কাড়াকাড়ি শুরু হয়ে গেছে। ভ্রমণপিপাসুরা গ্রামের আপন ঠিকানার পাশাপাশি কক্সবাজার, কুয়াকাটা, সিলেটের মতো পর্যটন এলাকায় পাড়ি দেবেন। তাই এসব এলাকার টিকিটের চাহিদা বেশি।

হানিফ এন্টারপ্রাইজের মহাব্যবস্থাপক মোশাররফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ২৬ এপ্রিলের সব টিকিট বিক্রি শেষ হয়ে গেছে। অনেকে দল বেঁধে বাস রিজার্ভ করে কক্সবাজারও যাচ্ছেন। তবে মহাসড়কগুলোতে যানজট রয়েছে। এ কারণে বাড়তি ট্রিপ দেওয়া যাবে না।

চাহিদার মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় ২৬ এপ্রিলের টিকিট ১৭ এপ্রিল বিক্রি করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। কমলাপুর রেলস্টেশনের ম্যানেজার শীতাংশু চক্রবর্তী প্রথম আলোকে বলেন, ২৬ ও ২৭ এপ্রিলের টিকিটের বেশ চাহিদা রয়েছে। এ ছাড়া ৩০ এপ্রিলও যাত্রীর চাপ থাকবে। তূর্ণা-নিশিথা, সুবর্ণ ও সোনার বাংলার টিকিট প্রায় শেষ। চাহিদার বিষয়টি চিন্তা করে বেশ কিছু আন্তনগর ট্রেনে অতিরিক্ত কোচ (বগি) দেওয়া হবে।

নৌপথেও টিকিটের চাহিদা বেড়ে গেছে। তবে পটুয়াখালীতে যাত্রীর চাপ বেশি। সুন্দরবন গ্রুপের পরিচালক মো. ঝন্টু প্রথম আলোকে বলেন, ২৫ এপ্রিল থেকে টিকিটের চাহিদা রয়েছে ঢাকা-পটুয়াখালী রুটে। কারণ যাত্রীরা সেখান থেকে চলে যাবেন কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতে। বরিশালসহ দক্ষিণাঞ্চলের অন্যান্য রুটে চাপ রয়েছে।

দীর্ঘ ছুটির কারণে বাস, ট্রেন ও লঞ্চের চেয়ে উড়োজাহাজের টিকিটের চাহিদা যেন আরও বেশি। অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন রুটে ২৬ এপ্রিলের টিকিট বহু আগেই বিক্রি হয়ে গেছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) শাকিল মেরাজ প্রথম আলোকে বলেন, দেশের ভেতর চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেটে মানুষ বেশি বেড়াতে যাচ্ছে। টানা ছুটিতে এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে প্রচুর যাত্রী আন্তর্জাতিক পাঁচটি রুট কলকাতা, কাঠমান্ডু, ব্যাংকক, কুয়ালালামপুর ও সিঙ্গাপুরে যাচ্ছেন।

বৈশাখে লম্বা ছুটিতে আবহাওয়া খুব একটা বাগড়া দেবে না। সকাল-দুপুর ভ্যাপসা গরম পড়লেও বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামার পর দেশের বিভিন্ন স্থানে বয়ে যেতে পারে কালবৈশাখী—এমন পূর্বাভাস রয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের।

আবহাওয়াবিদ রুহুল কুদ্দুস প্রথম আলোকে বলেন, এপ্রিলের শেষে টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। এ সময় কালবৈশাখীর মাত্রা বাড়তে পারে। দিনের বেলা ভ্যাপসা গরমে অস্বস্তি বোধ হবে। বিকেল থেকে সন্ধ্যা ও রাতের বেলা কালবৈশাখীসহ শিলাবৃষ্টিও হতে পারে। এ ধরনের ঝড় দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও মধ্যাঞ্চলে বেশি হয়ে থাকে।

নিজে শিক্ষিত হলে হবে না- প্রথমে বিবেকটাকে শিক্ষিত করতে হবে

Re: সরকারি চাকুরিজীবী !!!

প্রাইভেট চাকুরিতে বেতন বেশি ।

Re: সরকারি চাকুরিজীবী !!!

hasanbdchess লিখেছেন:

প্রাইভেট চাকুরিতে বেতন বেশি ।

সরকারি চাকরিতে সর্বনিম্ন বেতন ১৬,০০০ টাকা সাথে বিভিন্ন উৎসব ভাতা, আলগা, কোটি টাকার পেনশন, মৃত্যুর পরোও স্ত্রীদের পেনশন, বছরে প্রায় ১৬৫ দিন ছুটি সপ্তাহিক ২ দিন ছুটি সহ, চাকরির নিশ্চয়তা, ৮-৫ টা ডিউটি, অনেক সুযোগ সুবিধা, সামাজিক সন্মান,

আর পোশাক কারখানায় সর্বনিম্ন বেতন ৬০০০ টাকা, ১৮ ঘন্টা ডিউটি, সপ্তাহিক ছুটি নেই, বাৎসরিক নির্দিষ্ট ছুটি নেই দুই ঈদ ছাড়া, চাকরি আজ আছে একটু পরে নেই, বেতন কখন পাবো ঠিক নেই, আমি এখনও ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে র বেতন পাইনি, বেতন দাবি করলে পুলিশের মাইর ও চাকরি শেষ, অসুস্থ হলে চাকরি নেই, আর অন্যান্য সুযোগ সুবিধা বলে কিছু নেই

নিজে শিক্ষিত হলে হবে না- প্রথমে বিবেকটাকে শিক্ষিত করতে হবে

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন নিয়াজ মূর্শেদ (০২-০৫-২০১৮ ০০:০২)

Re: সরকারি চাকুরিজীবী !!!

বাংলাদেশে সরকারি চাকরি মানে সুখের স্বর্গে বাস করা। আপনার জীবন আজীবনের জন্য সেটেল। যা চাইবেন সরকার তাই আপনাকে দিবে। তাছাড়া আলগা কামাই তো আছেই। সরকারিতে কেরানী হতে পারলেও জীবনটা ধন্য। আমি একটা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে এইচ আরে আছি। ডেস্ক জব কিন্তু আমি দেখি যারা মাঠ পর্যায়ে কাজ করে তারা কি কষ্ট করে। এরপরেও যদি টার্গেট ফিলআপ করতে না পারে তবে বেতন পায় না। তাদের কি কষ্টের কোনো মূল্য নেই? আমাদের কাছে এসে যখন বলে, ভাই / স্যার, আমার বেতন কেনো আটকে আছে তখন আমাদের মতো এক্সিকিউটিভদের শুধু বলতে হয় আপনি আপনার ডিপার্টমেন্টের হেডের সাথে কথা বলুন।

বেসরকারিতে আপনাকে চিবিয়ে খাবে। শুধু একদিন শুক্রবার ছুটি। বাকি ৬ দিন সকাল ৮ টা থেকে রাত ৮ অফিসে যাওয়া আসার মধ্যেই থাকতে হয়। এই নাম কি জীবন?

সরকারি চাকরি হচ্ছে সোনার হরিন। একবার যদি পেয়ে যান তাহলেই কেল্লা ফতে। বেসরকারিতে যারা কাজ করে তারা এত চাপে থাকে যে এদের হার্টের অসুখ ও স্ট্রোক বেশি হয়। সরকারিতে যারা কাজ করে তাদের এইসব অসুখ বিসুখ কম হয়। তারা নিশ্চিন্তে জীবন পারি দেয়। চাকরি যাওয়ার কোনো ভয় নেই। মাসে মাসে বেতন, সাথে এই ভাতা ওই ভাতা, সাথে আবার নিজের নেয়া লোনের অর্ধেক সরকার পরিশোধ করবে । আপনাকে নাম মাত্র সুদে বাকি অংশ পরিশোধ করতে হবে। আপনি না পারলেও কোনো সমস্যা নেই। খেলাপী হবেন। তাতে কোনো সমস্যা নেই।

আল্লাহ যেনো আমাকে একটা সরকারি চাকরি পাইয়ে দেয়।  আহ কি জীবন।  dream

Re: সরকারি চাকুরিজীবী !!!

সরকারি চাকুরীজীবিরাই দেশের সাধারণ জনগণের টাকা বসে বসে খাচ্ছে।  এদের কারনেই দেশের এই অবস্থা।

Ritzy Outfits is one of the finest online apparel stores in Bangladesh. Our products are T-shirt, Couple T-shirt, Casual Shirt, Formal Shirt, Denim Shirt, Hoodie Shirt, Panjabi, Kabli, Panjabi Pajama Set, twill Pant, denim Pant, and trouser for men, women and kids.

Re: সরকারি চাকুরিজীবী !!!

খুব সুন্দর মন্তব্য thumbs_up

নিজে শিক্ষিত হলে হবে না- প্রথমে বিবেকটাকে শিক্ষিত করতে হবে