টপিকঃ ভ্রান্তি

: কেমন আছো?
: এইতো।
: কি করছো?
: কিছু না।
: মন খারাপ?
: নাহ্। নাম্বার পেলে কি করে?
: এর চেয়ে কঠিন প্রশ্ন করো।
: smile
: সেদিন দেখা হলো। হাই দিলাম। তুমি বললে না কিছু।
: পাশে বিএফ ছিলো।
: তাতে কি?
: ও একটু অন্যরকম।
: জেলাসি?
: জানিনা।
: নীলা একটা কথা বলি?
: বলো..
: তুমি কিন্তু আগের চেয়ে আরো সুন্দর হয়েছো?
:তাই নাকি? হয়তো। আয়না দেখি না!
: ধ্যাত, আয়না কেন লাগবে? বিএফ কখনো বলেনি?
: না। ওর আমার দিকে তাকানোর সময় নেই।
: মানে কি?
: হুম। সারাক্ষণ অফিস নিয়ে ব্যস্ত।
: একা লাগে না?
: অভ্যাস..
: দোকা হবে?
: না।
: বন্ধু?
: টাইম পাস?
: তোমার তো সেটাই দরকার। কোথায় থাকে বিএফ?
: থাকে এক জায়গায়।
: কোথায়? জানতে চাই।
: জানানোর মতো কিছু নেই।
: বুঝেছি।
: কী?
: হাত রাখবে হাতে আমার?
: হাত অন্যের হাতে রাখা।
: সুখী?
: জানিনা।

কথায় কথায় নির্লিপ্ততা কাটিয়ে গল্প জমে যায়। নীলা খুঁজে পায় নতুন আশ্রয়। শুরু হয় নতুন সম্পর্কের নতুন পথচলা। ওপাশের মানুষটার সাথে একটু একটু করে দূরত্ব বাড়ে। বোকা প্রেমিক। বুঝেও কিছু বুঝতে চায় না। ভাবে, আর তো কটা দিন। বিয়ের পরেই সব ঠিক।

আজ মাসের ২য় দিন। সময়ের আগে পাওয়া বেতনের খামটা হাতে নিয়ে ছেলেটা সোজা চলে যায় ব্যাংকে। আর মাত্র ৭টা মাস অপেক্ষা। ডিপোজিটটউা ম্যাচিউর হবে। নীলাকে সারাজীবনের জন্য আপন করে পাবে। আর তো কটা দিন। সময় না দেয়ার অভিযোগ থেকে এবার অন্তত কিছুটা মুক্তি পাওয়া যাবে।

সারাদিন বসে বসে অফিসের হিসাব মেলানো ছেলেটা জীবনের হিসাবে এসে বড্ড গোলমেলে। সময় না দেয়াকে ছেলেটার অবহেলা মনে করতো যে মেয়েটা সে কখনো জানবেও না, সকাল থেকে রাত পর্যন্ত অফিস করে ক্লান্ত শরীরটাকে নব্বইটা সিঁড়ি পেরিয়ে উপরে তোলার কষ্ট। নীলা বোঝেনি ছেলেটার সকল কষ্ট, সকল আয়োজন শুধুমাত্র তাকে ঘিরে। নীলারা এমন কেন হয়? বড্ড বেখেয়ালি। বারবার মানুষ চিনতে ভুল করে!

Re: ভ্রান্তি

মানুষের সামান্য হলেও তার আবেগ তার কাছের মানুষের কাছে প্রকাশ করা উচিত।হোক তা রাগ,অভিমান,ভালোবাসা,ভালোলোগা,কষ্ট।সব আবেগই সামান্য হলেও প্রকাশ করা উচিত।তাহলে নীলা আর এমন হবে না smile

ডিজিটাল বাংলাদেশে ত আর সাক্ষরের নিয়ম চালু নাই।সবটায় দেখি বায়োমেট্রিক।তাই আর সাক্ষর দিতে পারলাম না।দুঃখিত।