সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আউল (০৮-০৪-২০১৮ ১৯:৪৮)

টপিকঃ প্রতিবছর সাড়ে ৫২ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়ে পড়ছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, স্বাস্থ্য ব্যয় মেটাতে গিয়ে বাংলাদেশে প্রতিবছর সাড়ে ৫২ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়ে পড়ছে। আর বড় ধরনের আকস্মিক স্বাস্থ্য ব্যয়ের মুখোমুখি হচ্ছে সোয়া দুই কোটি মানুষ। বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসকে সামনে রেখে পর্যালোচনামূলক প্রতিবেদনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ৪ এপ্রিল এই তথ্য প্রকাশ করেছে।

আমি এর সাথে একমত পোষন করছি, আমার কাছে মনে হচ্ছে এই কথাটি অনেকাংশেই সত্য,

একটি ঘটনা বলছি,
আপনার মূল্যবান সময় নষ্টের জন্যে ক্ষমা করবেন:-

আমি গার্মেন্টসে মার্সন্ডাইজিং ও মার্কেটিং এ কাজ করি দীর্ঘদিন যাবৎ,
আমি গত কোরবানির ঈদের পরে সেপ্টেম্বর ২০১৭ তে হঠাৎ করে ভিষন অসুস্থ হয়ে পড়ি, নিউরো মেডিসিন হাসপাতালে নেওয়ার পর তারা আমার অবস্থা দেখে বিচলিত হয়ে পড়ে এবং তাৎক্ষণিক ভাবে ইমার্জেন্সি তে নেয় এবং ভর্তি করায়, এটা GBS virus, শুরু হয় বিভিন্ন পরীক্ষা আর বিভিন্ন ইনজেকশন, ঔষধ,তার মধ্যে একটা  একটা ইনজেকশন আছে যার এক একটি র দাম ৩০,০০০ টাকা ২৫টা দিতে হয়েছে, হাসপাতালে সব মিলিয়ে ১২ লাখের বেশি টাকা খরচ হয়, হাসপাতাল থেকে সেপ্টেম্বরে ২৫ তারিখে রিলিজ করে, তখন ভাইরাস থেকে মুক্তি পাই কিন্তু আমার ২ হাত, ২ পা সহ পুরো শরীর প্যারালাইস হয়ে যায়, পরে বাসায় এসে একজন ফিজিও কে এপয়েন্টমেন্ট করি, তিনি প্রতিদিন ২ বার করে আসেন আর ১০০০ টাকা করে নিয়ে যায়, আজ ৮ মাস পুরো পূরি বিছানায়, খাওয়া পায়খানা প্রশ্রাব সব বিছানায়, গত ৮ মাসের ঔষধ আর ফিজিওর কারণে আস্তে আস্তে সূস্থ হচ্ছি, তবে এখনও দাড়াতে বা হাটতে পারি না, যেই গার্মেন্টসে চাকরি করতাম তারা হাসপাতালে গিয়ে আমার স্ত্রীকে সান্ত্বনা দিলেও, তারি আমার খবরাখবর নিচ্ছেন না, সেপ্টেম্বরে ১৩ তারিখ পর্যন্ত অফিস করেছি, তারা বলেছিলো সেপ্টেম্বর মাসের পুরো বেতন দিবে, পুরো বেতন তো পরের কথা, ১৩ দিনের বেতনো ৮ মাস অতিবাহিত হলেও এখনও দেয়নি, ফোন করলে ধরে না, আমি গত ৮ মাস বেকার, ঢাকায় স্ত্রী আর ২ ছেলেদের নিয়ে থাকি, ২ ছেলে ইংলিশ ভার্সন এ পড়ে, কবে সুস্থ হবো আর কবে আবার চাকরি খুঁজে পাবো, এখন এই টেনশন,

অন্যদিকে আমার সহকর্মী, আন্তিয় স্বজন বন্ধুরা সবাই কে আমি ফোনে আমার অসুস্থতার খবর জানানোর পরোও কেউ ফোন করেও জানতে চায়নি আমি কেমন আছি, আমার এক বন্ধু যার উপকার করেছি গত ১৪ বছর যাবৎ, সে একটি গার্মেন্টস বাইং করে, তার কোন বায়ার ছিলো না, আমি তাকে বায়ার জোগাড় করে দিয়েছি, বায়ার এর সাথে তার হয়ে ক্রসপমডেন্স আমিই করেছি, সে ৩০ লাগ টাকা আয় করে, আমি এক টাকাও দাবি করিনি, বন্ধুত্ব র খাতিরে, পরে সেই হাবিবুর রহমান সেই ৩০লাখ টাকা দিয়ে নিকুঞ্জ২ তে RN fashion (আর এন ফ্যাশন) নামের লোকাল সুয়েটার ফ্যাক্টরি করে, সেই সময়ে সে আমার থেকে ১ লাখ টাকা শর্ট পড়েছে বলে ধার নেয়, আমি বিনা সিকিউরিটি তে তাকে টাকা দেই, আমি অসুস্থ হবার পর আমার স্ত্রী সেই হাবিব কে ফোন দিয়ে আমার অসুস্থতার কথা জানিয়ে টাকা টা চায়, সে তারপর থেকেই ফোন ধরেনা, মানুষকে বলে আমি নাকি অভিনয় করছি তার থেকে টাকা নেওয়ার জন্যে, আমার কয়েকজন প্রাক্তন সহকর্মী তাকে চাপ দিলে সে বলে টাকা দিয়ে দিয়েছি, কি প্রমাণ আছে টাকা পায়, ইত্যাদি, সে কথায় কথায় বলেন , আমার সালা সমন্দিরা সব কুড়িল এলাকার প্রভাবশালী, বেশী বাড়াবাড়ি করলে গায়েব করে দিব, আমার হুজুরের পানি পড়া দিয়েই তারে আমি পঙ্গু করে দিয়ছি, সে আবার বিভিন্ন হুজুরের মুরিদ ****

গার্মেন্টসে র পাওনা টাকার আশাও ছেড়ে দিয়েছি এই ধারদেওয়া টাকার আশাও ছেড়ে দিয়েছি, এখন শুধু প্রার্থনা করি যেন সুস্থ হয়ে উঠি!

http://www.prothomalo.com/bangladesh/ar … F%E0%A7%9F

"We want Justice for Adnan Tasin"

Re: প্রতিবছর সাড়ে ৫২ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়ে পড়ছে।

দুঃখজনক সত্য

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: প্রতিবছর সাড়ে ৫২ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়ে পড়ছে।

দুয়া করি আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজত করুন।

আমি আলামিন। একজন খাঁটি মধু বিক্রেতা, উদ্যোক্তা এবং ব্যবসায়ী। Tarbiyah Shop এর প্রতিষ্ঠাতা এবং প্রধান নির্বাহী। আলহামদুলিল্লাহ্‌ | TarbiyahShop.com | 01869663242 | https://facebook.com/AlaminHoneyBD

Re: প্রতিবছর সাড়ে ৫২ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়ে পড়ছে।

ধন্যবাদ

"We want Justice for Adnan Tasin"

Re: প্রতিবছর সাড়ে ৫২ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়ে পড়ছে।

হৃদয় বিদারক

তন্দ্রার ভেতরে আমি শুনি ধর্ষিতার করুণ চিৎকার,
নদীতে পানার মতো ভেসে থাকা মানুষের পচা লাশ
মুন্ডহীন বালিকার কুকুরে খাওয়া বিভৎস্য শরীর

Re: প্রতিবছর সাড়ে ৫২ লাখ মানুষ দরিদ্র হয়ে পড়ছে।

synthia লিখেছেন:

হৃদয় বিদারক

ধন্যবাদ

"We want Justice for Adnan Tasin"