সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আউল (১২-০৩-২০১৮ ১৭:৫৬)

টপিকঃ মশার যন্ত্রনায় নগরবাসী আতংকিত

মশার অত্যাচারে নগরবাসী আতংকিত, দিনের বেলায়ও মশারি লাগিয়ে রাখতে হচ্ছে,
প্রতিটি সিটি করপোরেশন মশার ক্রাশ প্রোগরামের নামে বাজেট করছেন অর্ধ কোটি টাকা


মশা নিয়ন্ত্রণে উত্তর দক্ষিণ দুই সিটি করপোরেশনই ব্যর্থ। নগরবাসীর মনে চিকুনগুনিয়া ও ডেঙ্গু আতঙ্ক, শিশু ও শিক্ষার্থীদের অবস্থা নাজুক। মশার যন্ত্রণায় অস্থির নগরবাসী। দিনের বেলায়ও এখন মশারি টাঙিয়ে অথবা কয়েল জ্বালিয়ে রাখতে হয়। আর রাতের বেলায় মশার যন্ত্রণা সে তো অসহ্য। বলতে গেলে মশার যন্ত্রণায় নগরবাসীর ত্রাহি অবস্থা। মশা নিয়ন্ত্রণে উত্তর দক্ষিণ দুই সিটি করপোরেশনই ব্যর্থ। সিটি কর্পোরেশনের দায়িত্বশীল অনেক ব্যর্থতা ঢাকতে রাজউকের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দিচ্ছে। মশার উপদ্রবের সাথে নগরবাসীকে এখন মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের আতঙ্ক তাড়া করছে। বিশেষ করে চিকন গুনিয়া, ডেঙ্গু এসব রোগের আতঙ্ক নগরবাসীর মনে।

গত ১৫/২০ দিনের মশার উপদ্রবে ওই এলাকার বাসিন্দারা অতিষ্ঠ। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বাসাবাড়ি, দোকানপাট, স্কুল-কলেজ, অফিস-আদালত সর্বত্রই অসহনীয় মশার উপদ্রব। মশার উপদ্রব এতোটাই বেড়েছে যে সম্প্রতি হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজে মশা ঢুকে পড়ায় বিমানটি ছাড়তে দুই ঘণ্টা দেরি হয়। বিমানবন্দরে মতো অতিগুরুত্বপূর্ণ এলাকার মশা উপদ্রব এখনো কমেনি।  দুই সিটি কর্পোরেশনের চলতি অর্থ বছরের জন্য মশা নিধনের বাজেট ৩৭ কোটি টাকা। এই টাকা দিয়েও মশা নির্মূল হচ্ছে না। বরং দিন দিন মশার যন্ত্রণা বাড়ছেই। ঢাকার বাসিন্দারা যেনো মশার কাছে অসহায়। রাতে তো বটেই দিনের বেলায়ও চলছে মশার অত্যাচার। মশারি টানিয়ে, কয়েল জ্বালিয়ে, ইলেকট্রিক ব্যাট কিংবা মশানাশক ওষুধ স্প্রে করেও রক্ষা পাচ্ছে না। অথচ মশা নিধনে বছর বছর বরাদ্দ বাড়াচ্ছে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশন। বরাদ্দ বাড়ার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মশার উপদ্রবও।

https://www.cnewsbd.com/2018/deshjure/dhaka/107558/

নিজে শিক্ষিত হলে হবে না- প্রথমে বিবেকটাকে শিক্ষিত করতে হবে

Re: মশার যন্ত্রনায় নগরবাসী আতংকিত

আর বলতে দাদা sad
মশার অত্যচারে তো পড়তেও বসা হয় না cry
সামনে টেস্ট sad
আর মশারি খাটালেও কেমন করে জানি মশা ঢুকে যায় thinking,মশা মারবার ব্যাটে মশা মরে না,আমরাই শক খাই, cryingআর স্প্রে দিলে তো ঘরে টিকে থাকা দায় হয়ে যায়  sick

ডিজিটাল বাংলাদেশে ত আর সাক্ষরের নিয়ম চালু নাই।সবটায় দেখি বায়োমেট্রিক।তাই আর সাক্ষর দিতে পারলাম না।দুঃখিত।

Re: মশার যন্ত্রনায় নগরবাসী আতংকিত

মশার জন্য এখনো ভাল ভাবে লিখতে পারছি না । কোন ভাবেই থামানো যাচ্চে না ।