টপিকঃ অসামাজিক আচরণগত সমস্যা

ধরা যাক, স্কুলের সবচেয়ে খারাপ ছেলেটি- অন্যদের জিনিস চুরি করে এবং মিথ্যা বলে, মারামারি করে এবং পরীক্ষায় খারাপ ফল করে। তবে এসব নিয়ে সে খুব একটা মাথা ঘামায় না এবং প্রাপ্তবয়স্ক হবার পরেও তার আচরণে বিশেষ পরিবর্তন দেখা গেলো না।

অসামাজিক আচরণগত সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তির অন্যের অধিকারের প্রতি এক বেপরোয়া উপেক্ষা কাজ করে(বেশীরভাগ ক্ষেত্রে পুরুষদের মধ্যে এটা দেখা যায়)। এরূপ ব্যক্তি সামাজিক আদর্শকে অমান্য করে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যের সম্পদ ধ্বংস করে, চুরি করে এবং নিজের সন্তুষ্টির জন্য যা খুশি তাই করে থাকে।

অসামাজিক আচরণগত সমস্যায় আক্রান্ত একজন ব্যক্তি চাকুরী বা কাজের জায়গায় নিজের অবস্থান ধরে রাখতে পারে না উপরন্তু যেকোনো সম্পর্ক রক্ষার ক্ষেত্রেও তাদের অনীহা দেখা যায়। এধরণের ব্যক্তিরা নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য অন্যকে নিপুণভাবে ব্যবহার করতে সিদ্ধহস্ত। এরা নিজেদের বর্তমান সমস্যা নিয়ে কিছুটা উদ্বিগ্ন হলেও তাদের ভবিষ্যত নিয়ে তারা বিচলিত নয়। যদি তাদেরকে কোনোভাবে ফিরানো না যায়, তাদের ঋণের সাগরে ডুবে যাওয়ার এবং মাথার উপর থেকে ছাদ সরে যাবার চরম ঝুঁকি রয়েছে । শেষপর্যন্ত অন্যান্যদের মত সেও আত্মহত্যা অথবা কোনো দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পথে ধাবিত হতে পারে।

অসামাজিক আচরণগত.......বিস্তারিত