টপিকঃ ১৪ই ফেব্রুয়ারি স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস

সময়টা ১৯৮৩। ১৪ ফেব্রুয়ারি ছাত্র ইউনিয়নের সমন্বয়ে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ডাকে ছাত্র জমায়েত। মজিদ খানের কুখ্যাত শিক্ষানীতি প্রত্যাহার, বন্দী মুক্তি ও জনগণের মৌলিক গণতান্ত্রিক অধিকারের দাবিতে এই জমায়েত। সেটাই পরিণত হল বুট ও বুলেটে-দমিত জনতার এক বিরাট প্রতিরোধে। জাফর, জয়নাল, কাঞ্চন, দিপালীসহ সারাদেশে প্রাণ দিল ১০ জন। সরকারি হিসাবে গ্রেপ্তার হয় ১হাজার ৩১০ জন। সেই থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি হয়ে ওঠে মুক্তিকামী মানুষের প্রতিরোধ চেতনার দিন। সে থেকে দিনটি পালিত হচ্ছে ‘স্বৈরাচার প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে!

যদিও এখন আর এই দিবস বামফ্রন্ট ব্যাতিত কেউ ঘটা করে পালন করতে চান না, কারন অজানা, তবে এটাও হতে পারে, এরশাদ এখন মহাজোটের শরিক , সরকারের শরিক, প্রধান মন্ত্রীর বিশেষ দূত

"We want Justice for Adnan Tasin"