টপিকঃ মেটে রঙের মাটি

মেটে রঙের মাটি
গিনি
অতিশের জন্ম ও বেড়ে উঠা ম্যানচেস্টারে। তাদের পরিবার খুলনা এলাকার জমিদার। এলাকাটা সুন্দর বনের নিকট ছোট গ্রাম।তাহার দাদা মোহের গড়া দালান খানা এখনো আছে আর প্রায় কয়েক হাজার একর জমি। তার পিতা সুতার ব্যবসার জন্য এই বিদেশে স্থায়ী হয়।
অতিশ এখন বড় চাকুরে। সে ভাবে কিছুদিনের ছুটি নিয়ে গিয়ে ঘর বাড়ি মেরামত আর জমিজমার দেখা শুনা আরও দরিদ্র জন গনের জন্য কিছু করবে। এখন সেখানে শুধু কাজের লোক জন থাকে।
সকল কে জানানো হয় ছোট মালিক আসছেন। যদিও দোতালাটা থাকার তেমন উপযোগি নয় ওরা ঠিক করে। নীচ তলায় এখন সব কাজের মানুষ থাকে।
ঐ দূর গাঁয়ে পৌছাতে সন্ধ্যা হয়। কুশল বিনিময় হয়। খাওয়া দাওয়া হয়। নায়েব মশারি লাগিয়ে ঘুমের ব্যবস্থা করে। জানালা দিয়ে ঈশারা করে ওরা বলেছিল একটু দূরে পরিবারের সকলের কবর।
অচেনা পরিবেশ। শক্ত বিছানা। ঘুম আসেনা। অতিশ মশারির ভিতর দিয়ে দেখে ফস করে যেন আগুন দেখা গেল কবরের গা ঘেসে। ভাবলো মনের ভুল। কিন্ত এখন ঘন ঘন হচ্ছে। চাপা গলায় কাউকে ডাকল। সে বললে," বাবু, ওটা আলেয়া বিবি। আপনার পরিবারের মৃত দের দেখা শুনা করে।"
অতিশের ভেতরটা ছম ছম করে উঠলো।
একটু যেন তন্দ্রাচ্ছন্ন এরি মধ্যে তার কানে এলো খুব কাছেই কেউ ফিস ফিস করছে আর হাসছে। এবার লজ্জায় কাঁথাটা মুরি দিয়ে থাকল। হায়ানা কি তা অতিশের কল্পনার বাহিরে।
রাত অতি গভীর। দূরে চেচামেচির হাঁক হচ্ছে। মনে হয় কারা মারামারি আর আর্তনাদ করছে নদীর পাড় ঘেসে। গবি বা বেলে মাছে ডাক তার জানা নেই।
অতিশ ভোরে উঠে শহরের জন্য সবার কাছ থেকে বিদায় নিলো।

Re: মেটে রঙের মাটি

মাথার উপর দিয়ে গেলো neutral

ডিজিটাল বাংলাদেশে ত আর সাক্ষরের নিয়ম চালু নাই।সবটায় দেখি বায়োমেট্রিক।তাই আর সাক্ষর দিতে পারলাম না।দুঃখিত।