টপিকঃ সাধু বাদ

সাধু বাদ
গিনি

এক সাধু আসে।
বয়স ভারে নজ্জু। চিন্তার রেখা ললাটে ছাপা। শুভ্র শস্রু মণ্ডিত, কোনো কালের শুভ্র এখন মলিন বস্ত্র জরানো গায়ে। এক খানা ধাতব ত্রিশুল ডান হস্তে, বাম হস্তে ঘটি দোলা খায়।
দেখে তারে , অলৌকিকে, সবার চক্ষু নিন্ম হয়।
কত কি যে সাধে জনে জনে।
ধীরে চলে তবু না লয়।
ভিক্ষুক এক আসি বলে,
"ঋষি, এ কেমন কথা! সবই করো মানা।
মোর পদ দ্বয় সকলের পীছে পীছে চলে
ফুলে ঢোল।
সহজে মেলে না পানা।"
সাধু অস্পষ্ট শব্দে,
" জগতের ভোজন সকল ছড়ানো, উন্মুক্ত প্রায়।
এর লাগি হাত পাতা স্রষ্টারে নিচু করা ,হায়!
অপরের পীছে না হাটি, হাঁটো ভরা ভাণ্ডারে,
পাবে জীবন রক্ষার রসদ, পাবে প্রভুর কাণ্ডারে।
শুধু যেনো এ খেলা ধৈর্যের,
যত যাবে প্রভুর নিকটে,
সে যাবে তত সরে দূরে।
তাই আজিও আমি পথে পথে,
গভীরে ধ্যানের নিরব রথে।
এই পাই, এই হারাই তারে যথা যথে।"