টপিকঃ সাথী ও শুভ্র আখ্যান

আজকে আমি আপনাদের সাথে একটা  গল্প শেয়ার করছি । এটা আপনাদের সাড়া পাওয়ার উপরে বাকি লিখা নির্ভর করবে ।
দুনিয়াতে কিছু মানুষ অসম্ভব রকমের সাদাসিদে হয় সাথী তাদেরিএকজন। খুব চুপ চাপ, সেই আগের দিনের মেয়েদের মতো। এই সময়ে এমন মেয়ে ভাবাই যায়না। বাবা মার একমাত্র মেয়ে হলেও তার মাঝে কোন অহংকার নেই। তার জীবনের এতোটা সময় সে পার করেছে লেখাপড়ার পিছনেই। কখনো প্রেম ভালবাসা নিয়ে ভাবা বা কথা বলতে দেখা যায়নি তাকে। সব সময় এসব থেকে দুরেই থেকেছে।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত কি থাকতে পেরেছে?? না শুভ্র নামের সেই ডাক্তার ছেলেটার প্রেমে পড়েই যায় সাথী। শুধুই কি প্রেম??? না পাগলের মতো ভালবেসে ফেলে তাকে। সারা টা দিন শুভ্রকেই ভেবে কাটে তার। কিন্তু শুভ্রকি তাকে ভালবাসে??? হয়তো বাসে। খুব অবাক লাগছে হয়তো শুনে তাইনা?? অবাক হওয়ারই কথা। কারন কথা বলা বা দেখা করার আগ্রহ সব সময় সাথীরি থাকতো। কখনওই শুভ্র নিজ থেকে কথা বলেনি দেখা করেনি।সাথী এসব এতোক্ষন জানালার পাশে বসে বসে ভাবছে। আজ যে তার মনটা খুবই খারাপ। কারন সে সকালে শুভ্রর হাসপাতালে গিয়েছিলো দেখা করতে। বসে থাকতে থাকতে তার চোখ লেগে আসে একসময়। এমন সময় শুভ্রর কম্পাউন্ডার এসে বলে ম্যাডাম স্যার ভিতরে যেতে বলেছেন। দাড়াতে গিয়ে সাথী অনুভব করলো তার মাথাটা টলে উঠলো।আজ কাল কেনো যেনো শরীরটা ভাল যাচ্ছেনা। না এখন এসব ভাবার সময় না তাকে যে শুভ্রর সাথে দেখা করতেই হবে। সাথী চায়না শুভ্র সে আসুস্থ সেটা বুঝে যাক। সব চিন্তা ঝেড়ে ফেলে পা বাড়ায় শুভ্রর রুমের দিকে।
সাথী : শুভ্র আসবো???
শুভ্র : হুম।
সাথী জানে এর চেয়ে ভালো কিছু বলবেনা শুভ্র। তারপরও সে বসে। দুজনই চুপ। সাথীই আগে কথা বললে
সাথী : শুভ্র?
হুম
সাথী :কেমন আছো??
হুম ভালো।
একটা কথা বলবো রাখবে শুভ্র??
হুম বলো।
খুব ইচ্ছে করছে তোমার বুকে মাথা রাখতে, দিবে রাখতে???
শুভ্র : সাথী!!
প্লিজ এখানে ত কেউ নেই। আর কখনওই চাইবো না।
শুভ্র : তুমি কি পাগল হয়ে গেছো, না কি বাচ্চাই আছো? পাগলামি মানায় না তোমার। যাও এখন।
সাথী কে একবার শুভ্রই বলেছিলো কাজলে তোমায় আরো মায়াবী লাগে। সেই থেকে বাচ্চাদের মতো কাজল মাখে। আজও দিয়েছিলো। শুভ্রর এমন আচরনে সাথীর চোখে জল জমতে শুরু করে। সাথীর জন্য এটা খুব অসস্থিকর ব্যাপার।সে চায়না শুভ্রর সামনে কাঁদতে।
শুভ্র : সাথী???
সাথী : হুম বলো।
শুভ্র : এসো আমিও বাসায় চলে যাবো। তোমাকে নামিয়ে দিয়ে যাবো।
সাথী : আচ্ছা।
সে আর কিছু বলতে পারছেনা। ইদানীং কেনো জানি এমন হয়। সাথী ভাবে আচ্ছা আমি কি এখনো বালিকাই রয়ে গেছি?? কিন্তু তা কি করে হয় তার বয়সতো ২১ চলছে!!!
সাথী মাথা নিচু করে শুভ্রর পিছু পিছু বাইরে আসে। তার মন চাইছে কিছু টা সময় শুভ্রর সাথে পাশাপাশি হাটতে। কিন্তু এটা সম্ভব না জানে সে। তারপরও পাগলী মনটা কে মানানো যায়না।
সাথী কিছুক্ষণ আগের কথা গুলি ভুলে আবার শুভ্র কে ডাকে।
সাথী :শুভ্র,,,
শুভ্র :হুম।
সাথী :প্রতিদিন ত গাড়ি করেই বাসায় যাও। বাসাও কাছেই তোমার কি কখনো হাটতে ইচ্ছে করেনা???
শুভ্র : আজ কি হয়েছে তোমার???
সাথী : না না কিছুনা। আচ্ছা তুমি যাও।আমি হেটেই চলে যাবো।
শুভ্র কিছুক্ষণ সাথীর দিকে তাকিয়ে থাকে। তার পর এক সময় ড্রাইভার কে বলে তুমি গাড়ি নিয়ে বাসায় যাও। আমি পরে আসছি। তারপর পা বাড়ায় সামনের দিকে সাথে সাথীও,,,,,,,,,,,,,,,।


এরকম আরও সুন্দর সুন্দর গল্প  পেতে ভিজিট করুন   এখানে

Re: সাথী ও শুভ্র আখ্যান

গল্পটা আমার জীবনের সাথে অনেকটা মিল পায়।সেই মায়াবী কাজল,ডাক্তার.... smile
যাই হোক,ভালো লিখেছেন smile ফোরামে আপনাকে স্বাগতম hug

ডিজিটাল বাংলাদেশে ত আর সাক্ষরের নিয়ম চালু নাই।সবটায় দেখি বায়োমেট্রিক।তাই আর সাক্ষর দিতে পারলাম না।দুঃখিত।