টপিকঃ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষ হত্যা কাম্য নয়

অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় বিজ্ঞান ও আধুনিকতার জয়যাত্রার কালে দেশকে উল্টো দিকে পরিচালিত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে একটি দল। শান্তির ধর্ম ইসলামের নামে মানবহত্যা শুরু হয়েছে। ধর্মের নামে মহা অধর্মের নবপর্যায়ের সূচনা জাতি প্রত্যক্ষ করেছে। স্বধর্মী হোক বা বিধর্মী হোক, ইসলাম কখনও ধর্মের নামে কোন ধর্মের অনুসারীকে হত্যার কথা বলে না। অথচ ধর্মের নামে নির্বিচারে নারী-পুরুষ হত্যার পরিকল্পনা আঁটছে জঙ্গীরা। ইসলাম ধর্মের নামে যারা মানুষ হত্যা করছে তারা ইসলামকেই হেয় করছে। তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।  দেশে পবিত্র ইসলাম ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে জঙ্গীবাদের সৃষ্টি করা হচ্ছে। অল্পবয়সী ছাত্রদের এই মানবধ্বংসী পথে টেনে আনা হচ্ছে ধর্মকে পুঁজি করে। আর এটা করছে ধর্মব্যবসায়ীরা তথা ধর্মভিত্তিক রাজনীতির ধ্বজাধারীরা। বহু ধর্মভীরু মুসল্লিকেও তারা বিভ্রান্ত করছে। ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের বহু ধর্মভীরু মানুষ ধর্মের দোহাই দিয়ে সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তেমনভাবে সোচ্চার হন না। অথচ ইসলাম শান্তির ধর্ম, এখানে জঙ্গীবাদের বিন্দুমাত্র স্থান নেই। ধর্মের দোহাই দিয়ে নিরীহ মানুষ হত্যার মধ্য দিয়ে যারা ধর্মকে কলুষিত করছে তাদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতায় এক্ষেত্রে লক্ষ্যযোগ্য সাফল্য এসেছে। সরকার বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী শুধু এ ব্যাপারে ভুমিকা রাখবে তা নয়, সমাজেরও কিছু দায়িত্ব রয়েছে। সমাজের কাজ সমাজকেই করতে হবে। জঙ্গী সৃষ্টি রোধের জন্য যেমন সমাজের শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষকে সতর্ক ও সচেতন হয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ নিতে হবে, তেমনি যেখানেই ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি পরিলক্ষিত হবে, সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।