টপিকঃ টোল আদায়ে চালু হচ্ছে ‘টাচ অ্যান্ড গো’ প্রযুক্তি

বর্তমানে বাংলাদেশে এরূপ প্রতিষ্ঠান খুঁজে পাওয়া যাবেনা যেখানে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির ছোঁয়া পৌঁছায়নি। অনেক আগ থেকেই সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোকে যুগ-উপযোগী করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। এরই ধারাবাহিকতায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বিদ্যমান টোল আদায় পদ্ধতির পাশাপাশি দ্রুতগতিতে টোল আদায়ের জন্য টোল প্লাজায় চালু হতে যাচ্ছে ডিজিটাল ‘টাচ অ্যান্ড গো’ প্রযুক্তি। ডিজিটাল কার্ড, টাচ অ্যান্ড গো-সংশ্লিষ্ট মেশিনে স্পর্শ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টোল পরিশোধ হয়ে যাবে। এতে সময় কম লাগার পাশাপাশি টোল ব্যবস্থা আরো স্বচ্ছ ও শতভাগ টোল আদায় নিশ্চিত হবে। এক্ষেত্রে আগে থেকেই কার্ড বিক্রির ব্যাবস্থা করবে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়। থাকবে কার্ড রিচার্জের ব্যবস্থাও। তবে শতভাগ গাড়ি স্মার্টকার্ড ব্যবহার নাও থাকতে পারে। তাই বিদ্যমান ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে টোল আদায় ব্যবস্থাও বহাল রাখা হবে। এজন্য দুই ধরনের পৃথক টোল বুথ থাকবে।

গত ১৮ ই মার্চ, ১৯৯৭ তারিখ, মালয়েশিয়ার Jalan Pahang Toll Plaza প্রথম ‘টাচ অ্যান্ড গো’ সিস্টেম ইনস্টল ও ব্যবহার করেছিল। নতুন এই প্রযুক্তিটি প্রথম যখন চালু করা হয়েছিল, তখন ‘টাচ অ্যান্ড গো’ কার্ড ব্যবহারে উৎসাহিত করার জন্য টোলের সাধারন চার্জ থেকে ১০% ডিসকাউন্ট সুবিধা প্রদান করা হয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে এই টোল পরিশোধের ডিজিটাল পদ্ধতি চালু হলে গ্রাহকদের জন্য আকর্শনীয় সুযোগ-সুবিধা থাকবে বলে আশা করা যাচ্ছে। এক সময় বিশ্বে বাংলাদেশের পরিচিতি ছিল প্রাকৃতিক দুর্যোগপূর্ণ অর্ধাহার অনাহার কবলিত বিধ্বস্ত অর্থনৈতিক কাঠামোর একটি দরিদ্র দেশ আর এখন বাংলাদেশের বর্তমান সাফল্য দেখে বিশ্ববাসী বিস্মিত হচ্ছে। বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে দেশের চলমান উন্নয়ন প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে সুষম গতিতে। টোল আদায়ের এই ডিজিটাল ‘টাচ অ্যান্ড গো’ প্রযুক্তি চালু হলে সড়ক পরিবহনের ভোগান্তি অনেকাংশে লাগব হবে বলে আশা করা যায়।