সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ShiningBD (০৮-০৬-২০১৭ ১৭:৪২)

টপিকঃ ইন্টারনেট এর দুনিয়াঃ অনলাইন জগতের হাতছানি

ইন্টারনেট এর দুনিয়াঃ অনলাইন জগতের হাতছানি!
লেখকঃ সালাউদ্দিন ব্যাপারী

ইবুকঃ প্রকাশনায়ঃ এখানে ক্লিক করুন

==========================================

https://2.bp.blogspot.com/-6JkynvPATFU/WTVUXrsPGAI/AAAAAAAAHyY/poIwP9hCJnILKM_9DqOmqAopOTer8UG_ACLcB/s200/Online%2BInvitation.png

পৃথিবী তো আগে একটা ছিল, এখন নাকি দুইটা! একটা আমাদের চির চেনা পরিচিত জগত অফলাইন জগত। যেখানে, আমরা কোন বস্তু দেখা এবং ওই বস্তুর অস্তিত্ব সরাসরি অনুধাবন করতে পারি।

অন্যদিকে, বর্তমানে প্রযুক্তির কল্যাণে ফেসবুক, গুগোল, ইয়াহু, জিমেইল, টুইটার, ওয়িকিপিডিয়া প্রভৃতির সমন্বয়ে বর্ধমান রয়েছে আমাদের নতুন জগত ইন্টারনেট জগত তথা অনলাইন জগত যেখানে, দেখা যায় গ্রাফিক্স, এনিমেশন এর অহরহ সমাহার।
অন্যদিকে, অনলাইন জগতে আবেগ-অনুভূতি স্থানান্তরিত হয় টেক্সট, ইমোটিকন, স্মাইলি, ছবি ও ভিডিও এর সহায়তায়!

আমি সাধ্যমতো চেষ্টা করবে, যেন আপনাদেরকে(যারা ইন্টারনেট এ নতুন) নিয়ে ইন্টারনেট এর কিছু প্রয়োজনীয় এলাকায় ট্যুর এর ব্যাবস্থা করতে। এই ট্যুর এর সাহায্যে, ইনফরমেশন এ সমৃদ্ধ, ছবি তথা গ্রাফিক্স এর সহায়তায় ইন্টারনেট এর বিভিন্ন ব্যবহার তুলে ধরা হবে।

যারা ইন্টারনেট এ একদম নতুন, তাদেরকে স্বল্প সময়ে প্রয়োজনীয় কিছু(অন্তত কিছু!) দিক নির্দেশনা দেয়া এই লেখাটির উদ্দেশ্য। ব্লগিং এ যাত্রা শুরু করতে হলে, আপনার ইন্টারনেট সম্পর্কে জ্ঞান থাকাটা ভালো।

তো চলুন শুরু করা যাক!


কম্পিউটার নিয়ে কিছু কথাঃ
আপনার স্যামনে এই মুহূর্তে যে কম্পিউটারটা আছে, দেখতে নিশ্চয়ই অনেক সুন্দর এবং কাজে ও বেশ পারদর্শী! তাই না? এই কম্পিউটার কিন্তু অনেক বছরের(প্রায় শতাব্দী), অনেক মানুষের পরিশ্রম, মেধা ও আইডিয়া উদ্ভাবন এই তিনের সমন্বয়ের ফসল যেখানে, বিজ্ঞান এই তিনটিকে কাজে লাগিয়ে আমাদের উপহার দিয়েছে, বর্তমানের সুন্দর সুন্দর কম্পিউটারগুলো।

আপনি জানেন কি?
কম্পিউটার কাজ করে বিদ্যুৎ শক্তির সাহায্যে বিদ্যুৎ গতিতে। এজন্য, এর গতিও দুরন্ত।

কম্পিউটারের আবিস্কারঃ চার্লস ব্যাবেজ নামে এক বিজ্ঞানী ছিলেন, যিনি সর্বপ্রথম আধুনিক কম্পিউটার এর আদলে একটি যন্ত্রের কথা ভাবেন।

কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রপাতির আপডেট এবং সফটওয়্যার আপডেট এসেছে একেক সময় একেক প্রজন্মে। এইসব প্রজন্মকে বলা হয়, কম্পিউটার প্রজন্ম।

কম্পিউটার এ রয়েছে বিভিন্ন সার্কিট ও  যন্ত্রপাতির সমাহার। এসব যন্ত্রপাতির মধ্যে কিছু রয়েছে ইনপুট ডিভাইস যেগুলোর সাহায্যে কোন তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য কম্পিউটারকে নির্দেশ দেয়া যায়।

যেমন, মাউস এর সাহায্যে আমরা ওয়িনডোজ মিডিয়া প্লেয়ারে একটি গান ওপেন করলাম।

আসলে, মাউস এর সাহায্যে আমরা কম্পিউটারকে/ কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমকে গানটি ওপেন করার নির্দেশ দিলাম এবং কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম আমাদের নির্দেশমোতাবেক গানটি নির্দিষ্ট সফটওয়্যার এর সাহায্যে ওপেন করলো।

অন্যদিকে, বিষয়টি আমরা দেখলাম কোথায়?

দেখলাম আমাদের কম্পিউটারের মনিটরের সাহায্যে যা আমাদের আউটপুট প্রদান করলো।
সুতরাং, মাউস, কিবোর্ড ইত্যাদি আমাদের ইনপুট ডিভাইস।
অন্যদিকে, প্রিন্টার, মনিটর ইত্যাদি আমাদের আউটপুট ডিভাইস।



ইন্টারনেট এর কথাঃ
ইন্টারনেট কে তুলনা করা হয় একটি ঘরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মাকড়শার জালের সাথে।
পৃথিবী বিস্তৃত নানা নেটওয়ার্ক এর সংযোগে গঠিত বিশালাকার নেটওয়ার্ক ই মূলত ইন্টারনেট।

১৯৬৯ সালে মূলত ইন্টারনেট এর যাত্রা শুরু হয় যুক্তরাষ্ট্রের লস এঞ্জেলস এর UCLA ল্যাবরেটরিতে আরপানেট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে।

বর্তমানে নানা ধাপ, পরিধাপ পেরিয়ে ইন্টারনেট এখন বিশালাকার জগতে পরিণত হয়েছে।
এই যে বিশাল তথ্যভাণ্ডার এর ওজন নাকি একটা স্টবেরি ফলের ওজনের সমান! বিশ্বাস হয়!!!


ইন্টারনেট এর সাহায্যে আজকাল যা হচ্ছেঃ
ইন্টারনেট হচ্ছে বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির সর্বশেষ ফসল যা দিন দিন সমৃদ্ধ হচ্ছে পৃথিবীর নানা দিক থেকে নানা ধরণের মানুষের সহায়তায়।

ইন্টারনেট এর দ্বারা মানুষ...
১। প্রয়োজনীয় তথ্যের সন্ধান পাচ্ছে।
২। আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে বৈদেশিক অর্থ দেশ নিয়ে আসতে পারছে।
৩। বেকারত্ব হ্রাসে অবদান রাখছে।
৪। স্বশিক্ষিত হবার সুযোগ পাচ্ছে।
৫। দেশ বিদেশের নানা খবরাখবর নিমিষেই পেয়ে যাচ্ছে।
৬। কমিউনিকেশনে প্রচুর সুবিধা পাচ্ছে।
৭। জ্ঞান-বিজ্ঞান চর্চায় সহায়তা পাচ্ছে।

সবকিছুরই পজিটিভ এবং নেগেটিভ ইফেক্ট থাকে। কোনটির কম থাকে অথবা বেশি মাত্রায় থাকে।

ইন্টারনেট একটি বড় ধরণের ব্যাপার যা সারা পৃথিবী বিস্তৃত অসংখ্য নেটওয়ার্ক এর সমন্বয়ে গঠিত।

এখানে অনেক কিছুই পাওয়া যায় বা করা যায় যা ব্যবহারকারীর জন্য ভালো অথবা মন্দ উভয়ই হতে পারে।

এক্ষেত্রে, বিষয়টা একটি কাঁচের বোতলে মধু এবং মদ রাখার মতো। বোতলে যখন মধু থাকে, তখন এটি সবার নিকটই গ্রহণযোগ্য। অন্যদিকে, ওই বোতলেই যখন মদ থাকে, তা সর্বজন দ্বারা পরিত্যাজ্য হয়ে যায়।

ঠিক তেমনি, ইন্টারনেট হল বর্তমান বিজ্ঞানের আশীর্বাদ যদি এর কাম্য ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়।

অন্যদিকে, স্প্যামিং, সেক্সুয়াল কন্টেন্ট ইউজ, হ্যাকিং প্রভৃতির নেগেটিভ ইফেক্ট এর কারনে এর ক্ষতিকর দিকগুলোও রয়েছে। এগুলোর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে নিজ দায়িত্বে দূরে থাকতে হবে। সিকিউরিটি আপটুডেট রাখতে হবে।

ইন্টারনেটকে কল্যাণের কাজে ব্যবহার করতে পারলে, ইন্টারনেট ব্যবহার সার্থক বলে ধরে নেয়া যায়।

ডাউনলোড লিঙ্কঃ
http://www.mediafire.com/file/8m2nx1qk6 … %A6%BF.pdf

হবার আগে সবাই পর
সময় থাকতে সাধন কর
Bangla Books PDF