টপিকঃ বরুণ ফুল

ফুলের নাম : বরুণ, বালাই, লামক, অবিয়ুচ, বর্না, বিদাসি।
বোজ্ঞানিক নাম : Crateva Religiosa
ইংরেজী নাম : Sacred Garlic Pear, Temple Plant
ছবি তোলার স্থান : কিশোরগঞ্জ।
তারিখ : ২৪/২/২০১৭ ইং
ক্যামেরা : Nikon D80

https://c1.staticflickr.com/4/3870/33359448516_8ea29aeeaf_c.jpg

বরুণ একটি ফুল গাছের নাম, যদিও বরুণকে কেউ যত্ন করে লাগায় না।
বরুণ জাপান, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং কতিপয় দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপপুঞ্জের স্থানীয় গাছ। আফ্রিকা মহাদেশের বিভিন্ন অংশে বরুণকে ফলের জন্য চাষ করা হয়। আমি যতদূর জানি এর ফল বিষাক্ত।

বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে বরুণ গাছ আগে হরহামেশাই দেখ মিললেও এখন অনেকটাই কমে গেছে। ৩৫ থেকে ৫০ ফুট উঁচু হতে দেখা যায় পত্রমোচী এই বরণ গাছকে। ৩টি পাতার যৌগিকপত্র উপরে চকচকে, নিচে ফ্যাঁকাসে। অতীতে বাংলাদেশে ফল পাকাতে বরুণ গাছের পাতা ব্যবহার করা হত। বর্তমাণে বরুণ পাতার যায়গা নিয়েছে ক্ষতিকারক ক্যামিকেল।

https://c1.staticflickr.com/1/731/33359448906_4ffc8911c9_c.jpg

বরুণ গাছে বসন্তে নতুন পাতার পরে গ্রীষ্মের শুরুতে বড় বড় থোকা থোকা সাদা ফুল ফোটে। বোঁটা ৩ থেকে ৫ সেমি লম্বা। বরুণের ৫টি মুক্ত পাপড়ি থাকে। পরে অনেকটা কতবেলের মত দেখতে গোলাকার ফল হয়। ফল শক্ত ও শাঁসাল হয।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

Re: বরুণ ফুল

ধন্যবাদ।
প্রকৃতির সাথে বিস্তারিতভাবে পরিচিত করানোর প্রয়াস প্রশংসার দাবী রাখে।

মরুভূমির জলদস্যু লিখেছেন:

আফ্রিকা মহাদেশের বিভিন্ন অংশে বরুণকে ফলের জন্য চাষ করা হয়। আমি যতদূর জানি এর ফল বিষাক্ত।

... অতীতে বাংলাদেশে ফল পাকাতে বরুণ গাছের পাতা ব্যবহার করা হত। বর্তমাণে বরুণ পাতার যায়গা নিয়েছে ক্ষতিকারক ক্যামিকেল।

তথ্যগুলো যথেষ্ট কৌতুহলোদ্দীপক। আফ্রিকাতে এই ফল দিয়ে তাহলে কী করে? কিংবা হতে পারে ভিন্ন পরিবেশে ফলের প্রজাতি/ভ্যারাইটি আলাদা - দেশের টক তেঁতুল (আসল তেঁতুল, হুজুরের তেঁতুল নহে) আর থাইল্যান্ডের মিষ্টি তেঁতুল যেমন ভিন্ন প্রজাতির।

ফল পাকানোর বিষয়টা বেশ ভাল। কী বা কোন কোন উপাদানের উপস্থিতিতে এই বিষয়টা ত্বরান্বিত হয় সে সম্পর্কে কি সহজে কিছু জানা যায়?

পরিবেশ প্রকৌশলী'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: বরুণ ফুল

পরিবেশ প্রকৌশলী লিখেছেন:

ধন্যবাদ।
প্রকৃতির সাথে বিস্তারিতভাবে পরিচিত করানোর প্রয়াস প্রশংসার দাবী রাখে।

মরুভূমির জলদস্যু লিখেছেন:

আফ্রিকা মহাদেশের বিভিন্ন অংশে বরুণকে ফলের জন্য চাষ করা হয়। আমি যতদূর জানি এর ফল বিষাক্ত।

... অতীতে বাংলাদেশে ফল পাকাতে বরুণ গাছের পাতা ব্যবহার করা হত। বর্তমাণে বরুণ পাতার যায়গা নিয়েছে ক্ষতিকারক ক্যামিকেল।

তথ্যগুলো যথেষ্ট কৌতুহলোদ্দীপক। আফ্রিকাতে এই ফল দিয়ে তাহলে কী করে? কিংবা হতে পারে ভিন্ন পরিবেশে ফলের প্রজাতি/ভ্যারাইটি আলাদা - দেশের টক তেঁতুল (আসল তেঁতুল, হুজুরের তেঁতুল নহে) আর থাইল্যান্ডের মিষ্টি তেঁতুল যেমন ভিন্ন প্রজাতির।

ফল পাকানোর বিষয়টা বেশ ভাল। কী বা কোন কোন উপাদানের উপস্থিতিতে এই বিষয়টা ত্বরান্বিত হয় সে সম্পর্কে কি সহজে কিছু জানা যায়?

ফলের প্রজাতির বিষয়টা আসলেই মাথায় আসেনি, হতে পারে। তবে আমার মনে হয় ফল একই রকম। হয়তো ফল থেকে কোনো প্রকার সার বা কিটনাশক তৈরি করা যেতে পারে।  thinking

ফল পাকানোর বিষয়ে উপাদানের গুরুত্বটা আমার জানা নেই তবে অনেক কিছুই দেখেছি ব্যবহার করতে।
কদিন আগে আমার একটা কলাগাছে কিছু কলা হয়েছিল জয়দেবপুরে। ফেরার সময় ছোট্ট সেই ছড়িটা কেটে দিয়ে দিয়েছিলো আমাকে। বাড়িতে এনে সপ্তাহ খানেক পরেও না পাকতে দেখে আমার শ্বশুর মশাই প্রতুটা কলাতে হালকা করে চুনের ছোয়া লাগিয়ে দিতেই পরদিন থেকে পাকা শুরু হয়ে যায়।  love
কঠাল পাকাতেও চুনে ব্যবহার দেখেছি, তুতের ব্যবহারও করতে দেখেছি কাঠাল পাকাতে।  dream
কিন্তু এগুলির ব্যবহারে কি কারণে ফল পাকে তা আমার জানা নাই।  isee

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

Re: বরুণ ফুল

বক ফুল নিয়ে লেখুন  thumbs_up

  “যাবৎ জীবেৎ সুখং জীবেৎ, ঋণং কৃত্ত্বা ঘৃতং পিবেৎ যদ্দিন বাচো সুখে বাচো, ঋণ কইরা হইলেও ঘি খাও.

Re: বরুণ ফুল

সমালোচক লিখেছেন:

বক ফুল নিয়ে লেখুন  thumbs_up

মনে রইলো সমালোচক ভাই।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

Re: বরুণ ফুল

এই গাছ চোখে পড়েছে তবে নাম জানা ছিলনা।

IMDb; Phone: Huawei Y9 (2018); PC: Windows 10 Pro 64-bit

Re: বরুণ ফুল

বোরহান লিখেছেন:

এই গাছ চোখে পড়েছে তবে নাম জানা ছিলনা।

এখন জানা রইলো

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।