টপিকঃ ‘উন্নয়ন মেলায়’ ঘোষণা হচ্ছে আরও ১০ উন্নয়নের উদ্যোগ

আজ থেকে শুরু হয়েছে ‘উন্নয়ন মেলা-২০১৭’। বর্তমান সরকারের উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী এ মেলা জাতীয় শিল্পকলা একাডেমি মাঠে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২০০৯ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত দেশের উন্নয়ন হয়েছে অনেক। সবাই এই উন্নয়নের অংশ। এই অর্জন সবার। এই উন্নয়নকে তুলে ধরতে আয়োজন করা হচ্ছে উন্নয়ন মেলা। তিন দিনব্যাপী মেলায় থাকবে আলোচনা সভা। তাছাড়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমেও দেশের মুক্তিযুদ্ধ ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের নানা দিক তুলে ধরা হচ্ছে। মেলা চলাকালীন প্রত্যেকদিন বিকেলে দেশবরেণ্য শিল্পী কলাকুশলীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশন করা হবে।  আয়োজন করা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক কুইজ , আলোচনা, বিতর্ক ও রচনা প্রতিযোগিতা। সব মানুষের উন্নয়ন’ এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে ২০২১ সালের মধ্যে ‘ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ’এবং ২০৪১ সালের মধ্যে ‘উন্নত বাংলাদেশ’গঠনে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম জনসাধারণের সামনে তুলে ধরা হচ্ছে এ মেলায়। এছাড়াও এই মেলায় দেশের সকল মন্ত্রণালয়, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, পুলিশ, আনসারসহ অন্যান্য আইনশৃংখলাবাহিনীর পৃথক পৃথক স্টল থাকছে। মেলা উপলক্ষ্যে মোট ৭৯টি স্টল তৈরি করা হয়েছে। সব সরকারি, আধাসরকারি ও বেসরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে মেলায় আগত লোকদের সামনে তাদের নিজ নিজ সংস্থার উন্নয়ন কার্যক্রম তুলে ধরছে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর সেবাসমূহ মেলাস্থল থেকে সরাসরি প্রদান করা হবে। গত ১২ বছরের অগ্রগতি ও উন্নয়ন চিত্র এতে তুলে ধরা হচ্ছে। এই মেলার সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হচ্ছে এই মেলায় ঘোষিত হচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষে ১০টি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের ঘোষণা। ১০টি বিশেষ উদ্যোগ হচ্ছে, একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প, আশ্রয়ণ প্রকল্প, ডিজিটাল বাংলাদেশ, শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি, নারীর ক্ষমতায়ন কর্মসূচি, সবার জন্য বিদ্যুৎ, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, কমিউনিটি ক্লিনিক ও মানসিক স্বাস্থ্য, বিনিয়োগ উন্নয়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণ। এই ১০টি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের ঘোষণার মাধ্যমে বর্তমান সরকার দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে আরও অনেক দূর।