টপিকঃ ১০৪ গার্মেন্টসের সঙ্গে সম্পর্ক স্থগিত করল অ্যালায়েন্স

অ্যালায়েন্স ফর বাংলাদেশ ওয়ার্কার সেফটি সংস্কার কাজে অগ্রগতি প্রদর্শনে ব্যর্থ হওয়ায় আরও সাতটি গার্মেন্টস কারখানার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত করেছে। এই সাতটির মধ্যে পাঁচটি কারখানা তালাবদ্ধ বহির্গমন পথ অপসারণে ব্যর্থ হয়েছিল। এই সাতটিসহ অ্যালায়েন্স এ পর্যন্ত মোট ১০৪টি কারখানার সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক স্থগিত করল।

এদিকে ২০১৮ সালের জুন মাসের মধ্যে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানার সংস্কার কাজ সম্পন্ন করার কথা। কিন্তু এই সময়ের মধ্যে সংস্কার কাজ শেষ না হলে বাকি কাজ কীভাবে সম্পন্ন হবে এবং সে কাজের কর্মপন্থা কী হবে-সে বিষয়ে গতকাল বিজিএমইএ কার্যালয়ে বৈঠক করেন অ্যালায়েন্সের এ দেশীয় পরিচালক জেমস এফ মরিয়ার্টি।

বৈঠক সম্পর্কে তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির সহ-সভাপতি মাহমুদ হাসান খান বাবু বলেন, এই বৈঠকে মূলত অ্যালায়েন্স গার্মেন্টস কারখানার সংস্কার কাজের অগ্রগতি প্রতিবেদন জানাতে এসেছিলেন জেমস এফ মরিয়ার্টি। তবে বৈঠকে বেশি গুরুত্ব পেয়েছে ২০১৮ সালের জুন-পরবর্তী সংস্কার কার্যক্রমের কর্মপন্থার বিষয়টি।

তিনি বলেন, এখন অ্যাকর্ড অ্যালায়েন্স এবং সরকার গঠিত ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যানের অধীনে গার্মেন্টস কারখানার সংস্কার কাজ চলছে। চলমান এই সংস্কার কার্যক্রম শেষ হওয়ার কথা ২০১৮ সালের জুনের মধ্যে। কিন্তু সে সময়ের মধ্যে শেষ না হলে ২০১৮ সালের জুলাই থেকে সংস্কার কাজের প্লাটফর্ম কী হবে তা নিয়ে আমরা সবাই চিন্তিত।
তিনি বলেন, বৈঠকে আমরা বিজিএমইএ’র মনোভাব জানিয়েছি। আমরা বলেছি, ২০১৮ সালের জুলাই থেকে গার্মেন্টস কারখানার সংস্কার কাজ একটি মাত্র প্লাটফর্মের মাধ্যমে হতে হবে। যে প্লাটফর্মে থাকবে ক্রেতা, সরকার, আইএলও, বিজিএমইএ, বিকেএমইএ এবং শ্রমিক ফেডারেশনের প্রতিনিধিত্ব। একটি প্লাটফর্মে সংস্কার কাজ করা হলে গার্মেন্টস মালিকদের ঝামেলা কম হবে।

মাহমুদ হাসান খান আরও বলেন, এটা আমাদের প্রাথমিক আলোচনা। বিজিএমইএ’র বোর্ড মিটিংয়ে বিষয়টি নিয়ে সদস্যদের মতামত জানতে চাওয়া হবে।

http://banglaapparel.com/bn/news/2016-1 … 64.bn.html

Re: ১০৪ গার্মেন্টসের সঙ্গে সম্পর্ক স্থগিত করল অ্যালায়েন্স

বলেন কি মাথা খারাপ হবার মত কথা