টপিকঃ আয় বাড়াতে ঢাকার দুই সিটি মেয়রের আবদার

তারা ধরেছে আবদার
আমাদের মরতে হবে আবার
সরকারি কর্মচারিদের ১২৮% বেতন বাড়ার পরপরই বাড়ারে সবকিছুর দাম বেড়ে গেছে অস্বাভাবিক ভাবে,
মানুষ এখন ২ বেলার ভাত জোগাড় করতে হিমষিম খাচ্ছে, শুধু জিনিস পত্রের দাম নয়
বেড়েছে বাড়ি ভাড়া, গাড়ি ভাড়া, স্কুলের বেতন, গ্যাস বিদ্যুৎ পানি সহ সব কিছু
তার উপর যদি তাদের আবদার রক্ষা করা হয় তেব জিনিস পত্রের দামের অবস্থা কি হারে বাড়বে? thinking thinking thinking

সিটি করপোরেশনের আয় বাড়াতে রাজধানীতে আসা ও উৎপাদিত ভোগ্য পণ্যর উপর কর বসানোর আবদার করেছে ঢাকার দুই মেয়র। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড(এনবিআর) এর চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করে এই আবদার জানিয়েছেন ঢাকার দুই সিটি মেয়র আনিসুল হক ও সাঈদ খোকন।

বুধবার তারা এনবিআরের কাছে ভোগ্য পণ্যর উপর উপকর বসাতে অনুমোদন দিতে সহযোগিতা চেয়েছেন। অবশ্য এনবিআর এখনো এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত দেয়নি।

জানা গেছে, রাজধানী ঢাকায় ভোগের জন্য কোনো পণ্য আমদানি করলে এবং রাজধানীতে উৎপাদিত কোনো পণ্য রপ্তানি করলে নির্দিষ্ট হারে কর দিতে হবে দুই সিটি করপোরেশনকে। এই কর উপকর হিসেবে বিবেচিত হবে। সিটি করপোরেশনের আয় বাড়াতে এই উপকর বসাতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের(এনবিআরের) অনুমোদন চেয়েছেন দুই মেয়র।

জানা গেছে, এই প্রস্তাব মতে রাজধানীতে প্রবেশকারি ও উৎপাদিত হওয়া ভোগ্য পণ্যর উপর সরকারি করের বাইরে অতিরিক্তভাবে দুই সিটি করপোরেশনকেও কর দিতে হবে ব্যবসায়ীদের।

এ বিষয়ে দুই মেয়র যুক্তি দেখিয়েছেন, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইনের আওতায় এ ধরনের কর নেওয়ার সুযোগ আছে। এ সময় দু’জনেই আইনের কোন ধারায় এ ধরনের কর নেওয়ার সুযোগ আছে, তা তুলে ধরেন।

২০০৯ সালের স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইনের ৮২ ধারায় করপোরেশনকে ২৬টি খাতে কর, উপকর, রেট টোল ও মাশুল আরোপের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এ ধারা অনুযায়ী, নগরীতে ভোগ, ব্যবহার বা বিক্রির জন্য পণ্য আমদানির ওপর কর আরোপ করতে পারবে করপোরেশন। নগরে উৎপাদিত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রেও কর বসাতে পারবে। এ ছাড়া সরকার কর্তৃক আরোপিত করের ওপর উপকর বসানোর ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে।

নগরে পণ্য আমদানি বলতে বিদেশ থেকে পণ্য আমদানি, নাকি সিটি করপোরেশন এলাকার বাইরে থেকে পণ্য আনা বুঝাবে আইনে পরিষ্কার করা হয়নি।

এ বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক বলেন, নাগরিকদের যথাযথ সেবা দিতে এখন বাড়তি অর্থ প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। তাই কোথায় কোথায় রাজস্ব আদায়ের সুযোগ আছে, তা খুঁজতে হচ্ছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেন, এ শহরের জন্য ভোগ্যপণ্য আমদানি করলে কিংবা এ শহর থেকে পণ্য রপ্তানি করলে যে রাজস্ব আদায় হবে, তা নগরবাসীর জন্য খরচ করা হবে।

অথচ তিন মাস পূর্বে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন বলেছিলেন, টাকার কোনো অভাব নেই। টাকার জন্য উন্নয়ন থেমে থাকবে না।

মেয়র হিসেবে মেয়াদের ১ বছর পূর্তি উপলক্ষে গত ১৬ মে হোটেল সোনারগাঁও এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। এক বছরে ফিরে দেখা এগিয়ে যাচ্ছে দক্ষিণ ঢাকা শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে মেয়র সাঈদ খোকান বলেছিলেন, টাকার কোনো অভাব নেই, উন্নয়ন থেমে থাকবে না। ঢাকা দক্ষিণ সিটির উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে প্রধানমন্ত্রী আমাকে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। এত কাজ কত দিনে করব, সেটাই এখন ঠিক করতে পারছি না।

এর তিন মাসের মধ্যে সেই মেয়র সিটি করপোরেশনের আয় বাড়াতে উপকর বসানোর প্রস্তাব দিয়েছেন এনবিআরের কাছে।

http://www.sheershanewsbd.com/2016/08/03/137270

Re: আয় বাড়াতে ঢাকার দুই সিটি মেয়রের আবদার

ট্যাক্স কি আরো বাড়ার সম্ভাবনা ?

"We want Justice for Adnan Tasin"