সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন রুপকথা (২৯-০৩-২০১৬ ১২:৪৬)

টপিকঃ সোহাগী জাহান তনু ধর্ষণ কে কেন্দ্র করে সারা দেশে তোলপার

প্রতিদিনের পত্রিকা খুললেই চোখে পড়ে ধর্ষন, ধর্ষন আর ধর্ষনের খবর, এমন একদিনের খবরও পাওয়া যাবে না যেখানে ধর্ষনের খবর নেই, ১৯৭১ সালে পাক সেনা আর রাজাকাররা আমার মা বোনদেরকে ধর্ষন করেছে কিন্ত এখন তোপাক সেনারা নেই তথাকি কে ও কেন এই ধর্ষন?

বর্বর ধর্ষকরা খুন করলো আমাদেরই এক বোনকে, আজও ধরা পড়লো না কেহ, আদৌ ধরা পড়বে কিনা? ধরা না পড়ার কারনে ধর্ষকরা অনুপ্রানিত হবে আরেকটি অপকর্ম করার,

সোহাগী জাহান তনু ধর্ষণ কে কেন্দ্র করে সারা দেশে তোলপার, গনজাগরন থেকে শুরু করে সবাই আন্দোলন করে , মানববন্ধন করে তাতে কি ধর্ষকরা ধরা ছোয়ার বাহিরে

অনেকদিন আগে আমাদের আরেক বোন ইয়াসমিন একই ভাবে ধর্ষিত ও খুন হয়েছিলো দিনাজপুরে, সেই সময়ে তখনকার বিরোধীদল আওয়ামীলীগ এই ইয়াসমিনের লাশের ছবি নিয়ে পুরো দেশে পোস্ট লাগিয়ে সেরই সময়ের সরকারের পদত্যাগ দাবি করেছিলো, তা দিয়ে কিলাভ, ধর্ষকরা কি বন্ধ করেছে ধর্ষন, নাকি ধর্ষন বন্ধ হয়েছে,
বিবিসির একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তনু হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ, সংবাদটি শেয়ার করা হলো

বাংলাদেশে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় একজন শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ তুলে কুমিল্লা এবং রাজধানী ঢাকায় আজ বিভিন্ন সংগঠন বিক্ষোভ করেছে। তাঁর পরিবারও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচার দাবি করেছে।
গত রোববার কুমিল্লা সেনানিবাসেরই বাসিন্দা সোহাগী জাহান তনু নামের ঐ শিক্ষার্থীর মৃতদেহ পাওয়া যায় ।
নারী অধিকার আন্দোলনকারীরা বলেছেন, আগে ধর্ষণের জন্য নারীদের পোশাক-আশাককে দায়ী করা হতো। এখন এই ঘটনার পর পোশাকের শালীনতার সঙ্গে ধর্ষণের যোগাযোগ কতটা সম্পর্কিত তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সোহাগী জাহান তনুর বাবা কুমিল্লা সেনানিবাসে বোর্ডে একজন বেসামরিক কর্মচারী।সেই সুবাদে সেনানিবাসে কোয়াটারে তাদের বসবাস ।তিন ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট সোহাগী জাহান তনু কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে ইতিহাস বিভাগে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।তাঁকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ তুলে তাঁর কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বুধবার কুমিল্লায় বিক্ষোভ করেছে।ঢাকাতেও শাহবাগ এলাকায় গণজাগরণ মঞ্চ এবং ছাত্র ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সংগঠন বিক্ষোভ করেছে।
সোহাগী জাহান তনু লেখাপড়ার পাশাপাশি তাঁর কলেজে নাটকসহ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথেও জড়িত ছিলেন।
টানাটানির সংসারে তিনি কুমিল্লা সেনানিবাসের ভিতরেই টিউশনি করে নিজের খরচের কিছুটা যোগাতেন। তাঁর বড় ভাই নাজমুল হোসেন বলেছেন, গত রোববার ২০শে মার্চ বিকেলে তাঁর বোন টিউশনি করতে গিয়েছিল। কিন্তু রাত আটটাতেও না ফিরলে তাদের মা খুঁজতে রাস্তায় খুঁজতে যান।
তনু হত্যা হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ করেন বিক্ষোভকারীরা
মি: হোসেন আরও জানিয়েছেন, তাঁর বোন যে বাসায় পড়াতে যেতেন, সেই বাসায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সন্ধ্যা সাতটাতেই তনু চলে গেছে। রাত দশটার দিকে তাদের বাবা বাসায় ফিরলে তখন আবার তারা খুঁজতে বের হন। যে পথ দিয়ে টিউশনির বাসায় যেতেন, সেই পথেই সেনানিবাসের ভিতরে একটি কালভার্টের নীচে মৃতদেহ পাওয়া যায়।
ঢাকায় বিক্ষোভ থেকে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বিক্ষোভে অংশ নেয়া কয়েকজন বলছিলেন, ঘটনার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ পরিষ্কার করে কিছু বলছে না, সেজন্য তাদের সন্দেহ হচ্ছে।
কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন বলেছেন,ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হত্যা করা হতে পারে ,পুলিশ প্রাথমিকভাবে এমন ধারণা করছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই তিনি বিস্তারিত বলতে রাজি নন।
সোহাগী জাহান তনু হিজাব পড়তেন। এ ধরণের ছবি সামাজিক নেটওয়ার্কে প্রকাশ হয়েছে।
নারী অধিকার নিয়ে আন্দোলনকারী সংগঠনগুলো বলছে, এর আগে কোনো নারী ধর্ষণের শিকার হলে তার পোশাক নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলতেন।এখন সেই প্রশ্ন অবান্তর বলে মনে করেন নারী আন্দোলনের অন্যতম একজন নেত্রী ফরিদা আকতার। তিনি বলেছেন, “যারা নারীদের ওপর শারীরিকভাবে আক্রমণ করে, পোশাক বা বয়স কোন কিছুই তাদের কাছে বিষয় নয়। এটা বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে”।
ফরিদা আকতার আরও বলেছেন, “ধর্ষণের শিকার নারীর পোশাককে যারা দায়ী করতে চায়, তারা আসলে ক্ষতিগ্রস্ত নারীকে দোষী বানাতে চায়।তারা নারীর বিরুদ্ধেই কথা বলে”।
ঘটনাটিকে ঘিরে সামাজিক নেটওয়ার্ক ফেসবুকে কিছু তৎপরতা দেখা যায়। মুল ধারার সংবাদমাধ্যমে এই ঘটনা নিয়ে সেভাবে খবর চোখে পড়েনি।

কাদির কল্লোল,বিবিসি বাংলা, ঢাকা, ২৩ মার্চ ২০১৬

Re: সোহাগী জাহান তনু ধর্ষণ কে কেন্দ্র করে সারা দেশে তোলপার

সেনা নিবাসের ভেতরে সাধারণ জনগনের চলাচল নিষিদ্ধ করা উচিৎ।

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

Re: সোহাগী জাহান তনু ধর্ষণ কে কেন্দ্র করে সারা দেশে তোলপার

তার পর? angry