টপিকঃ নকশায় ত্রুটির বিতর্ক নিয়েই খুলছে ফ্লাইওভারের একাংশ

২০০৪ সালে শুরু, ২০১৩ সালে কাজ শুরু, ২০১৬ সালে একাংশরকাজ শেষ, আর কত সময় লাগবে?

'নির্মাণাধীন ফ্লাইওভার থেকে রড পড়ে শ্রমিকের মৃতু' কিছুদিন আগে এভাবেই শিরোনাম হয়েছিল সংবাদ মাধ্যমে। সেই নির্মাণাধীন মগবাজার-মৌচাক ফ্লাইওভারের একটি অংশ আজ খুলে দেয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ তা উদ্বোধন করবেন বলে কথা রয়েছে।

ফ্লাইওভারটির নকশায় ত্রুটি, দুর্ঘটনা ইত্যাদি কারণে এই ফ্লাইওভার নিয়ে ইতিমধ্যেই অনেক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এই ফ্লাইওভার চালু হলে যান চলাচল সহজ করার ক্ষেত্রে তা কতটা সহায়ক হবে?

এমন প্রশ্নে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বা বুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক শামসুল হক বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন, “হলি ফ্যামিলি থেকে তেজগাঁও পর্যন্ত যে সেগমেন্ট আছে সেটি ভিআইপি রোডের একটি প্যারালাল করিডর। মাস-দুয়েকের মধ্যে মেট্রোরেল প্রজেক্ট উদ্বোধন হতে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে বিকল্প কোন পথ থাকবে না বলে একধরনের উদ্বেগ ছিল। সে কারণেই আমরা চাচ্ছিলাম যেন এই সেগমেন্টটি দ্রুত উদ্বোধন করে দেয়া হয়। এর ফলে মেট্রোরেল প্রকল্প চালু হলে সার্বিকভাবে এই এলাকার চলাচলের সুবিধা হবে”।

২০০৪ সালে পরিকল্পনা করার পর ২০১৩ সালে এই ফ্লাইওভারের কাজের বাস্তবায়ন শুরু হয়। আর তা সম্পূর্ণ শেষ হয়নি এখনো।

এই ফ্লাইওভার নিয়ে নানারকম বিতর্কের প্রসঙ্গে মিস্টার হক বলেন, “এখানে একটি হচ্ছে, নকশার ক্ষেত্রে কিছু অবকাঠামোগত ত্রুটি ছিল।সেইসাথে রূপরেখা তৈরির পর সেগুলো আপগ্রেড করা হয়নি। ফলে এতখানি জায়গা জুড়ে পড়ে থাকার পর জনগণকে যতখানি সুবিধা দেওয়ার প্রত্যাশা করা হচ্ছে, তার থেকে আরও বেশি দেওয়ার সুযোগ ছিল এখানে”।

তিনটা ফ্লাইওভারের মাঝে যে সংযোগ র‌্যাম্প থাকে সেগুলো নেই। এটি এই ফ্লাইওভারের নির্মাণগত যেসব দুর্বলতার কথা বলা হচ্ছে তার মধ্যে একটি বলে তিনি উল্লেখ করেন ।

তবে একটি অংশ খুলে দেওয়ার পর অন্য যে দুটো সেগমেন্ট আছে সেটি খুব একটা বাধাগ্রস্ত হবে না বলে তিনি মনে করেন।

ফ্লাইওভারটির নির্মাণ কাজ তিনটি ভাগে সম্পন্ন হচ্ছে। একটিতে রয়েছে সাতরাস্তা-মগবাজার-হলি ফ্যামিলি পর্যন্ত অংশ।

আরেকটিতে রয়েছে শান্তিনগর-মালিবাগ-রাজারবাগের অংশ এবং শেষ অংশটি বাংলামটর-মগবাজার-মৌচাক এলাকা।

সূত্র: বিবিসি
- See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2016/03/3 … RVLsQ.dpuf

Re: নকশায় ত্রুটির বিতর্ক নিয়েই খুলছে ফ্লাইওভারের একাংশ

এ্যাত খরচের পরও সব কিছুই দরকারের চেয়ে কম কম ... ...  angry
http://www.thedailystar.net/sites/default/files/styles/very_big_1/public/news/images/moghbazar_flyover_1.jpg?itok=kgsJYEEW

পরিবেশ প্রকৌশলী'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন রুপকথা (৩১-০৩-২০১৬ ১২:১৩)

Re: নকশায় ত্রুটির বিতর্ক নিয়েই খুলছে ফ্লাইওভারের একাংশ

মানুষের দরকারের তো আর শেষ নেই  sleeping sleeping

প্রাইভেট গাড়ি বন্ধ করলে বা সিমিত করলে দেশের যানজট ৯৯% কমে যাবে, যাদের প্রাইভেট আছে তাদের উপর বড় ধরনের কর বসালে দেশের অর্থনীতির জন্যও ভালো আর করের ভয়ে তারা প্রাইভেট গাড়ি সংখ্যা কমাবে, অনেকে সন্তানের স্কুলের জন্য একটি, বৌ এর বাজারে যাবার জন্য একটি, নিজের জন্য একটি............
যাদের প্রাইভেট আছে তারা সমাজের প্রভাবশালী তাই তারা যত্রতত্র গাড়ি পার্ক করে রাখলেও কেহ তাদেরকে কিছূ বলতে যারে না ভয়ে, কার না কার গাড়ি ধরে পরে বিপড়ে পড়বে কেন  dream dream dream

Re: নকশায় ত্রুটির বিতর্ক নিয়েই খুলছে ফ্লাইওভারের একাংশ

ঢাকায় শখে প্রাইভেট গাড়ি ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেশি না। ঠেকায় পড়ে মানুষ প্রাইভেট গাড়ি ব্যবহার করে। যেমন: গাজীপুর বা টঙ্গী থেকে আমার চেনা অনেক লোকই প্রাইভেট কার ব্যবহার না করে বরং ট্রেনে ঢাকায় আসা-যাওয়া করে --- কারণ এটাতে সময় অনেক কম লাগে।

আর কর ইতিমধ্যেই আমার ধারণা পৃথিবীতে সর্বোচ্চ কয়েকটার একটা হবে। যে গাড়ি জাপানে বিক্রি করে ১৪ লাখে, সেটা বাংলাদেশে কিনতে হয় ৩০ লাখে; আমি যতদুর জানি এজন্য গাড়ির দাম বাংলাদেশের চেয়ে বেশি দুনিয়ার কোথাও নাই। সরকার দয়া করে একটু রাস্তা বানিয়ে দিয়ে গাড়ির দামের চেয়ে বেশি কর নেয় ক্ষেত্রবিশেষে।

বরং যদি গণপরিবহন ব্যবস্থা উন্নত করা হয়, তাহলে প্রাইভেট গাড়ি কেনারই দরকার পড়বে না (সম্ভবত এই কারণেই গণপরিবহন উন্নত হচ্ছে না তেমন একটা)। উন্নত গণ পরিবহন থাকার পরেও যদি কেউ প্রাইভেট গাড়ি ব্যবহার করে সেক্ষেত্রে এখনকার মত উচ্চ কর কিছুটা যৌক্তিক হয়।

পরিবেশ প্রকৌশলী'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: নকশায় ত্রুটির বিতর্ক নিয়েই খুলছে ফ্লাইওভারের একাংশ

ঢাকার পাড়া মহল্লায় রাস্তার পাশে, গলির ভিতরে, মাছ বাজারের পাশে, হাটের পাশে গড়ে উঠেছে স্কুল আর বিশ্ববিদ্যালয়, আর এইসব স্কুলের মধ্যে বেশীর ভাগ স্কুলের নামের আগে ইংলিশ স্কুল কথাটা যোগ করায় বেশীর ভাগ টাকা পয়সাওয়ালা তাদের সন্তানদেরকে এই সব স্কুলে দিয়ে তৃপ্তি পায়, আর টাকা পয়সা ওয়ালের সন্তান মানেই, বাহারী গাড়ি, স্কুলের সময়ে এই সব গাড়ি পার্ক করে সমগ্র রাস্তায়, তাই রাস্তা হয়ে যায় সরু যার ফলে শুর হয় তিব্র যান যট

আবার অন্যদিকে

ঢাকার পাড়া মহল্লায় রাস্তার পাশে, গলির ভিতরে, মেই রোড়ে গড়ে উঠেছে প্রাইভেট ব্যাংক আর মার্কেট, আর এইসব ব্যাংকে আসেন টাকা পয়সাওয়ালারা, আর টাকা পয়সাওয়ালা মানেই গাড়ি, তারা মেইনরোড়ের উপরেই গাড়ি রেখে চলে যায় ব্যাংকে বা মার্কেটে, চওড়া রাস্তা হয়ে যায় সুরু, তাই শুরু হয় তিব্র যান যট

এইসব গাড়ি যত্রতত্র পার্ক করা থাকলেও ট্রাফিক সহ কেহ তাদেরকে কিছু বলতে পারছেন না, কারন এইসব গাড়ি যারা ব্যাবহার করে তা হাই অফিসিয়াল বা প্রভাবশালী, কার গাড়ি ধরে কোন বিপদে পড়ে

ইদানিং শিশু খুন, হাইজ্যাক, গুম বেড়ে যাওয়ায় অনেক অভিবাবক তাদের স্কুল পড়ুয়া সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে, তাই পেটে ভাত থাকুক আর না থাকুক তারা একটি গাড়ি কিনবেই, দেশের নিরাপত্তা ব্যাবস্থা নিশ্চিত করে হলে হয়তবা প্রাইভেট গাড়ীর সংখ্যা কমবে

Re: নকশায় ত্রুটির বিতর্ক নিয়েই খুলছে ফ্লাইওভারের একাংশ

যাই হোক জ্যাম কম হলেই হল sad বিশ্বরোড টু বনানী রোডের জ্যামের যে করুণ অবস্থা sad

সব কিছু ত্যাগ করে একদিকে অগ্রসর হচ্ছি

লেখাটি CC by-nd 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত