টপিকঃ সম্ভাবনাময় আমাদের হাইটেক পার্ক

বাংলাদেশেই তৈরি হবে বিশ্বমানের প্রযুক্তি পণ্য। দেশে নির্মিত সফটওয়্যার দিয়েই চলবে দেশের ব্যাংক, বিমা, কলকারখানা, অফিস-আদালত। বাংলাদেশে বসেই গুগল, ফেসবুক, ইন্টেল, মাইক্রোসফটসহ আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আইটি এক্সপার্টদের সঙ্গে কাজের সুযোগ পাবেন বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তিবিদরা। আর এ সবকিছুর দ্বার খুলে দেবে বর্তমান সরকারের হাইটেক পার্ক অর্থাৎ প্রযুক্তি পণ্যের শিল্পাঞ্চল। প্রযুক্তিনির্ভর এসব হাইটেক পার্ক প্রযুক্তিভিত্তিক শিল্পায়ন, তরুণদের কর্মসংস্থান এবং হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার শিল্পের উত্তরণ ও বিকাশে সুযোগের দুয়ার খুলে দেবে। এটি জাতীয় রাজস্ব আয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে বলে আশা করছে সরকার। ইতোমধ্যে ৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যে সরকার বড় বড় হাইটেক পার্কসহ ও দেশের বিভিন্ন স্থানে আইটি পার্ক গড়ে তোলার কাজ শুরু করেছে। আইসিটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণের পর হাইটেক পার্কের দ্বার উন্মোচন ছিল অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত একটি বিষয়। তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লবের এ সময়ে হাইটেক পার্ক দেশের শিল্পায়নে প্রাণসঞ্চার করবে। শিল্পায়ন ও শিক্ষা ক্ষেত্রে হাইটেক পার্ক সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে। হাইটেক পার্কে ১০ লাখ আইটি পেশাদার তৈরির মাধ্যমে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বছরপ্রতি রপ্তানি আয় ১ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এ পার্কগুলোতে প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে লাখ লাখ ব্যক্তির কর্মসংস্থান হবে। এগিয়ে যাবে দেশ পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বীও হবে।