সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন RubaiyaNasreen(Mily) (০২-১২-২০১৫ ০৮:২৪)

টপিকঃ পাখির পার্কে সারাবেলা

দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ছোট্ট দ্বীপ রাস্ট্র সিঙ্গাপুর।সিঙ্গাপুর শহর এর পরিচ্ছন্নতার জন্য স্বনামধন্য । এই রাষ্ট্রটি পরিবেশ বান্ধব । ছোট হলেও নানারকম উদ্যান ,পার্ক আর গাছপালায় আচ্ছাদিত পুরো শহর। এখানে দেখার মত অনেক কিছুই আছে তার মাঝে অন্যতম হল জুরং বার্ড পার্ক ।আমরা তিনজন......  আমি , আমার মামা ও মামার মামা (নানাভাই) মিলে ঠিক করলাম সারাদিন এই পার্কে বেড়াব । সকাল সকাল নাস্তা সেরেই রওয়ানা দিলাম জুরং এ । 

আমার এমনিতেই প্রকৃতির প্রতি মোহগ্রস্থতা আছে ।ফুল,পাখি আর সুন্দর নৈসর্গিক দৃশ্য আমায় আলোড়িত করে।জুরং বার্ড পার্ক এর মনোরম সৌন্দর্য যে কাউকে মুগ্ধ করবে। এই পার্কটি পর্যটকদের জন্য অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান ।

প্রায় পঞ্চাশ একর জায়গা নিয়ে জুরং পাহাড়ের পশ্চিম ঢালে গড়ে উঠেছে এই পার্ক । যারা পাখি প্রেমী তাদের তো ভাল লাগবেই অন্যদেরও ভাল লাগবে এই পাখির মেলা। কত শত রঙ বেরং এর পাখি ,কতক চেনা আর কতক বা অচেনা। চারশত প্রজাতির পাঁচ হাজারের ও বেশি পাখি আছে এই পার্কে । পার্কের প্রবেশ পথটা বেশ রংচঙে ।

http://i.imgur.com/5vhz7cW.jpg



টিকেট কাউন্টার এ দেখি নানা রকম প্যাকেজ আছে।যেহেতু আমাদের সাথে নানাভাই(আম্মার ছোট মামা) ছিলেন এবং তিনি একটু অসুস্থ ও তাই আমরা শুধু পাখির পার্কে ঘোরার টিকেট নিলাম ,নাইট সাফারি বা অন্য কিছু সাথে নিলাম না । 

http://i.imgur.com/Zlj8QmC.jpg 


টিকেট কেটে ভিতরে ঢুকতেই দেখি ফুলেল তোরণ । হরেক রকম অর্কিড দিয়ে সাজানো , মনে হয় যেন কোন রূপকথার রাজ্য ।একে একে সব গুলো তোরণ পেরিয়ে ভিতরে প্রবেশ করতেই এক আলাদা জগত ।

http://i.imgur.com/VjHDMd1.jpg


একপাশে জলধারায় কয়েকটা জলচর পাখি সাঁতার কাটছে আর কয়েকটি ছোট শিশু মুগ্ধ হয়ে তা দেখছে ।


http://i.imgur.com/n5Igk7r.jpg


এখানে পাখিরা তাদের আদি আবাসভূমির নামে বিভক্ত বিভিন্ন অংশে প্রদর্শিত হয় । যেমন আফ্রিকান ওয়াটার ফল অ্যাভিয়ারি , ডাইনোসর ডিসেন্ডেন্টস ,সাউথ ইস্ট এশিয়ান বার্ডস অ্যাভিয়ারি , লরি লফট ,পেঙ্গুইন কোস্ট ,ওয়ার্ল্ড অফ ডার্কনেস , পেলিক্যান কোভ ।

আমরা প্রথমেই গেলাম পেঙ্গুইন কোস্ট এ । বলাই বাহুল্য যে মেরুর পাখি পেঙ্গুইন কে কাঁচ ঘেরা কৃত্রিম আবাসে বরফ ঠান্ডা পরিবেশে রাখা হয়েছে ।

http://i.imgur.com/TlDTZN7.jpg

অনেকেই ভদ্র লোকের মত দাড়িয়ে দাড়িয়ে দেখছে কাঁচের ওপাশ থেকে উৎসুক মানুষের কার্যকলাপ আবার কেউ কেউ আরামসে সাঁতার কাটছে হিমশীতল পানিতে ।শব্দ করা নিষেধ থাকলেও শিশুরা তা মানছিল না । ওরা পেঙ্গুইন দের কার্যকলাপ এ এত্ত মজা পাচ্ছিল যে ওদের কলকলানিতে কিচির মিচির শব্দ হচ্ছিল ,অনেক টা  পাখিদের মতই  । অনেকক্ষণ দেখলাম পেঙ্গুইনদের খেলা ,এরপর সেখান থেকে বের হয়ে  এলাম।

সিঙ্গাপুর ট্রপিক্যাল দেশ ,রোদটাও বেশ চড়া আর গরম ও ভালই । আমরা আস্তে আস্তে হেঁটে হেঁটে এলাম একটা ছাউনির নিচে । বসে একটু  রেস্ট নিচ্ছি হঠাত কানে আসলো এক অদ্ভুত ডাক ,থমকে দাড়িয়ে উৎস খুজে পেলেও পাখিটাকে কিছুতেই দেখতে পেলাম না ।  পায়ে পায়ে আর একটু কাছে এগিয়ে গেলাম , রেলিং দেয়া । ওপাশে চিকন একটা পানির ধারা আর তার পরেই ঝোপ ঝাড় । শব্দটা ওখান থেকেই আসছিল । মুখ দিয়ে শব্দ করে বা কিছু ছুড়ে  পাখিটাকে বের করার উপায় নেই কারন তাইলে কতৃপক্ষ আমাকেই কান ধরে বের করে দিবে আর সাথে জরিমানা ।   

তাই এগিয়ে গেলাম রঙ বেরং এর   পাখিদের সামনে ।এখানে পাখিদের সাথে ছবি তোলা যায় ।  রঙ বেরং এর পাখিগুলা যখন উড়ে এসে হাতে কাঁধে বসে সবাই তখন বেশ মজা পায় , কেউ কেউ অবশ্য ভয় ও পায়। 
এখানে ছোট ছোট বাচ্চারা বেশ মজা করছিল ,অনেকেই ঘাড়ে ,মাথায় ,হাতে পাখিদের নিয়ে ছবি ও তুলছিল।

http://i.imgur.com/DLSqq1s.jpg

 
নিজেরা পাখির সাথে ছবি না তুললেও দাড়িয়ে দাড়িয়ে দেখলাম অন্যদের ছবি তোলা । এর পর লাইনে দাড়িয়ে উঠলাম ট্রামে কারন বুড়া মিয়ার (নানা ভাই) হাঁটতে কষ্ট হচ্ছিল ।
ট্রাম খুব ধীরে ধীরে যাচ্ছিল আর বিভিন্ন পাখিদের আবাসন এর সামনে এসে থেমে যাচ্ছিল ,গাইড তখন সেই পাখির নাম ,আবাস ,খাদ্য সব কিছুর বর্ণনা দিচ্ছিল ।

http://i.imgur.com/t9eKRJ7.jpg


ওয়ার্ল্ড অফ ডার্কনেস আর মাছরাঙার আস্তানা পার হয়ে এলাম কিন্তু নিশাচর পাখি বা মাছ শিকারি কারও দেখা পেলাম না । তবে হাতে থাকা ম্যাপ দেখে বুঝতে পারলাম অদ্ভুত যে ডাকটি আমি শুনেছিলাম তা ওয়ার্ল্ড অফ ডার্কনেস  থেকেই আসছিল । আরেকটু এগিয়ে গিয়ে ট্রাম যেখানে থামল সেখানে দুই পাশে দুই ধরনের পাখির দেখা পেলাম ।

http://i.imgur.com/LjSLepe.jpg


এমন পাখি আমি আগে কখনও দেখি নাই । একপাশে লাল রঙের ঝলকানি আর একপাশে অদ্ভুত ঠোঁটের বাহার ।  অনেকের সাথে আমিও নেমে গেলাম কাছ থেকে দেখার জন্য । চামচের মত ঠোঁটের স্পুনবিল আর রঙিন আইবিস মানে স্কারলেট আইবিস । কি যে অদ্ভুত সুন্দর এই পাখিগুলা !! গাইডের তাড়া খেয়ে সবাই আবার উঠে এল ট্রামে ।
 

http://i.imgur.com/QMR3LTx.jpg

ট্রাম এসে থামল লরি লফট ষ্টেশন এ । লরি লফট হল শিশুদের জন্য অন্যতম আকর্ষণ ।  অনেকেই নেমে গেল বাকি পথ টুকু হেটে হেটে ঘুরে দেখবে বলে কিন্তু আমাদের সে উপায় নাই । ট্রামে বসে যতটুকু দেখা যায় রঙ বেরঙ এর পাখিদের ঝলক তাই দেখলাম । অবশেষে শিকারি পাখি (birds of prey) , জঙ্গল জুয়েল আর ডাইনোসর ডিসেন্ডেন্টস  পার হয়ে ট্রাম এসে থামল আফ্রিকান ওয়াটার ফল অ্যাভিয়ারির সামনে । এটাই আপাতত শেষ স্টেশন ।  এখানে এসে দেড় থেকে দুই ঘন্টা সময় দেয়া হয় ফ্রেশ হওয়া আর খানাদানার জন্য।

আমরা ট্রাম থেকে নেমে আস্তে আস্তে হাঁটতে হাঁটতে ভিতরে যাচ্ছিলাম আর তখনই দেখা এক বাঙ্গালী পরিবারের সাথে। আর যথারীতি  আমার মামা আর তার মামা খোশ গল্পে মেতে উঠল তাদের সাথে । উনারা ফিরছেন আর আমরা ভিতরে যাচ্ছি । 


http://i.imgur.com/OfokEvM.jpg


দুপাশে আফ্রিকার জীবনযাত্রার চিত্র ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে দারুন ভাবে।

http://i.imgur.com/5Tnrf78.jpg


ভিতরে গিয়ে ক্যান্টিনে বসলাম ,হালকা বাতাস আর চারপাশের গাছগাছালি ও পাখপাখালির কিচিরমিচির শব্দে মন ভরে গেল । দেখতে না পেলেও ওয়াটার ফল এর ঝমঝম শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম ।

বেশ কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে আর হালকা খাবার খেয়ে আমরা চললাম ওয়াটার ফল এর দিকে। একটা সাঁকো পার হয়ে যেতে হল ,দুপাশে খালের মত । দাড়িয়ে কিছুক্ষণ হাঁসদের খেলা দেখছিলাম ।

http://i.imgur.com/yRF4eV1.jpg

দূরে এক কুচকুচে কালো মাঝি একভাবে নৌকায় বসে আছে । কাছে গিয়ে দেখলাম উনিও মানুষ না মানুষের ভাস্কর্য।

http://i.imgur.com/1VDDwfr.jpg

সাঁকো পার হতেই দেখি উচু থেকে ওয়াটার ফল এর পানি ঝমঝমিয়ে পরছে । রেলিঙ ঘেঁসে দাড়ালে হালকা হালকা জলকণা  চোখে মুখে এসে ছোঁয়া দিয়ে যাচ্ছিল । ছবিটবি তুলে ফিরতি পথ ধরলাম । ট্রাম তখনও আসেনি ,আমরা তাই এগিয়ে গিয়ে ঢুকলাম শিকারি পাখিদের আস্তানায় ।

http://i.imgur.com/macOi5Y.jpg

ভিতরে পাখিদের শো হয় কিন্তু তখন শো টাইম না ।

http://i.imgur.com/BIvPFlA.jpg


তাই আবার স্টেশনে ফিরে এলাম । একটু অপেক্ষা করতেই ট্রাম এসে  হাজির । পেলিক্যান কোভ ,ফ্ল্যামিঙ্গো লেক পার হয়ে আবার আগের জায়গায় নামিয়ে দিল ।

এত তাড়াতাড়ি ফিরে যেতে ইচ্ছা হচ্ছিল না । ভাবলাম একটু বসি  ,হুউউউউউউস একটা শব্দে পিছন ফিরে দেখি বেশ বড়সর দুইটা পাখি । কিছুক্ষণ পর পর ডানা ঝাপ্টাচ্ছে । অনেক খানি দূরে থাক্লেও আমার কেমন জানি ভয় লাগছিল ।

http://i.imgur.com/XaPO5lD.jpg


খুজে পেতে নাম দেখলাম   । মারাবু স্টরক / সারস । আফ্রিকার এই পাখি কঠিন শিকারি ,পার্কের ভিতরের ফ্ল্যামিঙ্গো,বক ইত্যাদি পাখি শিকার করে ছিঁড়েখুঁড়ে খায় । দেখলেই না  আমার কেন জানি গা ঘিনঘিন করছিল। 


http://i.imgur.com/XnTEZWN.jpg

ওখানে কিছুক্ষণ বসে আমরা আবার পিছন দিকে হাটলাম ফ্ল্যামিঙ্গো লেকটা ভাল করে দেখতে । সাদা  আর লালচে গোলাপি ফ্ল্যামিঙ্গো ।

http://i.imgur.com/kkgbtVP.jpg

ঝাঁকে ঝাঁকে হেঁটে বেড়াচ্ছে । দুই একটা অন্য প্রজাতির জলচর পাখিও দেখতে পেলাম ওদের পুকুরে ।

http://i.imgur.com/kFjPBfb.jpg

এবার সত্যি সত্যি ফেরার পালা । বের হবার পথে পড়ল বার্ডস অফ প্লে । ছোট ছোট বাচ্চারা মজা করে পানিতে হুটোপুটি করে খেলছে ।

http://i.imgur.com/c5hLJMN.jpg


দুই এক মিনিট দাড়িয়ে থেকে আমরা বের হয়ে আসলাম ।  বের হবার পথে আমার মামা লাফ দিয়ে ঢালে উঠে বসল ময়ূরের টোপিয়ারির সাথে ছবি তোলার জন্য । আমি ভয়ে হই হই করে উঠতেই বলে উঠলেন ভুলে যাও কেন ,আই অ্যাম এ ম্যান অফ ডিফেন্স । রেগে গেলেও দিলাম ছবি তুলে আর মনে মনে ভাবলাম যদি পা ফসকাত তাইলে কি হত ? দুইটাকে টেনে টেনে দেশে ফেরত আনতে হত আমার । যাক ভালোয় ভালোয় সব শেষ হল।  সারাটা বেলা পাখির পার্কে কাটিয়ে ক্লান্ত হলেও একটুও খারাপ লাগছিল না ,অন্তত আমার তো একদম ই না ।

এক টুনিতে টুনটুনালো সাত রানির নাক কাঁটালো

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: পাখির পার্কে সারাবেলা

হোটেলের কাউন্টারে যখন জিজ্ঞেস করেছিলাম বার্ড পার্কে যাব কিভাবে তখন সেই মহিলা সিংলিশ ভাষায় যা বলেছিলো আমার বউ তার একবর্ণও বোঝেনি। আমি কতটুকু বুঝেছিলাম কে জানে .... শুধু মনে আছে বার্ড পার্ককে উনি বলেছিলেন "বা পা-আ"।

আপনি কিন্তু শো-টা মিস করেছেন। চিৎকার চেচামেচি লাগে যখন লিটারেলি একেবারে দর্শকদের মাথা ছুঁয়ে বাজটা উড়ে যায় আর ট্রেইনারের হাতে গিয়ে বসে।

অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

পরিবেশ প্রকৌশলী'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: পাখির পার্কে সারাবেলা

চমৎকার  smile

যেকোন বই কিনুন ঘরে বসেই amaderboi.com থেকে ।

Re: পাখির পার্কে সারাবেলা

অসাধারণ ছবি অার ঝরঝরে বর্ননা। সব মিলিয়ে অসাধারণ এক ভিজুয়াল ভ্রমণ।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

Re: পাখির পার্কে সারাবেলা

অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

লেখাটি LGPL এর অধীনে প্রকাশিত

Re: পাখির পার্কে সারাবেলা

ম্যাকাও  এর শো টাও অনেক দারুন!  বাজ পাখিরটা দেখি নাই!

Re: পাখির পার্কে সারাবেলা

পরিবেশ প্রকৌশলী লিখেছেন:

হোটেলের কাউন্টারে যখন জিজ্ঞেস করেছিলাম বার্ড পার্কে যাব কিভাবে তখন সেই মহিলা সিংলিশ ভাষায় যা বলেছিলো আমার বউ তার একবর্ণও বোঝেনি। আমি কতটুকু বুঝেছিলাম কে জানে .... শুধু মনে আছে বার্ড পার্ককে উনি বলেছিলেন "বা পা-আ"।

আপনি কিন্তু শো-টা মিস করেছেন। চিৎকার চেচামেচি লাগে যখন লিটারেলি একেবারে দর্শকদের মাথা ছুঁয়ে বাজটা উড়ে যায় আর ট্রেইনারের হাতে গিয়ে বসে।

অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ চমৎকার মন্তব্যের জন্য । থাই আর সিঙ্গাপুর এর ইংলিশ বোঝা এক বিশাল ব্যাপার ।

এক টুনিতে টুনটুনালো সাত রানির নাক কাঁটালো

Re: পাখির পার্কে সারাবেলা

musa379 লিখেছেন:

চমৎকার  smile

ধন্যবাদ  smile

এক টুনিতে টুনটুনালো সাত রানির নাক কাঁটালো

Re: পাখির পার্কে সারাবেলা

মরুভূমির জলদস্যু লিখেছেন:

অসাধারণ ছবি অার ঝরঝরে বর্ননা। সব মিলিয়ে অসাধারণ এক ভিজুয়াল ভ্রমণ।


ধন্যবাদ  big_smile

এক টুনিতে টুনটুনালো সাত রানির নাক কাঁটালো