টপিকঃ নোয়াখালী জেলা

বাংলাদেশের একটি অতি প্রাচীন জেলা নোয়াখালী জেলা। এটি চট্টগ্রাম বিভাগের অধীনে একটি জেলা এবং এটি ১৮২১ খ্রিঃ সৃষ্টি হয়। নোয়াখালী জেলার মোট আয়তন ৪২০২ বর্গ কিলোমিটার। এই জেলায় ৯টি উপজেলা রয়েছে। উপজেলাগুলো হচ্ছে- নোয়াখালী সদর, কবিরহাট, কোম্পানীগঞ্জ, বেগমগঞ্জ, চাটখিল, সেনবাগ, হাতিয়া, সোনাইমুড়ি এবং সুবর্ণচর উপজেলা।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন হাজাম (৩০-০৮-২০১৫ ১৫:০৫)

Re: নোয়াখালী জেলা

পৃথীবির মধ্যে সব চেয়ে অবহেলিত জেলা  dontsee dontsee dontsee

অর্থনীতি[সম্পাদনা]
নোয়াখালী জেলার অর্থনীতি মূলত কৃষি নির্ভর। আঞ্চলিক জিডিপির প্রায় ৪০ % কৃষি খাত থেকে আসে এবং জেলার ৮০ ভাগ লোক এই পেশার সাথে সংশ্লিষ্ট। কৃষির মধ্যে মূলত মৎস্য চাষ ও মৎস্য আহরনের সাথে সবচেয়ে বেশি মানুষ জড়িত। বছরজুড়ে নৌকা তৈরি ও মেরামত, মাছ ধরা, পক্রিয়াজাতকরণ, পরিবহন, শুটকি উৎপাদন, জাল মেরামত এর সাথে প্রায় ৬০-৭০ ভাগ শ্রমজীবি জড়িত থাকে। নিন্মভূমি অঞ্চল হওয়াতে এই জেলায় প্রচুর মৎস্যচাষ হয়ে থাকে যা এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে বিশাল ভূমিকা পালন করে। ফসল উৎপাদন মূলত বছরে একবারই হয়। শীত মৌসুমে জেলার সর্বত্ত বিশেষ করে দক্ষিনের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে রকমারি ফসলের চাষ হয়। এছাড়াও বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে ও দ্বীপগুলোতে গরূ, মহিষ, ছাগল এবং ভেড়া পালন ব্যাপকতা লাভ করেছে।

নোয়াখালী জেলায় শিল্প কারখানা তেমনভাবে গড়ে উঠেনি কিন্তু নোয়াখালী জেলার অনেক ব্যাক্তি দেশের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসাবে সুনাম অর্জন করেছেন। তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বড় বড় শিল্প কারখানা গড়ে তুলেছেন। নোয়াখালীর মানুষ মূলত কাজের জন্য দেশে এবং বিদেশে ব্যাপকভাবে গমন করেন। জেলার বিপুল সংখ্যক মানুষ মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত রয়েছেন। বাংলাদেশের শীর্ষ রেমিট্যান্স পাঠানো জেলাগুলোর মধ্যে নোয়াখালী জেলা গুরূত্বপূর্ণ স্থান দখল করে রয়েছে।

জেলার মোট আয়ের অন্যান্য খাতে আয়ের উৎসগুলোর মধ্যে অ-কৃষি শ্রম ৩.৪৩%, শিল্প ০.৮৪% , বানিজ্য ১৪.৭৪%, পরিবহন খাত ৩.৮৩%, চাকুরি ১৬.১১%, নির্মানখাত ১.৪৯% , রেমিট্যান্স ৭.৯৭% এবং অন্যান্য ১০.৫৮% অবদান রাখছে।

শিক্ষা[সম্পাদনা]
নোয়াখালীর শিক্ষার হার ৫১.৩০%। নোয়াখালীতে ০১ টি বিশ্ববিদ্যালয় , ১ টি সরকারী মেডিক্যাল কলেজ, ১২৪৩ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৮৯ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় , ৩৫ টি কলেজ, ১৬১ টি মাদ্রাসা রয়েছে।

Re: নোয়াখালী জেলা

ধন্যবাদ হাজাম, নোয়াখালী জেলার মূল্যবান তথ্যগুলো শেয়ার করার জন্য।

ধন্যবাদান্তে,
noakhali.xyz

হাজাম লিখেছেন:

পৃথীবির মধ্যে সব চেয়ে অবহেলিত জেলা  dontsee dontsee dontsee

অর্থনীতি[সম্পাদনা]
নোয়াখালী জেলার অর্থনীতি মূলত কৃষি নির্ভর। আঞ্চলিক জিডিপির প্রায় ৪০ % কৃষি খাত থেকে আসে এবং জেলার ৮০ ভাগ লোক এই পেশার সাথে সংশ্লিষ্ট। কৃষির মধ্যে মূলত মৎস্য চাষ ও মৎস্য আহরনের সাথে সবচেয়ে বেশি মানুষ জড়িত। বছরজুড়ে নৌকা তৈরি ও মেরামত, মাছ ধরা, পক্রিয়াজাতকরণ, পরিবহন, শুটকি উৎপাদন, জাল মেরামত এর সাথে প্রায় ৬০-৭০ ভাগ শ্রমজীবি জড়িত থাকে। নিন্মভূমি অঞ্চল হওয়াতে এই জেলায় প্রচুর মৎস্যচাষ হয়ে থাকে যা এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে বিশাল ভূমিকা পালন করে। ফসল উৎপাদন মূলত বছরে একবারই হয়। শীত মৌসুমে জেলার সর্বত্ত বিশেষ করে দক্ষিনের বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে রকমারি ফসলের চাষ হয়। এছাড়াও বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে ও দ্বীপগুলোতে গরূ, মহিষ, ছাগল এবং ভেড়া পালন ব্যাপকতা লাভ করেছে।

নোয়াখালী জেলায় শিল্প কারখানা তেমনভাবে গড়ে উঠেনি কিন্তু নোয়াখালী জেলার অনেক ব্যাক্তি দেশের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হিসাবে সুনাম অর্জন করেছেন। তারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বড় বড় শিল্প কারখানা গড়ে তুলেছেন। নোয়াখালীর মানুষ মূলত কাজের জন্য দেশে এবং বিদেশে ব্যাপকভাবে গমন করেন। জেলার বিপুল সংখ্যক মানুষ মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মরত রয়েছেন। বাংলাদেশের শীর্ষ রেমিট্যান্স পাঠানো জেলাগুলোর মধ্যে নোয়াখালী জেলা গুরূত্বপূর্ণ স্থান দখল করে রয়েছে।

জেলার মোট আয়ের অন্যান্য খাতে আয়ের উৎসগুলোর মধ্যে অ-কৃষি শ্রম ৩.৪৩%, শিল্প ০.৮৪% , বানিজ্য ১৪.৭৪%, পরিবহন খাত ৩.৮৩%, চাকুরি ১৬.১১%, নির্মানখাত ১.৪৯% , রেমিট্যান্স ৭.৯৭% এবং অন্যান্য ১০.৫৮% অবদান রাখছে।

শিক্ষা[সম্পাদনা]
নোয়াখালীর শিক্ষার হার ৫১.৩০%। নোয়াখালীতে ০১ টি বিশ্ববিদ্যালয় , ১ টি সরকারী মেডিক্যাল কলেজ, ১২৪৩ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ২৮৯ টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় , ৩৫ টি কলেজ, ১৬১ টি মাদ্রাসা রয়েছে।

Re: নোয়াখালী জেলা

আরেকটু বড় করে লিখতেন

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর