সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন মরুভূমির জলদস্যু (১৮-০৭-২০১১ ১৬:১১)

টপিকঃ হাজীগঞ্জ দুর্গ ভ্রমণ চিত্র

কদিন আগে গিয়েছিলাম নারায়ণগঞ্জ। উদ্দেশ্য ছিলো কয়েকটি যায়গার ছবি তোলা, কিন্তু সেদিন বৃষ্টির কারণে রওনা হতে অনেক দেড়ি হয়ে যায়। ফলে ছবি তোলার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায়নি সবকটি স্পটের। এভাবে এলোমেলো ভাবে কথা না বাড়িয়ে গোড়া থেকেই শুরু করি।


দুপুরের পরপর বাসা (উত্তর বাড্ডা) থেকে যখন বের হই তখনও ঝিড়িঝিড়ি বৃষ্টি ঝরে যাচ্ছে। কোনো ট্যাক্সি বা সিএনজি না পাওয়ায় উঠে পরি ছালছাবিল বাসে। ছালছাবিল থেকে নামি যাত্রাবাড়ি,  সেখান থেকে বাস বদলে নারায়ণগঞ্জের বাসে চেপে চলে আসি নারায়ণগঞ্জ। নারায়নগঞ্জের আশিয়ান এসি বাস কাউন্টারের সামনে নেমে রিক্সা নিয়ে চলে আসি হাজীগঞ্জ দূর্গে। আজকের প্রথম স্পট এই  হাজীগঞ্জ দূর্গে। আসুন একটু জেনে নেই দুর্গ আসলে কি, এবং কেনো।
http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong15.jpg
(পাশ থেকে হাজীগঞ্জ জলদুর্গের প্রবেশ তোরন)


মূলত দুর্গ গড়ে তোলা হতো আক্রমণ ঠেকাতে।  সেই প্রাচীন কাল থেকেই, ঈশা খাঁ গড়েছিলেন মোগলদের ঠেকাতে। আবার মোগলরা গড়েছিলেন মগ, পর্তুগিজদের ঠেকাতে। তাছাড়া  দেখা গেছে শৌর্যে-বীর্যে প্রতীক হিসেবেও প্রাসাদ দুর্গ গড়ে তোলা হয়েছে। বাংলাদেশে এখনো অনেকগুলি দুর্গ টিকে আছে, যার মধ্যে দুটি আছে নারায়ণগঞ্জে। একটি সোনাকান্দা দুর্গ আর আপরটি হাজীগঞ্জ দুর্গ। আজ এখানে আমরা দেখবো হাজীগঞ্জ দুর্গ।
http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong14.jpg
(হাজীগঞ্জ জলদুর্গের বাহির প্রাচীর)


হাজীগঞ্জ দুর্গ আসলে একটি জলদুর্গ। তৎকালিন ঢাকাকে রক্ষা করতে নির্মাণ করা হয় “ট্রায়াঙ্গল ওয়াটার ফোর্ট” বা  “ত্রিভুজ জলদুর্গে” । ১৬৫০ সালের কিছু আগে-পরে নির্মিত হয়েছিল এই সব দুর্গ। এই তিনটি জলদুর্গের একটি  হচ্ছে হাজীগঞ্জ দুর্গ।  অপর দুটি হচ্ছে নারায়ণগঞ্জের সোনাকান্দা জলদুর্গ ও মুন্সীগঞ্জের ইদ্রাকপুর জলদুর্গ। প্রচলিতো বিশ্বাস অনুযায়ী কিল্লারপুলে অবস্থিত হাজীগঞ্জ জলদুর্গটি শায়েস্তা খাঁ নিমান করেন। শীতলক্ষ্যার পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত এই দূর্গটি থেকে সেই সময়ে নদীর দিকে নজর রাখা হতো বলেই এটিকে জলদুর্গ বলা হয়।
http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong25.jpg
(ভিতর থেকে হাজীগঞ্জ জলদুর্গের প্রবেশ তোরন)



এটি একটি ইট-সুরকির তৈরি ছোট চতুর্ভুজাকৃতি দূর্গ। দুর্গটি বেশ চওড়া দূর্গ-প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। দুর্গের প্রাচীরে রয়েছে বন্দুক বসিয়ে গুলি চালাবার ফোকর।
http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong13.jpg
দূর্গের উত্তর দেয়ালেই দুর্গের একমাত্র প্রবেশ পথ “দুর্গ তোরণ”। কিছুটা উঁচু এই দূর্গে ঢুকতে হলে আপনাকে প্রবেশ তোরণের প্রায় ২০টি সিঁড়ি ডিঙ্গোতে হবে।
http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong20.jpg
( প্রবেশ তোরন)

http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong19.jpg
( প্রবেশ তোরন)

http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong21.jpg
( প্রবেশ তোরন থেকে বাইরের দিকের রাস্তা)

http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong22.jpg
( প্রবেশ তোরন থেকে বাইরের দিকের প্রাচীর)


আর তোরন থেকে দুর্গ চত্তরের নামতে হবে ৮টি ধাপ। প্রাচীরের ভেতরে চারদিকে চলাচলের পথ রয়েছে প্রাচীর ঘেষেই।  দুর্গের পূর্ব-দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম কোনায় দুটি বুরুজ যায়গা আছে। আরো একটি বুরুজ রয়েছে দক্ষিণ পাশে। তাছাড়া উত্তর-পূর্ব ও উত্তর-পশ্চিম কোনায় ছোট দুটি বুরুজ অংশ আছে, যেখানে এক সাথে কয়েকজন বন্দুক বসিয়ে গুলি চালাতে পারতো ।
http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong23.jpg
( প্রবেশ তোরনের ভিতরের দিক)

http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong24.jpg
( প্রবেশ তোরনের ভিতরের দিক)

http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong27.jpg
( পাশ থেকে প্রবেশ তোরনের ভিতরের দিক)


http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong28.jpg
(দুর্গপ্রাচীরের ভেতরের চলাচলের রাস্তা)

http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong33.jpg
(দুর্গপ্রাচীরের ভেতরের চলাচলের রাস্তা)

http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong31.jpg
(দুর্গের পূর্ব-দক্ষিণ কোনায় বড় বুরুজ)

http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong38.jpg
(দুর্গের দক্ষিণ বুরুজ)

http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong30.jpg
(একটি ছোট বুরুজ)


দুর্গের পূর্ব-দক্ষিণ কোনে রয়েছে চোকো একটি ওয়াচ টাওয়ার। টাওয়ারে ঢোকার জন্য ছিলো ছোট্ট একটি পূর্বমুখী দরজা। ভেতরে ঠিক মাঝখানে একটি মোটা গোল পিলার, পিলারের সাথে ছিলো গোলাকার সিঁড়ি। আজ পিলারটি টিকে থাকলেও নিচের দিকের অনেকটুকু  সিঁড়িই ভেঙ্গে গেছে। শুধিকি তাই! গোটা ওয়াচ টাওয়ারটি আজ বিলিন হ্য়ার পথে।
http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong39.jpg
(ওয়াচ টাওয়ার)

http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong40.jpg
(ওয়াচ টাওয়ার)

http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong43.jpg
(ওয়াচ টাওয়ার)

http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong45.jpg
(ওয়াচ টাওয়ার)

http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong46.jpg
(ওয়াচ টাওয়ার)

http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong48.jpg
(ওয়াচ টাওয়ারের প্রবেশ দরজা)

http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong50.jpg
(প্রায় বিলিন হয়ে যাওয়া সিঁড়ি)

http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong51.jpg
(প্রায় বিলিন হয়ে যাওয়া সিঁড়ি)

এর আগে যখন গিয়েছি তখন দেখেছি দুর্গের ভেতরে গরু চড়ে বেড়াচ্ছে। এবার দেখলাম পাড়ার ছেলেরা ক্রিকেট খেলছে, সেবারও দেখেছি খেলতে।

দুর্গে চত্তরের পশ্চিম দিকে আছে বেশ বড় একটি আমগাছ, আর পূর্ব পাশে আছে বড় একটি লিচু গাছ। লিচু গাছটি বিচিত্র ভাবে বেঁচে আছে তার অর্ধেক খয়ে যাওয়া দেহ নিয়ে।
http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong52.jpg
(বুড়ো আম গাছ)

http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong55.jpg
(অর্ধেক খয়ে যাওয়া লিচু গাছ)


পথের হদিস : ঢাকার যে কোনো স্থান খেতে আপনাকে প্রথমে যেতে হবে, গুলিস্থান, যাত্রাবাড়ি বা কমলাপুর। গুলিস্থান বা যাত্রাবাড়ি থেকে নারায়ণগঞ্জ যেতে পারবেন এসি বা ননএসি বাসে। ভাড়া পরবে ২৫ থেকে ৩৫ টাকার মধ্যে। আর কমলাপুর থেকে যাবেন ট্রেনে, ভাড়া ১০ টাকার বেশি নয়। কম-বেশি ৪৫ মিনিটে পৌছে যাবেন ঢাকা থেকে ২২ কিলোমিটার দূরের নারায়ণগঞ্জে। নারায়ণগঞ্জ বাস বা বা ট্রেন স্টেশান থেকে ১৫ থেকে ১৮ টাকায় রিক্স ভাড়া নিবে হাজীগঞ্চ কেল্লা/ফোর্ট (কেল্লা বা ফোর্ট নাবললে ওরা চিনবে না)। ১০/১২ মিনিটেই পৌছে যাবেন হাজীগঞ্জ জলদুর্গে সামনে।
http://i1122.photobucket.com/albums/l538/qshohenq/HaziGong60.jpg
(এই পধ ধরেই হেঁটে যেতে হবে দুর্গে আর বেড় হওয়ার পথও এটিই)

বোনাসঃ হাজীগঞ্চ দূর্গের ৪০০ মিটার দক্ষিণেই রয়েছে বিবি মরিয়মের মাজার। দুর্গে যাওয়ার আগে সেটাও দেখে নিতে পারেন।

PDF http://glitteredtext.com/bangla/final/tinyloader.com13109837145020.gif করুন

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের ঝিঁঝি পোকার বাগানে নিমন্ত্রণ।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

Re: হাজীগঞ্জ দুর্গ ভ্রমণ চিত্র

অনেক ধন্যবাদ এতসুন্দর একিটি স্হাপনা শেয়ার করার জণ্য-এবং যাওয়ার জন্য পথের বিবরন দেওয়ার জন্য।

Re: হাজীগঞ্জ দুর্গ ভ্রমণ চিত্র

অসাধারন টপিক, অসাধারন পিডিএফ।

Re: হাজীগঞ্জ দুর্গ ভ্রমণ চিত্র

ciai লিখেছেন:

অনেক ধন্যবাদ এতসুন্দর একিটি স্হাপনা শেয়ার করার জণ্য-এবং যাওয়ার জন্য পথের বিবরন দেওয়ার জন্য।

অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যরে জন্য।

ইলিয়াস লিখেছেন:

অসাধারন টপিক, অসাধারন পিডিএফ।

ধন্যবাদ ইলিয়াস ভাই সম্মাননার জন্য। আর পিডিএফ টা পরীক্ষামূলক। সামনে গোলাপের জন্য করবো তাই।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

Re: হাজীগঞ্জ দুর্গ ভ্রমণ চিত্র

না বললে জানতামই না। অনেক ধন্যবাদ  thumbs_up

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

Re: হাজীগঞ্জ দুর্গ ভ্রমণ চিত্র

"প্রবেশ তোরণ থেকে বাইরের দিকের রাস্তা"- শিরোনামে যে ছবিটি দিয়েছেন তাতে দেখতে পাচ্ছি, টিন-শেডের কিছু কারখানা। এসব কারখানা একদিন প্রবেশ তোরণ ভেঙ্গে দূর্গের ভেতর ঢুকে পড়বে বলে মনে হয়।

You'll never reach your destination if you stop and throw stones at every dog that barks.

Re: হাজীগঞ্জ দুর্গ ভ্রমণ চিত্র

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

না বললে জানতামই না। অনেক ধন্যবাদ  thumbs_up

দেড়িতে হলেও জানাতে পেরে আমার লেখা স্বর্থক।

রিপন মজুমদার লিখেছেন:

"প্রবেশ তোরণ থেকে বাইরের দিকের রাস্তা"- শিরোনামে যে ছবিটি দিয়েছেন তাতে দেখতে পাচ্ছি, টিন-শেডের কিছু কারখানা। এসব কারখানা একদিন প্রবেশ তোরণ ভেঙ্গে দূর্গের ভেতর ঢুকে পড়বে বলে মনে হয়।

এখনোযে দখল হয়ে যায়নি, পুরনো ঢাকার পুরনো স্থাপত্তগুলির মতো সেটাই কমকি!!
ধন্যবাদ সম্মাননার জন্য।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

Re: হাজীগঞ্জ দুর্গ ভ্রমণ চিত্র

তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

না বললে জানতামই না। অনেক ধন্যবাদ  thumbs_up

সহমত hug
তবে ধন্যবাদ দস্যু ভাই  dancing

রোযা প্রতেক নর নারির উপর ফরয,তাই আসুন আমরা ফরয আদায় করি।

Re: হাজীগঞ্জ দুর্গ ভ্রমণ চিত্র

ZOOM লিখেছেন:
তার-ছেড়া-কাউয়া লিখেছেন:

না বললে জানতামই না। অনেক ধন্যবাদ  thumbs_up

সহমত hug
তবে ধন্যবাদ দস্যু ভাই  dancing

জানা হলো, এবার সময় সুযোগ করে দেখে আসুন।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১০

Re: হাজীগঞ্জ দুর্গ ভ্রমণ চিত্র

অসাধারণ লিখেছেন।
সাধারণকেও অসাধারণভাবে উপস্থাপন করেছেন।
ছবিগুলোও বেশ তুলেছেন।
তবে শেষের যে রাস্তাটি দিয়েছেন সেটি ছাড়াও বের হবার আরো একটি রাস্তা আছে।

১১

Re: হাজীগঞ্জ দুর্গ ভ্রমণ চিত্র

Shoumik লিখেছেন:

সাধারণকেও অসাধারণভাবে উপস্থাপন করেছেন।

আপনার কাছে কেন মনে হলো এটা একটা সাধারণ জিনিস সেটা আমার বোধগম্য নয়।  isee

Shoumik লিখেছেন:

তবে শেষের যে রাস্তাটি দিয়েছেন সেটি ছাড়াও বের হবার আরো একটি রাস্তা আছে।

হুম দুটি রাস্তা আছে। এই রাস্তাটাই ঘুরে গিয়ে অন্য দিকের ঐ রাস্তার সাথেই মিলেছে।
http://i.imgur.com/qkbmAwB.jpg

Shoumik লিখেছেন:

ছবিগুলোও বেশ তুলেছেন।

অসংখ্য ধন্যবাদ মন্তব্য আর মতামতের জন্য।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১২

Re: হাজীগঞ্জ দুর্গ ভ্রমণ চিত্র

আমার কাছে যে বিষয়টা সবচেয়ে খারাপ লাগে, এসব হেরিটেজগুলোর যথাযথ সংরক্ষনে প্রশাসনের তেমন কোন উদ্যোগ নেই। এই দুর্গের ছবিগুলো, প্রবেশ পথের বেহাল দশা সে বিষয়টাকে একেবারে চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। sad

১৩

Re: হাজীগঞ্জ দুর্গ ভ্রমণ চিত্র

কই ছিল এতদিন ? দেখি নাই যে

এক টুনিতে টুনটুনালো সাত রানির নাক কাঁটালো

১৪

Re: হাজীগঞ্জ দুর্গ ভ্রমণ চিত্র

সীমান্ত ঈগল (মেহেদী) লিখেছেন:

আমার কাছে যে বিষয়টা সবচেয়ে খারাপ লাগে, এসব হেরিটেজগুলোর যথাযথ সংরক্ষনে প্রশাসনের তেমন কোন উদ্যোগ নেই। এই দুর্গের ছবিগুলো, প্রবেশ পথের বেহাল দশা সে বিষয়টাকে একেবারে চোখে আংগুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। sad

খাঁটি কথা বলেছেন। তাছাড়া সব দেয়ালই যেন প্রেমের জাহির করার মাধ্যম।  brokenheart

RubaiyaNasreen(Mily) লিখেছেন:

কই ছিল এতদিন ? দেখি নাই যে

হা হা
এটা অনেক পুরানা পোস্ট সেই ২০১১ সালের।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১৫

Re: হাজীগঞ্জ দুর্গ ভ্রমণ চিত্র

দুর্গের ভেতরে দেখি ফাকা ময়দান! সেনা-সমন্ত থাকত কই?
ভেতরের ময়দানটা সম্ভবত বাইরের জমি থেকে অনেক উচু। তাই না? মানে ভেতরে মাটি ফেলে ভরাট করা হয়েছে। যাতে প্রচীরের উচুর বন্দুক চালানোর ফুটো নাগাল পেতে আলাদা সিড়ি না না লাগে। গুগল আর্থে  সোনাকান্দার দুর্গেটাও দেখলাম। সোনাকান্দার দুর্গের ভেতরটা সে হিসেবে নিচু মনেহচ্ছে
http://3.bp.blogspot.com/-qz2IHU63ACI/VQU3-gtqCuI/AAAAAAAAGD4/TG7fj0Y-pR0/s1600/52_big.jpg

অত উচুর ফুটো নাগাল পেত কিভাবে কে জানে! নাকি পরে মাটি কেটে সরানো হয়েছে  thinking

শীতলক্ষা নদীতে নজর রাখার দুর্গ নদী থেকে এতো দুরে বানিয়েছে কেন? নদীপার থেকে প্রায় ৬০০ ফুট দুরে। সোনা কান্দারটা আরো দুরে নদীপার থেকে ১৩০০ ফুট!

মাত্র কয়েকশ বছর আগে এতো বড় দুর্গগুলো কে কখন বানালো তারও সুনির্দিষ্ট নথি নেই! "প্রচলিতো বিশ্বাস" তত্থ্য নিতে হয়!  hmm

স্বাধীনতা যুদ্ধে এই দুর্গগুলো ব্যাবহৃত হয়েছিল নাকি জানেন? মানে পাক-বাহিনীর নৌআক্রমন রোধে এগুলো বেশ কাজে আসার কথা।

ইদ্রাকপুর জলদুর্গের লোকেশটা জানা থাকলে বলবেন।

১৬

Re: হাজীগঞ্জ দুর্গ ভ্রমণ চিত্র

সদস্য_১ লিখেছেন:

শীতলক্ষা নদীতে নজর রাখার দুর্গ নদী থেকে এতো দুরে বানিয়েছে কেন? নদীপার থেকে প্রায় ৬০০ ফুট দুরে। সোনা কান্দারটা আরো দুরে নদীপার থেকে ১৩০০ ফুট!

সেই সময় এগুলী নদীর কাছেই ছিল, বর্তমাণে নদীর গতীপথ পরিবর্তীত হয়েছে।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

১৭

Re: হাজীগঞ্জ দুর্গ ভ্রমণ চিত্র

সদস্য_১ লিখেছেন:

ইদ্রাকপুর জলদুর্গের লোকেশটা জানা থাকলে বলবেন।

https://www.google.com.bd/maps/dir/''/%E0%A6%87%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0+%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE/@23.5458572,90.5182414,15z/data=!4m8!4m7!1m0!1m5!1m1!1s0x3755addd66089d1b:0xd61145e9ea023537!2m2!1d90.5339061!2d23.5475723

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।