টপিকঃ বিশ্বব্যাংক

চলতি অর্থবছরে বড় অঙ্কের ঋণ ও অনুদান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। আর্থিক সহায়তার পরিমাণ  প্রায় ২০০ কোটি ডলার। স্থানীয় বিনিময় হার অনুযায়ী যার পরিমাণ প্রায় ১৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। যে প্রকল্পগুলোর জন্য বিশ্বব্যাংক আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে সেগুলো হচ্ছে, ঘোড়াশালের চতুর্থ ইউনিট বিদ্যুত কেন্দ্র সংস্কারে ২৫ কোটি ডলার, দক্ষতা এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচীতে অতিরিক্ত ১০ কোটি ডলার, যমুনা নদীর বাঁধ রক্ষায় ৬০ কোটি ডলার, নির্বাচিত কলেজের উন্নয়নে ১০ কোটি ডলার, সিদ্ধিরগঞ্জ বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণে অতিরিক্ত ১৮ কোটি ডলার, স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ১৫ কোটি ডলার, আঞ্চলিক কানেক্টিভিটিতে ১৫ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক। এছাড়া নদীতে পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে ২১ কোটি ডলার, জলবায়ু এবং আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যবস্থা আধুনিকায়নে ৭ কোটি ডলার, বস্তিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে ৫ কোটি ডলার, বীমা খাতের উন্নয়নে ৫ কোটি ডলার। চলতি বছর বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে যে পরিমাণ সহায়তা দেয়ার লক্ষ্য রয়েছে তার পরিমাণ প্রায় ১৫০ কোটি মার্কিন ডলার থেকে ১৮০ কোটি মার্কিন ডলার। এ ঋণের বিপরীতে বিশ্বব্যাংককে দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ দিতে হবে। পাইপলাইন প্রকল্পের অগ্রগতি মূল্যায়ন করা হয়েছে। এ সময় দ্রুত প্রকল্প চূড়ান্ত করার তাগিদ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।

1 minute and 20 seconds after:

চলতি অর্থবছরে বড় অঙ্কের ঋণ ও অনুদান দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। আর্থিক সহায়তার পরিমাণ  প্রায় ২০০ কোটি ডলার। স্থানীয় বিনিময় হার অনুযায়ী যার পরিমাণ প্রায় ১৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। যে প্রকল্পগুলোর জন্য বিশ্বব্যাংক আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে সেগুলো হচ্ছে, ঘোড়াশালের চতুর্থ ইউনিট বিদ্যুত কেন্দ্র সংস্কারে ২৫ কোটি ডলার, দক্ষতা এবং কারিগরি প্রশিক্ষণ কর্মসূচীতে অতিরিক্ত ১০ কোটি ডলার, যমুনা নদীর বাঁধ রক্ষায় ৬০ কোটি ডলার, নির্বাচিত কলেজের উন্নয়নে ১০ কোটি ডলার, সিদ্ধিরগঞ্জ বিদ্যুত কেন্দ্র নির্মাণে অতিরিক্ত ১৮ কোটি ডলার, স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে ১৫ কোটি ডলার, আঞ্চলিক কানেক্টিভিটিতে ১৫ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক। এছাড়া নদীতে পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে ২১ কোটি ডলার, জলবায়ু এবং আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যবস্থা আধুনিকায়নে ৭ কোটি ডলার, বস্তিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে ৫ কোটি ডলার, বীমা খাতের উন্নয়নে ৫ কোটি ডলার। চলতি বছর বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে যে পরিমাণ সহায়তা দেয়ার লক্ষ্য রয়েছে তার পরিমাণ প্রায় ১৫০ কোটি মার্কিন ডলার থেকে ১৮০ কোটি মার্কিন ডলার। এ ঋণের বিপরীতে বিশ্বব্যাংককে দশমিক ৭৫ শতাংশ হারে সার্ভিস চার্জ দিতে হবে। পাইপলাইন প্রকল্পের অগ্রগতি মূল্যায়ন করা হয়েছে। এ সময় দ্রুত প্রকল্প চূড়ান্ত করার তাগিদ দিয়েছে বিশ্বব্যাংক।