টপিকঃ সংগৃহীত কৌতুক..........

১।
দেশলাই

তিন অপরাধীকে পাঁচ বছরের জন্য কারাভোগের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। বিচারক সদয় হয়ে তাদের একটা সুযোগ করে দিলেন। জেলখানায় সময় কাটানোর জন্য তারা চাইলে সঙ্গে কিছু নিতে পারবে। প্রথম অপরাধী সঙ্গে নিল একটা খাতা আর কলম। দ্বিতীয়জন সঙ্গে নিল একটা রেডিও। আর তৃতীয়জন নিল এক বাক্স সিগারেট।
পাঁচ বছর পর প্রথমজন যখন বেরিয়ে এল, তখন দেখা গেল, জেলখানায় তার সময় ভালোই কেটেছে। জেলের জীবন নিয়ে সে একটা উপন্যাস লিখে ফেলেছে। দ্বিতীয়জনও আছে বেশ ফুরফুরে মেজাজে। জেলখানায় গান শুনে তার চমৎকার সময় কেটেছে।
তৃতীয়জন বেরিয়ে এল বিধ্বস্ত অবস্থায়। চুল উসকোখুসকো, উন্মাদপ্রায় দশা। বাক্সভর্তি সিগারেট হাতে নিয়ে সে কাতরস্বরে বলল, ‘কারও কাছে একটা দেশলাই হবে?’

২।
জেলখানার খাবার খুবই জঘন্য

দুই কয়েদি পালিয়েছে জেল থেকে। আবার যখন তাদের আটক করা হলো, কারারক্ষক প্রশ্ন করলেন, ‘তোমরা জেল থেকে পালিয়েছিলে কেন?’
১ম কয়েদি: কারণ, জেলখানার খাবার খুবই জঘন্য। খাওয়া যায় না।
কারারক্ষক: কিন্তু তোমরা জেলের তালা ভাঙলে কী দিয়ে?
২য় কয়েদি: সকালের নাশতার রুটি দিয়ে!

৩।
সত্যিই মারা গেছি

জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে একবার রবীন্দ্রনাথের বিসর্জন নাটকের মহড়া চলছিল। নাটকে রঘুপতি সেজেছিলেন দীনেন্দ্রনাথ ঠাকুর, আর জয়সিংহের ভূমিকায় স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ। একটা দৃশ্য ছিল এমন, জয়সিংহের মৃতদেহের ওপর আছড়ে পড়ে শোকবিহ্বল রঘুপতি।
দৃশ্যটার মহড়া চলছিল বারবার। দীনেন্দ্রনাথ বাবু ছিলেন কিছুটা স্থূলকায়। বারবার তাঁর ভার বহন করা কবিগুরুর জন্য কঠিন হয়ে পড়ছিল। একবার দীনেন্দ্রনাথ একটু বেকায়দায় রবিঠাকুরের ওপর আছড়ে পড়লেন। রবীন্দ্রনাথ কঁকিয়ে উঠে বললেন, ‘ওহে দিনু, মনে করিস নে আমি সত্যি সত্যিই মারা গেছি!’

৪।
আমরা চারজন ছিলাম

বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বলল এক কয়েদি, ‘হুজুর, আমাকে ব্যাংক ডাকাতির মামলায় ফাঁসিয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ আমি একেবারেই নিরপরাধ। আমাকে আপনি বাঁচান।’
সাক্ষী ব্যাংক কর্মকর্তা চিৎকার করে বললেন, ‘না হুজুর! পাঁচ ব্যাংক ডাকাতের মধ্যে এই লোকও ছিল। আমি নিশ্চিত।’
কয়েদি: অসম্ভব! এই লোকটা মিথ্যা বলছে হুজুর। আমরা চারজন ছিলাম!

৫।
ক্রেডিট কার্ডটা হারানো গেছে

জেলখানায় নতুন কয়েদি এসেছে। নতুন কয়েদির পরিচয় হলো এক পুরোনো, বৃদ্ধ কয়েদির সঙ্গে—
নতুন কয়েদি: আপনি কয় বছর ধরে আছেন?
পুরোনো কয়েদি: ১০ বছর।
নতুন কয়েদি: আহা! নিশ্চয়ই খুব কষ্ট হয় আপনার।
পুরোনো কয়েদি: বললে বিশ্বাস করবে না, আমি একদিন বিল গেটসের মতো জীবন যাপন করেছি। বিলাসবহুল হোটেলে থেকেছি, দামি খাবার খেয়েছি, বউকে দামি গয়না কিনে দিয়েছি…
নতুন কয়েদি: তারপর?
পুরোনো কয়েদি: তারপর একদিন, বিল গেটস থানায় অভিযোগ করলেন, তাঁর ক্রেডিট কার্ডটা হারানো গেছে!

৬।
ফ্যামিলি চোর

কোর্টে জজ সাহেব চোরকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি একই বাড়িতে এই নিয়ে কুড়িবার চুরি করতে গেলে। এর কারণ কী?’
চোর হাসতে হাসতে জবাব দিল, ‘স্যার, আমি ওই বাড়ির ফ্যামিলি চোর।’

৭।
নকল টাকা

বিচারক আসামিকে:
—নকল টাকা বানিয়েছিলেন কেন?
—আসল টাকা বানাতে শিখিনি বলে।

৮।
আপনিই বলে দিন

বিচারক : তোমার বয়স কত?
আসামি : সাত বছর
বিচারক : এটুকু বয়সেই পকেটমার শুরু করেছ?
আসামি : তা হলে আপনিই বলে দিন কত বছর বয়স থেকে শুরু করব?

৯।
চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে

একজন বিখ্যাত অভিনেতার ইন্টারভিউ চলছে।
প্রশ্নকর্তা: আপনি তো যেকোনো চরিত্রই ফুটিয়ে তুলতে পারেন?
অভিনেতা: হ্যাঁ, শুধু নিজের চরিত্রটাই ফুটিয়ে তুলতে পারি না।

১০।
ক্যাপ্টেন পদে চাকরি

বস: আপনি সাঁতার জানেন?
চাকরিপ্রার্থী: জি না।
বস: জাহাজের ক্যাপ্টেন পদে চাকরির জন্য আবেদন করেছেন, আর সাঁতার জানেন না?
চাকরিপ্রার্থী: কিছু মনে করবেন না স্যার। উড়োজাহাজের পাইলট কি উড়তে জানে?

১১।
দীর্ঘসূত্রতা

—দীর্ঘসূত্রতা কী, ব্যাখ্যা করুন।
—উত্তরটা কাল দিই?

১২।
চরম ইন্টারভিউ

প্রশ্নকর্তা: একটা প্লেনে ৫০টা ইট আছে, একটা ইট ফেলে দিলে থাকে কয়টা?
প্রার্থী: এটা তো সোজা। ৪৯টা।
প্রশ্নকর্তা: আচ্ছা, একটা ফ্রিজে হাতি রাখার তিনটা স্টেপ কী কী?
প্রার্থী: ফ্রিজটা খুলুন, হাতিটা ঢোকান, এরপর ফ্রিজের দরজা বন্ধ করে দিন।
প্রশ্নকর্তা: একটা ফ্রিজে একটা হরিণ রাখার চারটা স্টেপ কী কী?
প্রার্থী: ফ্রিজটা খুলুন, হাতিটা বের করুন, হরিণটা ঢোকান, এরপর ফ্রিজের দরজা বন্ধ করে দিন।
প্রশ্নকর্তা: বনে সিংহের আজকে জন্মদিন। সবাই এসেছে শুধু একজন ছাড়া। কে আসেনি এবং কেন?
প্রার্থী: হরিণ আসেনি। কারণ সে ফ্রিজে।
প্রশ্নকর্তা: এক বৃদ্ধা কুমিরভর্তি একটা খাল পার হলো কোনো ক্ষতি ছাড়াই, কীভাবে?
প্রার্থী: কারণ সব কুমির সিংহের জন্মদিনে গিয়েছে।
প্রশ্নকর্তা: শেষ প্রশ্ন, তার পরও বৃদ্ধা মারা গেলেন, কেন?
প্রার্থী: উমম…আমার মনে হয়, তিনি খালের পানিতে ডুবে গিয়েছিলেন?
প্রশ্নকর্তা: না, প্লেন থেকে যে ইটটা পড়ে গিয়েছিল, সেটা তার মাথায় পড়েছিল, আপনি এখন আসতে পারেন…।

১৩।
ইন্টারভিউ দেওয়ার সহজ তরিকা

চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গেছে এক তরুণ। শুরু হলো প্রশ্নোত্তর পর্ব—

প্র.: কংক্রিটের মেঝেতে ডিম ফেলবেন, কিন্তু ফাটবে না—কীভাবে করবেন এটা?
উ.: কংক্রিটের মেঝে আসলে খুব শক্ত, ফাটার কোনো আশঙ্কাই নেই!
প্র.: একটা দেয়াল বানাতে আটজন মানুষের যদি ১০ ঘণ্টা লাগে, চারজন মানুষের কত সময় লাগবে?
উ.: কোনো সময়ই লাগবে না, কারণ দেয়ালটা ততক্ষণে তৈরি হয়ে যাবে!
প্র.: আপনার এক হাতে যদি তিনটি আপেল ও চারটি কমলা থাকে, আর আরেকটি হাতে থাকে চারটি আপেল ও তিনটি কমলা; তাহলে কী পেলেন আপনি?
উ.: বিশাল বড় হাত।
প্র.: এক হাতে একটা হাতিকে কীভাবে ওপরে তুলবেন?
উ.: এক হাতের আটবে এমন হাতিকে জীবনেও খুঁজে পাবেন না!
প্র.: একজন মানুষ কী করে আট দিন না ঘুমিয়ে থাকতে পারে?
উ.: কোনো সমস্যা নেই, সে রাতে ঘুমাবে!
প্র.: নীল সাগরে যদি একটা লাল পাথর ছুড়ে মারেন, কী হবে?
উ.: যা হওয়ার তা-ই, পাথরটি ভিজে যাবে অথবা ডুবে যাবে টুপ করে।
প্র.: কোন জিনিসটি দেখতে একটি অর্ধেক আপেলের মতো?
উ.: আপেলের বাকি অর্ধেকটি।
প্র.: ব্রেকফাস্টে কোন জিনিসটা কখনোই খেতে পারেন না আপনি?
উ.: ডিনার।
প্র.: বে অব বেঙ্গল কোন স্টেটে অবস্থিত?
উ.: লিকুইড।
পয়লা ধাক্কায় বেশ ভালোভাবেই উতরে গেল তরুণ। শুরু হলো দ্বিতীয় পর্ব। প্রশ্নকর্তা বললেন, ‘আপনাকে আমি ১০টি পানির মতো সহজ প্রশ্ন করব অথবা কেবল একটা প্রশ্ন করব লোহার মতো কঠিন। উত্তর দেওয়ার আগে ভালো করে ভেবে দেখুন, কোন অপশন বেছে নেবেন আপনি।’ তরুণ কিছুক্ষণ ভাবনার চৌবাচ্চায় সাঁতার কাটল। তারপর বলল, ‘কঠিন প্রশ্নের উত্তরটাই দিতে চাই।’ প্রশ্নকর্তা হেসে বললেন, ‘ভালো, শুভকামনা আপনার জন্য। আপনি আপনার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এবার বলুন, কোনটা প্রথমে আসে—দিন না রাত?’
তরুণের বুকে ঢাকের বাড়ি। কালঘাম ছুটে যাচ্ছে তার। এই প্রশ্নের উত্তরেই ঝুলে আছে তার চাকরিটা। এবার ভাবনার সাগরে ডুব দিল সে। উত্তরে বলল, ‘দিন প্রথমে আসে, স্যার!’
‘কীভাবে?’ প্রশ্নকর্তার প্রশ্ন।
‘দুঃখিত, স্যার, আপনি ওয়াদা করেছিলেন, দ্বিতীয় কোনো কঠিন প্রশ্ন করবেন না আমাকে!’
চাকরি পাকা হয়ে গেল তরুণের!


সবই সংগৃহীত..........

হাসেন একটু হলেও.........  lol lol lol lol lol

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

Re: সংগৃহীত কৌতুক..........

hehe

অনেক হাসি পেয়েছিল আপু। কিন্তু আপনি বলাতে একটু খানিই হাসলাম।

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

Re: সংগৃহীত কৌতুক..........

একটু না অনেক হাসলাম।

লেখাটি CC by-nc-nd 3. এর অধীনে প্রকাশিত

Re: সংগৃহীত কৌতুক..........

বেশ মজার কৌতুক  kidding

IMDb; Phone: Huawei Y9 (2018); PC: Windows 10 Pro 64-bit

Re: সংগৃহীত কৌতুক..........

হা হা হা! শেষ লাইনের কৌতুকটা তো দারুণ!  lol2 lol2

আমার সকল টপিক

কোনো কিছু বলার নেই আজ আর...

Re: সংগৃহীত কৌতুক..........

lol   lol2

Re: সংগৃহীত কৌতুক..........

মজাক পাইলাম lol2 lol2

ইট-কাঠ পাথরের মুখোশের আড়ালে,
বাধা ছিল মন কিছু স্বার্থের মায়াজালে...

Re: সংগৃহীত কৌতুক..........

ছবি-Chhobi লিখেছেন:

১।
দেশলাই

তিন অপরাধীকে পাঁচ বছরের জন্য কারাভোগের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। বিচারক সদয় হয়ে তাদের একটা সুযোগ করে দিলেন। জেলখানায় সময় কাটানোর জন্য তারা চাইলে সঙ্গে কিছু নিতে পারবে। প্রথম অপরাধী সঙ্গে নিল একটা খাতা আর কলম। দ্বিতীয়জন সঙ্গে নিল একটা রেডিও। আর তৃতীয়জন নিল এক বাক্স সিগারেট।
পাঁচ বছর পর প্রথমজন যখন বেরিয়ে এল, তখন দেখা গেল, জেলখানায় তার সময় ভালোই কেটেছে। জেলের জীবন নিয়ে সে একটা উপন্যাস লিখে ফেলেছে। দ্বিতীয়জনও আছে বেশ ফুরফুরে মেজাজে। জেলখানায় গান শুনে তার চমৎকার সময় কেটেছে।
তৃতীয়জন বেরিয়ে এল বিধ্বস্ত অবস্থায়। চুল উসকোখুসকো, উন্মাদপ্রায় দশা। বাক্সভর্তি সিগারেট হাতে নিয়ে সে কাতরস্বরে বলল, ‘কারও কাছে একটা দেশলাই হবে?’

১২।
চরম ইন্টারভিউ

প্রশ্নকর্তা: একটা প্লেনে ৫০টা ইট আছে, একটা ইট ফেলে দিলে থাকে কয়টা?
প্রার্থী: এটা তো সোজা। ৪৯টা।
প্রশ্নকর্তা: আচ্ছা, একটা ফ্রিজে হাতি রাখার তিনটা স্টেপ কী কী?
প্রার্থী: ফ্রিজটা খুলুন, হাতিটা ঢোকান, এরপর ফ্রিজের দরজা বন্ধ করে দিন।
প্রশ্নকর্তা: একটা ফ্রিজে একটা হরিণ রাখার চারটা স্টেপ কী কী?
প্রার্থী: ফ্রিজটা খুলুন, হাতিটা বের করুন, হরিণটা ঢোকান, এরপর ফ্রিজের দরজা বন্ধ করে দিন।
প্রশ্নকর্তা: বনে সিংহের আজকে জন্মদিন। সবাই এসেছে শুধু একজন ছাড়া। কে আসেনি এবং কেন?
প্রার্থী: হরিণ আসেনি। কারণ সে ফ্রিজে।
প্রশ্নকর্তা: এক বৃদ্ধা কুমিরভর্তি একটা খাল পার হলো কোনো ক্ষতি ছাড়াই, কীভাবে?
প্রার্থী: কারণ সব কুমির সিংহের জন্মদিনে গিয়েছে।
প্রশ্নকর্তা: শেষ প্রশ্ন, তার পরও বৃদ্ধা মারা গেলেন, কেন?
প্রার্থী: উমম…আমার মনে হয়, তিনি খালের পানিতে ডুবে গিয়েছিলেন?
প্রশ্নকর্তা: না, প্লেন থেকে যে ইটটা পড়ে গিয়েছিল, সেটা তার মাথায় পড়েছিল, আপনি এখন আসতে পারেন…।

lol2 lol2 lol2

এই দুইটা চরম লাগছে।

Re: সংগৃহীত কৌতুক..........

আমার কাছে রবিন্দ্রনাথেরটা বেশি ভাল লেগেছে big_smile

Seen it all, done it all, can't remember most of it.

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১০

Re: সংগৃহীত কৌতুক..........

হা হা হা মজা পাইলাম  lol2

সব কিছু ত্যাগ করে একদিকে অগ্রসর হচ্ছি

লেখাটি CC by-nd 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১১

Re: সংগৃহীত কৌতুক..........

মজার  thumbs_up

"We want Justice for Adnan Tasin"

১২

Re: সংগৃহীত কৌতুক..........

দারুন মজার। dancing dancing

১৩

Re: সংগৃহীত কৌতুক..........

সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

১৪

Re: সংগৃহীত কৌতুক..........

শেষ ২টা কমন পড়ছে। ফেবুতে বহুল প্রচারিত।
ধন্যবাদ মজা দানের জন্যে।  smile

১৫

Re: সংগৃহীত কৌতুক..........

সীমান্ত ঈগল (মেহেদী) লিখেছেন:

শেষ ২টা কমন পড়ছে। ফেবুতে বহুল প্রচারিত।
ধন্যবাদ মজা দানের জন্যে।  smile

ধন্যবাদ তোমাকেও

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

১৬

Re: সংগৃহীত কৌতুক..........

পুরা টুকু পইড়া কস্ট হইয়া গেছে এখন রিলাক্সে হাসিতেছি।

বেকুবে কয় কি?

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১৭

Re: সংগৃহীত কৌতুক..........

lol2 বেশ মজা পেলাম।

A man is whatever room he is in

১৮

Re: সংগৃহীত কৌতুক..........

মেহেদী হাচান লিখেছেন:

পুরা টুকু পইড়া কস্ট হইয়া গেছে এখন রিলাক্সে হাসিতেছি।

lost generation লিখেছেন:

lol2 বেশ মজা পেলাম।

ধন্যবাদ দুইজনকেই smile

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর