টপিকঃ পোড়া গন্ধ কি এতই প্রিয়?

“মানুষ মানুষের জন্যে
জীবন জীবনের জন্যে
একটু সহানুভূতি কি পেতে পারে না ওগো বন্ধু”?

গান  আমরা খুব পছন্দ করি, কিন্তু গানের কথা কি আমরা মনে রাখি? রাখি না -গান শুনার পর সব ভুলে যাই। আসলে আমাদের বিবোক নষ্ট হয়ে গিয়েছে, সহানুভুতির সুক্ষ তার গুলো ছিড়ে ছিন্ন-বিছিন্ন হয়ে গেছে। এখন আর সহানুভূতির কথা বা উপদেশ কোনটাই আর ভাল লাগে না। আসলে আমাদের এখন আর কারো প্রতি কোন শ্রদ্ধাবোধ জেগে উঠে না, শ্রদ্ধার কথাটা এখন বহন করতে পারছিনা। আর সেজন্যে আমরা কাউকে সম্মান করতে বা শ্রদ্ধা করতে ভুলে যাচ্ছি। ফলে কাউকে সহমর্মিতা বা সহানুভুতি এখন আর দেখাতে পারছি না। এগুলো মনে হয় সমাজ থেকে আস্তে আস্তে উঠে যাচ্ছে, যেমন “বিনয়” টা ও উঠে গেছে। সমাজ থেকে। আজ আমরা কেউ কাউকে তেমন মূল্যে দেই না, মনে করি ,নীজেই সব চেয়ে বড়, নীজেই সবচেয়ে ভাল বুঝি, নিজেই সবচেয়ে বড় জানি ,তাই কাউকেই আমরা আর বিনয়ের সাথে সম্মান দেখাই না। এমন কি রাষ্ট্রপ্রতি বা প্রধানমন্ত্রীর প্রতিও সেভাবে সম্মান দেখানো হয় না। তাই মনে হয় শ্রদ্ধাবোধ, সহানুভূতি, বিনয় ইত্যাদি কথাগুলো ক্রমে ক্রমে চলে যাচ্ছে। আজ দেখুন একটার পর একটা মানুষ পুড়ছে, মেডিকেলে কত মানুষ মৃত্যু যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে। চিৎকার করছে আর তাদের স্বজনদের আহাজারী শুনা যাচ্ছে। তবুও আমাদের মনে একটু বেদনা জাগছে না, আর সহানুভূতিতো দেখাচ্ছিই না। মনে হচ্ছে যারা আন্দোলনের নামে মানুষ পুড়াচ্ছে, তারা এই মানুষ পোড়ানোটাকে উপভোগ করছে। তাদের মনে কি একটুও সহানুভূতি জাগে না, একটুও দুঃখ হয় না স্বজনদের আহাজারী দেখে? তাহলে কি তাদের নেতারা/নেত্রীরা  ও এই মরণ খেলা উপভোগ করছে? হায়রে নিয়তী যেখানে বাংলাদেশ এগিয়ে চলছিল, একটা সুন্দর উন্নয়নের গন্তব্যে, সেখানে আজ আমরা সব কিছুকে পিছিয়ে দিচ্ছি, আমরা দেশটাকে পিছনে ঠেলে দিচ্ছি। তাই দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে বলতে হয়  “পোড়া গন্ধ কি তোমাদের এতই প্রিয়”? দেশটাকে তোমরা আর পুড়িওনা।

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: পোড়া গন্ধ কি এতই প্রিয়?

সতর্কবার্তা এড়িয়ে ক্রমাগত কপি পেষ্ট পোষ্ট করার জন্য আপনাকে সাময়িক নিষিদ্ধ করা হলো।