টপিকঃ দ্য বার্নিং ইস্যু - এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স , প্রেক্ষিত – বাংলাদেশ ।

লেখাটি পড়ার পর কপিপেষ্ট করে শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারলাম না। ।

http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/Perveen/10-2014/Perveen_5478889705433d60c8cff58.88579993_xlarge.jpg

প্রিয় পাঠক , গ্রাম্য মেয়ে রেণুর দুঃখের কথা শুনার আপনার কি একটু সময় হবে ? রেণুর প্রথম সন্তান যখন হাঁটি হাঁটি পা পা করে হাঁটতে শুরু করল , তখনি পানিতে পড়ে মরে গেল । সেই শোক কাটিয়ে উঠার জন্য ২য় সন্তান নিয়েছে । সন্তান ভূমিষ্ঠ হবার সময় হয়ে এসেছে । কয়েকদিন থেকে হালকা ব্যথা । তার স্বামী জেলে । মেঘনায় মাছ ধরতে গেছে । বাড়ি নাই ।



ব্য থা আছে কিন্তু বাচ্চা হচ্ছেনা কেন ? সে ডাক্তার ( ঔষধের দোকানদার ) কে খুলে বলল । ঔষধের দোকানদার তাকে ২ টি ঔষধ দিল । কিছুক্ষণ পর প্রায় মরণাপন্ন অবস্থাতে সে হাসপাতালে ভর্তি হল । প্রচণ্ড ব্যথা ।



নাহ ! জরায়ু ফেটে গিয়ে রেণু মারা যায় নি । তাকে বাঁচানো গেছে । কিন্তু মারা গেছে অন্যজন । পেটের সন্তানটি । প্রচণ্ড ব্যথা সহ্য করতে না পেরে বাচ্চাটি মারা গেছে ।



তার ছোট মৃতদেহটি দেখতে হলে অনেক মানসিক জোর লাগে । ছোট ফুটফুটে বাচ্চাটির কোঁকড়া কোঁকড়া চুল । নিষ্প্রাণ দেহ । পুতুলের মত বাচ্চাটি মারা গেছে বেশিক্ষণ হয়নি ।

আমি শোকে বিহ্বল হয়ে লেবার টেবিলের পাশে রাখা টুলে বসে পড়লাম । চোখের পানি সামলানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করতে লাগলাম ।



রেণু এখনো লেবার টেবিলের উপর । রেণুর চোখে পানি নাই । সে আমাকে দেখছে আর সে চিঁ চিঁ গলায় শুধু বলছে , আমি এটা কি করলাম , আমি এটা কি করলাম । আমি কেন ঔষধগুলো ব্যবহার করলাম ।



একজন প্রশিক্ষণ বিহীন ফার্মেসি দোকানদারের জ্ঞানের পরিধি কতটা এর একটা নমুনা দেয়ার জন্যই এই ঘটনার অবতারণা । সেই মর্ম বিদারক ছোট মৃত মুখটি আবার স্মরণ করা ।



টেবলেট মিসোপ্রোসটল ৪০০ মাইক্রোগ্রাম সে পূর্ণ গর্ভবতী মায়ের লেবার পেইন বাড়ার জন্য দেয় , ফলশ্রুতিতে মা প্রাণে বেঁচে গেলে ও মারা যায় বাচ্চাটি । আর পরপর দুটি সন্তান হারানোর কারণে রেণুর সংসার ভেঙ্গে যাওয়ার মত সামাজিক সমস্যার মুখোমুখি দাঁড়ায় । এর পর ও রেণুর কি হয়েছে আমি জানি । প্রাসঙ্গিকতা রক্ষায় এড়িয়ে গেলাম সে কাহিনী ।



এরকম প্রায় ২ লক্ষ ঔষধের দোকান আছে আমাদের । রেজিস্ট্রেশন ছাড়া । ১৬ কোটি মানুষের দেশে ১৬ কোটিই ডাক্তার । ঔষধের দোকানদার তো অনেক বড় ডাক্তার । আপনি আর আমি বাচ্চাটা মরে গেছে দেখতে পেলাম । মাও মারা যায় । অনেকে বেঁচেও যায় ।



কয়েকদিন আগেই ব্রোমাজিপাম নামের ৬০ টি ঔষধ খেয়ে সুললিত কণ্ঠের গায়িকা আত্মহত্যার অথবা তাঁর ভাষ্য মতে একটু নিদ্রা যাবার চেষ্টা করেন , শেষ পর্যন্ত চিরনিদ্রা থেকে তাঁকে ফিরিয়ে আনা গেছে । অথচ বিদেশ হলে এই ঔষধ কিনতে পারতেন না । আমাদের দেশে চাহিবামাত্র ক্রেতাকে যাবতীয় ঔষধই দিয়ে দেন বিক্রেতা ।



আসুন ঘটনার ভয়াবহতা আরও দেখি । যেটা আজকের পোস্টের মূল আলোচনা । বাচ্চা মরে গেছে চোখে দেখলেন , যত্রতত্র ভাবে মানুষ ঔষধ কিনছে তাও দেখলেন , কিন্তু একটা জিনিস চোখে দেখা যায়না । তা হল এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স ।



আমি নিশ্চিত , এই লেখার পাঠকদের মধ্যেও এমন কেউ নেই যে কখনো প্রেসক্রিপশন ছাড়া ঔষধের দোকান থেকে ঔষধ কিনে খাননি । এন্টিবায়োটিক ও তারা প্রেসক্রাইভ করে । খাও এক ডোজ , বা দুই ডোজ । তার পর কি । তার পর হল এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স । সবচেয়ে দামী এন্টিবায়োটিক , যা রেজিস্টার্ড ডাক্তার রাও কম ব্যবহার করেন , সেটাও ঔষধের দোকানদার দুইএক ভায়াল রোগীর গায়ে দিয়ে দেয় ।



তারা কি কোন অপরাধী ?

উত্তর – রেজিস্টার্ড ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্র ছাড়া বাংলাদেশে এন্টিবায়োটিক কিনে নেয়া নিষেধ নাই । ঔষধ প্রশাসন বলে একটা বিভাগ আছে সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তাদের এমন আইন সম্ভবত নাই ।



যারা বিদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার গুণগান করতে গলা ফাটান তারাও কিন্তু নিজেরা সরকারী ডাক্তারের কাছে ৫ টাকা দিয়ে প্রেসক্রিপশন করান না অথবা বেসরকারি ডাক্তারের কাছে ৩০০ টাকা ভিজিট দিয়ে প্রেসক্রিপশন নেন না ।

ঠিক ই এন্টিবায়োটিক কিনে নেন দোকানদারের পরামর্শ মত । এই যে এন্টিবায়োটিকের এত সহজলভ্যতার সাইড এফেক্ট বা ভয়াবহতা নিজেরা আঁচ করতে পারেন না । তাই হয়ত এ নিয়ে ভোক্তাশ্রেণী থেকে কখনো প্রতিবাদ ওঠেনা । কিন্তু শেষ পর্যন্ত এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্স এর জন্য অসুখ ভাল না হলে দেশি ডাক্তারের দোষ , হাসপাতালের দোষ ।



বিদেশে কিন্তু ওভার দা কাউন্টার ড্রাগ ছাড়া আর কোন ঔষধ প্রেসক্রিপশনের বাহিরে কেনা যায়না ।



“ নকল ঔষধ “



আমাদের গরীব জনগণ কিন্তু রেজিস্টার্ড ডাক্তার কে দেখিয়ে এলেও ছোকরা মত এম , বি, বি , এস ডাক্তার ঠিক ঠাক ঔষধ দিল কিনা দেখিয়ে নেয় দোকানদার কে । আর এই সুযোগে প্রেসক্রিপশন বদল হয়ে যায় ।

“ আরে নেন কোম্পানি ভিন্ন হইলেও ঔষধ একই “ । রোগী একই দাম দিয়ে নকল ঔষধ কিনে খায় । নকল ঔষধে ঔষধের পরিমাণ ঠিক মত থাকেনা , রেজিসটেন্স ডেভেলাপ করে । আবার নামী দামী কোম্পানির ঔষধ ও নকল হয়ে যায় ।



কয়েকদিন আগেই টিভিতে দেখলাম নাভানা নামের ঔষধ কোম্পানিতে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ হয়ে কাজ করত জগন্নাথ ভার্সিটি থেকে ম্যাথ এ মাস্টার্স করা এক যুবক । কিছু দিন পরে নিজেই পুরান ঢাকায় একটি রুম ভাড়া নিয়ে নিজেই শিশুদের এন্টিবায়োটিক এর নকল বের করে নাভানার মোড়কেই বোতল জাত করছে ।

পুলিশ তাকে আটক করেছে তার সরঞ্জাম সহ । সে মিটফোর্ড থেকে নকল ঔষধ তৈরির জিনিস পত্র কিনত আবার ঔষধগুলো তৈরি করেও মিটফোর্ডে বিক্রি করতো ।



আর এখন অন্যান্য ভাল ভাল কোম্পানির বিখ্যাত ঔষধগুলো যেগুলির উপর ডাক্তার রা চোখ বন্ধ করে আস্থা রাখতেন , তাও নকল হয়ে যাচ্ছে । ওগুলি এতই নিখুঁত, আমাদের দেশের নকল বাজদের প্রতিভা আছে বলতে হবে ; কেউ ধরতে পারেনা বাহির থেকে । আপনি ঔষধ খান আর ডাক্তারকে গালি দেন কি ঔষধ দিল । আবার ডাক্তার রাও অনেক সময় খুব বিপাকে পড়েন রোগী নিয়ে , রোগীকে কি ঔষধ দিবেন , সে তো সব গ্রুপের ঔষধই খেয়ে এসেছে ।
http://s3.amazonaws.com/somewherein/pictures/Perveen/10-2014/Perveen_7333727685433d7e6e32c67.21498664_xlarge.jpg
“ নিম্ন মানের ঔষধ আর মুনাফা লোভী ঔষধ কোম্পানি আর কিছু ঘুস খোর অমানুষ “



একজন ডাক্তার কি নিম্ন মানের ঔষধ লিখেন ? যেই ঔষধ ডাক্তার তার নিজে বা নিজের পরিবারকে খাওয়ানোর জন্য সিলেক্ট করবেননা সেই ঔষধ কিন্তু ঘুস , মাসিক মোটা অংকের টাকা , উপহার সামগ্রী দিয়ে লিখিয়ে নেয়া সম্ভব । তবে আমি বিশ্বাস করতে চাই এম, বি,বি,এস ডাক্তাররা এমন কাজ কখনো করবেন না । যদিও এ বিশ্বাস কত টাই বা কাজের। অসত মানুষ আছে সব প্রফেসনে।



কিছু দিন আগে কোন এক পত্রিকায় এসেছিল কোন কোন কোয়াককে কোন কোন ঔষধ কোম্পানি থেকে কত টাকা নিয়েছে । খবর টাকে একটু উলটে পরিবেশন করলে এমন হয় , কোন ঔষধ কোম্পানি তাদের লো কোয়ালিটির ঔষধ চালানোর জন্য কোন কোয়াককে কত ঘুস দিয়েছে । ঘুস দিয়ে একদুই ডোজ সেফট্রাএক্সন রোগীর গায়ে মেরে দিলেও তারা খুশি । সেল তো বাড়ল ।



ঔষধ কোম্পানি সবচেয়ে বেশি ঘুস বাণিজ্য করে থাকে ক্লিনিকের মালিকের সাথে । মোটা অংকের ঘুস দেয় নিজেদের ঔষধের বাজার ধরার জন্য । আর তখন আপনার ফিজিসিয়ান যেই ঔষধই লিখুক না কেন নার্স দেয়ার সময় ক্লিনিকের সরবরাহ করা ঔষধ টাই দিবে ।



এইসব নকল ঔষধ , ভেজাল ঔষধ দেখার দায়িত্বে কার সেই ঔষধ প্রশাসনের । কোয়ালিটি ঠিক মত আছে কিনা । আমাদের দেশে এগুলি দেখার কেউ নাই কারণ পর্যাপ্ত লোকবল নাই । কিন্তু সময় এসেছে সরকারের নড়েচড়ে বসার । এটা দেখা আমাদের বিবেকবান মানুষের জন্য অনেক পেইনফুল , অনেক কষ্ট করে যে টাকা জোগাড় করে ঔষধ কেনার জন্য সেটা বেনামী কোম্পানির আটা ময়দার গোল্লা ছাড়া আর কিছু থাকেনা ।



সরকারের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দিকে তাকালে দেখা যায় কমিউনিটি ক্লিনিকেও সাপ্লাই আছে এন্টিবায়োটিকের । সেখানে কোন রেজিস্টার্ড ডাক্তার এর পোস্ট নাই “ পেটে ব্যথা ? নে ঔষধ টা দুইবেলা খা ।“ কেন ভাই পেটে ব্যথা , অসুখটা কি তার কোন খবর নাই । সার্ভিস প্রোভাইডরা দিয়ে যাচ্ছেন এন্টিবায়োটিক ।

সরকার ৬ হাজার ডাক্তার নিয়োগ দেয়ার ফলে সাব সেন্টার পর্যন্ত পৌঁছে গেছে রেজিস্টার্ড এম ,বি,বি, এস । নিজ এলাকায় বেশির ভাগের পোস্টিং হওয়াতে কাজ করার জন্য নতুন জেনারেশনের এই ডাক্তারদের আগ্রহের সীমা নেই । টেবিল চেয়ার , ইলেক্ট্রিসিটি , বাসস্থান , নিরাপত্তা , নিজস্ব বেতন কাঠামো বহু কিছুর অভাব একদিন ঠিক করে দেবে এই সরকার , এই আশায় বুক বেঁধে তরুণ ডাক্তার রা কাজ করতে চায় ।



আমার মনে হয় ডাক্তারের অভাবে যে এন্টিবায়োটিক একদিন জীবন বাঁচানোর তাগিদেই সরকার কে ননমেডিকেল পারসন দের হাতে তুলে দিতে হয়েছিল , আবার জীবন বাঁচানোর তাগিদেই তা ফিরিয়ে নিয়ে রেজিস্টার্ড ডাক্তারের হাতে দেয়ার সময় এসে গেছে । প্রিভেন্টিভ মেডিসিন, যা অত্যন্ত গুরুত্ব পূর্ণ তা অন্যদের হাতে রাখা যায়।



গরীব জনগোষ্ঠীর ডাক্তারদের হাতে সবসময় কালচার সেন্সেটিভিটি নামের মূল্যবান টেস্ট করে ঔষধ দেয়ার সুযোগ কম । তার উপর এই টেস্ট করার ব্যবস্থাও সবজায়গায় নেই । তবুও শুধুমাত্র রেজিস্টার্ড ডাক্তারের হাতে এন্টিবায়োটিক ছেড়ে দিলে এর যথেচ্ছ , আণ্ডার ডোজ , ওভার ডোজ ট্রিটমেন্টের ঝুঁকি কমে ।



বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে । এই আশঙ্কা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারে জীবাণু ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে উঠছে। এতে অচিরেই খুব সাধারণ সংক্রমণ, সামান্য কাটাছেঁড়া থেকে মৃত্যু হবে মানুওষের। বিশ্বের ১১৪টি দেশ থেকে তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।
প্রতিবেদনে ‘অ্যান্টিবায়োটিক-পরবর্তী যুগ’ বলে একটি কথা ব্যবহার করা হয়েছে। বলা হয়েছে, খুব দ্রুত যদি এ ব্যাপারে ‘তাৎপর্যপূর্ণ’ উদ্যোগ না নেওয়া হয়, তাহলে বিপর্যয় এড়ানো অসম্ভব হয়ে উঠবে।



প্রতিবেদনে নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও রক্তের সংক্রমণের জন্য দায়ী সাতটি আলাদা ধরনের ব্যাকটেরিয়া নিয়ে গবেষণার তথ্য উপস্থাপন করা হয়।বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের রোগীদের ওপর দুটি প্রধান অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগ করে দেখা গেছে, এগুলো আর কাজ করছে না। এদের একটি কার্বাপেনেম। নিউমোনিয়া, রক্তে প্রদাহ ও নবজাতকদের দেহে প্রদাহের মতো রোগ নিরাময়ে এই অ্যান্টিবায়োটিকটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে।বলা হচ্ছে, এ ধরনের ওষুধ বেশি ব্যবহার করায় এবং রোগীরা ওষুধ ঠিকমতো না খাওয়ায় জীবাণু ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে উঠেছে।



কেজি ফুকুদা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহকারী মহাপরিচালক বলেন, ‘জরুরি ভিত্তিতে সবার সমন্বিত চেষ্টা দরকার। কারণ বিশ্ব এখন অ্যান্টিবায়োটিক পরবর্তী যুগে প্রবেশ করতে চলেছে। খুব সাধারণ সংক্রমণ, সামান্য কাটাছেঁড়া থেকে মানুষ মারা যাবে। অথচ শুধু অ্যান্টিবায়োটিক থাকায় এ রোগগুলো খুব সহজেই সারত বা সেরেছে এতকাল।





বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, একদিকে আরও নতুন নতুন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে সরকার ও সাধারণ মানুষের উচিত হবে অ্যান্টিবায়োটিকের সুচিন্তিত ব্যবহার নিশ্চিত করা।





সবশেষে সরকারের কাছে কিছু সুপারিশ ঃ

১) প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওভার দা কাউন্টার ড্রাগ ব্যতীত অন্যান্য ঔষধ এর বিক্রি বন্ধ করা ।

২) রেজিস্টার্ড ডাক্তার ছাড়া এন্টিবায়োটিক প্রেসক্রিপশন বন্ধ করা ।

৩) ঔষধ কোম্পানির ঔষধের গুনগত মান তদারকি করা ।

৪) ব্যাঙ্গের ছাতার মত ঔষধ কোম্পানি গজিয়ে ওঠা বন্ধ করা ।

৫) ব্যাঙ এর ছাতার মত ঔষধের দোকান গজিয়ে ওঠা বন্ধ করা যাদের প্রশিক্ষণ ও ড্রাগ লাইসেন্স নেই ।

৬) সরকারী প্যাথলজি ল্যাবে কালচার সেনসিটিভটি টেস্ট করার ব্যবস্থা রাখা ।

৭) নকল ঔষধ সনাক্ত করণের জন্য নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা

৮) নকল ঔষধ উৎপাদন , বাজার জাত আর সংরক্ষণকারীদের কঠোর শাস্তি প্রদান করা ।

৯) সবশেষে সরকারের হাতিয়ার এম, বি,বি,এস ডাক্তারদের জনগণের দ্বার গোড়ায় স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেবার জন্য তাদের কর্ম ক্ষেত্রের বিভিন্ন সমস্যা , বাসস্থানের সমস্যা , নিরাপত্তা , যাতায়াতের সমস্যা, আলাদা বেতন কাঠামো , প্রশিক্ষণ এর ব্যবস্থা করে সেবামূলক কাজে উৎসাহিত করা । আমার নিজের সেন্টারেই টেবিল চেয়ার লাইট ফ্যান, রোগীদেখার বেড কিছুই নাই। কিভাবে রোগী দেখব? নিরাপত্তাহীন তা তো আছেই। সরকারের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করি।

Re: দ্য বার্নিং ইস্যু - এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স , প্রেক্ষিত – বাংলাদেশ ।

আমরাও তো ফার্মেসীতে জিগ্যেস করে ওষুধ কিনি sad

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন amilee.2008 (০৯-১০-২০১৪ ২৩:৪৯)

Re: দ্য বার্নিং ইস্যু - এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স , প্রেক্ষিত – বাংলাদেশ ।

অ্যান্টিবায়োটিক এর ভয়াবহতা নিয়ে,  ১০ -১২ দিন আগে একটা নিউজ আসে এই সময় পত্রিকা তে,
IMA অর্থাৎ ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন এর তরফ থেকে।
তারা দেশ বাসীকে সাবধান বানী দেন।

আমি পুরোটাই কপি  করে দিলাম-

প্রবল জ্বর। ঠান্ডা লেগে গলা ব্যথা বা সর্দি। 'সর্ব ঘটে কাঁঠালি কলা'-র মতো প্রেসক্রিপশনে একটি বা দু'টি অ্যান্টিবায়োটিক বাঁধা ধরা। যে কোনও সংক্রামক রোগেই পাঁচটা অন্যান্য ওষুধের সঙ্গে থাকে একটি করে অ্যান্টিবায়োটিক।
ঘরে বসে ডাক্তারি করতে গিয়ে ছোটখাটো রোগে আপনিও হয়তো একটি অ্যান্টিবায়োটিক টপ করে খেয়ে নেন।
রোগও সেরে যায় চটজলদি।
সাময়িক ভাবে হয়ত সুস্থ হয়ে উঠলেন। মহা আনন্দ!
কিন্তু জানেন কি ওই জীবনদায়ী ওষুধটা আদপে আততায়ী।  hairpull hairpull
যতবার ওটা খাচ্ছেন, মৃত্যুকে কাছে ডাকছেন। অদূর ভবিষ্যতে এমন একটা দিন আসছে, যখন আপনার শরীরে কাজ করবে না আর কোনও ওষুধ।
হ্যাঁ, এমনই অশনিসঙ্কেতের কথা বলছে দ্য ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (আইএমএ)
কথায় কথায় অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার মারাত্মক ক্ষতির বিষয়ে দেশজুড়ে সচেতনতা অভিযানে নামছে আইএমএ।
রবিবার থেকেই এই অভিযান শুরু করছে চিকিত্সকদের সর্বভারতীয় সংগঠন।
শুধু সাধারণ মানুষকেই নয়, ডাক্তারদেরও প্রেসক্রিপশনে অযথা অ্যান্টিবায়োটিক এড়িয়ে যাওয়ার পরামর্শই দিচ্ছে
আইএমএ।
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অ্যান্টিবায়োটিক বিক্রি হয় ভারতে।।
তাই এখন থেকে সচেতন না-হলে বিপদ আসন্ন বলেই জানাচ্ছেন আইএমএ-র সদস্য চিকিত্সকরা।।

অ্যান্টিবায়োটিকে সমস্যা কোথায়?
এক্ষেত্রে চিকিত্সা বিজ্ঞানকেই দুষছে আইএমএ। চিকিত্সকদের বক্তব্য, অ্যান্টিবায়োটিক আসলে ব্যাক্টেরিয়া দমনে সাহায্য করে। কিন্তু ব্যাক্টেরিয়ার বৈশিষ্ট্য তো প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হচ্ছে। সেই তুলনায় নতুন অ্যান্টিবায়োটিক তো তৈরি করা হচ্ছে না। আইএমএ-র সাধারণ সম্পাদক নরেন্দ্র সাইনি-র কথায়, 'গত দু'শকে কোনও নতুন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করা হয়নি। তাই ওই পুরনো অ্যান্টিবায়োটিক থেকে নিজেদের রক্ষা করার পথ খুঁজে নিয়েছে। ব্যাক্টেরিয়া। খুব শিগগিরই এমন একট দিন আসছে, যেদিন সামান্য সংক্রমণও ভয়াবহ আকার নেবে।' পাশাপাশি অ্যান্টিবায়োটিক সম্পর্কে কিছু ডাক্তারের অজ্ঞতাকেও দায়ী করছেন একদল চিকিত্সক। আইএমএ-র উদ্যোগকে সাধাবাদ জানিয়ে ডাক্তার অনুপ মিশ্রের কথায়, ' অজ্ঞতার ফলে অধিক মাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক প্রেসক্রিপশনে লেখা আকছার হয়।'

দেশজুড়ে প্রত্যেকটি বড় শহরে ক্যাম্প করে অ্যান্টিবায়োটিকের কুপ্রভাব সম্পর্কে সচেতনতা শুরু করছে আইএমএ।

লিংক -
ei somoy

প্রজন্ম ফোরাম

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: দ্য বার্নিং ইস্যু - এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স , প্রেক্ষিত – বাংলাদেশ ।

"এই সময়" পত্রিকা দেখছি রংবাজ জী নিউজের কাগুজে সংস্করণ - একটি খবরকে অতিরিক্ত রং চড়িয়ে FUD বানানো এদের বৈশিষ্ট্য। ToI-তে বরং অনেক ব্যালেন্সড এবং তথ্যবহুল কাভারেজ এসেছে। এই সময়-এর "খবর"-এর ছিরি দেখে এই কমিক্সটি মনে পড়ে গেলোঃ
http://i.imgur.com/DhWX1tM.gif

আইএমএ-র সাধারণ সম্পাদক নরেন্দ্র সাইনি-র কথায়, 'গত দু'শকে কোনও নতুন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করা হয়নি। ...

আইএমএ-র সাধারণ সম্পাদক নরেন্দ্র সাইনি-র জ্ঞান একটু আপডেট করে নিলে ভালো হয়। এই উইকী লিংকে সমস্ত এ্যান্টিবায়োটিকের টাইমলাইন দেয়া হয়েছে। এমনকি এ বছরের প্রথম দিকে একাধিক নতুন ক্লাসের এ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেছিলেন গবেষকরা।

তবে এটা সত্যি - কার্যকরী নতুন এ্যান্টিবায়োটিক তৈরীর হার আশংকাজনকভাবে কমে আসছে। আমাদের ব্যবহৃত অনেক গুরুত্বপূর্ণ এ্যাণ্টিবায়োটিক-এর উৎস হলো ফাঙাস। দীর্ঘকাল ধরে ঔষধের জন্য মূলতঃ একই সোর্সের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকায় এখন টানাটানি আরম্ভ হয়েছে।

তবে ঈদানীং গবেষণায় ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করার বেশ কিছু অল্টারনেটিভ সোর্স/মেকানিজম আবিষ্কৃত হয়েছে। ওগুলো থেকে হয়তো নতুন ধরণের এ্যান্টিবায়োটিক আসতে পারে।

এ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স বিগত দশক ধরেই গুরুতর সমস্যা। সবচেয়ে বড় ক্ষতি করেছে কনজিউমার কোম্পানীগুলো। হাত ধোয়া বা স্নান করার জন্য এ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল সোপ, এ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল টুথপেস্ট, ঘর মোছার জন্য এ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ক্লীনার, মায় এ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ওয়েট-টিস্যু - যেখানেই চোখ দেবেন ডেটল, লাইফবয়, লাইজল-দের ছড়াছড়ি। পত্রিকাগুলো এদের ব্যাপারে খুবই নমনীয়, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সেবাদাস রিপোর্টাররা বিজ্ঞাপন হারানোর ভয়ে এদের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে সাহস পায় না। এ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্সের পেছনে সবদোষ শুধু ঔষধের roll

এ্যান্টিবায়োটিক এ্যাবিউজের ফলে যত না ক্ষতি হচ্ছে, তার চেয়ে বহুগুণ বেশি ক্ষতি হচ্ছে এসব কেমিকেল ব্যবহারে। কোটি কোটি গ্যালন তথাকথিত এ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রোডাক্ট প্রতিদিন সুয়ারেজের মাধ্যমে পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ছে। আমাদের দেশে এ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল প্রোডাক্ট ব্যবহারের হার অবশ্য তুলনামূলকভাবে কম।

তবে উন্নত দেশে এটা একটা গুরুতর সমস্যা। আমেরিকায় MDR (মাল্টি-ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট) ইনফেকশনে রোগীর মৃত্যুর হার আশংকাজনকভাবে বেড়ে যাচ্ছে।

সব মিলিয়ে বেশ খারাপ ভবিষ্যৎ অপেক্ষা করছে। শিগগীরই উত্তরণের পথ খুঁজে না পেলে গুরুতর সংকটে পড়বে মানবজাতী।

Calm... like a bomb.

Re: দ্য বার্নিং ইস্যু - এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স , প্রেক্ষিত – বাংলাদেশ ।

invarbrass লিখেছেন:

আইএমএ-র সাধারণ সম্পাদক নরেন্দ্র সাইনি-র জ্ঞান একটু আপডেট করে নিলে ভালো হয়। এই উইকী লিংকে সমস্ত এ্যান্টিবায়োটিকের টাইমলাইন দেয়া হয়েছে। এমনকি এ বছরের প্রথম দিকে একাধিক নতুন ক্লাসের এ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেছিলেন গবেষকরা।

লিস্টে নতুন গুলোর বেশীর ভাগই আসলে বেশ পুরোনো। এফডিএর গ্যাড়াকলে পরে মার্কেটে আসতে দেরী হয়েছে এই যা। অবস্থা আসলেই খারাপ। এর মুল কারন আমি বলব মেডিসিন/ডাক্তার প্রজাতীর ফান্ডামেন্টাল রিসার্সে অনিহা আর পয়সার প্রতি আগ্রহ! মেডিক্যাল প্রফেশন আগে ছিল সেবামুল... এখন শুধুই ব্যাবসায়িক। এফডিএ রুলস্‌ রেগুলেশন এবং ছোট কম্পানি এবং ব্যাক্তি পর্যায় পেটেন্ট করতে ভোগান্তির দরুন আজকাল তৃনমুল পর্যায়ে গবেশনা করে পয়সা কামানো প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। তাই ওপথ কেউ মাড়ায় না। আপনার কথাই ধরুন, কোথায় এন্টিব্যায়টিক নিয়ে গবেষনা করবেন... তা না করে প্রোগামিংএ মেতে আছেন  tongue_smile  এন্টিব্যায়টিক তো আর আকাশ থেকে পরবে না, কাউকে না কাউকে বানাতে হবে!

Re: দ্য বার্নিং ইস্যু - এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স , প্রেক্ষিত – বাংলাদেশ ।

এটাও ফেসবকের https://www.facebook.com/Medicalscience.bd/posts/265812470275910 কপি পেস্ট করা।

ঘটনা এক :

- ডাক্তার, আমার ছেলের কী হয়েছে?
- জ্বর হয়েছে।
- হে আল্লাহ এ কী অসুখ দিলা আমার ছেলেরে? কী পাপ করছিলাম আমি? আমার এখন কী হবে?
- যা হবার হয়ে গেছে। ছেলেকে বাড়িতে নিয়ে যান। যা খেতে চায় খাওয়ান। চেষ্টা করুন শেষক'টা দিন যাতে ভালো কাটে তার।

: ঘটনা দুই :

-আমার কী হয়েছে ডক্টর?
আপনার হাতে ফোঁড়া হয়েছে।
- হোয়াট? আর ইউ শিউর?
- ইয়েস।
- সিংগাপুর নাকি মাদ্রাজ, কোথায় ট্রিটমেন্ট নেবো এখন?
- আই অ্যাম এক্সট্রিমলি সরি। কোথাও আপনার রোগের ট্রিটমেন্ট আর পসিবল না। আল্লাহকে ডাকুন।

জানি, কিছুটা অবিশ্বাস্য শোনাচ্ছে উপরের ঘটনাগুলো। কিন্তু আমরা সকলেই মনে হয় খুব দ্রুত এরকম ঘটনার চরিত্র হতে যাচ্ছি। সামান্য সর্দি কাশি হবে, হাত পা কাটবে, আমাদের জ্বর উঠবে তারপর আমরা টুপ করে মরে যাবো। কোনো এন্টিবায়োটিকই আর কাজ করবেনা।

এন্টিবায়োটিক আবিষ্কার করেছিলেন আলেকজান্ডার ফ্লেমিং। ফ্লেমিং বলেছিলেন, 'এই এন্টিবায়োটিকের কারণে আজ কোটি কোটি লোক বেঁচে যাবে। অনেক বছর পর এগুলো আর কাজ করবেনা। তুচ্ছ কারণে কোটি কোটি লোক মারা যাবে আবার।'

বাড়িতে এসেছি গতকাল। আজ এক আত্মিয়ের 'কালচার এন্ড সেনসিটিভিটি' রিপোর্ট দেখে বুঝলাম, কোটি কোটি লোক মরে যাবার সময় বোধ হয় এসে গেছে। মাত্র কয়েকটা ছাড়া আর কোনো এন্টিবায়োটিকই ঐ আত্মিয়ের শরীরে কাজ করেনা!
কী ভয়ংকর একটা ব্যাপার!

আত্মীয়কে জিজ্ঞেস করলাম, 'এর আগে ওষুধ টষুধ খেয়েছিলেন?'
বললেন, 'ফার্মেসি থেকে প্রায়ই এনে খাই।'

এই 'ফার্মেসি থেকে এনে খাওয়াটা'ই হলো সর্বনাশের মূল।
এন্টিবায়োটিক খাওয়ার কিছু নিয়ম আছে। একটা নির্দিষ্ট ডোজে, একটা নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত এন্টিবায়োটিক খেতে হয়। না খেলে যেটা হতে পারে সেটাকে বলা হয় 'এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স'।

নিজেও বুঝি কম। যেটুকু বুঝি, সহজ করে বলার চেষ্টা করি।

ধরি, আমার দেহে এক লক্ষ ব্যাকটেরিয়া আছে। এগুলোকে মারার জন্য আমার ১০টা এম্পিসিলিন খাওয়া দরকার। এম্পিসিলিন এক প্রকার এন্টিবায়োটিক। খেলাম আমি ৭ টা। ব্যাকটেরিয়া মরলো ৭০ হাজার এবং আমি সুস্থ্য হয়ে গেলাম।
কিন্তু ৩০ হাজার ব্যাকটেরিয়া কিন্তু রয়েই গেলো। এগুলো শরীরে ঘাপটি মেরে বসে জটিল এক কান্ড করলো নিজেরা নিজেরা।
তারা ভাবলো, যেহেতু এম্পিসিলিন দিয়ে আমাদের ৭০ হাজার ভাইকে হত্যা করা হয়েছে অতএব আমাদেরকে এম্পিসিলিন প্রুফ জ্যাকেট পরতে হবে এবার। প্ল্যান করে থেমে থাকেনা এরা, বরং সত্যি সত্যি জ্যাকেট তৈরি করে ফেলে এই ব্যাকটেরিয়াগুলো। এরা বাচ্চাকাচ্চাও পয়দা করে একই সময়ে। বাচ্চাদেরকেও সেই জ্যাকেট পরিয়ে দেয়।
এর ফলে যেটা হয়, পরেরবার এম্পিসিলিন নামক এন্টিবায়োটিকটা আর কাজ করেনা।

সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হচ্ছে, জ্যাকেট পরা ব্যাকটেরিয়াগুলো কেবল ঐ ব্যাক্তির শরীরেই বসে থাকেনা। তিনি হাঁচি দেন, কাশী দেন, ব্যাকটেরিয়াগুলো ছড়িয়ে পড়ে পুরো এলাকায়। একসময় পুরো এলাকায়ই আর এন্টিবায়োটিক কাজ করেনা। যারা খুব নিয়ম করে ওষুধ খান তারাও বিপদে পড়ে যান সবার সাথে।

আমরা খুব ভয়ংকর একটা সময়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি দ্রুত। এন্টিবায়োটিকের সংখ্যা এত কম যে কেউ মাত্র একদিন বসলেই সবগুলোর নাম মুখস্ত করে ফেলতে পারবে।
অনেক এন্টিবায়োটিক এখন আর কাজ করেনা, বাকিগুলোর ক্ষমতাও কমে আসছে দ্রুত। আমাদের বড় বড় হসপিটাল থাকবে, সেখানে এফসিপিএস, এমডি, পিএইচডি করা ডাক্তাররা থাকবেন কিন্তু কারোরই কিছু করার থাকবেনা। সামান্য সর্দীতেই রোগী মরে সাফ হয়ে যাবে।

টিভি পত্রিকায় নানান বিষয়ে মানুষকে সচেতন করা হয়।
বাথরুম করে হাত ধুতে হবে, কাশি হলে ডাক্তার দেখাতে হবে, নিরাপদ পানি খেতে হবে ইত্যাদি ইত্যাদি। কিন্তু এন্টিবায়োটিক নিয়ে কোনো কিছু আজও চোখে পড়েনি। অথচ এটা অন্যগুলোর চেয়েও জরুরী। এন্টিবায়োটিক কাজ না করলে এত সচেতনতা দিয়েও আর লাভ হবেনা।

চিকিৎসা ব্যাবস্থার সাথে যারা জড়িত তাদেরকে এখনই ব্যাপারটা নিয়ে ভাবা উচিত। ফার্মেসিওয়ালা কর্তৃক ওষুধ দেয়া বন্ধ করতে হবে, এন্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। নাহলে আমাদের ভবিষ্যত অন্ধকার।

তোমাকে ভালবাসি, তোমারই চরণে ঠাঁই,
মা,
তোমার ভালবাসার কোন তুলনা নাই।

Re: দ্য বার্নিং ইস্যু - এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স , প্রেক্ষিত – বাংলাদেশ ।

Future - Nanotechnology: Robots fighting with bacteria with machine guns wink

সারিম'এর ওয়েবসাইট

লেখাটি CC by-nc-sa 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: দ্য বার্নিং ইস্যু - এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স , প্রেক্ষিত – বাংলাদেশ ।

ভয়ংকর ব্যাপার স্যাপার। সামনে অন্ধকার..........

আলহামদুলিল্লাহ!

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (১০-১০-২০১৪ ১৬:৩৭)

Re: দ্য বার্নিং ইস্যু - এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স , প্রেক্ষিত – বাংলাদেশ ।

সদস্য_১ লিখেছেন:

লিস্টে নতুন গুলোর বেশীর ভাগই আসলে বেশ পুরোনো। এফডিএর গ্যাড়াকলে পরে মার্কেটে আসতে দেরী হয়েছে এই যা। অবস্থা আসলেই খারাপ।

Doesn't matter. যতক্ষণ পর্যন্ত না ড্রাগগুলো ম্যাস-প্রোডাক্সনে যাচ্ছে, ওয়াইডলী সার্কুলেটেড হচ্ছে - ওয়াইল্ড মাইক্রোবস-রা কেমিকেলটির সংস্পর্শে আসছে না, ফলে রেজিস্ট্যান্সও তৈরী করার সুযোগ পাবে না। কাজেই, প্র্যাকটিকালী ড্রাগটি ৫ নাকি ৫০ বছর আগে আবিষ্কৃত তা খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয় - ফ্যাক্টর হলো মলিকিউল-টার ওয়াইড সার্কুলেশন কখন থেকে শুরু হয়েছে।

তাছাড়া এমনিতেই একটা ড্রাগ কেমিস্টের টেস্টটিউব থেকে বের হয়ে হাসপাতালে রোগীর হাতে পৌঁছাতে পৌঁছাতে গড়ে ৪ - ৮ বছর বা আরো বেশি সময় লাগে। ডাক্তারের হাতে পৌঁছানোর আগেই ড্রাগটিকে FDA-র ৫ স্তরের কঠোর পৃ-ক্লিনিকাল ও ক্লিনিকাল ট্রায়ালের মধ্য দিয়ে নিজেকে প্রমাণ করতে হয় (unlike alt. medicine where ganja induced psychosis can produce bogus "medicines" on a daily basis  hmm ) এর পরেও আছে ফেইজ ৪ পোস্টমার্কেটিং ট্রায়াল - মার্কেটে ছাড়ার পরেও ড্রাগটির সঠিক ব্যবহার হচ্ছে কিনা ইত্যাদি মনিটর করে। এর সাথে আবার ঈদানীং যুক্ত হয়েছে ফেইজ ৫ ট্রান্সলেটিভ রিসার্চ... (এটা ঠিক কি বস্তু তা আমি নিজেই পরিষ্কার নই)

এখানে উইকী থেকে ড্রাগ ডেভেলপমেণ্টের টাইমলাইনঃ
http://i.imgur.com/y7AoVFX.jpg

সদস্য_১ লিখেছেন:

এর মুল কারন আমি বলব মেডিসিন/ডাক্তার প্রজাতীর ফান্ডামেন্টাল রিসার্সে অনিহা আর পয়সার প্রতি আগ্রহ!

সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। ফাণ্ডামেন্টাল ড্রাগ আবিষ্কার মোটেই ডাক্তার প্রজাতীর দায়িত্ব না। তবে ড্রাগ ডেভেলপমেণ্টের বিভিন্ন পর্যায়ে তারা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ড্রাগ ডেভেলপমেণ্টের প্রসেসটা কোনো আইসোলেটেড মেডিকাল সাবজেক্ট না, এটা মাল্টি-ডিসিপ্লিনারী উদ্যোগ যাতে অনেকগুলো ফিল্ডের লোকজন যৌথভাবে কাজ করেন। রোগীর চিকিৎসা বাদ দিয়ে যদি ডাক্তাররা সবাই ল্যাবে বসে গিনিপিগ, বানর আর ইঁদুরের ওপর NCE বানানো নিয়ে ব্যস্ত থাকতেন তবে পৃথিবীর অর্ধেক জনসংখ্যা মরে ভূত হয়ে যেতো। lol

পৃ-ক্লিনিকাল স্টেইজে নতুন মলিকিউল আবিষ্কার ও তার উপর গবেষণা করার দায়িত্ব ফার্মাকলোজিস্ট, বায়োকেমিস্ট, মাইক্রোবায়োলজিস্ট ইত্যাদি ফিল্ডের প্র্যাকটিশনারদের। সবই যদি ডাক্তারদের করতে হতো তবে এতোগুলো সাবজেক্ট তৈরীর দরকার হতো না। ল্যাবে বুরেট-পিপেট-বুনসেন-সেন্ট্রিফিউজ-মাইক্রোস্কপ-ক্রোমাটোগ্রাফ নিয়ে ড্রাগটির এ্যাকটিভ মলিকিউল (NCE) আবিষ্কার/ডেভেলপ করেন এই স্পেশালিস্টরাই। মলিকিউলটির কেমিকাল স্ট্রাকচার, স্টেবিলিটি, সলিউবিলিটি ইত্যাদি ফিজিওকেমিস্ট্রি তারাই গবেষণা করে বের করেন। ল্যাব এ্যানিমেলসদের ওপর NCE অণুটির pharmacokinetics, pharmacodynamics, drug metabolism, toxicity ইত্যাদি গবেষণা তারাই করেন। ড্রাগটি মানুষের শরীরে কিভাবে দেয়া হবে (cap/tab, inj., aerosol etc.), initial dosing ইত্যাদি ওরাই গবেষণা করে নির্নয় করেন। এ অব্ধি ব্যাপারগুলো বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট ফিল্ডের স্পেশালিস্টদের কাজ - এই পর্যায়ে মেডিকেল লোকদের বেশি কিছু করার নেই। মার্সেডিজ গাড়ীর এঞ্জিন নষ্ট হয়ে গেলে যেমন রিক্সার মেকানিক ডাকব‌ো না, তেমনি হাসপাতাল থেকে কাউকে উঠিয়ে এনে বায়োটেক ল্যাবে বসিয়ে দিলেই কাজ আগাবে না (যদি না লোকগুলোর সংশ্লিষ্ট একাধিক সাবজেক্টে গ্র্যাজুয়েশন করা থাকে)

একাধিক ডিসিপ্লিনের গবেষকরা প্রাথমিক বিষয়গুলো রেডী করার পরে এফডিএ অনুমতি দিলেই ক্লিনিকাল ডাক্তারদের হাতে যায় ড্রাগগুলো। ২য় ফেইজ থেকে ক্লিনিকাল ট্রায়াল শুরু হয়। প্রথম দিকে ২০-৫০ জন রোগীর ওপর ড্রাগটি প্রয়োগ করে আসলেই কার্যকরী কিনা, মলিকিউলটি শরীরের জন্য নিরাপদ কিনা, কি কি ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে, কি কি বেনিফিশিয়াল সাইড ইফেক্ট হচ্ছে, ড্রাগ ডোজিং কত করলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যাবে ইত্যাদি বিষয় গবেষণা করা হয়। ড্রাগটি ফেইজ ১ সফলভাবে উতরে গেলে পরবর্তী স্তরগুলোতে ধীরে ধীরে গবেষণার আয়তন, আওতা বাড়ানো হয় - ৩য় ফেইজে সম্ভবতঃ ২০০/৩০০ রোগীর ওপর ড্রাগটি প্রয়োগ করে পরীক্ষা করা হয়, ড্রাগ ডোজিং ও অন্যান্য খুঁটিনাটি বিষয় সমাধান করা হয়। এর পরে ৪র্থ ফেইজঃ এটা মোটামুটি ড্রাগের রিলিজ ক্যাণ্ডিডেট এডিশন। ৩/৪,০০০ রোগীকে ঔষধটি দিয়ে গবেষণা করা হয় - এই ফেইজেই ফাইনাল প্রডাকশনের জন্য ড্রাগটির বিভিন্ন রেজিমেন চূড়ান্ত করা হয়। তার পরেই ড্রাগটি মার্কেটে আসার অনুমতি পায়।

দেখা যাচ্ছে, পুরো প্রক্রিয়া জুড়ে গবেষণার আওতা বা স্যাম্পল সাইয নিয়ন্ত্রিত এবং লিমিটেড - এসব বিষয়গুলো নির্ধারণ করে এফডিএ-র কমিটিগুলো। অতএব, এই ধারণাটি ভুল যে ডাক্তাররা শুধু পয়সা কামানোর তালে গবেষণা থেকে দূরে থাকে। সবাই তো আর লাসভেগাস প্লাস্টিক সার্জন না। মূল কারণ হলোঃ অন-ট্রায়াল ড্রাগের লিমিটেড এ্যাভেইলিবিলিটি - এফডিএ-র কমিটিগুলো রেশনিং করে ঠিক করে কাকে কাকে গবেষণার দায়িত্ব দেবে। বরং ক্লিনিকাল ট্রায়ালে অংশগ্রহণ করার জন্য ডাক্তাররা মুখিয়ে থাকে - খুব অল্প সংখ্যক লোকের ভাগ্যেই এই সৌভাগ্য জোটে। টিভি প্রোগ্রামে তো হরদম দেখায় যে নতুন কোনো চিকিৎসা পদ্ধতির ট্রায়াল চলছে, একজন মরণাপন্ন রোগী সৌভাগ্যবশতঃ নির্বাচিত হয় এবং পরিশেষে তার জীবন বাঁচে - ডাক্তারদের অবস্থাও ওই রোগীদের থেকে খুব একটা ভালো নয়। পুরো প্রক্রিয়াটিই একটি rigorously controlled process-এর মধ্য দিয়ে চলছে। কাজেই ইচ্ছা হলেই আমি গতরাতে টেস্টটিউবে মলিকিউল X তৈরী করে আজ সকালে ১০,০০০ ডাক্তারকে নিয়োগ দেবো ড্রাগ রিসার্চের জন্য - ব্যাপারটি মোটেই এমন নয়।

ডেলী থেকে সুন্দর ও মুখরোচক কেক বা পেস্ট্রী কেনার সময় আমরা নিশ্চয়ই আশা করবো না যে বেকার নিজে গ্রামে গিয়ে মাথার ঘাম পায়ে ফেলে ক্ষেতে চাষ করে ফসল ফলিয়ে, ওই ফসল নিজের মেশিনে মাড়াই করে, গ্রাম থেকে ট্রাক চালিয়ে শহরে এনে, প্যাকেজিং করে তারপর কেক বানিয়েছে। ক্ষেতের গম থেকে মুখের কেক-এর পরিণত হবার জন্য প্রচুর স্টেজ পার করতে হয়েছে। ডাক্তারদের মাধ্যমে আমরা ঔষধের প্রেসক্রিপশন পাই মানেই ধরে নেয়া ভুল হবে ডাক্তাররা ওই ঔষধ বানিয়েছেন। প্রতিটি পিলের পেছনে অজস্র ক্ষেত্রের অসংখ্য মানুষের অপরিসীম পরিশ্রম, মেধা জড়িত আছে। প্রশংসা করলে সকলকেই দেয়া উচিৎ। সমালোচনা করলে তার দায়ভারও সকলের পাওয়া উচিৎ।

তাছাড়া, স্পেসিফিকালী আমেরিকান ডাক্তাররা টাকা লোভী এটা আরো বেশী অফেন্সিভ। আমার জানামতে আমেরিকান এমডিরা গাধার খাটনী খাটে - অন্য যেকোনো দেশের চিকিৎসকদের তুলনায় তাদের বেশি কষ্ট করতে হয়। রেসিডেন্সী করার সময় তাদের টানা ৩৬ ঘন্টা ডিউটি করতে হয়। টানা ১০-১২ বছর ধরে কলুর বলদের মতো এদের খাটতে হয়। বিশাল পরিমাণ স্টুডেণ্ট লোন চুকাতে চুকাতে এদের জীবনের সেরা সময়টুকু চলে যায়। ৪০-৪২ বছর বয়সে তারা ডিপার্টমেন্টের কোনো সম্মানজনক পদে থিতু হতে পারে। পাবলিক শুধু দেখে আমেরিকান ডাক্তারদের বাৎসরিক ইনকাম ৪-৫ লাখ ডলার - কিন্তু যে পরিমাণ সার্ভিস তাদের থেকে আদায় করা হয় তার তুলনায় কিছুই না। টানা ৩৬-৪০ ঘন্টা না ঘুমিয়ে অমানুষিক পরিশ্রম শেষে বাড়ী ফেরার পথে আর কোন পেশার লোকজন আমেরিকান ডাক্তারদের মতো রোড ট্রাফিক এ্যাক্সিডেণ্টে আহত/নিহত হয় স্ট্যাটিস্টিকস নিয়েই দেখুন না...

সদস্য_১ লিখেছেন:

মেডিক্যাল প্রফেশন আগে ছিল সেবামুল... এখন শুধুই ব্যাবসায়িক।

lol ড্রাগ আর&ডি-র সত্যিকারের দায়িত্ব যাদের, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফার্মাকলোজী কোম্পানীগুলো নিশ্চয়ই দানছত্র খুলে বসে নি? ওরা বছরের পর বছর বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে এক একটি ড্রাগ ডেভেলপ করার পেছনে, কাজেই শুধুমাত্র লাভজনক মেডিসিনেই ওরা পয়সা ঢালবে এটা (সাধারণ মানুষের কাছে অকাঙক্ষিত হলেও) একটি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য অস্বাভাবিক বিষয় নয়। ভারত সরকার খুব সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছিলো অত্যধিক দানী ক্যান্সার ড্রাগগুলোর শস্তা জেনেরিক ভার্সন তৈরীর অনুমতি প্রদান করে। আবার এটাও সত্যি - ওই কেরামতী পুনরায় রিপিট করতে গেলো বাড়াবাড়ি হয়ে যাবে। ফাইজার, গ্ল্যাক্সো, মার্ক ইত্যাদি কোম্পানীগুলো শতশত কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে একটি উন্নয়নশীল দেশের হাতে জিম্মি হবার জন্য নয়।

সদস্য_১ লিখেছেন:

এফডিএ রুলস্‌ রেগুলেশন এবং ছোট কম্পানি এবং ব্যাক্তি পর্যায় পেটেন্ট করতে ভোগান্তির দরুন আজকাল তৃনমুল পর্যায়ে গবেশনা করে পয়সা কামানো প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। তাই ওপথ কেউ মাড়ায় না।

ইবোলা আবিষ্কৃত হয়েছিলো বহু দশক আগে - কিন্তু গবেষণা চলেছে ঢিমেতালে। এখন ওই ভাইরাসটি আফ্রিকা ছেড়ে অন্য মহাদেশে পাড়ি দিচ্ছে - এবার দেখুন কি জোর গতিতে রিসার্চ চলছে! ইতিমধ্যেই অনেকগুলো থেরাপী এফডিএ বেশ কিছু লাইন অব টৃটমেণ্ট ফাস্টট্র্যাক করে লিমিটেড ক্লিনিকাল ট্রায়ালের জন্য ক্লিয়ারেন্স দিয়ে দিয়েছে - এর মধ্যে কয়েকটা ড্রাগ ইফেক্টিভ বলে ইনিশিয়ালী প্রমাণিত হয়েছে। এই যে অসংখ্য বায়োটেক কোম্পানীগুলো এত বছর ধরে গাঁটের পয়সা খরচ করে ইবোলা-র প্রতিষেধক তৈরী করেছে, ইনভেস্টমেণ্টের সিকিভাগও এখনো তুলে আনতে পারে নি; কিন্তু ইমার্জেন্সী অবস্থার কারণে ঠিকই নিজেদের কষ্টের আবিষ্কার দান করে দিয়েছে - এটাকে কি বলবেন?

সদস্য_১ লিখেছেন:

আপনার কথাই ধরুন, কোথায় এন্টিব্যায়টিক নিয়ে গবেষনা করবেন... তা না করে প্রোগামিংএ মেতে আছেন  tongue_smile  এন্টিব্যায়টিক তো আর আকাশ থেকে পরবে না, কাউকে না কাউকে বানাতে হবে!

প্রোগ্রামিং নিয়ে মেতে থাকলেও আপাততঃ লাইনের মানুষ হিসাবেই রয়ে গেছি sad আমার কাজের ক্ষেত্র মূলতঃ মেডিকেল আইটি। বহুদিন পরে দেখা হলে মেডিকেল লাইফের বন্ধুরা ইনভ্যারিয়েবলী যে প্রশ্নটা করে, যার উত্তর দিতে দিতে মুখ ব্যাথা হয়ে গেছে, আপাততঃ ওটাই ডাম্প করিঃ  tongue প্রায় ৫/৬ বছর আগে দেশের প্রথম, পায়োনীয়ারিং টেলিরেডিওলজী কোম্পানী হিসাবে আমরা শুরু করেছিলাম। আমাদের প্রথম এবং এখনো মূল ক্লায়েন্ট চিটাগং-এর একটি নামকরা ল্যাবের ব্যাপারে বলি। তখন এই শহরে এমআরআই স্পেশালিস্টের সংখ্যা ছিলো হাতেগোণা (বর্তমানে বেশ কয়েকজন আছেন), রিপোর্টিং কোয়ালিটিও আশানুরূপ ছিলো না। ল্যাবটি প্রতিদিন ১০/১৫টি রোগীর স্ক্যান করা এমআরআই, সিটি ইত্যাদির ফিল্ম কুরিয়ার করে ঢাকায় পাঠাতো। ঢাকার অমানুষিক ব্যস্ত রেডিওলজিস্ট ওই ফিল্ম হাতে ধরার সুযোগ পেতেন ২য় বা ৩য় দিনের শেষে - তাঁরা বাইরের কেইসগুলো ধরতেন ঢাকার সমস্ত কাজ শেষ করার পর, প্রায় ক্ষেত্রেই অনেক রাত হয়ে যেতো। বলাই বাহূল্য সারাদিন ১২-১৪ ঘন্টা একজন মানুষ কাজ করার পর তার কনসেন্ট্রেশন লেভেল কোথায় থাকে, ফলে রিপোর্টের কোয়ালিটিতেও তার প্রভাব পড়তে বাধ্য। donttell যাকগে, সবঘাট ঘোরা শেষ হলে রিপোর্টটি কুরিয়ারে করে চিটাগং-এর ল্যাবে ফেরত আসতো ৪র্থ বা ৫ম দিনে। অর্থাৎ, আজ সকালে দামী পরীক্ষাটি করালে রিপোর্ট পাবেন সপ্তাহের শেষের দিকে। দুঃখজনকভাবে, আপনি যদি কোনো ইমার্জেন্সী কেসের মৃত্যুপথযাত্রী রোগী হন অবিলম্বে যার চিকিৎসা শুরু করার জন্য খুব দ্রুত রিপোর্ট পাওয়া জরুরী এবং রিপোর্টের অভাবে চিকিৎসা শুরুই করা যাচ্ছে না, তবে আপনার বাঁচার আশা না করাই ভালো....  thumbs_down
আমরা শুরু করার পরে অবস্থা বেলালুম পাল্টে গেছে। এখন পরীক্ষার পরদিনই রিপোর্ট ডেলিভার করতে পারে ল্যাবটি। (আমরা আগে ৪-৬ ঘন্টায় রিপোর্টিং কর ফেলতাম - তবে কেসলোড বেড়ে যাবার পরে একটু স্লো হয়ে গেছে sad ) এছাড়া অনেক সময় ইমার্জেন্সী কেইসে ৪৫ মিনিটের মধ্যেই আমরা স্ট্যাট রিপোর্ট দেই। প্রায় প্রতি সপ্তাহে একাধিক ক্রিটিকালী অসুস্থ, মরণাপন্ন রোগী দেখি যারা কয়েক বছর আগে সঠিক রোগ নির্ণয়ে দেরী হবার কারণে সুচিকিৎসার অভাবে হয়তো মারাই যেতো অথবা বাকী জীবন পুওর কোয়ালিটি অব লাইফ নিয়ে কাটাতে বাধ্য হতো। এখন এরা অনেকেই দ্রুত প্রপার ডায়াগনোসিস পেয়ে সঠিক চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ হয়ে উঠছে, অন্ততঃ বড় ফাঁড়া কাটিয়ে উঠছে। কন্ট্রিবিউশন হিসাবে এটাই বা কম কি?

আমাদের নিজস্ব রেডিওলজিস্ট প্যানেল তো আছেই, অনেক সময় ওই ল্যাবটির নিজস্ব ডাক্তাররাও ট্রেনিং বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে দেশের বাইরে যান - প্রায় প্রতি বছর তাঁরা ইউএসএ, চায়না, ইন্ডিয়া, ইউকে ইত্যাদি দেশ থেকে আমাদের টেকনলজী ব্যবহার করে রিপোর্টিং করেন। the show must go on...

অথচ ব্যবসায়িক দিক দিয়ে আমাদের প্রযেক্টটা utter disaster! প্রায় কোটী টাকা বিনিয়োগ করে একটি ভারতীয় কোম্পানী থেকে টেকনোলজী কিনেছিলাম। প্রথমদিকে আবুল #১ ছিলাম - নতুন টেকনলজী দেখে খুব ইম্প্রেসিভ মনে হয়েছিলো। কিন্তু কয়েক বছর প্র্যাক্টিকালী ব্যবহার করতে করতে প্রচুর লিমিটেশন খুঁজে পেয়েছি - তাই গত কয়েকবছর ধরে ধীরে ধীরে বিভিন্ন কম্পোনেন্টগুল‌ো রিপ্লেস করছি। আগামী মাস তিনেকের মধ্যে পুরো স্ট্যাক-টাই নিজের তৈরী সফটওয়্যার দিয়ে রান করতে সক্ষম হবো। গাঁটের পয়সা খরচ করে সিঙাপুরে কোম্পানী ফর্ম করেছি, টানা ৩ বছর সিঙাপুর অফিস মেনটেইন করেছি - এই বিনিয়োগের সিংহভাগই ওঠাতে পারি নি। আমার পার্টনার উত্তর ও দক্ষিণ বঙ্গ চষে বেড়িয়েছে। আমি নিজেও বহু জায়গায় গিয়েছি। সব জায়গায় ডাক্তারদের, এমনকি মেডিকেল টেকনিশিয়ানদেরও প্রচণ্ড আগ্রহ দেখেছি - কিন্তু আল্টিমেটলী ডীল ব্লক করেছে ক্লিনিকের মালিকপক্ষ  (যাদের সিংহভাগই নন-মেডিকেল - কাপড়-চোপড়-মশলা-সাবান ইত্যাদি বিভিন্ন ব্যবসার পাশাপাশি ক্লিনিকগুলোও টাকা বানানোর মেশিন)। তাঁরা পিয়ন মারফত রোদবৃষ্টিঝড়ের মধ্যে এক্সরে, সিটি ফিল্ম পাঠান ডাক্তারদের কাছে, অথচ রোগীর কল্যাণে ৫ টাকা বাড়তি খরচ করতে রাজি নন। প্রথম কয়েক বছর প্রচুর দৌড়াদৌড়ি করেছিলাম - তবে মোটের ওপর ফলাফল প্রায় শূন্য। রোগী রাজী, টেকনিশিয়ান রাজী, ডাক্তার রাজী - শুধু মালিকপক্ষের এ্যাকাউন্টেন্ট বাদ সাধছে।

টানা কয়েক বছর প্রচুর এফোর্ট দিয়েছিলাম এই কোম্পানীর পেছনে - ফলাফল প্রায় যিরোর কাছাকাছি। প্রথমদিকে অবাস্তব একটা স্বপ্ন ছিলো পুরো দেশের রেডিওলজিস্টদের একই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে এসে সারা দেশের রোগীদের মধ্যে উন্নত সেবা ছড়িয়ে দিতে পারবো - নীলফামারীর প্রত্যন্ত গ্রামের একজন দরিদ্র কৃষক কুমিল্লা বা ঢাকার মিড লেভেলের ডাক্তারের রিপোর্ট পেয়ে সঠিক ডায়াগনোসিস পাবে। একজন তরুণ কোয়ালিফাইড ডাক্তার হয়তো সিলেট কিংবা রংপুরের কোনো বিভাগীয় হাসপাতালে বদলী হয়ে বসে বসে মাছি মারছে - তাকে যদি সারা দেশ থেকে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কেইস এনে দেয়া যায় তাহলে যেমন সেও উপকৃত হবে, তেমনি প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও সঠিক চিকিৎসা পাবে। পরে দেখেছি সবই বুলশি* ফ্যাণ্টাসী ছিলো। রোগী ভুল ডায়াগনোসিস পাক, দেরীতে সার্ভিস পাক সমস্যা নেই, কিন্তু মালিকদের ২/৫ টাকা খরচ বেশি হয়ে গেলেই মহাভারত অশুদ্ধ!

প্রথম দিকে কিছু ক্লিনিক অবশ্য ক্লায়েন্ট হিসাবে পেয়েছিলাম - অধিকাংশই বাদ দিয়ে দিয়েছি বিলিং নিয়ে ধানাইপানাই করার কারণে। কোটি টাকা খরচ করে তারা নতুন নতুন ইকুইপমেন্ট কিনতে পারে, কিন্তু মাসশেষে ডাক্তারদের রিপোর্টিং ফী দেয়ার সময় হলেই ধানাইপানাই শুরু হয়ে যায়। এখন খুব হাতে গোণা কয়েকটি ক্লিনিকের সাথে ট্যাগড হয়ে রয়েছি - এরাও অনেকসময় বিলিং নিয়ে ঝামেলা করে। মূলতঃ হিউম্যানিট্যারিয়ান গ্রাউণ্ডে আমরা প্রযেক্টটা এখনো টিকিয়ে রেখেছি।

Calm... like a bomb.

১০ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন পরিবেশ প্রকৌশলী (১০-১০-২০১৪ ১৪:৩৫)

Re: দ্য বার্নিং ইস্যু - এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স , প্রেক্ষিত – বাংলাদেশ ।

কিঞ্চিত অফটপিক:  blushing
@invarbrass
১। কুরিয়ার করে ঢাকা পাঠিয়ে রিপোর্ট করে আবার ফেরত আনার খরচের চেয়ে আপনাদের সার্ভিস ব্যবহার করা হলে রিপোর্ট প্রতি খরচ কতটুকু (টাকায় বা % এ) বেশি পরে?
২। টিপিকাল পদ্ধতিতে ৫ দিন পর রিপোর্ট আসলে সেই পাঁচদিন রোগী (মুরগী) ক্লিনিকে আটকে থেকে যত টাকা দিবে সেটা পরেরদিনই রিপোর্ট পাইলে তো কমে যাবে, যা ক্লিনিকের লস হিসেবে দেখে তাই না?

১১ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (১০-১০-২০১৪ ১৫:১৮)

Re: দ্য বার্নিং ইস্যু - এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স , প্রেক্ষিত – বাংলাদেশ ।

পরিবেশ প্রকৌশলী লিখেছেন:

১। কুরিয়ার করে ঢাকা পাঠিয়ে রিপোর্ট করে আবার ফেরত আনার খরচের চেয়ে আপনাদের সার্ভিস ব্যবহার করা হলে রিপোর্ট প্রতি খরচ কতটুকু (টাকায় বা % এ) বেশি পরে?

আমাদের প্যানেল মূলতঃ চেন্নাই বেজড। তাই রিপোর্টিং ফী সামান্য বেশি - লোকাল রেডিওলজিস্টের থেকে ২-৪০০ টাকা বেশি পড়ে। তবে এখানে জেনে রাখা প্রয়োজন একটি সিটি/এমআরআই-য়ের জন্য নূন্যতম ৭-৮ হাজার থেকে ১৫-২০ হাজার অব্ধি চার্জ করে ল্যাবগুলো। তারা রোগীর কাছ থেকে যা আদায় করে তার বড়জোর ~10% হলো রিপোর্টিং চার্জ, অল্প কিছু কেইসে আরেকটু বেশি হয় তবে কখনোই 15%-এর বেশি না।

প্রথমদিকে আমরা কিছুদিন দেশী ডাক্তারদের দিয়ে চেষ্টা করেছিলাম - তবে আমাদের দেশের লোকদের মধ্যে কমিটমেন্টের কিঞ্চিৎ অভাব আছে। ডিজিটাল সিস্টেমেও যদি এ্যনালগের মত ধীরগতিতে কাজ চলে, তবে এতো ঝামেলার আর কি দরকার?
ডাক্তারদেরও দোষ দিতে পারছি না - ওঁরা নিজেদের সংশ্লিষ্ট ক্লিনিকগুলোর (ফিজিকাল ফিল্ম) কেইস নিয়ে প্রচণ্ড ব্যস্ত থাকেন, বাইরের কেইসগুলো ধরেন সবার শেষে। ডাক্তাররা ভিউবক্সে কালো প্লাস্টিক লাগাতে বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। অনেকটা ইবুক রীডার বনাম ফিজিকালী বই পড়ার মতো ব্যাপার... আপাততঃ পুরো সিস্টেমটা ডিজিটাইজড না হওয়া পর্যন্ত কোনো সমাধান নেই। তার ওপর, তরুণ তবে অনভিজ্ঞ ডাক্তারদের দিয়ে ল্যাবগুলো কাজ করাতে চায় না। ফলে হাতেগোনা কয়েকজন এক্সপার্টের পেছনে ছুটতে হয়... never ending circle...  neutral

তুলনামূলকভাবে চেন্নাইয়ের ডাক্তাররা sincere অনেকবার ভোর রাতে সার্ভারে লগিন করে দেখি রাত ৪-৫টা বাজেও ওদিক থেকে একজন সিনিয়ার রেডিওলজিস্ট কেইস ওপেন করে রিপোর্টিং করে চলেছেন। (উনি অবশ্য মানুষ না মেশিন তা নিয়ে সন্দেহ আছে big_smile ) অবশ্য বর্তমানের প্যানেল খাড়া করাতেও প্রচুর ঝক্কি পোহাতে হয়েছিলো। কম করে হলেও ৭/৮ জন ভারতীয় স্পেশালিস্ট আমরা প্যানেলে নিয়েও পরে বাদ দিতে বাধ্য হয়েছিলাম - খুবই লজ্জাজনক, বিব্রতকর পরিস্থিতি। কাউকে ডেকে এনে পরে আবার রিজেক্ট করা.... এটা আমাদের জন্যও যেমন প্রচণ্ড বিব্রতকর ব্যাপার, তাদের জন্যও অবমাননাকর। সে যাকগে, বর্তমানের প্যানেলটি বেশ ইফেক্টিভ এবং এফিশিয়েন্ট। তারপরেও ঝামেলা লেগেই আছে। ক্লিনিকগুলো সার্ভিস নিচ্ছে ঠিকই, কিন্তু পেমেন্ট করার সময় ধানাইপানাই করে। এই পোস্ট লেখার ঠিক ১০ মিনিট আগে চেন্নাই থেকে আমাদের কর্মচারী মেসেজ করে জানতে চাইলো ডাক্তারদের ২ মাসের বিল বাকী রয়েছে, টাকা কখন পাঠাবো? এটাও প্রচণ্ড বিরক্তিকর ব্যাপার। বেশ কয়েকবার ক্লায়েণ্টদের আল্টিমেটাম দিয়েছি সময়মতো বিল পরিশোধ না করলে সবকিছু বন্ধ করে ভেগে যাবো - ধমক খেয়ে পরের ২/৪ মাস ঠিক থাকে, তারপর আবার থোড় বড়ি খাড়া! angry এখন অগাস্ট থেকে বিল বকেয়া পড়ে আছে। আগামীকাল থেকে আবার তাগাদা শুরু করতে হবে sad

এটা বাদে আমরা কিছু স্থানীয় ডাক্তারদের আমাদের টেলিমেডিসিন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করার সুযোগ দিচ্ছি। একজন ডাক্তার সম্প্রতি ঢাকায় ট্রান্সফার হয়ে গিয়েছিলেন। গত কয়েকমাস ধরে তিনি আমাদের টেকনলজী ব্যবহার করে রিপোর্টিং করছেন, আয়ও করছেন - তবে কোম্পানীর কোনো লাভ হচ্ছে না। neutral

পরিবেশ প্রকৌশলী লিখেছেন:

২। টিপিকাল পদ্ধতিতে ৫ দিন পর রিপোর্ট আসলে সেই পাঁচদিন রোগী (মুরগী) ক্লিনিকে আটকে থেকে যত টাকা দিবে সেটা পরেরদিনই রিপোর্ট পাইলে তো কমে যাবে, যা ক্লিনিকের লস হিসেবে দেখে তাই না?

নাহ, এটা আসলে একটা ডায়াগনোস্টিক ল্যাব - এরা রোগী রাখে না। বরং যত তাড়াতাড়ি আগের কেইস ক্লোজ করে নতুন কেস ধরা যায় তাতেই ওদের লাভ। ১টা এমআরআই মেশিন দিনে সীমিত সংখ্যক স্ক্যান করতে পারে। তবে আপনি ঠিকই ধরেছেন!  big_smile  আগের মুরগা সিস্টেমে প্রাইভেট হাসপাতালগুলো বেশি লাভবান হতো।  lol

Calm... like a bomb.

১২

Re: দ্য বার্নিং ইস্যু - এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স , প্রেক্ষিত – বাংলাদেশ ।

উত্তরণের কোন উপায় বের হওয়া দরকার। sad

১৩

Re: দ্য বার্নিং ইস্যু - এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স , প্রেক্ষিত – বাংলাদেশ ।

উত্তরণের পথ একটাই সেটা হলো- বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এন্টিবায়োটিক গ্রহণ না করা।

১৪

Re: দ্য বার্নিং ইস্যু - এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স , প্রেক্ষিত – বাংলাদেশ ।

ইলিয়াস লিখেছেন:

উত্তরণের পথ একটাই সেটা হলো- বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া এন্টিবায়োটিক গ্রহণ না করা।

বাঙ্গালি ৩০০/৪০০ টাকা ভিজিট দিয়া ডাক্তার দেখাবে জ্বর / ছোটখাটো অসুখের জন্য?
অসম্ভব। sad

১৫

Re: দ্য বার্নিং ইস্যু - এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স , প্রেক্ষিত – বাংলাদেশ ।

অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট পড়া হলো।
সচেতনতা বৃদ্ধি করা অপরিহার্য।

...Finding...

১৬

Re: দ্য বার্নিং ইস্যু - এন্টিবায়োটিক রেজিসটেন্স , প্রেক্ষিত – বাংলাদেশ ।

তিতাস লিখেছেন:

অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট পড়া হলো।
সচেতনতা বৃদ্ধি করা অপরিহার্য।

এই বিষয় সম্পর্কে স্বাস্থ্য মন্ত্রনায়নলের কোন আইডিয়া আছে বলে আমার মনে হয় না।