টপিকঃ MRI মেশিনে লোহার জিনিষ ঢুকালে যা হয়

http://www.sciencedump.com/sites/www.sciencedump.com/files/imagecache/img/plaatjes/Screen%20Shot%202014-10-01%20at%2022.25.47.jpg

MRI এর ফুল ফর্ম হলো ম্যাগনেটিক রেসোনেন্স ইমেজিং। এর মধ্যে পাওয়ারফুল ম্যাগনেট এর মাধ্যমে শরীরের অভ্যন্তরীর কার্যকলাপ পর্যবেক্ষন করা হয়। এর মধ্যে যাওয়ার সময় কোনো লোহার বস্তু নিয়ে যাওয়া হারাম।
নিম্নের ভিডিওটি দেখলে বুঝবেন কেন।

এম. মেরাজ হোসেন
IQ: 113
http://www.iq-test.cc/badges/4774105_3724.png

Re: MRI মেশিনে লোহার জিনিষ ঢুকালে যা হয়

ওয়াও......এতো ডেঞ্জারাস ম্যাগনেটিক পাওয়ার....... surprised অনেকের আছেনা......হাতে পায়ে রড বা স্ক্রু লাগানো তারা এই জিনিষ কেম্নে ইউজ করে......?

টিপসই দিবার চাই....স্বাক্ষর দিতে পারিনা......

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (০৩-১০-২০১৪ ১৩:৫৫)

Re: MRI মেশিনে লোহার জিনিষ ঢুকালে যা হয়

প্রায় ৮/৯ বছর আগে সরকারী হাসপাতালে অনারারী (প্র্যাকটিকালীঃ অনাহারী - গাধার খাটনী খাটিয়ে নিতো কিন্তু টাকাটুকা কিছুই দিতো না sad ) মেডিকেল অফিসার ছিলাম। কাছের একটি প্রাইভেট ল্যাবোরেটরীতে টুপাইস কামানোর আশায় ঢুঁ মেরেছিলাম। ওই প্রতিষ্ঠানে তখন নতুন (সম্ভবতঃ 0.5 টেসলা) এমআরআই মেশিন ইনস্টল হয়েছিলো। রুমের দরজার গায়ে বড় বড় করে মোবাইল, ঘড়ি, পেসমেকার ও অন্যান্য ধাতব বস্তুর ব্যাপারে ওয়ার্নিং পোস্টার সাঁটানো ছিলো।

একদিন স্ক্যানিং চলা অবস্থায় একজন রেডিওগ্রাফার পকেটে একগোছা চাবী নিয়ে ভুল করে রুমে ঢুকে পড়েছিলো। মেশিনের কাছাকাছি যেতেই তার প্যান্টের সামনের দিকটা ছিঁড়ে পকেটের চাবী উড়ে গিয়ে গ্যাণ্ট্রীর সাথে ভীষণ শব্দে সেঁটে গিয়েছিলো। lol লোকটার ভাগ্য ভালো যে মেশিনের কোনো ক্ষতি হয় নি - নইলে ও ব্যাটার চাকরী যেতো নির্ঘাত। ভাগ্য আরো ভালো যে, ও চাবীর গোছাটা রেখেছিলো সামনের পকেটে, যদি পেছনের পকেটে রাখতো.... tongue

ওয়াও......এতো ডেঞ্জারাস ম্যাগনেটিক পাওয়ার....... surprised অনেকের আছেনা......হাতে পায়ে রড বা স্ক্রু লাগানো তারা এই জিনিষ কেম্নে ইউজ করে......?

শরীরে মেটাল ইমপ্ল্যানট আছে (পেসমেকার, রিং, অর্থোপেডিক কাস্ট) এমন রোগীর এমআরআই করা হয় না। ওদের সিটি স্ক্যান করে। সিটি স্ক্যান মূলতঃ এক্সরে-র মতই।

Calm... like a bomb.

Re: MRI মেশিনে লোহার জিনিষ ঢুকালে যা হয়

invarbrass লিখেছেন:

শরীরে মেটাল ইমপ্ল্যানট আছে (পেসমেকার, রিং, অর্থোপেডিক কাস্ট) এমন রোগীর এমআরআই করা হয় না। ওদের সিটি স্ক্যান করে। সিটি স্ক্যান মূলতঃ এক্সরে-র মতই।

MRI এর বদলে CT স্ক্যান করলে কোনো ঝামেলা হয়না?

এম. মেরাজ হোসেন
IQ: 113
http://www.iq-test.cc/badges/4774105_3724.png

Re: MRI মেশিনে লোহার জিনিষ ঢুকালে যা হয়

এই ধরনের একটা ক্লিপ মনে হয় ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে দেখেছিলাম।

এখনো অনেক অজানা ভাষার অচেনা শব্দের মত এই পৃথিবীর অনেক কিছুই অজানা-অচেনা রয়ে গেছে!! পৃথিবীতে কত অপূর্ব রহস্য লুকিয়ে আছে- যারা দেখতে চায় তাদের নিমন্ত্রণ।

Re: MRI মেশিনে লোহার জিনিষ ঢুকালে যা হয়

invarbrass লিখেছেন:

সিটি স্ক্যান মূলতঃ এক্সরে-র মতই।


দাদা যদি সিটি স্ক্যান কে তাহলে এক্স-রের আধুনিক ভার্সন বলা চলে?? কারণ যতদূর জানি সিটি স্ক্যান নাকি দেহের স্পেসিফিক অংশে করা হয় আর MRI সর্ম্পূণ শরীরের। তাছাড়া MRI বা সিটি স্ক্যান করাটা নাকি মানবদেহের জন্য ক্ষতি [লোক মুখে শোনা]।

আমাদের দেশে নির্ভুল ভাবে MRI ও সিটি স্ক্যান কোথায় করা হয়??? খরচ কেমন পরে??

সব কিছু ত্যাগ করে একদিকে অগ্রসর হচ্ছি

লেখাটি CC by-nd 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: MRI মেশিনে লোহার জিনিষ ঢুকালে যা হয়

এটা হাইয়েস্ট কয় টেসলা হয় ?

মুইছা দিলাম। আমি ভীত !!!

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন তার-ছেড়া-কাউয়া (০৮-১০-২০১৪ ২২:০৮)

Re: MRI মেশিনে লোহার জিনিষ ঢুকালে যা হয়

মেরাজ০৭ লিখেছেন:
invarbrass লিখেছেন:

শরীরে মেটাল ইমপ্ল্যানট আছে (পেসমেকার, রিং, অর্থোপেডিক কাস্ট) এমন রোগীর এমআরআই করা হয় না। ওদের সিটি স্ক্যান করে। সিটি স্ক্যান মূলতঃ এক্সরে-র মতই।

MRI এর বদলে CT স্ক্যান করলে কোনো ঝামেলা হয়না?

আপডেটঃ মেটাল ইমপ্লেন্টওয়ালাদের সিটি স্ক্যান করলে ঝামেলা হয় না। এইটা বেসিক্যালি ৩৬০ ডিগ্রী এক্সরে। ম্যাগনেটিক রেসোনেন্স এখানে অ্যাপ্লাই করা হয় না এমআরআই এর মতন। আর বাকিটা ইনভারব্রাস ভাই বলে দিয়েছেন।

রাবনে বানাদি ভুড়ি :-(

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (০৪-১০-২০১৪ ১৫:০৪)

Re: MRI মেশিনে লোহার জিনিষ ঢুকালে যা হয়

MRI এর বদলে CT স্ক্যান করলে কোনো ঝামেলা হয়না?

দাদা যদি সিটি স্ক্যান কে তাহলে এক্স-রের আধুনিক ভার্সন বলা চলে?? কারণ যতদূর জানি সিটি স্ক্যান নাকি দেহের স্পেসিফিক অংশে করা হয় আর MRI সর্ম্পূণ শরীরের। তাছাড়া MRI বা সিটি স্ক্যান করাটা নাকি মানবদেহের জন্য ক্ষতি [লোক মুখে শোনা]।

CT scan আসলে কম্পিউটারাইজড হাই-এণ্ড এক্সরে টেকনলজী - মাল্টিপল এ্যাঙ্গল থেকে এক্সরে রেডিয়েশন শরীরের ভেতর পাস করিয়ে ইমেজ এ্যাকোয়ার করা হয়। কনভেনশনাল এক্সরে থেকে সিটি-র রেডিয়েশন লেভেল অনেক হাই - সাধারণ এক্সরে-র তুলনায় ১০০ থেকে ১০০০ গুণ পর্যন্ত বেশি রেডিয়েশন সিটি স্ক্যানার এমিট করতে পারে। তাই সিটি স্ক্যান প্রেসক্রাইব করার আগে রোগীর রিস্কঃরিওয়ার্ড রেশিও গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হয় ডাক্তারদের। সাধারণ রূল অব থাম্ব হলোঃ যে সব মারাত্বক কন্ডিশন বা ডিজিজে রোগীর প্রাণহানী বা গুরুতর ও স্থায়ী দৈহিক ক্ষতির সম্ভাবনা (যেমন ভায়োলেণ্ট এ্যাক্সিডেণ্ট/ট্রমা, ম্যালিগন্যানট ক্যান্সার, ব্রেইন হেমোরেজ) থাকে সে সব ক্ষেত্রে সিটি স্ক্যান অর্ডার করা হয়। এ ক্ষেত্রে এক্সরে রেডিয়েশন খাইয়ে হলেও দ্রুত সঠিক ডায়াগনোসিস ও সুচিকিৎসা করে অন্ততঃ রোগীর প্রাণ বাঁচানো যায় বা আরো বেশি ক্ষয়ক্ষতি রোধ করা যায়। প্রেগন্যান্ট বা এক্সপেক্টিং মহিলাদের সিটি স্ক্যান করা নিষিদ্ধ - unless absolutely necessary.

এমআরআই তে রেডিও ওয়েভ শরীরের ভেতর দিয়ে পাস করে শক্তিশালী ম্যাগনেটিক রিসিভারে তা ডিটেক্ট করে এবং ইমেজ রিকন্সট্রাক্ট করে। সাধারণভাবে MR শরীরের জন্য নিরাপদ বলে গণ্য করা হয়। অন্ততঃ গত ৩৫ বছরে কোনো ক্ষতিকর প্রভাব পাওয়া যায় নি (তবে এখনো আবিষ্কৃত হয়নি বলেই যে কোনো প্রভাব নেই তা কেউ বলছে না)

সিটি ও এমআর-এর উপযোগীতা ভিন্ন। বিভিন্ন ক্যান্সার, ব্রেইন প্যাথলজী, স্ট্রোক (ইশকিমিয়া, হেমোরেজ), বোন প্যাথলজী/ফ্র্যাকচার, হার্ট, চেস্ট ইত্যাদি অঙ্গ/প্রত্যঙ্গ পরীক্ষা করতে সিটি বেশি কার্যকরী। পক্ষান্তরে শরীরের মাংসপেশী, লিগামেণ্টস, জয়েণ্টস, স্পাইনাল কর্ড ইত্যাদি পরীক্ষা করতে এমআর বেশি উপযোগী।

এটা হাইয়েস্ট কয় টেসলা হয় ?

11.75T
বাংলাদেশের এমআর গুলো বেশিরভাগই ১-১.৫ টেসলার কম। খুব অল্প কিছু জায়গায় ২.৫-৩ টেসলা ডিভাইস আছে। ১.৫-২ টেসলা একটা স্ক্যানারের ইনস্টলেশন কস্ট ৬-৭ কোটি টাকা। এছাড়া অপারেটিং কস্ট, মেইনটেনেন্স ইত্যাদি তো আছেই।

Calm... like a bomb.

১০

Re: MRI মেশিনে লোহার জিনিষ ঢুকালে যা হয়

invarbrass লিখেছেন:

CT scan আসলে কম্পিউটারাইজড হাই-এণ্ড এক্সরে টেকনলজী - মাল্টিপল এ্যাঙ্গল থেকে এক্সরে রেডিয়েশন শরীরের ভেতর পাস করিয়ে ইমেজ এ্যাকোয়ার করা হয়। কনভেনশনাল এক্সরে থেকে সিটি-র রেডিয়েশন লেভেল অনেক হাই - সাধারণ এক্সরে-র তুলনায় ১০০ থেকে ১০০০ গুণ পর্যন্ত বেশি রেডিয়েশন সিটি স্ক্যানার এমিট করতে পারে। তাই সিটি স্ক্যান প্রেসক্রাইব করার আগে রোগীর রিস্কঃরিওয়ার্ড রেশিও গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করতে হয় ডাক্তারদের।

কাগজে কলমে অনেক মনে হলেও এই আয়োনাইজিং রেডিয়েশন আসলে তেমন কিছু না। আমরা কনস্ট্যন্টলি সূর্যের রেডিয়েশনের নিচেই আছি। যদিও এলাকা ভিত্তিতে এর মাত্রা নির্ভর করে। তবে এটা বিবেচনা করলে যে লাইফে আমরা এর থেকে বেশী ক্ষতিকর জিনিশে এক্সপৌউসড এইসব রেডিয়েশন তেমন কিছু না। এই রেডিয়েশনের সাথে ক্যন্সার রিস্কের যে ব্যপারটা জড়িত সেটা সাথে সাথে পরীক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই। এটা লংটার্ম ইফেক্ট যা নিয়ে স্টাডি করা হয়েছিলো হিরোশিমার রেডিয়েশনে যারা এক্সপৌউসড হয়েছিলো তাদের নিয়ে এরপরে সেরকম কোনো কনক্লুসিভ ক্লিনিকাল ট্রায়াল করা হয়নি।

তবে এমআরআই এর বদলে সিটি স্ক্যন করে খুব একটা লাভ নেই। এমআরআই যতটা ডিটেইলড পিকচার দেয় সেটা সিটিতে পাওয়া যায়না। তাই ভিতরকার সমস্যা গুলো ধরার জন্য এমআরআই হচ্ছে বেস্ট। আমার নিজের ২ বার এমআরআই করা লাগছে এই দুই মাসে। ওহ, বয়! খুবই বাজে এক্সপিরিয়েন্স ঐ জিনিশের ভিতর ঢুকে থাকা। sad যদিও আমাকে প্যন্ডোরা শোনার ব্যবস্থা করে দেয়া হয়েছিলো নাহলে ঐ জঘন্য শব্দে দম বন্ধ হয়ে মারাই যেতাম মনে হয়।

Rhythm - Motivation Myself Psychedelic Thoughts

লেখাটি CC by 3.0 এর অধীনে প্রকাশিত

১১ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন invarbrass (১২-১০-২০১৪ ১০:৪১)

Re: MRI মেশিনে লোহার জিনিষ ঢুকালে যা হয়

আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:

কাগজে কলমে অনেক মনে হলেও এই আয়োনাইজিং রেডিয়েশন আসলে তেমন কিছু না। আমরা কনস্ট্যন্টলি সূর্যের রেডিয়েশনের নিচেই আছি। যদিও এলাকা ভিত্তিতে এর মাত্রা নির্ভর করে। তবে এটা বিবেচনা করলে যে লাইফে আমরা এর থেকে বেশী ক্ষতিকর জিনিশে এক্সপৌউসড এইসব রেডিয়েশন তেমন কিছু না। এই রেডিয়েশনের সাথে ক্যন্সার রিস্কের যে ব্যপারটা জড়িত সেটা সাথে সাথে পরীক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই। এটা লংটার্ম ইফেক্ট যা নিয়ে স্টাডি করা হয়েছিলো হিরোশিমার রেডিয়েশনে যারা এক্সপৌউসড হয়েছিলো তাদের নিয়ে এরপরে সেরকম কোনো কনক্লুসিভ ক্লিনিকাল ট্রায়াল করা হয়নি।

সব রেডিয়েশন সমান না। আয়োনাইজিং রেডিয়েশন মানে এ্যাটম থেকে ইলেক্ট্রন নক অফ করে (আয়নাইজ) করতে পারে যে রেডিয়েশন। এক্স/গামা-রে এই কাজটা করে।

আমার জানা মতে ভিজিবল লাইট (সানলাইট) আয়নাইজিং রেডিয়েশনের মধ্যে পড়ে না (ভুলও হতে পারে)। আপনি বোধহয় কসমিক রে-র কথা বলছেন। কসমিক রে আয়নাইজিং রেডিয়েশন। তবে এটা ক্যান্সার করে নাকি করে না তার পক্ষে বা বিপক্ষে সম্ভবতঃ কোনো ডেটা নাই। তাছাড়া, এই ধরণের এক্সপেরিমেণ্ট করাও ডিফিকাল্ট। দুনিয়ার ১০০% মানুষ কসমিক রেডিয়েশনে ভাসছে।  thinking হয়তো মাটির কয়েক কিলোমিটার গভীরে কিছু মানুষ বন্দী করে কয়েক শ জেনারেশন / কয়েক হাজার বছর ব্রিডীং করার পরে ওই মরলক স্পীশিজের ওপর এক্সপেরিমেণ্ট করলে হয়তো ইফেক্ট বোঝা যেতে পারে  lol

এক্সরে, গামা-রে ইত্যাদি হাই-ফ্রিকোয়েন্সী রেডিয়েশন যে ক্যান্সার রিস্ক বাড়িয়ে দেয় এটা মোটামুটি ওয়াইডলী এ্যাকনলেজড। হিরোশিমা/নাগাসাকী-র পরেও চেরনোবিল নিয়ে রিসার্চ হয়েছিলো।

এছাড়া, ডাইরেক্ট এভিডেন্সও আছে প্রচুর। কয়েক শতাব্দী আগে এক্সরে আবিষ্কারের পর এটা ম্যাজিক বলে মনে করতো মানুষ। এমনকি সামান্য পেপটিক আলসার ট্রীট করতেও নাকি তারা হাই-ডোজ এক্সরে মারতো - ওই সব রোগীদের মধ্যে স্টমাক, প্যাংকৃয়াস ক্যান্সারের হাই-ইনসিডেন্স দেখা গেছে। এছাড়া আগেকালের এক্সরে টেকনিশিয়ান, হেলথ ওয়ার্কাররা যারা ডিরেক্ট এক্সরে রেডিয়েশন পেতো না তবে একই রুমে থাকার কারণে ব্যাকগ্রাউণ্ড রেডিয়েশন খেতো - ওদের মধ্যেও প্রোলঙ্গড এক্সপোজার থেকে ক্যান্সার ও অন্যান্য হেলথ ইফেক্ট পাওয়া গেছে।

এমনকি, এই যুগেও ক্যান্সার ট্রিটমেণ্টের জন্য রেডিওথেরাপী দেওয়ার আগে পরে অনেক হিসাব নিকাশ, মনিটরিং করতে হয়... অনেক সময় রেডিওথেরাপী থেকেই আবার অন্য ক্যান্সার ডেভেলপ করতে পারে।

যাকগে, এক্সরে যে কার্সিনোজেনিক এটা জেনারেলী এ্যাক্সেপটেড। এমনকি খুব minuscule ডোজের এক্সরে-ও জেনেটিক মিউটেশন করে - which may or may not translate into cancer...

গুড নিউজ হলো, টেকনলজীর উন্নতির কারণে এক্সরে-র রেডিয়েশন ডোসেজ অনেক মিনিমাইজ করা গেছে। এখন রেডিয়েশন এ্যামাউণ্ট মিলি আর মাইক্রো সিভার্টে ক্যালকুলেট করে (কয়েক শতাব্দী আগে গিগা সিভার্টের রেডিয়েশন খেতো মানুষ  ghusi ) এছাড়া এক্সরে/সিটি/রেডিওথেরাপী রুমের দেয়াল গুলোর ভেতরে খুব মোটা মেটালিক রেডিয়েশন শীল্ড দিয়ে মোড়ানো থাকে; ফলে হাসপাতাল/ক্লিনিকে গেলেও ভয়ের কোনো কারণ নাই।

তবে এটা ঠিক বলেছেন - এক্সরে, সিটি নিয়ে একটু হাউকাউ বেশি হয়। অথচ আমরা UHF, VHF, GSM/CDMA রেডিয়েশনের মধ্যে 24X7 ভাসছি - অথচ ওইগুলো নিয়ে তেমন কোনো রিসার্চ নাই। এমনকি এটাও শুনেছি হাইভোল্টেজ পাওয়ারলাইনের কাছে যারা থাকে তাদের ওপরও নাকি পিকিউলিয়ার সব এ্যাডভারস হেলথ ইফেক্ট হয়।

এইখানে একটা রেডিয়েশন ক্যালকুলেটর আছে - কতটুকু এ্যাকুরেট জানি না। তবে এখানে দেখাচ্ছে আমার এইজঃসেক্স এ্যডজাস্ট করে একটা ব্রেইন সিটি থেকে ক্যান্সার ডেভেলপ করার যে রিস্ক আছে, তার প্রায় ৭০,০০০% বেশি রিস্ক রোড ট্রাফিক এ্যাক্সিডেণ্টে পটল তোলার, ইভেন পানিতে ডুবে এ্যাসফিক্সিয়ায় মরার লাইকলীহুডও দেখতেছি রেডিয়েশন ক্যান্সারের তুলনায় ৭/৮ গুণ বেশি  big_smile

আহমাদ মুজতবা লিখেছেন:

তবে এমআরআই এর বদলে সিটি স্ক্যন করে খুব একটা লাভ নেই। এমআরআই যতটা ডিটেইলড পিকচার দেয় সেটা সিটিতে পাওয়া যায়না। তাই ভিতরকার সমস্যা গুলো ধরার জন্য এমআরআই হচ্ছে বেস্ট। আমার নিজের ২ বার এমআরআই করা লাগছে এই দুই মাসে। ওহ, বয়! খুবই বাজে এক্সপিরিয়েন্স ঐ জিনিশের ভিতর ঢুকে থাকা। sad যদিও আমাকে প্যন্ডোরা শোনার ব্যবস্থা করে দেয়া হয়েছিলো নাহলে ঐ জঘন্য শব্দে দম বন্ধ হয়ে মারাই যেতাম মনে হয়।

depends on which body part is being scanned... অনেক ক্ষেত্রে এমআরআই নিয়ার ইউজলেস, তেমনি অনেক ক্ষেত্রে সিটি-ও খুব একটা কাজে দেয় না। in general, CT-র applicability একটু wider...

MRI যদি সবজায়গায় কাজ করতো, তাহলে সিটি-র মতো hazardous টেকনলজী বহু আগেই obsolete হয়ে যেতো। CT, xray, fluoroscopy, PET, gamma camera ইত্যাদি টিকে আছে কারণ এদের রিপ্লেসমেণ্ট কিছু নাই।  sad এগুলো necessary evil না বরং extremely necessary evil... especially when yoy're confronting life or death questions...

Calm... like a bomb.