সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন হাজাম (১৯-০৮-২০১৪ ১৪:৩১)

টপিকঃ ভাষানটেকে গণধর্ষণ

রাজধানীর ভাষানটেকে গণধর্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে। সোমবার দুপুরে ধর্ষিতনিজেই বাদী হয়ে ভাষানটেক থানায় মামলাটি দায়ের করে। এতে চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। তবে এই ঘটনায় রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

ভাষানটেক থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম নবী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, কিশোরীর অভিযোগ এজাহার হিসেবে নেওয়া হয়েছে। মামলা নম্বর ১১, তারিখ ১৮ আগস্ট ২০১৪। মামলা দায়েরের পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্তের স্বার্থে এজাহারে উল্লেখিত আসামিদের নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

তিনি আরো জানান, আজ (সোমবার) নির্দিষ্ট সময় পার হয়ে যাওয়ায় মেডিকেল করা সম্ভব হয়নি। তবে মঙ্গলবার তার মেডিকেল চেক-আপ হবে।

ভাষানটেকের ১ নম্বর বস্তির ১৪ বছরের ওই কিশোরীকে রোববার রাতে কয়েকজন বখাটে যুবক জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। এরপর একটি কক্ষে আটকে রেখে রাতভর পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করা হয়। - See more at: http://www.sheershanews.com/2014/08/18/ … QAUDT.dpuf

Re: ভাষানটেকে গণধর্ষণ

হাজাম লিখেছেন:

ভাষানটেকে শিশূ গণধর্ষণ

হাজাম লিখেছেন:

রাজধানীর ভাষানটেকে কিশোরী গণধর্ষণের

টাইটেলে শিশু, ভিতরে কিশোরী। কোনটা সঠিক?

এম. মেরাজ হোসেন
IQ: 113
http://www.iq-test.cc/badges/4774105_3724.png

Re: ভাষানটেকে গণধর্ষণ

কি খবর রে বাবা  hairpull hairpull

জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহুয়া আহলুহু......
এই মেঘ এই রোদ্দুর

Re: ভাষানটেকে গণধর্ষণ

মেরাজ০৭ লিখেছেন:

টাইটেলে শিশু, ভিতরে কিশোরী। কোনটা সঠিক?

১৮ বছরের নীচে সবাই কি শিশু নয়?

Re: ভাষানটেকে গণধর্ষণ

হাজাম লিখেছেন:
মেরাজ০৭ লিখেছেন:

টাইটেলে শিশু, ভিতরে কিশোরী। কোনটা সঠিক?

১৮ বছরের নীচে সবাই কি শিশু নয়?

সেটা ডিপেন্ড করে।

এম. মেরাজ হোসেন
IQ: 113
http://www.iq-test.cc/badges/4774105_3724.png

Re: ভাষানটেকে গণধর্ষণ

৮-১০ বছর পর্যন্ত (টেনেটুনে) শিশু বলা যায়।
তারপর কিশোর/ কিশোরী।
তারপর এডাল্ট (মানে +১৮ )

প্রজন্ম ফোরাম

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

Re: ভাষানটেকে গণধর্ষণ

আমি বুঝতে পারছিনা। এখানে বয়সের প্রশ্ন আসছে ক্যানো? এতে কি যে অত্যাচারিত সে কতখানি দায়ী তার বিশ্লেষন হবে কী?

Re: ভাষানটেকে গণধর্ষণ

যৌন তাড়না উঠলে বখাটেগুলো পুরো হায়েনাতে পরিনত হয়। হায়েনাগুলো টেনে ছিড়ে খাবলে খেতে চায়। পালাক্রমে ধর্ষন করলে কিশোরীর শারিরীক ও মানসিক অবস্থা কি হবে সেটা অনুমেয়। হতভাগ্য কিশোরীটি যাতে দ্রুত রিকোভারী করে এই পরিস্থিতি থেকে।

সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন amilee.2008 (২০-০৮-২০১৪ ২৩:১৭)

Re: ভাষানটেকে গণধর্ষণ

ছিন্নমূল লিখেছেন:

যৌন তাড়না উঠলে বখাটেগুলো পুরো হায়েনাতে পরিনত হয়। হায়েনাগুলো টেনে ছিড়ে খাবলে খেতে চায়।

যত দিন না আমরা মেয়েদের কে "মাল" হিসাবে না দেখে,
মা,বোন হিসাবে দেখতে শিখবো/ মেয়েদের কে সম্মান দিতে শিখবো বা আমাদের নতুন প্রজন্ম কে শেখাতে পারবো,
ততদিন এ সমস্যার কোনো সমাধান নেই মনে হয়।

প্রজন্ম ফোরাম

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১০ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন আরিফ হাসান (২০-০৮-২০১৪ ২৩:৩৩)

Re: ভাষানটেকে গণধর্ষণ

.

আলহামদুলিল্লাহ!

১১

Re: ভাষানটেকে গণধর্ষণ

amilee.2008 লিখেছেন:
ছিন্নমূল লিখেছেন:

যৌন তাড়না উঠলে বখাটেগুলো পুরো হায়েনাতে পরিনত হয়। হায়েনাগুলো টেনে ছিড়ে খাবলে খেতে চায়।

যত দিন না আমরা মেয়েদের কে "মাল" হিসাবে না দেখে,
মা,বোন হিসাবে দেখতে শিখবো/ মেয়েদের কে সম্মান দিতে শিখবো বা আমাদের নতুন প্রজন্ম কে শেখাতে পারবো,
ততদিন এ সমস্যার কোনো সমাধান নেই মনে হয়।

আজ্ঞে সবাইকে মা-বোন হিসাবে দেখলে তো মুশকিল।

আর বর্তমান সভ্যতায় মেয়েদের মাল হিসাবে না ভাবা খুবই মুশকিল। বিশেষত এ বিষয়ে মিডিয়ার প্রভাব সাংঘাতিক। তারা মেয়েদের তো বটেই ক্ষেত্র বিশেষে ছেলেদেরও মাল বানিয়ে ছাড়ছে।

সার জীবন জেনে এসেছে, গোসল করা বা স্নান করা খুব পার্সোনাল বিষয়। বিশেষত মেয়েদের গোসলরত অবস্থায় দেখার চেষ্টা করা বিরাট অন্যায়। এখন মা-বাবা, ভাই-বোন, ভাতিজি নিয়ে সুন্দরী মেয়েদের গোসল করা নিয়মিতই দেখছি (সাবানের বিজ্ঞাপন)। আজ খুব আগ্রহ নিয়ে বেবি-ডল (!!!) গান শুনলাম (দেখলাম)। মেয়েদের মাল ভাবাই ছাড়বে।

মেয়েরাও আজকাল নিজের হট (মাল) শুনতে বেশ পছন্দ করে দেখছি।


ধর্ষণ সব জায়গায় আছে। উদার আধুনিক আমেরিকা বা কট্টর ধার্মিক আরব- কোথায় নেই। সামাজিক ভাবে এটাকে কিভাবে দেখছি তা হলো বিষয়। আমার চাইলে সিংগাপুর হতে পারি অথবা ভারতের মত।

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

১২ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ছিন্নমূল (২১-০৮-২০১৪ ০১:০৬)

Re: ভাষানটেকে গণধর্ষণ

আরণ্যক লিখেছেন:

সার জীবন জেনে এসেছে, গোসল করা বা স্নান করা খুব পার্সোনাল বিষয়। বিশেষত মেয়েদের গোসলরত অবস্থায় দেখার চেষ্টা করা বিরাট অন্যায়। এখন মা-বাবা, ভাই-বোন, ভাতিজি নিয়ে সুন্দরী মেয়েদের গোসল করা নিয়মিতই দেখছি (সাবানের বিজ্ঞাপন)। আজ খুব আগ্রহ নিয়ে বেবি-ডল (!!!) গান শুনলাম (দেখলাম)। মেয়েদের মাল ভাবাই ছাড়বে।


সাবানের বিজ্ঞাপন দেখলে খাড়া হইয়া গেলে সেটা নিয়ন্ত্রন করতে জানতে হয়। মাইন্ড অন্যদিকে ডাইভার্ট করলে অশ্লীল চিন্তা মাথায় আসবে না। সাবানের বিজ্ঞাপন না, আমি তো বলবো বাংলাদেশে কনডমের বিজ্ঞাপনগুলো যেভাবে দেখায় সেটা আপত্তিজনক। আসল পুরুষ যে অ্যাড প্রচার হয় ২৪টা ঘন্টা সেটা খুব আপত্তিজনক। এই অ্যাড সফটপর্ণের সাথে তুলনীয়। এইসব অ্যাড দেখাবে কোনো প্রকার বাজে ইঙ্গিত না দিয়ে।

১৩

Re: ভাষানটেকে গণধর্ষণ

আমি অত্যন্ত গাধা যে এই টপিকে মন্তব্য করলাম।  angry angry angry angry angry

"সংকোচেরও বিহ্বলতা নিজেরই অপমান। সংকটেরও কল্পনাতে হয়ও না ম্রিয়মাণ।
মুক্ত কর ভয়। আপন মাঝে শক্তি ধর, নিজেরে কর জয়॥"

১৪

Re: ভাষানটেকে গণধর্ষণ

@আরন্যক ভাই
আজ্ঞে সবাইকে মা-বোন হিসাবে দেখলে তো মুশকিল।

আসলে আমার ভাবনার এঙ্গেলটা একটু অন্য রকম ছিলো। আপনি আমাকে ফিডব্যাক দিলেন অন্যভাবে।  big_smile big_smile
ওই একজন কে বাদ দিয়ে, সবাই কে মা, বোন ভাবুন, তাহলে আর সমস্যা হবেনা। কি বলেন?

প্রজন্ম ফোরাম

লেখাটি GPL v3 এর অধীনে প্রকাশিত

১৫ সর্বশেষ সম্পাদনা করেছেন ছিন্নমূল (২১-০৮-২০১৪ ০১:৪০)

Re: ভাষানটেকে গণধর্ষণ

‘বাংলাদেশে এত নারী ধর্ষণ কেন?’
২০১৪-০৮-২০

বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিবেদন এবং পুলিশের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে ধর্ষণ বাড়ছে ৷ বিশ্লেষকরা বলছেন, এর জন্য আইনের প্রয়োগে ঢিলেমি এবং সামাজিক অবস্থা দায়ী৷ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বিষয়টি প্রায়ই উঠে আসে৷

দেওয়ান তানভীর আহমেদ ধর্ষণের সাথে মেয়েদের পোশাকের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কিনা তা নিয়ে লিখেছেন৷ তিনি লিখেছেন, ‘‘কোনো নারী ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর যেসব মন্তব্য শুনতে হয় তা হলো, ‘এক হাতে তালি বাজে না!, মাইয়ারা কী দুধে ধোয়া? মাইয়াগো চলন বলনের ঠিক নাই, কাপড় চোপড়ের ঠিক নাই, এমনে চললে তো ধর্ষণ হইবই! আরে মিয়া ধর্ষণের লাইগা তো মাইয়ারাই দায়ী! মাইয়াগো যদি পর্দা ঠিক না থাকে তাইলে তো ধর্ষণ হইবই! মাইয়া মানুষ পর্দা না করলে পুরুষ মানুষের তো নজর লাগতেই পারে!'''

তিনি প্রশ্ন রেখেছেন, ‘‘আসলেই কি পর্দা নামক জিনিসটি গায়ে চাপিয়ে ধর্ষণ ঠেকানো সম্ভব?'৷ তানভীর বেশ কিছু জরিপ এখানে তুলে ধরেছেন৷ লিখেছেন, ‘‘ভারতের ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো-র জরিপ অনুযায়ী ধর্ষিতা নারীদের মধ্যে ৪৮% নারী বোরকা পরিধানকারী, ৪১% নারী সালোয়ার কামিজ বা শাড়ি পরিধানকারী এবং বাকি ১০% অন্যান্য পোষাক পরিধানকারী৷''

তাঁর প্রশ্ন, ‘‘যেখানে বোরকা পরিধানকারী নারীরাই ধর্ষণের শিকার হচ্ছে, সেখানে বোরখা বা বোরকা কীভাবে নারীকে ধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা করতে পারে, আপনারাই বলুন?''

তিনি আরো একটি উদাহরণ তুলে ধরেছেন৷ লিখেছেন, ‘‘আপনারা কি কখনো কুকুরের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় একটা ব্যাপার লক্ষ করেছেন? যদি আপনি একটা কুকুরের সামনে দিয়ে ধীরে সুস্থে হেঁটে চলে যান, তাহলে কিন্তু কুকুরটা আপনার দিকে ফিরেও তাকাবে না৷ কিন্তু যদি আপনি কুকুরটার সামনে দিয়ে ঝেড়ে দৌড় দেন, তাহলে কিন্তু কুকুরটা আপনার পিছনে ধাওয়া করবে৷ অর্থাৎ আপনাকে নিজের চাইতে দুর্বল ভেবে কুকুরটি ধাওয়া করবে৷''

তিনি লিখেছেন, ‘‘মেয়েদের সাথেও ঠিক একই রকম ঘটনা ঘটে৷ আমাদের সমাজের কিছু সংখ্যক লোক নিজেদের নোংরা চরিত্র ঢাকার জন্য ধর্ষণের জন্য মেয়েদের দায়ী করে৷ আর যখন তারা দেখে যে তাদের কথায় প্রভাবিত হয়ে কোনো মেয়ে বস্তাবন্দি হচ্ছে, তখন তারা ধরে নেয় মেয়েটি দুর্বল৷ আর তখনই তারা মেয়েটির দুর্বলতার সুযোগ নেয়! পোশাক যেমন ধর্ষণের কারণ নয়, ঠিক তেমনি পোশাক কখনোই ধর্ষণ ঠেকাতে পারে না৷''

তিনি নারীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘‘বোনদের উদ্দেশ্যে বলছি, অন্যকে নিজের দুর্বলতার সুযোগ দিতে নেই৷ তাই কেউ আপনার গলা টিপে ধরবার আগে তারই গলা টিপে ধরুন৷ এটাই প্রতিবাদ, এবং প্রতিবাদেই সমাধান৷''

রাজীব নুর একই ব্লগে ধর্ষণ সম্পর্কে যে লেখাটি লিখেছেন তার শিরোনাম, ‘‘আমি একটি মেয়েকে ধর্ষণ করেছি৷'' তিনি লিখেছেন, ‘‘উন্নত দেশেও ধর্ষণ হয়, অপরাধ হয়৷ তবে সে দেশে অপরাধের অন্তত বিচার হয়৷ আমাদের দেশেও অপরাধ হয় – অপরাধী রাজার হালে বুক ফুলিয়ে ঘোরে৷ কোনো বিচার হয় না৷''

তিনি একটি ঘটনা বর্ণনা করেছেন৷ লিখেছেন, ‘‘যশোর বন্ধুর বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিলাম৷ আমার ঘুম আসছিল না, তাই কার্লভাটের উপর বসে ছিলাম৷ হঠাত দেখি – একটা মেয়ে আমার দিকে দৌড়ে আসছে৷ মেয়েটি আমার কাছে এসে কাঁদতে কাঁদতে বলল, ‘আমাকে বাঁচান৷ এই সময় দেখি আমার চারপাশে চারজন লোক আমাকে ঘিরে ফেলেছে৷' একজন আমাকে বলল, ‘কোনো ঝামেলা করবেন না৷ আমরা এই মেয়েটিকে নিয়ে যাব৷' তাদের চারজনের হাতে পিস্তল, ছুরি, রাম-দা৷ আমি বললাম, ‘আমি কোনো ঝামেলা করবো না৷ আপনারা মেয়েটিকে নিয়ে যেতে পারেন৷'''

তিনি লিখেছেন, ‘‘মহাজোট সরকারের ৪ বছরে ১৩ হাজার ধর্ষণ, নারী নির্যাতন ৬৭ হাজার৷ নারী পুরুষ নির্বিশেষে সবার সচেতনতার মাধ্যমই হল এর এক মাত্র প্রতিষেধক৷ পত্রিকার পাতায়, কলামে কলামে, থানায় পুলিশের ডাইরিতে, আদালতে অসভ্য উকিলের আপত্তিকর জেরায় – একটা মেয়ের জন্যে কেউ নিরাপদ না৷ শিক্ষক, সহপাঠী, বন্ধু, বয়-ফ্রেন্ড, এলাকার ছেলে, আত্মীয় – পুরুষ, চাচা-মামা-খালু, দুলাভাই কেউ না৷ কর্মক্ষেত্রে কলিগ, অফিসের বস – সুযোগ পেলেই মিষ্টি হাসি ঝেড়ে ধর্ষকের রূপ ধরতে মুহূর্ত দেরি করেন না৷ বাসের হেল্পার, ক্যান্টিনবয়, হাসপাতালের ঝাড়ুদার, বাসার দারোয়ান কিংবা অফিসের পিয়ন – কেউই বাদ যায় না৷''

রাজীব বলতে চেয়েছেন, ‘‘একজন খুনির যদি সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হতে পারে, তবে একজন ধর্ষকের কেন নয়? ভোগবাদী সমাজে নারীমুক্তির স্লোগানের আড়ালে নারীরা চিরকালই ভোগের পণ্য? যে দেশে নারী সরকার, যে দেশে নারী বিরোধী দলীয় নেত্রী, স্পিকার নারী, নারী সংসদ সদস্য, সে দেশে কেন এত নারী ধর্ষণ? নারী নির্যাতন? কেন? কেন? কেন?''

- See more at: http://www.sangbad24.net/single.php?id= … 4yciv.dpuf